Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha

Sirazum Munir Toaha

@smtbdofficialpage

🌿 হয়তো এই পোস্টটা আপনার নিউজফিডে এমনি এমনি আসেনি।
অনেকেই দিনের পর দিন এমন কিছু কষ্ট বয়ে বেড়ান, যা কাউকে বলতে পারেন না। বাইরে হাসিমুখ, অথচ ভেতরে চলে এক নীরব যুদ্ধ।

যদি আপনি এই লেখা পর্যন্ত পড়ে থাকেন, তাহলে একটি কথা বলি—নিজের কষ্টটা আর একা বয়ে বেড়াবেন না।
🤍 আপনার কষ্টের গভীরতা হয়তো পৃথিবীর কেউ জানে না, কিন্তু আল্লাহ জানেন। তিনিই অন্তরের প্রতিটি দীর্ঘশ্বাস, প্রতিটি অশ্রু এবং প্রতিটি নীরব আর্তনাদ সম্পর্কে অবগত।

যদি মনে হয় আপনার অবস্থার জন্য সঠিক দিকনির্দেশনা প্রয়োজন, তাহলে নির্দ্বিধায় আমাদেরকে ইনবক্স করুন।
কোনো বিচার নয়, কোনো অবহেলা নয় আমরা আগে আপনার কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনব। এরপর কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে যথাসাধ্য সঠিক পরামর্শ ও সহযোগিতা করার চেষ্টা করব, ইনশাআল্লাহ।

আল্লাহই একমাত্র শিফাদাতা। আমরা কেবল তাঁর কাছেই শিফা ও সাহায্য প্রার্থনা করি। 🤲

image

রিচার্ড নরিস ২০১২ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল সেন্টারে সম্পন্ন হওয়া সবচেয়ে বিস্তৃত মুখ প্রতিস্থাপন অস্ত্রোপচারগুলোর একটির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পরিচিতি লাভ করেন। গুরুতর একটি আগ্নেয়াস্ত্র দুর্ঘটনায় তার মুখে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ার পর তিনি ১৫ বছরেরও বেশি সময় ধরে অনেকটা লোকচক্ষুর আড়ালে জীবনযাপন করেছিলেন।

এই যুগান্তকারী অস্ত্রোপচারটি প্রায় ৩৬ ঘণ্টা ধরে চলে এবং এতে সার্জন, বিশেষজ্ঞ ও ট্রান্সপ্লান্ট চিকিৎসকসহ ১০০ জনেরও বেশি চিকিৎসাকর্মী অংশ নেন। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে কথা বলা, ঘ্রাণ নেওয়া ও হাসার মতো গুরুত্বপূর্ণ শারীরিক সক্ষমতা পুনরুদ্ধার হয় এবং তার জীবনযাত্রার মান নাটকীয়ভাবে উন্নত হয়।

প্রতিস্থাপনের পর নরিস ধীরে ধীরে আবার জনসমক্ষে স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসেন এবং বহু বছর ধরে চলা সামাজিক বিচ্ছিন্নতা কাটিয়ে ওঠেন। তার সুস্থ হয়ে ওঠার গল্প শুধু অঙ্গ প্রতিস্থাপন ও পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচারের অগ্রগতি নয়, বরং গুরুতর আঘাতের পর নিজের আত্মপরিচয় ও আত্মবিশ্বাস পুনর্গঠনের সম্ভাবনাও তুলে ধরে।

আজ তার গল্প চিকিৎসাবিজ্ঞানের উদ্ভাবন, মানসিক দৃঢ়তা এবং অঙ্গ ও টিস্যু দানের জীবন-পরিবর্তনকারী গুরুত্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ হিসেবে স্মরণ করা হয়।

image

পেলিক্যান তার ঠোঁটের নিচে ঝুলে থাকা বিশাল থলির জন্য পরিচিত। এটি একটি অসাধারণ শিকার ধরার সরঞ্জাম, যা প্রধানত মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করে। এই পাখির সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্যগুলোর একটি হলো, এটি তার থলি অনেকটা প্রসারিত করে একটি বড় মাছ একবারেই গিলে ফেলতে পারে।

