Linkeei Linkeei
    #news #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda
    उन्नत खोज
  • लॉग इन करें
  • पंजीकरण करवाना

  • रात का मोड
  • © {तारीख} Linkeei
    के बारे में • निर्देशिका • संपर्क करें • डेवलपर्स • गोपनीयता नीति • उपयोग की शर्तें • धनवापसी • Linkeei App install

    चुनना भाषा

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

घड़ी

घड़ी उत्तर चलचित्र

आयोजन

घटनाओं को ब्राउज़ करें मेरे कार्यक्रम

ब्लॉग

लेख ब्राउज़ करें

बाज़ार

नवीनतम उत्पाद

पृष्ठों

मेरे पन्ने पसंद किए गए पृष्ठ

अधिक

मंच अन्वेषण करना लोकप्रिय लेख खेल नौकरियां ऑफर
उत्तर घड़ी आयोजन बाज़ार ब्लॉग मेरे पन्ने सभी देखें

खोज करना पदों

Posts

उपयोगकर्ताओं

पृष्ठों

समूह

ब्लॉग

बाज़ार

आयोजन

खेल

मंच

चलचित्र

नौकरियां

Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
12 एम

🦷 প্রাচীন মিশরের গোপন দন্তঐতিহ্য

৪,০০০ বছরেরও বেশি আগে, মিশরীয়রা ইতিমধ্যেই দন্তচিকিৎসা চর্চা করছিল — এমন সব উপায়ে, যা আজও বিজ্ঞানীদের বিস্মিত করে।

🔹 খ্রিস্টপূর্ব প্রায় ২০০০ সালের দিকে, তারা মমির ওপর দন্তচিকিৎসা করত শুধু সৌন্দর্যের জন্য নয়, আধ্যাত্মিক কারণেও। তারা বিশ্বাস করত, পরকালীন জীবনের যাত্রায় একটি নিখুঁত হাসি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যেখানে দেবতাদের সামনে বাহ্যিক রূপের গুরুত্ব ছিল। ✨

🔹 প্রমাণ পাওয়া গেছে যে তারা দাঁতের কৃত্রিম প্রতিস্থাপন তৈরি করত, ক্ষতিগ্রস্ত দাঁত পুনর্গঠন করত, এমনকি জীবিত মানুষের চিকিৎসার চেষ্টাও করত — আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহু আগে থেকেই ব্যথা উপশম ও চিবানোর ক্ষমতা ফিরিয়ে আনত।

🔹 এসব আবিষ্কার প্রমাণ করে, মুখগহ্বরের স্বাস্থ্য শুধু টিকে থাকার বিষয় ছিল না — এটি ছিল মর্যাদা, পরিচয় এবং অনন্ত জীবনের আশার সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।

সোনার সুতো দিয়ে বাঁধা দাঁত থেকে শুরু করে আধ্যাত্মিক পুনর্গঠন — মিশরীয় দন্তচিকিৎসার এই ইতিহাস আমাদের মনে করিয়ে দেয়: হাসি সবসময়ই মানবতার প্রতীক, যা সময়ের সীমানা পেরিয়ে আজও অম্লান।

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
13 एम

❄️🐾 ফিনল্যান্ডের হিমশীতল নীরব শীতে, এক কৃষক তার বিশ্বস্ত কুকুরের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন—অজান্তেই যে একদিন তাকে বলা হবে “হোয়াইট ডেথ”।

তার নাম ছিল Simo Häyhä। ১৯৩৯ সালে যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ফিনল্যান্ড আক্রমণ করে (Winter War), তখন তার হাতে ছিল না কোনো অত্যাধুনিক অস্ত্র বা খ্যাতির স্বপ্ন। কেবল একটি সাধারণ রাইফেল আর আয়রন সাইট নিয়ে তিনি বরফের সঙ্গে একাত্ম হয়ে যান—বনের ভেতর হামাগুড়ি দিয়ে চলতেন, নিঃশ্বাসের বাষ্প লুকাতে মুখে বরফ চিবাতেন, আর সাদা প্রান্তরে মিলিয়ে যেতেন অদৃশ্য হয়ে।

