টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে পুরোনো নীল টিক মুছে ফেলার কার্যক্রম শুরু
***********************************************************************
পুরোনো নীল টিকযুক্ত অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি মুছে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেছে টুইটার। এরই ধারাবাহিকতায় হঠাৎ করেই ‘টুইটার ভেরিফায়েড’ অ্যাকাউন্ট থেকে গণহারে সব নীল টিকযুক্ত অ্যাকাউন্ট আনফলো করেছে খুদে ব্লগ লেখার সাইটটি।
সাধারণত টুইটারের যাচাই করা এবং নীল টিকযুক্ত অ্যাকাউন্ট ফলো বা অনুসরণ করে থাকে টুইটার ভেরিফায়েড। টুইটারে নীল টিক চালুর পর থেকে এমনটিই হয়ে আসছে। কিন্তু হঠাৎ করেই টুইটার ভেরিফায়েডের অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের সংখ্যা শূন্য দেখা যাচ্ছে।
১ এপ্রিল থেকে পুরোনো নীল টিকযুক্ত অ্যাকাউন্ট থেকে তা মুছে ফেলার ঘোষণা দিয়েছিল টুইটার। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে পুরোনো নীল টিক মুছে ফেলা হয়নি। আর তাই ধারণা করা হচ্ছে, টুইটার ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্ট থেকে গণহারে সব নীল টিকযুক্ত অ্যাকাউন্ট আনফলো করার মাধ্যমে পুরোনো নীল টিক মুছে ফেলার কার্যক্রম শুরু করেছে টুইটার কর্তৃপক্ষ।
উল্লেখ্য, গত বছর টুইটার কেনার পরপরই অর্থের বিনিময়ে নীল বা ব্লু টিক চালু করেছিলেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক। এ সুযোগ কাজে লাগিয়ে অর্থের বিনিময়ে অনেকেই নিজেদের অ্যাকাউন্টে নীল টিকযুক্ত করেন। শুধু তা-ই নয়, বেশ কিছু ভুয়া অ্যাকাউন্টেও যুক্ত হয় নীল টিক। সমস্যা সমাধানে গত বছরের ডিসেম্বর থেকে ব্যবহারকারীদের ফোন নম্বর ও পরিচয় যাচাই করে নতুন করে নীল টিক দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করে টুইটার। নতুন এ উদ্যোগের আওতায় ফোন নম্বর ও পরিচয় যাচাই করা টুইটার অ্যাকাউন্টগুলোতেই শুধু অর্থের বিনিময়ে নীল টিক ব্যবহার করা যাবে।
কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা মাসে আট ডলারের বিনিময়ে নীল টিকের সুবিধা ব্যবহার করতে পারলেও আইফোন ও অ্যান্ড্রয়েড ফোনে নীল টিক যোগ করতে খরচ হয় ১১ ডলার। ফলে নীল টিক ব্যবহারের জন্য টুইটার ব্যবহারকারীদের মাসে কমপক্ষে ৮ ডলার খরচ করতে হবে। তবে সব দেশে এখনো নীল টিক ব্যবহারের সুযোগ চালু হয়নি।
সূত্র: ইন্ডিয়া টুডে
Source: প্রথম আলো
ইউটিউব ব্যবহারকারীদের বোকা বানাতে ভুয়া মেইল পাঠাচ্ছেন হ্যাকাররা
***********************************************************************
ইউটিউবের নীতিমালা পরিবর্তন করা হয়েছে, নতুন নীতিমালা মেনে না চললে ভবিষ্যতে ইউটিউব ব্যবহার করা যাবে না বলে ইউটিউব ব্যবহারকারীদের কাছে ভুয়া মেইল পাঠাচ্ছেন হ্যাকাররা। এই ভুয়া মেইলের মাধ্যমে স্প্যাম ও ফিশিং আক্রমণ চালাচ্ছেন তাঁরা। বিষয়টি জানতে পেরে ব্যবহারকারীদের ভুয়া মেইল থেকে সতর্ক থাকতে অনুরোধ করেছে ইউটিউব কর্তৃপক্ষ।
সম্প্রতি ইউটিউবের বেশ কয়েকজন কনটেন্ট নির্মাতা এ ধরনের মেইল পেয়েছেন। কেভিন ব্রিজ নামের একজন কনটেন্ট নির্মাতা জানিয়েছেন, গত সপ্তাহে ইউটিউব সাপোর্ট টিমের ই-মেইল ঠিকানা থেকে তাঁর কাছে একটি মেইল এসেছে। মেইলটিতে ইউটিউবের নতুন নীতিমালা জানার জন্য গুগল ড্রাইভে থাকা একটি ভিডিওর লিংক রয়েছে। লিংকে ক্লিক না করলে ভবিষ্যতে ইউটিউব ব্যবহার করা যাবে না বলেও জানানো হয়েছে মেইলটিতে।
এ বিষয়ে ইউটিউব জানিয়েছে, নীতিমালায় কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। ভুয়া মেইল পাঠিয়ে স্প্যাম ও ফিশিং আক্রমণ চালাচ্ছেন সাইবার অপরাধীরা। মেইলে থাকা লিংকে ক্লিক করলেই ম্যালওয়্যারযুক্ত ফাইল ডাউনলোড হয়ে ইনস্টল হয়ে যেতে পারে। ফলে দূরে বসেই স্মার্টফোন বা কম্পিউটারের নিয়ন্ত্রণ নিতে পারেন সাইবার অপরাধীরা। আর তাই ব্যবহারকারীদের ভুয়া মেইল থেকে সতর্ক থাকতে হবে।
স্প্যাম ও ফিশিং মেইল থেকে নিরাপদ থাকতে অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের পাঠানো মেইল খোলার সময় সতর্ক থাকতে বলেছে ইউটিউব। স্প্যাম ও ফিশিং আক্রমণ থেকে নিজেদের নিরাপদ রাখতে ইউটিউবের কমিউনিটি গাইডলাইন মেনে চলারও অনুরোধ করেছে তারা।
সূত্র: বিজিআর
Source: প্রথম আলো
গুগল সার্চে যুক্ত হচ্ছে বার্ডের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি
***********************************************************************
মাইক্রোসফটের অর্থায়নে তৈরি চ্যাটজিপিটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ায় সম্প্রতি বার্ড (বিএআরডি) নামের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাটবট উন্মুক্ত করেছে গুগল। চ্যাটবটটি ইংরেজি ভাষায় করা যেকোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারে। বর্তমানে আলাদাভাবে ব্যবহার করতে হলেও ভবিষ্যতে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে চ্যাটবটটি যুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন গুগলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) সুন্দর পিচাই।
গুগলের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এলএএমডিএ (ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ফর ডায়ালগ অ্যাপ্লিকেশনস) কাজে লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছে বার্ড নামের চ্যাটবটটি। নতুন এ উদ্যোগের আওতায় এলএএমডিএ প্রযুক্তি সরাসরি গুগল সার্চ ইঞ্জিনে যুক্ত করা হবে। ফলে গুগলের সার্চ বক্সে প্রশ্ন লিখলেই দ্রুত সেগুলোর উত্তর জানা যাবে। শুধু তা-ই নয়, ওয়েবপেজে থাকা তথ্যের বিষয়বস্তুও সংক্ষেপে দেখা যাবে।
গুগল সার্চ ইঞ্জিনে বার্ডের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কবে নাগাদ ব্যবহার করা যাবে সেবিষয়ে কোনো তথ্য জানাননি সুন্দর পিচাই। বর্তমানে গুগল সার্চ ইঞ্জিনে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি এলএএমডিএ-এর ব্যবহার পদ্ধতি পরীক্ষা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
ধারণা করা হচ্ছে, মাইক্রোসফটের বিং সার্চ ইঞ্জিনে থাকা চ্যাটজিপিটির আদলেই গুগল সার্চ ইঞ্জিনে বার্ডের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) প্রযুক্তি যুক্ত করা হবে।
গুগলের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে বসবাসকারীদের জন্য বার্ড নামের চ্যাটবটটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। ব্যবহারকারীদের মতামত পাওয়ার পর চ্যাটবটটি সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে। ভবিষ্যতে চ্যাটবটটি হালনাগাদের পরিকল্পনাও রয়েছে প্রতিষ্ঠানটির। আর তাই গুগল সার্চ ইঞ্জিনে শিগগিরই চ্যাটবটটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের সুযোগ মিলবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: ম্যাশেবল
Source: প্রথম আলো
হোয়াটসঅ্যাপে আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ সুবিধা ব্যবহার করবেন যেভাবে
***********************************************************************
ব্যক্তিগত সুরক্ষার জন্য ব্যবহারকারীদের এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন, টু স্টেপ ভেরিফিকেশন, ডিজঅ্যাপিয়ার মেসেজসহ বিভিন্ন সুবিধা রয়েছে হোয়াটসঅ্যাপে। ব্যক্তিগত তথ্যের সুরক্ষায় আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণের সুবিধাও রয়েছে অ্যাপটিতে। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট ব্যবহারকারী ছাড়া অন্য কেউ হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করতে পারেন না। ফলে নিরাপদে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যায়। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোনে হোয়াটসঅ্যাপের আঙুলের ছাপ শনাক্তকরণ সুবিধা ব্যবহারের পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক।
হোয়াটসঅ্যাপে আঙুলের ছাপ যুক্ত করার জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংস অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর নিচে স্ক্রল করে প্রাইভেসি অপশনে প্রবেশ করে ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক অপশন থেকে আনলক উইথ ফিঙ্গারপ্রিন্ট টগল চালু করতে হবে। এবার আঙুলের স্ক্যান করে কতক্ষণ পর হোয়াটসঅ্যাপ স্বয়ংক্রিয়ভাবে লক হবে, তা নির্ধারণ করে দিতে হবে।
হোয়াটসঅ্যাপে আঙুলের ছাপ মুছে ফেলতে একইভাবে হোয়াটসঅ্যাপের প্রাইভেসি অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নিচে থাকা ফিঙ্গারপ্রিন্ট লক অপশন থেকে আনলক উইথ ফিঙ্গারপ্রিন্ট টগলটি বন্ধ করতে হবে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
মুঠোফোন কেনার আগে
***********************************************************************
জমে উঠেছে ঈদের বাজার। পোশাক-আশাক কেনার পাশাপাশি কেনাকাটার তালিকায় মুঠোফোনও রয়েছে অনেকের। আর তাই তো ঈদ উপলক্ষে নতুন মডেলের হ্যান্ডসেট বাজারে আনার পাশাপাশি বিভিন্ন অফার ও ছাড় দিচ্ছে মুঠোফোন নির্মাতারা। বিভিন্ন ফিচার ও কারিগরি বিষয় সম্পর্কে জানা থাকলে সহজেই নিজের প্রয়োজনমতো মুঠোফোন কেনা যায়। আর তাই মুঠোফোন কেনার আগে নিজের কাজের ধরন বা চাহিদা জানতে হবে। মুঠোফোন কেনার আগে যেসব বিষয় পরখ করতে হবে, সেগুলো দেখে নেওয়া যাক:
ক্যামেরা
বর্তমানে মুঠোফোনে ছবি তোলা বা ভিডিও করার প্রতি প্রায় সবারই কমবেশি ঝোঁক রয়েছে। আপনিও যদি সেই দলের হয়ে থাকেন, তবে প্রথমেই মুঠোফোনের ক্যামেরা কত মেগাপিক্সেলের তা জেনে নিন। ক্যামেরার লেন্সের অ্যাপারচার কত, ক্যামেরায় কী কী ফিচার রয়েছে, তা–ও বিস্তারিতভাবে জানতে হবে। সেলফিপ্রেমী হলে মুঠোফোনে বোকেহ এবং মাইক্রো ক্যামেরা সেন্সর রয়েছে কি না, যাচাই করে নিন। ফ্লাশলাইটের ক্ষমতা সম্পর্কেও জানতে হবে।
ব্যাটারি ও চার্জার
গেম খেলার পাশাপাশি দীর্ঘ সময় ভিডিও দেখার জন্য অবশ্যই শক্তিশালী ব্যাটারি সুবিধার মুঠোফোন কিনতে হবে। এ ক্ষেত্রে পাঁচ হাজার মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির মুঠোফোন আপনার জন্য ভালো হবে। তবে গেম বা ভিডিও কম দেখলে কম ক্ষমতার ব্যাটারিযুক্ত মুঠোফোন কিনতে পারেন।
অপারেটিং সিস্টেম
স্মার্টফোনের মধ্যে পার্থক্য তৈরি করে দেয় অপারেটিং সিস্টেম। হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোনে বাড়তি সুবিধা পাওয়া যায়। আর তাই কাজের ধরন বুঝে হালনাগাদ অপারেটিং সিস্টেমে চলা মুঠোফোন কিনতে হবে।
প্রসেসর
মুঠোফোনের কাজের গতি বা ক্ষমতা মূলত প্রসেসরের ওপর নির্ভর করে। প্রসেসরকে মুঠোফোনের মস্তিষ্কও বলেন অনেকে। আর তাই প্রসেসরের ক্ষমতা যত বেশি হবে, মুঠোফোনও তত ভালো কাজ করবে। একসঙ্গে একাধিক কাজ করার জন্যও ভালো মানের প্রসেসর গুরুত্বপূর্ণ।
র্যাম ও রম
র্যামের ক্ষমতা যত বেশি হবে, তত দ্রুত কাজ করা যাবে। এ জন্য র্যামের ক্ষমতা সম্পর্কে জানতে হবে। মুঠোফোনে রম বা ধারণক্ষমতা বেশি হলে বেশি তথ্য সংরক্ষণ করা যায়। ফলে মুঠোফোনের ধারণক্ষমতা জানার পাশাপাশি অতিরিক্ত মেমোরি কার্ড যোগ করার সুযোগ রয়েছে কি না, তা–ও জানতে হবে।
পর্দা
মুঠোফোনে ভালো মানের ছবি বা ভিডিও দেখার জন্য পর্দার আকার, রেজল্যুশন, স্ক্রিন রিফ্রেশ রেট, ভিউয়িং অ্যাঙ্গেল এবং পিপিআই খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই মুঠোফোন কেনার আগে এসব সুবিধা সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।
বিক্রয়োত্তর সেবা
ভালো মানের মুঠোফোন সব সময় নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের বিক্রয়কেন্দ্র বা অনুমোদিত দোকান থেকে কেনা উচিত। এর ফলে নিম্নমানের মুঠোফোন কেনার ভয় থাকে না। বিক্রয়োত্তর সেবা সম্পর্কেও জানতে হবে। বিক্রয়োত্তর সেবার মেয়াদ যত বেশি হবে, তত ভালো।
Source: প্রথম আলো
প্রেক্ষাগৃহের পর এবার টেলিভিশনে
***********************************************************************
ফেব্রুয়ারিতে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’। প্রেক্ষাগৃহে যাঁরা এখনো দেখেননি, তাঁদের জন্য ছবিটি টেলিভিশনে দেখার সুযোগ আসছে। তিশা অভিনীত এই ছবি পবিত্র ঈদুল ফিতরে চ্যানেল আইয়ে দেখানো হবে। প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির দুই মাস পর চ্যানেল আইয়ের মাধ্যমে দর্শকেরা দেখতে পাবেন। চ্যানেল আই সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দ্বিতীয় দিন সকাল ১০টা ১৫ মিনিটে দেখানো হবে প্রদীপ ঘোষ পরিচালিত ছবিটি।
সরকারি অনুদানে তৈরি ছবিটির গল্প কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ থেকে নেওয়া হয়েছে। এই ছবির নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন তিশা। এতে তিশার সঙ্গে রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের চরিত্রে মনোজ প্রামাণিক ও মাস্টারদা সূর্যসেন চরিত্রে অভিনয় করেছেন কামরুজ্জামান তাপু। তিশা জানান, প্রীতিলতা চরিত্রটি ধারণ করতে তাঁর পাঁচ মাসের বেশি সময় লেগেছে, কয়েক দফায় সেলিনা হোসেনের সঙ্গে কথা বলে নিজেকে তৈরি করেছেন তিনি।
তিশা বলেন, ‘সিনেমার জন্য প্রীতিলতাকে নিয়ে গবেষণা হয়েছে, গবেষণার ওপর ভিত্তি করে চরিত্রকে ধারণ করেছি, মেকআপ নিয়েছি। ওনার চুল কখনোই ছোট ছিল না, এটা নিয়ে অনেকের ভুল ধারণা আছে। প্রীতিলতার সঙ্গে ৯০ ভাগ মেলানোর চেষ্টা করেছি। আমার ধারণা, সিনেমায় প্রীতিলতাকে খুঁজে পাবেন দর্শক।’
২০১৯-২০ অর্থবছরে চলচ্চিত্রটি সরকারি অনুদান পায় ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’। পরিচালক এটিকে ‘রিয়েল প্লেস সিনেমা’ বলছেন। প্রীতিলতার স্মৃতিবিজড়িত চট্টগ্রামের ইউরোপিয়ান ক্লাব, আনোয়ারা, পটিয়ার ধলঘাটে দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। দেড় বছরে সাত দফায় দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে।
ছবির পরিচালক প্রদীপ ঘোষ বলেন, ‘প্রীতিলতার চেহারা আমরা হুবহু মেলাতে চাইনি, চেষ্টাও করিনি। সচরাচর যে অবয়ব দেখি, সেটার সঙ্গে হুবহু মেলাতে গেলে ৮-১০ ঘণ্টা মেকআপ করে শিল্পীকে বসে থাকতে হবে, এটা খুব কঠিন কাজ। আমরা বায়োপিক নির্মাণ করিনি।’ প্রদীপ ঘোষের ভাষ্যে, ভারতীয় সিনেমায়ও প্রীতিলতার অবয়ব হুবহু তুলে আনা হয়নি। গত শতকের ত্রিশের দশকে ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে মাস্টারদা সূর্য সেন, প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারদের চট্টগ্রাম যুব বিদ্রোহ নিয়ে বলিউডে একাধিক সিনেমা হয়েছে। এর মধ্যে ‘খেলে হাম জি জান সে’ সিনেমায় প্রীতিলতা হয়েছেন মুম্বাইয়ের অভিনেত্রী বিশাখা সিং ও ‘চিটাগং’ সিনেমায় ভেগা টামোটিয়া।
পরিচালক জানান, ‘বীরকন্যা প্রীতিলতা’ সিনেমায় আলীপুর জেলে বন্দী বিপ্লবী রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের সঙ্গে প্রীতিলতার দেখা করতে যাওয়া, রামকৃষ্ণ বিশ্বাসের ফাঁসির পর চট্টগ্রামে এসে সূর্য সেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ, এরপর ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে তাঁদের বিদ্রোহের ঘটনা তুলে আনা হয়েছে।
প্রীতিলতা চরিত্র প্রসঙ্গে তিশা প্রথম আলোকে বলেন, ‘যেকোনো ঐতিহাসিক চরিত্রে অভিনয় করতে গেলে অনেক বড় একটা দায়িত্ব কাঁধে চলে আসে। অনেক ভয় লাগে। কেননা, এসব চরিত্রে মানুষের প্রত্যাশা বেশি থাকে। প্রীতিলতা কী করেছেন, তা জানতাম কিন্তু তিনি কীভাবে কথা বলতেন, কীভাবে চলতেন—এসব বিষয়ে অবগত নই। তাঁকে আমরা দেখিনি, তাঁর কোনো ভিডিও নেই। বই পড়ার মাধ্যমে যতটুকু অবগত হয়েছি, সেটার ওপর ভিত্তি করে চরিত্রটিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।’
Source: প্রথম আলো
যাদের পেছন ফেলে রেকর্ড গড়লেন, সেই বিটিএসকেই চেনেন না অলকা ইয়াগনিক
***********************************************************************
সারা বিশ্বেই ছড়িয়ে-ছিটিয়ে আছে দক্ষিণ কোরীয় ব্যান্ড বিটিএসের ভক্ত। এই ব্যান্ডের নাম শোনেননি, সংগীতপ্রেমী এমন মানুষ খুব কমই আছেন। বিটিএসকেই পেছনে ফেলে গত বছর রেকর্ড গড়েছিলেন ভারতীয় কণ্ঠশিল্পী অলকা ইয়াগনিক। কিন্তু এই বিটিএস ব্যান্ডকেই নাকি চেনেন না তিনি। খবর ইন্ডিয়া টুডে
গত বছর ইউটিউবে শ্রোতারা সব চেয়ে বেশি শুনেছেন অলকা ইয়াগনিকের গান।
গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে গড়ে প্রতিদিন ৪২ মিলিয়নবার শোনা হয়েছে তাঁর গান।
২০২২ সালে ১৫ দশমিক ৩ বিলিয়নবার স্ট্রিমিং হয়েছিল অলকার গান। তখন গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডের প্রতিবেদনে অলকাকে বলা হয়েছে বলিউডের সবচেয়ে ‘আইকনিক কণ্ঠ’।
সম্প্রতি ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে অলকা ইয়াগনিক বলেন, ‘বিটিএস সম্পর্কে কিছুই জানতাম না আমি। এই তালিকা প্রকাশের পর আমার মেয়ে সায়েশা কাপুর আমাকে এই তালিকা দেখাল। বিটিএস সম্পর্কে এবং তাদের পেছনে ফেলার গুরুত্ব বোঝাল। তখন আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, বিটিএস কে? সায়েশা তখন অবাক হয়ে যায়।’
প্রায় এক হাজার ভারতীয় সিনেমার গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ৫৬ বছর বয়সী এই গায়িকাকে বলা হয় ‘কুইন অব প্লেব্যাক সিংগিং’। নব্বইয়ের দশকে হিন্দি সিনেমা মানেই যেন তাঁর রোমান্টিক গান।
Source: প্রথম আলো