একটি নিখুঁত ছবির জন্য ছয় বছরের পরিকল্পনা 🌕📸
ইতালীয় ফটোগ্রাফার ভ্যালেরিও মিনাতো ছয় বছর ধরে পরিকল্পনা করে অসাধারণ একটি ছবি তুলেছেন। ছবিটিতে সুপারগা ব্যাসিলিকা, মনভিসো পর্বত এবং চাঁদ—তিনটিই দৃষ্টিনন্দনভাবে একই সরলরেখায় ধরা পড়েছে।
ছবিটিকে সত্যিই অসাধারণ করে তুলেছে এই বিষয়টি যে, এটি কোনো কাকতালীয় ঘটনা ছিল না। তিনটি দৃশ্যকে আকাশে ঠিকমতো এক সারিতে আনতে মিনাতো বছরের পর বছর ধরে জ্যোতির্বৈজ্ঞানিক অবস্থান, ভূখণ্ডের উচ্চতা এবং আলোর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেছেন। এভাবে তিনি ছবিটি তোলার সঠিক স্থান ও সময় নির্ধারণ করেন।
বহু বছরের প্রস্তুতির পর, ২০২৩ সালের ১৫ ডিসেম্বর তুরিনের কাছাকাছি তিনি অবশেষে ছবিটি তুলতে সক্ষম হন। ছবিটি এতটাই চমৎকার ছিল যে, ২০২৩ সালের ২৫ ডিসেম্বর নাসা এটিকে ‘অ্যাস্ট্রোনমি পিকচার অব দ্য ডে’ হিসেবে নির্বাচিত করে।
ছবিটি মনে করিয়ে দেয়—ধৈর্য, নিখুঁত প্রস্তুতি ও নিষ্ঠা আকাশের একটি সাধারণ মুহূর্তকেও সত্যিকারের শিল্পকর্মে রূপ দিতে পারে।
🌊🏨 ২০২৮ সালের দিকে দুবাইয়ে একটি বিলাসবহুল পানির নিচের হোটেল চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
উচ্চাভিলাষী এই প্রকল্পের ধারণায় রয়েছে পানির নিচে তৈরি কক্ষ, যেগুলোর বড় কাচের দেয়াল দিয়ে অতিথিরা নিজেদের ঘর থেকেই সামুদ্রিক প্রাণী ও আশপাশের সমুদ্র দেখতে পারবেন। উন্নত প্রকৌশলের সঙ্গে বিলাসবহুল পর্যটনের সমন্বয়ে এমন এক অভিজ্ঞতা তৈরি করাই এর লক্ষ্য, যেখানে অতিথিরা সমুদ্রের মাঝে থাকার অনুভূতি পাবেন।
নকশার পরিকল্পনায় টেকসই উন্নয়ন ও পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। হোটেলটিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবস্থা, উন্নত পানি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি এবং সামুদ্রিক বাস্তুতন্ত্রের ওপর প্রভাব কমানোর উদ্দেশ্যে তৈরি কাঠামো ব্যবহারের কথা রয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী প্রকল্পটি সম্পন্ন হলে, এটি দুবাইয়ের উদ্ভাবনী স্থাপত্য নিদর্শনের তালিকায় যুক্ত হবে। সাহসী ও ভবিষ্যৎধর্মী ধারণার মাধ্যমে আধুনিক আতিথেয়তা খাতকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করার শহরটির উচ্চাকাঙ্ক্ষাও এতে প্রতিফলিত হবে।
তবে ২০২৮ সালের মধ্যে নতুন এই হোটেল চালুর দাবিটির নির্ভরযোগ্য সমর্থন পাওয়া যায়নি। দুবাইয়ের পানির নিচের হোটেল নিয়ে অতীতে প্রস্তাব ও পরিকল্পনা প্রকাশিত হলেও সেগুলোর কয়েকটি বাস্তবায়িত হয়নি।
Install app for better experience