পেলিক্যান তার থলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পানিও ধরে রাখতে পারে। এরপর সে দক্ষতার সঙ্গে অতিরিক্ত পানি বের করে দেয় এবং খাবারটি রেখে দেয়। এই থলিটি অনেকটা নমনীয় জালের মতো কাজ করে, যা পেলিক্যানকে অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে মাছ ধরতে এবং একসঙ্গে প্রচুর পরিমাণে শিকার সংগ্রহ করতে সাহায্য করে। এমন ক্ষমতা পাখিদের মধ্যে খুবই বিরল।

image

স্কোলোপেন্দ্র (Scolopendra) নামে পরিচিত শতপদী হলো একটি বিশাল আকারের আর্থ্রোপড, যা ৩০ সেন্টিমিটারেরও বেশি (প্রায় ১২ ইঞ্চি) লম্বা হতে পারে এবং অত্যন্ত দ্রুত চলাফেরা করতে পারে। এর সবচেয়ে ভয়ংকর অস্ত্র হলো এক জোড়া ফোরসিপিউল—সামনের পায়ের পরিবর্তিত নখর, যার মাধ্যমে এটি সরাসরি শিকারের শরীরে বিষ ঢুকিয়ে দেয়। এই ক্ষমতার সাহায্যে এটি পোকামাকড়, টিকটিকি, ইঁদুর এমনকি ছোট পাখিও শিকার করতে পারে।

অন্যান্য অনেক প্রাণীর মতো শতপদীর ফুসফুস নেই। তারা শরীরের বিভিন্ন অংশে থাকা ক্ষুদ্র শ্বাসরন্ধ্র বা স্পাইরাকলসের মাধ্যমে শ্বাস নেয়। কোনো পা হারিয়ে ফেললে সময়ের সঙ্গে সেটি পুনরায় গজানোর ক্ষমতাও তাদের রয়েছে। এরা মূলত নিশাচর শিকারি এবং নিজেদের বাস্তুতন্ত্রে ক্ষতিকর পোকামাকড়ের সংখ্যা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মানুষের ক্ষেত্রে এদের কামড় সাধারণত প্রাণঘাতী নয়, তবে এতে তীব্র ব্যথা ও আক্রান্ত স্থানে প্রচণ্ড প্রতিক্রিয়া হতে পারে। এতটাই অস্বস্তিকর হতে পারে যে সাহসী মানুষও এদের দেখলে কয়েক পা পিছিয়ে যেতে বাধ্য!
a18
ক্যাসোয়ারি পাখির ভয়ংকর নখরই এর প্রধান আত্মরক্ষার অস্ত্র এবং এই কারণেই এটিকে বিশ্বের অন্যতম বিপজ্জনক পাখি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর প্রতিটি পায়ের ভেতরের আঙুলে একটি ধারালো নখর থাকে, যা ১০ সেন্টিমিটারেরও বেশি (প্রায় ৪ ইঞ্চি) লম্বা হতে পারে এবং দেখতে অনেকটা প্রাকৃতিক ছুরির মতো।

একটি শক্তিশালী লাথির মাধ্যমেই ক্যাসোয়ারি টিস্যু ছিঁড়ে ফেলতে, গভীর ক্ষত সৃষ্টি করতে এবং এমনকি মানুষের জীবনও বিপন্ন করতে পারে। যদিও এরা সাধারণত লাজুক ও একাকী স্বভাবের, তবুও বন্য পরিবেশে এই শক্তিশালী পাখির কাছাকাছি গেলে অত্যন্ত সতর্কতা অবলম্বন করা এবং তাদের প্রতি যথাযথ সম্মান দেখানো জরুরি।

image

হামিংবার্ডকে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট পাখি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এর দৈর্ঘ্য মাত্র ৫ থেকে ৬ সেন্টিমিটার (প্রায় ২–২.৪ ইঞ্চি) এবং ওজন ২ গ্রামেরও কম। এই ক্ষুদ্র পাখিটি একমাত্র কিউবাতেই স্বাভাবিকভাবে পাওয়া যায়।

এরা প্রধানত ফুলের মধু বা নেকটার খায়। পাশাপাশি অতিরিক্ত পুষ্টির জন্য ছোট ছোট পোকামাকড়ও খেয়ে থাকে। তাদের ধাতবের মতো ঝলমলে ও রঙ-বদলানো পালক আলোর কোণের ওপর নির্ভর করে বিভিন্ন রং প্রতিফলিত করে। ফলে পাখিটিকে দেখতে অনেকটা জীবন্ত রত্নের মতো লাগে।

রাতে বা খাবারের অভাব হলে শক্তি সঞ্চয় করার জন্য বি হামিংবার্ড “টর্পর” (Torpor) নামের একটি অবস্থায় যেতে পারে। এ সময় তার বিপাকক্রিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে ধীর হয়ে যায় এবং শরীরের শক্তি খরচ কমে যায়।

আকারে অত্যন্ত ছোট ও কোমল হওয়া সত্ত্বেও এই অসাধারণ পাখিটি তার উষ্ণমণ্ডলীয় আবাসস্থলে সাধারণত ৩ থেকে ৫ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে।

image

Install Linkeei

Install app for better experience