মুখে দাড়ি নেই কিন্তু ,নবীর সম্মানের প্রতি ভালোবাসা ছিলো আকাশ চুম্বি।
যে ভালোবাসা তাকে ফাঁসির মঞ্চে তুলেছে ।
বলছিলাম ১৯২৩সালের সেই কাঠ মিস্ত্রী ইলমুদ্দিনের কথা।
বর্তমান পৃথিবীতে বড্ড প্রয়োজন কাঠ মিস্ত্রি " ইলমুদ্দিনের " মতো একজন খাঁটি আশেকে রাসুল এর খুবই অভাব।
যিনি ১৯২৩ সালে প্রিয় রাসুল সাঃ কে নিয়ে অবমাননাকরী " রঙ্গিলা রাসুল " বই প্রকাশ করার কারনে প্রকাশক রাজপালকে হত্যা করে ফাঁসির কাষ্ঠে উঠেছিলেন । রাস্ট্রের সকল এডভোকেটগণ তার পক্ষে, তারা বলল ইলমুদ্দীন তুমি বলবে, তখন তোমার মাথা ঠিক ছিল না,, কিন্তু তিনি তা না বলে আদালতের কাঠগড়ায় দাড়িয়ে বলল
আমি স্বচ্ছায় স্বজ্ঞানে তাকে হত্যা করলাম, কারণ সে রাসূল (সাঃ)কে, রাঙ্গিলা রাসূল বলার কারনে,,,
পরে যখন এডভোকেটগণ জিজ্ঞেসা করলেন, তুমি এইভাবে বলেছ কেন,, তিনি বলেন আমাকে স্বপ্নে রাসূল (সাঃ) বলছেন, ইলমুদ্দীন তারাতারি আস আমি তোমার জন্য অপেক্ষায় আছি,
তার জানাজার ইমামতি করেছিলেন পৃথিবী বিখ্যাত বুজুর্গ আল্লামা জাফর আলি খান , খাটিয়া বহন ও লাশ দাফন করেছিলেন বিশ্ববিখ্যাত কবি আল্লামা ড , ইকবাল । কবরে লাশ শায়িত কল্পে অশ্রুস্বজল নয়নে কবি আক্ষেপ করে বলেছিলেন " এই মুৰ্খ লোকটি আজ সকল শিক্ষিতদের ছাড়িয়ে গেলো।
আল্লাহ দুই প্রকার: জানা আল্লাহ ও অজানা আল্লাহ।
জানা আল্লাহ সম্বন্ধে আমরা সব জানি। তিনি নবিগণের মাধ্যমে তাঁর বিস্তৃত পরিচয় দিয়েছেন এবং মানুষের করণীয়, বর্জনীয় সম্বন্ধে সব কথা বলে দিয়েছেন। কোনোকিছু বলতে তিনি ভুলে যাননি। পোশাকের মাপ পর্যন্ত তিনি বলে দিয়েছেন এমনকি এটি বলতেও তিনি ভুলে যাননি যে “রজঃস্রাবকালে তোমরা স্ত্রী-সংগম করবে না” এবং “ঠিক সেইভাবে স্ত্রী-সংগম করবে যেভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে আদেশ দিয়েছেন” (সুরা বাকারা: ২২২)।
অজানা আল্লাহ সম্বন্ধে আমরা কিছুই জানি না। যেমন, বিগব্যাং বা মহাবিস্ফোরণের আগে কী ছিল আমরা জানি না। সময় সৃষ্টির আগে, শক্তি সৃষ্টির আগে, স্থান সৃষ্টির আগে কিংবা সৃষ্টি শুরু হওয়ার আগে কী ছিল আমরা জানি না। হিগস বোসনের নাম দিয়েছি আমরা ঈশ্বর কণা। কারণ কণা সম্বন্ধে এরপর আমরা জানি না।
তবে আমরা এটি নিশ্চিতভাবেই জানি যে, মানবজাতির জানার জগৎটি অতি ক্ষুদ্র এবং অজানার জগৎটি অতি বৃহৎ; এত বৃহৎ যে অনন্ত, অসীম।
আমি মানবজাতির অতীত জানি না, বর্তমান জানি না, ভবিষ্যৎ জানি না।
কেন কীভাবে আমার শ্বাস আসে আর যায়, আমি জানি না। কেন কীভাবে আর কতক্ষণ আমার কিডনি, ফুসফুস, হৃৎপিণ্ড কাজ করবে, আমি জানি না। আমি জানি না, এখন আমার রক্তচাপ কিংবা ডায়াবেটিস কত।
আমার বাহিরে অজানা, ভেতরে অজানা। আমার মাথার উপর অজানা, মাথার ভেতরে অজানা, ডানে-বামে, নিচে অজানা। আমি হাঁটছি অজানার ভেতর দিয়ে, অজানার দিকে।
আমি ডুবে আছি অজানায়।
আমি অজানা।
আমার আল্লাহ অজানা।
আমি বিশ্বাস করি অজানায়।
ঝাঁপ দেই অজানায়।
জানতে চাই অজানা।
