আজ সকালবেলা একটি জরুরি কাজে বের হয়েছিলাম। ড্রাইভার অন্য একটি গাড়ি নিয়ে বাইরে থাকায় লোকাল বাসে উঠতে হলো। বাসে উঠে পেছনের দিকে জায়গা খুঁজতে গিয়ে চোখে পড়লো এক তরুণ-তরুণীর ঘনিষ্ঠ অবস্থান। তাঁদের আচরণ চোখে লাগার মতো।
হঠাৎ পেছন থেকে একজন যাত্রী জিজ্ঞেস করলেন, তোমাদের বাসা কোথায়? ছেলেটি উত্তর দিল, ধানাইদহ। তোমাদের সম্পর্ক কী? ছেলেটি থতমত খেয়ে গেল, কোনো উত্তর দিল না। চোখেমুখে পরিষ্কার অস্বস্তি ও ভয়।
উক্ত ভদ্রলোক শুধু এটুকুই বললেন— এটা একটা পাবলিক বাস। নির্লজ্জতারও একটা সীমা থাকা উচিত।
সন্মানিত অভিভাবকগণ, আপনার অবর্তমানে আপনার মেয়েকে যত্ন করে যাচ্ছে তার কথিত “প্রিয়তম”। দৃশ্যটি দেখে মনে হলো, সে যেন সম্পূর্ণ দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছে আপনার মেয়ের। আপনাকে আর ভাবার দরকার নেই। কারণ আপনার প্রা 'প্ত 'বয়স্ক মেয়ে এখন বিয়ে ছাড়াই “সঙ্গী” পেয়ে গেছে।
স্মরণ করিয়ে দিতে চাই— সন্তানদের প্রতি ভালোবাসা মানেই সবকিছুতে ছাড় দেওয়া নয়। সময়মতো সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়াও দায়িত্বের অংশ। তাই দয়া করে আপনার ছেলে-মেয়েকে যথাসময়ে বিবাহের সিদ্ধান্তে পৌঁছান। সমাজের সুস্থতা, শা 'লী 'ন 'তা ও মূল্যবোধ রক্ষায় এটি অত্যন্ত প্রয়োজন।