১০০ দিনেরও কম সময়ে, সিমো প্রায় ৫০০-র বেশি নিশ্চিত হত্যার কৃতিত্ব পান। সোভিয়েতরা তার বিরুদ্ধে ব্যবহার করেছিল কামান, পাল্টা স্নাইপার, পুরো টহলদল—কিন্তু কেউই তাকে থামাতে পারেনি। তাদের কাছে মনে হয়েছিল যেন শীতকাল নিজেই যুদ্ধে নেমেছে।

একটি গুলি তার চোয়ালে আঘাত করে প্রায় তার জীবন শেষ করে দিচ্ছিল, তবু তিনি বেঁচে যান। যুদ্ধের পর তিনি আবার শান্ত জীবনে কৃষিকাজে ফিরে যান। তার কিংবদন্তি রেকর্ড সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলে তার সরল উত্তর ছিল:

👉 “আমি যা করতে বলা হয়েছিল, যতটা পারি ততটাই ভালোভাবে করেছি।”

নীরবতা, দায়িত্ববোধ ও অদম্য মানসিক শক্তির এক প্রতীক—খ্যাতির পেছনে না ছুটেও যিনি নিজেই হয়ে উঠেছিলেন এক কিংবদন্তি।

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
14 एम

💞 মায়ের ভালোবাসার কোনো অবসর নেই 💞
যখন ৮০ বছর বয়সী টম লিভারপুলের একটি কেয়ার হোমে চলে গেলেন, তিনি ভেবেছিলেন জীবনের একটি অধ্যায় বুঝি শেষ হয়ে গেল। কিন্তু তার ৯৮ বছর বয়সী মা, অ্যাডা, তাকে একা সেই পথ পাড়ি দিতে দিতে রাজি ছিলেন না। 🥹

অ্যাডা সিদ্ধান্ত নিলেন একই কেয়ার হোমে থাকবেন — শুধু যেন তিনি তার ছেলেকে আগের মতোই দেখাশোনা করতে পারেন, যেমনটি তিনি তার জীবনের প্রতিটি দিন করে এসেছেন। কর্মীদের মতে, তিনি প্রতি রাতে টমের কাছে গিয়ে শুভরাত্রি বলেন এবং প্রতিটি সকাল তাকে একটি হাসি দিয়ে স্বাগত জানান। 🌅

কারণ আমরা যতই বয়সে বড় হই না কেন… মায়ের ভালোবাসা কখনো ম্লান হয় না। এটি শুধু সময়ের সঙ্গে নিজেকে নতুনভাবে মানিয়ে নেয়। ❤️

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
14 एम

💔 ৩২ বছরের খোঁজের পর মায়ের সন্তানের সঙ্গে পুনর্মিলন 💔

১৯৮৮ সালে, ছোট্ট Mao Yin মাত্র দুই বছর বয়সে নার্সারি থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহৃত হয়। পরে তাকে অন্য এক পরিবারের কাছে বিক্রি করা হয় এবং সে সিচুয়ান প্রদেশে “গু নিংনিং” নামে বড় হয়ে ওঠে।

অধিকাংশ বাবা-মায়ের জন্য হয়তো গল্পটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু তার মা, Li Jingzhi, হার মানেননি। তিনি নিজের চাকরি ছেড়ে দেন, ২০টিরও বেশি প্রদেশে বছরের পর বছর ভ্রমণ করেন, ১,০০,০০০-এরও বেশি লিফলেট বিতরণ করেন, টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং কখনো দরজায় কড়া নাড়া বন্ধ করেননি। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি আরও ২৯টি পরিবারকে তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান খুঁজে পেতে সাহায্য করেন।

তারপর, ২০২০ সালের এপ্রিলে সবকিছু বদলে যায়। একটি সূত্র পুলিশে পৌঁছায়। ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় অবিশ্বাস্য সত্যটি—তার ছেলে জীবিত। টানা ৩২ বছরের নিরলস খোঁজের পর মা ও ছেলে আবার একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। তাদের এই পুনর্মিলন চীনসহ সারা বিশ্বের লাখো মানুষকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

👉 প্রমাণ যে মায়ের ভালোবাসা কখনো হাল ছাড়ে না। বছর পেরোলেও না। দশক কেটে গেলেও না। কখনোই না।

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 एम

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 एम

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 एम

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 एम

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
15 एम

💔 ৩২ বছরের খোঁজের পর মায়ের সন্তানের সঙ্গে পুনর্মিলন 💔

১৯৮৮ সালে, ছোট্ট Mao Yin মাত্র দুই বছর বয়সে নার্সারি থেকে বাড়ি ফেরার পথে অপহৃত হয়। পরে তাকে অন্য এক পরিবারের কাছে বিক্রি করা হয় এবং সে সিচুয়ান প্রদেশে “গু নিংনিং” নামে বড় হয়ে ওঠে।

অধিকাংশ বাবা-মায়ের জন্য হয়তো গল্পটি সেখানেই শেষ হয়ে যেত। কিন্তু তার মা, Li Jingzhi, হার মানেননি। তিনি নিজের চাকরি ছেড়ে দেন, ২০টিরও বেশি প্রদেশে বছরের পর বছর ভ্রমণ করেন, ১,০০,০০০-এরও বেশি লিফলেট বিতরণ করেন, টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নেন এবং কখনো দরজায় কড়া নাড়া বন্ধ করেননি। এই দীর্ঘ যাত্রায় তিনি আরও ২৯টি পরিবারকে তাদের হারিয়ে যাওয়া সন্তান খুঁজে পেতে সাহায্য করেন।

তারপর, ২০২০ সালের এপ্রিলে সবকিছু বদলে যায়। একটি সূত্র পুলিশে পৌঁছায়। ডিএনএ পরীক্ষায় নিশ্চিত হয় অবিশ্বাস্য সত্যটি—তার ছেলে জীবিত। টানা ৩২ বছরের নিরলস খোঁজের পর মা ও ছেলে আবার একে অপরকে জড়িয়ে ধরেন। তাদের এই পুনর্মিলন চীনসহ সারা বিশ্বের লাখো মানুষকে আবেগাপ্লুত করে তোলে।

👉 প্রমাণ যে মায়ের ভালোবাসা কখনো হাল ছাড়ে না। বছর পেরোলেও না। দশক কেটে গেলেও না। কখনোই না।

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
15 एम

💞 মায়ের ভালোবাসার কোনো অবসর নেই 💞
যখন ৮০ বছর বয়সী টম লিভারপুলের একটি কেয়ার হোমে চলে গেলেন, তিনি ভেবেছিলেন জীবনের একটি অধ্যায় বুঝি শেষ হয়ে গেল। কিন্তু তার ৯৮ বছর বয়সী মা, অ্যাডা, তাকে একা সেই পথ পাড়ি দিতে দিতে রাজি ছিলেন না। 🥹
অ্যাডা সিদ্ধান্ত নিলেন একই কেয়ার হোমে থাকবেন — শুধু যেন তিনি তার ছেলেকে আগের মতোই দেখাশোনা করতে পারেন, যেমনটি তিনি তার জীবনের প্রতিটি দিন করে এসেছেন। কর্মীদের মতে, তিনি প্রতি রাতে টমের কাছে গিয়ে শুভরাত্রি বলেন এবং প্রতিটি সকাল তাকে একটি হাসি দিয়ে স্বাগত জানান। 🌅
কারণ আমরা যতই বয়সে বড় হই না কেন… মায়ের ভালোবাসা কখনো ম্লান হয় না। এটি শুধু সময়ের সঙ্গে নিজেকে নতুনভাবে মানিয়ে নেয়। ❤️

image
पसंद करना
टिप्पणी
शेयर करना
Showing 1 out of 21760
  • 1
  • 2
  • 3
  • 4
  • 5
  • 6
  • 7
  • 8
  • 9
  • 10
  • 11
  • 12
  • 13
  • 14
  • 15
  • 16
  • 17
  • 18
  • 19
  • 20

ऑफ़र संपादित करें

टियर जोड़ें








एक छवि चुनें
अपना स्तर हटाएं
क्या आप वाकई इस स्तर को हटाना चाहते हैं?

समीक्षा

अपनी सामग्री और पोस्ट बेचने के लिए, कुछ पैकेज बनाकर शुरुआत करें। मुद्रीकरण

वॉलेट से भुगतान करें

भुगतान चेतावनी

आप आइटम खरीदने वाले हैं, क्या आप आगे बढ़ना चाहते हैं?

भुगतान वापस करने का अनु्रोध करें