মানুষের দাম্পত্য জীবনের সুখ শান্তি আর সফলতা অর্থাৎ দীর্ঘ যোগল জীবন এসবের মুলমন্ত্রই হল সফল মিলন। কেননা আগুন জলে কেউ জালায় কিন্তু পানি ঢেলে তা নেভানো অত সহজ নয়। তাইত ধন সম্পদ ক্ষমতা জনপ্রিয়তা থাকা লোকেরও সংসার টিকে না। তাই যে তার দুর্বলতা জানে, সেই বেশী শক্তিশালী। The legend are born in the vally of struggle. second change is rare so first use wisely. The legend are not by born, they are made. নারীকে পরিপূর্ণ জয় করতে না পারলেও অন্তত ধরে রাখার সক্ষমতা অর্জন করা দরকার। কেননা আত্মা মৌথুনের মত বিকল্প পথ প্রাণী জগতের জন্য এক মহা আশির্বাদ। আর স্ত্রীর বিছানায় ধন সম্পদ ক্ষমতা বা সন্তান কোন কাজেই আসবে না। কেননা তখন তোমাকেই উলংগ অবস্থায় দন্ডায়মান হতে হবে সামনে। তাই ভয় কর সে সময়কে, আর নিজের হাতে নিজের জীবনকে ধংস করে ফেল না। তার পাকড়াও অর্থাৎ কামড় অনেক শক্তিশালী। স্রষ্টার পথে পরিশ্রম করে যাও, নিশ্চয়ই কষ্টের মাঝেই আছে সুখ। মাথার ঘাম ঝড়াও, রক্ত পানি করে দাও। সবসময়ই তার স্মরণ কর, আর বিনিময়ে তিনি তোমায় দান করবেন শান্তিময়তার চিরজীবন। তিনি থাকবেন সন্তুষ্ট, আর কোনদিন ছেড়েও যাবেন না।।।।
মদনবাবুর একটা নেশা, পুরোনো জিনিস কেনা। মদনবাবুর পৈতৃক বাড়িটা বিশাল, তাঁর টাকারও অভাব নেই, বিয়ে-টিয়ে করেননি বলে এই একটা বাতিক নিয়ে থাকেন। বয়স খুব বেশিও নয়, ত্রিশ পঁয়ত্রিশের মধ্যেই। তিনি ছাড়া বাড়িতে একটি পুরোনো রাঁধুনি বামুন আর বুড়ো চাকর আছে। মদনবাবু দিব্যি আছেন। ঝুট-ঝামেলা নেই, কোথাও পুরোনো জিনিস, কিম্ভুত জিনিস কিনে ঘরে ডাঁই করেছেন তার হিসেব নেই। তবে জিনিসগুলো ঝাড়পোঁচ করে সযত্নে রক্ষা করেন তিনি। ইঁদুর, আরশোলা উইপোকার বাসা হতে দেন না। ট্যাঁক ঘড়ি, দেয়াল ঘড়ি, আলমারি, খাট-পালং, ডেস্ক, টেবিল, চেয়ার, দোয়াতদানি, নস্যির ডিবে, কলম ঝাড়লণ্ঠন, বাসনপত্র সবই তাঁর সংগ্রহে আছে।
https://www.golperasor.com/202....2/07/purono-jinis.ht
গুগল মিটে বক্তব্যের সংক্ষেপও দেখা যাবে
***********************************************************************
ভিডিও বৈঠকের সময় অন্য বক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংক্ষেপে লিখে রাখেন অনেকেই। কিন্তু কাগজে লিখে রাখা এসব তথ্য দেখে স্বচ্ছন্দে বক্তব্য দেওয়া যায় না। ফলে মাঝেমধ্যেই বিব্রতকর সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। এ সমস্যা সমাধানে স্পিকার নোট নামের টুল চালু করেছে গুগলের ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার ‘গুগল মিট’। এ সুবিধা চালুর ফলে ভিডিও কলে কথা বলার সময় লিখে রাখা তথ্যগুলো আলাদাভাবে দেখা যাবে। ফলে গুগল মিটে বক্তব্য দেওয়ার সময় আগের বক্তাদের গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো সহজেই ব্যবহার করা যাবে।
স্পিকার নোট টুলের উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে, বক্তার লেখা তথ্যগুলো ভিডিও কলে যুক্ত থাকা অন্য কোনো ব্যক্তি দেখতে পারবেন না। শুধু তাই নয়, ভিডিও কল চলাকালে লিখে রাখা তথ্যের স্লাইডও পরিবর্তন করা যাবে। ফলে একাধিক বক্তার তথ্য সহজেই দেখা যাবে।
গুগল মিটের তথ্য মতে, ভিডিও কল চলাকালে স্পিকার নোট বাটনে ক্লিক করলেই লিখে রাখা তথ্যগুলো ডান পাশে আলাদাভাবে দেখা যাবে। ফলে স্পিকার নোট সুবিধা কাজে লাগিয়ে ভিডিও কলে স্বচ্ছন্দে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ মিলবে।
সম্প্রতি অনলাইন বৈঠকে অংশ নেওয়া সব ব্যবহারকারীর কথোপকথন লিখে দেওয়ার সুযোগ চালু করেছে গুগল মিট। ট্রান্সক্রিপ্ট নামের এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে বৈঠক শেষে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যগুলো পুনরায় দেখে নেওয়া যায়। তবে বক্তব্যের সব তথ্য একসঙ্গে থাকায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজে পেতে বেশ সমস্যা হয়।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ
Source: প্রথম আলো
ইনস্টাগ্রাম পোস্ট প্রকাশের সময় আগেই ঠিক করা যাবে
***********************************************************************
ইনস্টাগ্রামের অ্যাপ শিডিউল সুবিধা কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট সময়ে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি, ভিডিও বা রিলস পোস্ট করা যায়। ফলে কাজে ব্যস্ত থাকলেও নিয়মিত এক বা একাধিক পোস্ট করা যায় ছবি ও ভিডিও বিনিময়ের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটিতে। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট নির্মাতারা সর্বোচ্চ আড়াই মাস পর্যন্ত পোস্ট শিডিউল করতে পারবেন।
নির্দিষ্ট সময়ে পোস্ট পাঠানোর জন্য প্রথমে ইনস্টাগ্রাম অ্যাপে প্রবেশ করে প্লাস আইকনে ক্লিক করতে হবে। এবার শিডিউল করা পোস্টের ছবি বা ভিডিও নির্বাচন করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করতে হবে। এরপর পোস্টে ক্যাপশন বা প্রয়োজনীয় ফিল্টার যুক্ত করে অ্যাডভান্সড সেটিংস থেকে ‘শিডিউল দিস পোস্ট’ টগল চালু করলেই তারিখ ও সময় নির্বাচনের অপশন পাওয়া যাবে। অপশনটি থেকে পোস্ট প্রকাশের সময় ও তারিখ নির্বাচন করে শিডিউল বাটনে ক্লিক করতে হবে।
সূত্র: বিজিআর ডটইন
Source: প্রথম আলো
ফেসবুকে দুই স্তরের নিরাপত্তা চালু করবেন যেভাবে
***********************************************************************
ফেসবুক ব্যবহারকারীদের তথ্য চুরি করতে নিয়মিত সাইবার হামলা চালিয়ে থাকে হ্যাকাররা। ফেসবুক ব্যবহারকারীর পরিচয় শনাক্তে দুই স্তরের নিরাপত্তাব্যবস্থা খুবই কার্যকর। আর তাই নিজেদের অ্যাকাউন্ট নিরাপদ রাখতে ফেসবুকে অবশ্যই দুই স্তরের নিরাপত্তা-সুবিধা ব্যবহার করতে হবে।
ফেসবুকে দুই স্তরের নিরাপত্তা-সুবিধা চালুর জন্য প্রথমে সেটিংস অ্যান্ড প্রাইভেসি অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর প্রাইভেসি শর্টকাট অপশন থেকে নিচে স্ক্রল করে অ্যাকাউন্ট সিকিউরিটিতে থাকা ইউজ টু স্টেপ অথেনটিফিকেশন অপশনে ট্যাপ করতে হবে। এখানে এসএমএস অপশন নির্বাচন করে ফোন নম্বর ও কোড দিলেই দুই স্তরের নিরাপত্তা-সুবিধা চালু হয়ে যাবে। খুদে বার্তা ছাড়াও রিকভারি কোড ও সিকিউরিটি কি দিয়ে টুএফএ সুবিধা চালু করা সম্ভব।
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience