#জীবন_দর্শন
আমি মানুষ নামক একটি প্রাণি। জন্মেছি পৃথিবী নামক ছোট্ট একটি জায়গায়। এখানে আগমণ করেছি পিতা-মাতার ক্রিয়ার ফলস্বরুপ। পিতা-মাতা আমার সৃজনকর্তা। অসহায় সময়গুলোতে
যারা নিঃস্বার্থভাবে আমার পাশে দাড়িয়ে আহার যুগিয়ে বড় করে তুলেছে তারা আমার পালনকর্তা। যে আমায় নিঃস্বার্থভাবে সঙ্গ দিচ্ছে সে আমার সঙ্গি। পৃথিবীতে আমার উদ্দেশ্য হচ্ছে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা। শান্তির জন্য পৃথিবীতে আমার কর্ম হচ্ছে নিজের জন্য যে কাজটা ক্ষতিকর, অপরের জন্য সেই কাজগুলো না করা। মানবতা আমার ধর্ম। বিবেক আমার ধর্মগ্রন্থ। সমস্ত জীবের মঙ্গল কামনা আমার প্রার্থনা। অসহায় জীবের সেবা করা আমার ইবাদত। মানব জীবন থেকে দুঃখ দূর করা আমার পবিত্র যুদ্ধ। "আমি কারও ক্ষতি করব না, কাউকে আমার ক্ষতিও করতে দেব না" এটা আমার চলার মূলমন্ত্র। পরবর্তী প্রজন্মের জন্য সুন্দর একটি পৃথিবী গড়ে তুলতে কর্ম করা আমার জীবিকা। মানব জাতী আমার সহোদর। সমস্ত জীব জাতী আমার পরিবার। কোন ভাইয়ের স্বাধীনতা কেড়ে নেব না, কাউকে আমার স্বাধীনতা কেড়ে নিতে দেব না। মনের সুখ প্রাপ্তি আমার সৎ কর্মের ফল। মনের অশান্তি আমার ভুল কর্মের ফল। পৃথিবীতে আমার এ জীবন শুধু মাত্র এক বারেরই প্রাপ্তি। তাই জীবন থেকে এক একটি সেকেন্ড গত হওয়া মানে অফেরতযোগ্য কিছু হারানো। আমার সৎ কর্মের জন্য পৃথিবীতে যে সাফল্য ও শান্তি লাভ করব তা আমার স্বর্গ। অসৎ কর্মের কারণে যে অশান্তি লাভ করব তা আমার নরক। পৃথিবীতে অত্যাধিক ভাল কাজ করার জন্য মানবজাতী আমাকে স্মরণ করে রাখার মানে আমার অমরত্ব লাভ বা স্থায়ী স্বর্গ প্রাপ্তি। অসৎ কর্মের কারণে পৃথিবীবাসি আমাকে ঘৃণা করার মানে আমার চিরকালীন নরক প্রাপ্তি। দেহ থেকে আমার প্রাণের বিদায় মানে পৃথিবী থেকে আমার অবসর প্রাপ্তি। আমার অবসর প্রাপ্তি মানেই নতুন কোন মুখের দায়িত্ব প্রাপ্তি। আর নতুন কোন মুখের দায়িত্ব প্রাপ্তি মানেই আমার পাঠের চীর সমাপ্তি। এই চীর সমাপ্তিকে কেন্দ্র করে মানুষ যে সব গল্প-গুজব রচনা করেছে সবই আজগুবি।
এক বনে এক কাক বাস করতো। কাকটি তার জীবন নিয়ে খুবই সন্তুষ্ট ছিল। কিন্তু একদিন সে একটি রাজহাঁস দেখতে পেল….. কিন্তু কথায় আছে, “নদীর এ পার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বাস, ও পারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস।” কাকটি ভাবলো, আহা! রাজহাঁস কতই না সুন্দর! নিশ্চয়ই সে এই পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী পাখি। কাকটি তার এই ভাবনার কথা রাজহাঁস কে জানালো।
রাজহাঁস জবাব দিলো, “আসলে, আমি ভাবতাম আমিই বুঝি এখানকার সবচেয়ে সুখী পাখি যতক্ষণ না আমি একটি টিয়াকে দেখলাম… টিয়ার গায়ে আছে দু’ধরনের রং।
https://www.golperasor.com/202....2/04/the-secret-to-h
ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয় করার ৭ কৌশল
***********************************************************************
প্রথম আলোর পাঠক তিশা টেক–বার্তার কাছে জানতে চেয়েছেন, ইউটিউব চ্যানেল কীভাবে জনপ্রিয় করা যায়? ইউটিউব চ্যানেল জনপ্রিয় করার সাতটি কৌশল থাকছে এই প্রতিবেদনে।
ভিডিও দেখার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ইউটিউবে যে কেউ চ্যানেল করে নিজের তৈরি ভিডিও রাখতে পারেন। অনেক সময় দেখা যায়, নিয়মিত ভিডিও দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু সেগুলোর দর্শকসংখ্যা (ভিউ) তেমন বাড়ছে না। এ জন্য প্রথমেই ভিডিওর ভিউ বাড়াতে হবে। ভিউ বাড়াতে চ্যানেলের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীর সংখ্যাও বৃদ্ধি করতে হবে। মানে জনপ্রিয় করতে হবে নিজের চ্যানেলটিকে।
১. সঠিক কি–ওয়ার্ড
নির্দিষ্ট বিষয় বা ব্যক্তির ভিডিও খুঁজে বের করতে ইউটিউবেরও সার্চ ইঞ্জিন রয়েছে। এখানে প্রতিযোগিতাও বেশি। এই প্রতিযোগিতায় নিজের চ্যানেলকে এগিয়ে রাখতে ভিডিওর শিরোনাম, বর্ণনায় দর্শকদের বেশি খোঁজ করা শব্দ বা কি–ওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করতে হবে।
২. আকর্ষণীয় থাম্বনেল
দর্শকদের অনুসন্ধানের ফলাফলে প্রথম থাম্বনেল দেখায়। আর তাই সাধারণ মানের থাম্বনেল না দিয়ে ফটোশপের মাধ্যমে আকর্ষণীয় থাম্বনেল তৈরি করতে হবে। প্রতিটি ভিডিওর জন্য আলাদা নকশার থাম্বনেল তৈরি করা যেতে পারে।
৩. শিরোনাম বা টাইটেল
শিরোনাম বা ভিডিওর টাইটেলে চমক দিন। দর্শক যা খুঁজছেন, তার উত্তর শিরোনামে পেতে হবে। দর্শক কী ধরনের বিনোদন, দক্ষতা বা নতুন কী শিখবে, ভিডিওগুলোর শিরোনামে তা জানান।
৪. ভিডিও প্রকাশের সময়
ভিডিও প্রকাশের নির্দিষ্ট কোনো ভালো সময় নেই। ইউটিউব সারা বিশ্ব থেকেই দেখা হয়। প্রকাশ করা ভিডিওগুলোর দর্শক কারা, কোন দেশ থেকে বেশি দর্শক দেখতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে প্রকাশের সময় ঠিক করতে হবে। ভিডিও পোস্ট করে কোন সময় বেশি দর্শক দেখছেন, তা টুকে নিতে পারেন। সেটি দেখে সময়সূচি ঠিক করলে ভালো পেতে ফল পারেন।
৫. প্লে লিস্ট
চ্যানেলের প্লে লিস্ট নিবন্ধিত দর্শকদের চ্যানেলের একাধিক ভিডিও দেখতে সহায়তা করে। তাই অবশ্যই চ্যানেলে প্লে লিস্ট তৈরি করতে হবে। দর্শক দীর্ঘ সময় চ্যানেলে থাকলে ইউটিউবও সার্চ ফলাফলে আপনার চ্যানেলকে দ্রুত সামনে নিয়ে যাবে।
৬. ভিডিও লিংক ছড়িয়ে দেওয়া
ইউটিউব চ্যানেলের ভিউ বাড়াতে হাতে থাকা সব মাধ্যম ব্যবহার করা ভালো। যেমন ই–মেইলে নতুন ভিডিওর ঠিকানা পাঠানো। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে ভিডিওর লিংক করলে আরও ভালো হবে।
৭. দর্শককে গ্রাহকে রূপান্তর
একজন দর্শক যেন একবার ভিডিও দেখে চলে যাওয়ার আগে চ্যানেলটির গ্রাহক (সাবস্ক্রাইবার) হন, সে জন্য কাজ করুন। ভিডিওর শুরুতে, মাঝখানে ও শেষে গ্রাহক হওয়ার আহ্বান জানান এবং নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করতে বলুন।
সূত্র: ওয়েবফ্রেন্ডলি ডটকম
Source: প্রথম আলো
ঘোড়া থেকে পড়ে আহত বলিউড তারকা
***********************************************************************
ঘোড়া নিয়ে রণদীপ হুদার আগ্রহ বরাবরই বেশি। এর পেছনে বড় প্রেরণা সার্জিও লিওনি। সেই ছোটবেলায় দেখেছিলেন এই পরিচালকের ‘দ্য গুড, দ্য ব্যাড অ্যান্ড দ্য আগলি’। সেই থেকে ঘোড়ার প্রেমে পড়া। যা বড় হওয়ার পরও বদলায়নি। তাই অন্য অনেক তারকা ক্রিকেট-ফুটবল বা কাবাডি দল কিনলেও রণদীপ কিনেছিলেন পোলো দল ‘রয়্যাল রুস্টার্স’। তাঁর অবসরের বেশির ভাগ কাটে ঘোড়ায় চড়ে। পেশাদার ঘোড়দৌড়েও অংশ নিয়েছেন ‘হাইওয়ে’ অভিনেতা। কিন্তু এবার ঘোড়া থেকে পড়ে গিয়েই গুরুতর আহত হয়েছেন এ অভিনেতা।
ঘটনাটি ঘটে একটি শুটিংয়ে। মুম্বাইয়ে একটি সিনেমার শুটিংয়ে জন্য ঘোড়া থেকে মাটিতে পড়ে জ্ঞান হারান তিনি। সঙ্গেসঙ্গে তাঁকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জ্ঞান ফিরলেও এখনো হাসপাতালে রয়েছেন তিনি। বাঁ পায়ে বেশ আঘাত পান। প্রয়োজন হলে তাঁর বাঁ পায়ে অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে। চিকিৎসক বলছেন, এখন তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল রয়েছে। তাঁকে বিশ্রামে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন চিকিৎসকেরা।
এবারই প্রথম নয়, বছরখানেক আগেও শুটিংয়ে হাঁটুতে চোট পেয়েছিলেন রণদীপ। এ জন্য ডান পায়ের হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। তখন রণবীর তাঁর ভক্তদের জন্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি শেয়ার করে শারীরিক অবস্থার সব খবর জানালেও এবার তিনি কোনো ছবি শেয়ার করেননি।
রণবীর ‘সাভারকর’-এর শুটিংয়ে ব্যস্ত ছিলেন। ভারতীয় স্বাধীনতাসংগ্রামী ও সংস্কারক বিনায়ক দামোদর সাভারকরের জীবনকাহিনি নিয়ে নির্মিত হতে যাচ্ছে ছবিটি। এই ছবির শুটিংয়েই তিনি চোট পান। ছবিতে তিনি বিনায়ক দামোদর সাভারকর চরিত্রে অভিনয় করছেন। এই চরিত্রের জন্য তিনি ২২ কেজি ওজন কমিয়েছিলেন। সম্প্রতি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে রণদীপ অভিনীত ওয়েব সিরিজ় ‘ক্যাট’। সিরিজ়ে তাঁর অভিনয় সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে।
Source: প্রথম আলো
আজ শুরু হচ্ছে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব
***********************************************************************
আজ শনিবার শুরু হচ্ছে ২১তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। বিকেল ৪টায় জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন এ উৎসবের ২১তম আসরের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত হবেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগবিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন মার্কিন পরিচালক জন জোস্ট। এ ছাড়া ইরান, তুরস্কসহ বিভিন্ন দেশের একাধিক পরিচালক উপস্থিত হবেন এ অনুষ্ঠানে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের পর বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে দেখানো হবে ফাখরুল আরিফিন খান পরিচালিত মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র ‘জেকে ১৯৭১’। এরপর একই ভেন্যুতে দেখানো হবে মার্টিন ডুপ্লাকুইট পরিচালিত চিলির সিনেমা ‘ক্যাজাডোরা’। মিলনায়তন হল সবার জন্য উন্মুক্ত। সিট থাকা সাপেক্ষে যে কেউ উপভোগ করতে পারবেন এ উৎসবে প্রদর্শিত সিনেমাগুলো।
‘নান্দনিক চলচ্চিত্র, মননশীল দর্শক, আলোকিত সমাজ’–এ স্লোগান নিয়ে শুরু হওয়া এ উৎসব চলবে ২২ জানুয়ারি পর্যন্ত। ৯ দিনের এ উৎসবে এশিয়ান প্রতিযোগিতা বিভাগ, রেট্রোস্পেকটিভ, বাংলাদেশ প্যানারোমা, ওয়াইড অ্যাঙ্গেল, সিনেমা অব দ্য ওয়ার্ল্ড, শিশুতোষ চলচ্চিত্র, স্পিরিচুয়াল, উইমেন্স ফিল্মমেকার, স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্র বিভাগে ৭১টি দেশের ২৫২টি সিনেমা প্রদর্শিত হবে।
প্রতিদিন ৫টি ভেন্যুতে দেখানো হবে ১২৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য ও ১২৩টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও স্বাধীন চলচ্চিত্র। এর মধ্যে ৮১টি বাংলাদেশের চলচ্চিত্র। ভেন্যুগুলো হলো জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তন ও কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা ও নৃত্যশালা মিলনায়তন, অঁলিয়স ফ্রঁসেজ মিলনায়তনে প্রতিদিন সকাল ১০টা ৩০ মিনিট থেকে এসব সিনেমা প্রদর্শিত হবে।
ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব আয়োজন করেছে রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ।
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience