প্রবাসীরা বার বার এভাবে ঠকে যান 😥😥
দীর্ঘ ৩০ বছর ধরে কুয়েতে কঠোর পরিশ্রম করে অসুস্থ শরীর নিয়ে সম্প্রতি দেশে ফিরেছিলেন ফটিকছড়ির বক্তপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শুক্কুর মোহাম্মদ বাড়ির শাহ জাহান। প্রবাসে থাকাকালীন তার উপার্জিত অর্থ দিয়ে স্ত্রীর নামে প্রায় ৫০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র, ৩০ ভরি স্বর্ণালংকার এবং একটি দ্বিতল ভবনসহ একাধিক সম্পত্তি গড়ে তুলেছিলেন।
দেশে ফিরে তিনি নিজের চিকিৎসার খরচ ও ব্যবসার জন্য স্ত্রীর কাছে ২ লাখ টাকা চাইলে, স্ত্রী কামরুন নাহার তা দিতে অস্বীকৃতি জানান। এছাড়া শাহ জাহান তার বৃদ্ধ বাবা-মায়ের নিয়মিত ভরণপোষণ করতেন, যা নিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের সাথে তার দীর্ঘদিনের বিরোধ চলছিল। এই কলহের জেরে তারা একই ভবনের পৃথক কক্ষে বসবাস করতেন।
গতকাল ভোররাত ৩ টার দিকে স্ত্রী কামরুন নাহার পরিকল্পিতভাবে শাহ জাহানের কক্ষের দরজায় ধাক্কা দিয়ে ভেতরে প্রবেশ করেন। কিছুক্ষণ পাশে শুয়ে থাকার পর, মশার কয়েল জ্বালানোর কথা বলে তিনি কক্ষ থেকে বেরিয়ে যান এবং ছেলে ও মেয়েকে সাথে নিয়ে পুনরায় ফিরে আসেন। এরপর তাদের মধ্যে মেয়ে তার বাবা শাহ জাহানের হাত-পা চে/পে ধরেন এবং স্ত্রী বুকের ওপর উঠে গলা টি/পে ধরেন। এ সময় ছেলে আতিক ধা-রা-লো অ/স্ত্র দিয়ে তার বাবার শরীরের বিভিন্ন স্থানে এলোপাতাড়ি কু/পি/য়ে র-ক্তা-ক্ত জ'খ'ম করে।
হামলাকারীরা তাকে মৃ/ত ভেবে কক্ষ ত্যাগ করলে শাহ জাহান কোনোমতে বাথরুমে গিয়ে স্থানীয় মুরব্বিদের ফোন করে প্রা/ণভি/ক্ষা চান। এলাকাবাসী এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে নাজিরহাট এবং পরে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন। বর্তমানে সেখানে তিনি জীবন-মৃ/ত্যু/র সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।