চিনিকল বন্ধ নয়, লোকসান কমাতে আধুনিকায়ন করা হবে ॥ শিল্পমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক ॥ দেশের চিনিকলগুলো বন্ধ করার কোনো চিন্তা নেই। লোকসান কমাতে আধুনিকায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ুন। তিনি বলেন, আমাদের কোনো প্রতিষ্ঠান লোকসানি নয়। কারণ এখানে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
আজ বুধবার রাষ্ট্রপতি শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৯ প্রদান উপলক্ষে শিল্প ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, দেশে চিনি সংকট হলে অথবা দাম কমানোর জন্য প্রয়োজন হলে চিনি আমদানি করা হবে।
চিনিকল বন্ধের প্রসঙ্গে শিল্পমন্ত্রী বলেন, দেশের যেসব এলাকায় চিনিকল রয়েছে সে প্রতিষ্ঠানকে ঘিরে অন্যান্য শিল্প সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। এগুলোর সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে।
শিল্প মন্ত্রণালয়ের লোকসানি প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, আমাদের কোনো প্রতিষ্ঠান লোকসানি নয়। কারণ এখানে প্রচুর মানুষের কর্মসংস্থান হয়েছে। সে বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।
তিনি বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে যেখানে বেসরকারী প্রতিষ্ঠানগুলো লোক ছাঁটাই করেছে, আমাদের সরকারী প্রতিষ্ঠানের কারো চাকরি যায়নি, কারো বেতন-ভাতার কোনো সমস্যা হয়নি।
রাষ্ট্রীয় কাঠামো ধ্বংস করতেই জেল হত্যা ॥ লিটন
স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ ইতিহাসের কলঙ্কিত জেল হত্যা দিবসে দেশের জাতীয় চার নেতাকে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করে রাজশাহী সিটি মেয়র ও শহীদ এএইচএম কামারারুজ্জামানের পুত্র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেছেন রাষ্ট্রিয় কাঠামো ধ্বংস করতেই কারাভ্যন্তরে জাতীয় চার নেতাকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছিল। বুধবার জেল হত্যা দিবস উপলক্ষে এক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এই মন্তব্য করেন।
রাসিক মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, ৩ নবেম্বর বাঙালী জাতির গভীর বেদনার দিন। জাতি দিনটিকে জেলহত্যা দিবস হিসেবে পালনের মাধ্যমে জাতীয় চার নেতাকে গভীরভাবে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার পর ৩ নবেম্বর তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী শহীদ তাজউদ্দিন আহমদ, শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম, শহীদ ক্যাপ্টেন মনসুর আলী ও শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানকে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে জাতীয় চার নেতা স্বাধীনতা যুদ্ধে প্রধান ভূমিকায় থেকে বাংলাদেশকে স্বাধীন করেছিলেন।
তিনি বলেন, স্বাধীনতাবিরোধী জাতীয় শত্রু ও ঘাতকরা রক্তে অর্জিত বাঙালির রাষ্ট্রীয় কাঠামোকে ধ্বংসের হীন উদ্দেশ্যেই দেশপ্রেমিকদের হত্যা করেছিল। কিন্তু দেশের মানুষ সব ষড়যন্ত্র ছিন্ন করে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব অর্পণ করেছেন। দেশবাসীর সহযোগিতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধা, দারিদ্র্য মুক্ত, তথ্যপ্রযুক্তি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ার কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
জেলহত্যা দিবস সম্পর্কে স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জাতীয় নেতা শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান রাজশাহীর মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, প্রত্যেক সন্তানের কাছেই তার মা-বাবা অত্যন্ত আবেগের জায়গা। আমার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হয়নি বা হওয়ার কথাও না। সেই ক্ষেত্রে এই দিনটিকে ঘিরে অনেকগুলো বছর পার হয়ে গেছে। বাবা হারানোর যে বেদনা তরুণ বয়সে পেয়েছি, তখন যেমন ছিল এখন তেমনই আছে। এ ব্যথা তো থাকবেই।
জাতীয় চারনেতার অন্যতম এএইচএম কামারুজ্জামানের সন্তান খায়রুজ্জামান লিটন বলেন, আজকের এই দিন আসলে মনে হয়, জাতির জন্য বড় ক্ষতিটা হয়ে গেছে। যেটা ১৯৭৫ থেকে ৯৬ পর্যন্ত ২১ বছর। এই ক্ষতি সহসা পূরণ হওয়ার নয়। এই ক্ষতি যারা করেছেন তারা জাতির জীবন থেকে ২১টি বছর দেশকে পিছিয়ে দিয়েছে। এটি তো অফেরতযোগ্য। এ কারণে জাতি চিরকাল এই খুনিদের মীর জাফর হিসেবে চিহ্নিত করবে, ঘৃণা করবে এবং এই দিনটিকে কালো দিবস হিসেবে পালন করবে।
তিনি বলেন, এমনিতে অনেক দেরি হয়েছে। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় বিচার করতে গিয়ে একটি হত্যাকাণ্ডের যেমন সময় লাগে বরং তার চেয়ে বেশি সময় লেগেছে। ২০০১ সালে জামায়াত-বিএনপি ক্ষমতায় আসলো। তারা জেলহত্যা মামলার রায় ২০০৪ সালে দিল। সেটি একটি প্রহসনের রায়। যারা প্রকৃত খুনি তাদের নামমাত্র শাস্তি দেওয়া হলো বা বেকসুর খালাস দেওয়া হলো। আমরা সেই রায় সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছি।
লিটন আরও বলেন, বর্তমান সরকার ২০০৮ সালে ক্ষমতায় আসার পর বিচারকার্য শেষ হয়ে এখন যে পর্যায়ে আছে তাতে রায় বাস্তবায়নের কাজটি বাকি। বাস্তবায়নের জন্য আমরা অধীর আগ্রহে আছি। কারণ আমাদের সবারই বয়স হয়েছে। আমাদের মায়েরাও গত হয়েছে। তারা আংশিক দেখে যেতে পেরেছেন। আমরা মনে করি এই কলঙ্ক বাঙালি জাতির ললাট থেকে চিরতরে মুছে ফেলার জন্যে যা করা দরকার, আমাদের সরকার তা করবে এবং করছে।
মেয়র লিটন বলেন, জাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে সচেতন ও প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী দেশরত্ন শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহবান জনাচ্ছি।
জেলহত্যা দিবসে গভীর শ্রদ্ধায় জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ
স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ শোকাবহ জেলহত্যা দিবসে গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় রাজশাহীতে জাতীয় চার নেতাকে স্মরণ করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার দিনভর রাজশাহী জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো নানা কর্মসূচী পালন করে।
রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে সকালে দলীয় কার্যালয়ের পাশে স্বাধীনতা চত্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে নগরীর কাদিরগঞ্জে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামানের সমাধীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়। পরে সেখানে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে জাতীয় চার নেতার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করা হয়।
এসব কর্মসূচীতে জাতীয় চার নেতার অন্যতম শহীদ কামারুজ্জামানের ছেলে ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার, সহসভাপতি শাহীন আক্তার রেনী, আওয়ামী লীগ নেতা আসলাম সরকার, মীর ইশতিয়াক আহমেদ লিমনসহ দলের বিভিন্ন স্তরের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
সকালে জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা শহীদ কামারুজ্জামানের সমাধীতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন। জেলা আওয়ামী লীগের অলোকার মোড়স্থ অস্থায়ী কার্যালয় থেকে জেল হত্যা দিবসের একটি শোক র্যালি নগরীর গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে নগরীর কাদিরগঞ্জস্থ জাতীয় চারনেতার অন্যতম শহীদ এএইচএম কামারুজ্জামান হেনার মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন নেতাকর্মীরা।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জাকিরুল ইসলাম সান্টু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও বাঘা উপজেলা পরিষদের এড. লায়েব উদ্দিন লাভলু, সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুস সামাদ, রাজশাহী রাজশাহী -৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিন, বরন্দ্রে বহুমুখী উন্নয়ন র্কতৃপক্ষ চেয়ারম্যান বেগম আখতার জাহান, রাজশাহী জেলা কৃষক লীগের সভাপতি মো. রবিউল আলম বাবুসহ জেলা আওয়ামীলীগের অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
নারায়ণগঞ্জে ধর্ষণ মামলা ॥ হেফাজতের সাবেক নেতা মামুনুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন
স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ ॥ হেফাজতে ইসলামের সাবেক যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে এক নারীকে রির্সোট এনে আটকে রেখে ধর্ষণ মামলায় অভিযোগ গঠন করেছে আদালত।
আজ বুধবার বেলা ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক আনিসুর রহমানে আদালতে এ অভিযোগ গঠন করা হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক মোঃ আসাদুজ্জামান। আদালত কাঠগড়ায় আসামির উপস্থিতে অভিযোগ গঠন করা হয়।
জানা যায়, গত ৩ এপ্রিল মামুনুল হক সোনারগাঁয়ে রয়েল রিসোর্টে কথিত স্ত্রী পরিচয়ে দিয়ে জান্নাত আরা ঝর্নাকে নিয়ে এক কক্ষে অবস্থান করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা নারীসহ মামুনুল হকে অবরুদ্ধ করে রাখেন।
বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে হেফাজতের ইসলামের কর্মীরা রির্সোটে নির্বিচারে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে পুলিশ হেফাজত থেকে মামুনুল হকসহ ওই নারীকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। পরে হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আওয়ামীলীগ কার্যালয়, যুবলীগের সভাপতি বাড়ি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে বেপরোয়া ভাংচুর চালায়। হামলা হয় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দুই শতাধিক যানবাহনের।
এ ঘটনায় সংহিসতার অভিযোগ এনে পুলিশ ও স্থানীয় যুবলীগ নেতা বাদি হয়ে মামুনুল হককে আসামি করে দুটি মামলা দায়ের করেন। রিসোর্টকান্ডের দিন সঙ্গীনিকে মামুনুল দ্বিতীয় স্ত্রী দাবি করলেও তার দাবির সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠে। আর সংহিসতার মামলায় ১৮ এপ্রিল গ্রেফতারের পর ৩০ এপ্রিল সোনারগাঁ থানায় মামুনুল হকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন জান্নাত আরা ঝর্ণা। এতে তিনি অভিযোগ করেন, মামুনুল হক বিয়ে করার প্রলোভন দেখিয়ে গত দুই বছর ধরে তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক গড়েছেন। কিন্তু বিয়ে করবেন বলে আর করেননি। ধর্ষণ মামলার তদন্তকারি কর্মকর্তা সোনারগাঁ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত ) সফিকুল ইসলাম তদন্ত শেষ করে গত ১০ সেপ্টেম্বর আদালতে মামুনুল হকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।
নাইজেরিয়ায় ভবন ধস ॥ নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২০
অনলাইন ডেস্ক ॥ নাইজেরিয়ার লাগোসে বহুতল ভবন ধসের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২০ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। স্থানীয় সময় সেমাবার ( ১ নভেম্বর) বিকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ধসে পড়া ভবনটিতে ‘অস্বাভাবিকতা’ নজরে আসার পর চলতি বছরের শুরুতে এর অবকাঠামো নির্মাণ কাজে স্থগিতাদেশ দেয় রাজ্য সরকার। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার ( ২ নভেম্বর) এ তথ্য নিশ্চিত করে কর্তৃপক্ষ।
লাগোস রাজ্যের ডেপুটি গভর্নর ওবাফেমি হামজাত বলেন, ২১ তলা বিশিষ্ট ভবনটি নির্মাণে গত জুনে এর কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল।
তিনি বলেন, সম্প্রতি শ্রমিকরা কাজ করার অনুমতি পায়। কিন্তু মঙ্গলবার দেখা গেছে যে, এটি নির্মাণাধীন অংশে ঘটেছে কিনা তা স্পষ্ট হচ্ছিল না।
তবে কি কারণে অবকাঠামোগত নির্মাণ কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল তা স্পষ্ট করে বলেননি তিনি। কিন্তু লাগোস রাজ্যের বিল্ডিং কন্ট্রোল এজেন্সির প্রধান জানান, ভবনটি নির্মাণে নিম্নমাণের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়, যা ছিল ভয়ঙ্কর।
জানা গেছে, ফোর স্কোর হোম লিমিটেড আবাসন স্কিমের পরিকল্পনা করে ভবনটি নির্মাণ করছিল। যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র, দক্ষিণ আফ্রিকা ও নাইজেরিয়ার অন্য এলাকাগুলোতেও তাদের বিভিন্ন প্রকল্পের কাজ চলছে।
এদিকে, সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবীরা এখনও উদ্ধার কাজ চালাচ্ছেন। দুর্ঘটনাস্থলের আশপাশে ভূক্তভোগীদের স্বজনরা অপেক্ষা করছেন প্রিয়জনকে দেখার জন্য।
Install app for better experience
Ibne Sadik
تبصرہ حذف کریں۔
کیا آپ واقعی اس تبصرہ کو حذف کرنا چاہتے ہیں؟