Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #xembongda #best #ai
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Night mode
  • © 2026 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

২৩ ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব

অনলাইন রিপোর্টার ॥ গোয়েন্দা সংস্থার কালো তালিকাভুক্ত চীনের ই-কমার্স জায়ান্ট আলিবাবার মালিকানাধীন দারাজসহ ২৩ প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব তলব করেছে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)। বুধবার (৩ নবেম্বর) বিএফআইইউ সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

গত সোমবার (১ নবেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে তিন গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে আলাদা আলাদা তালিকা দেওয়া হয় বিএফআইইউকে। সেসব কালো তালিকায় দারাজসহ নতুন করে এই ২৩টি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের নাম এসেছে।

এসব প্রতিষ্ঠান ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য চেয়েছে বিএফআইইউ। প্রতিষ্ঠানগুলোর অ্যাকাউন্টের লেনদেন, গ্রাহকদের পাওনা, অ্যাকাউন্টে জমার পরিমাণসহ বিভিন্ন তথ্য বিশ্লেষণ করে আগামী ১১ নবেম্বর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে দেওয়া হবে। গ্রাহকদের অর্থ ফেরতসহ বিভিন্ন বিষয়ে সেখানে আলোচনা হবে।


ব্যাংক হিসাব তলব করা প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছে দারাজ ও এর স্বত্বাধিকারী আলিবাবা ডটকম এবং প্রিয়শপ ও প্রতিষ্ঠানটির প্রধান আশিকুল আলম খান। এছাড়া রয়েছে বাংলাদেশ ডিল এবং এ কোম্পানির ফারজানা কবির ইশিতা ও ফিদা মাহমুদ আশফাক, ইনফিনিটি মার্কেটিং ও এর চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম।

অন্যদের মধ্যে রয়েছে ওয়ালমার্ট ও এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক শেখ ফরিদ আহম্মদ, আলীফ ওয়ার্ল্ড ও এর এমডি রাশেদুল ইসলাম রেয়ন, পরিচালক মিজানুর রহমান, সাজ্জাদ ও সাইফ; অ্যামস বিডি ও এর এমডি আশেকুল ইসলাম তানজীল, চেয়ারম্যান কায়সার হাবিব, পরিচালক মো. আবদুর রউফ বারেক, আহনাফ তাহমিদ নাহিয়ান ও মো. কামরুজ্জামান; অ্যানেক্স ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ও এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী রিমন, এমডি মোহাম্মদ জুলফিকার আলী, পরিচালক মো. মোফাজ্জেল হোসেন ও মো. ফিরোজ আলম এবং ব্রাইট হ্যাশ ও এর মালিক মো. ছালেকিন।


এছাড়াও রয়েছে স্বাধীন ও এর পরিচালক শাদমান ওয়াই, শামীরা ও ডেডরিক ভ্যান ওম্মেরেন; আকাশ নীল ও এর এমডি মসিউর রহমান এবং পরিচালক ইফতেখার উজ জামান রনি; গেজেট মার্ট ডটকম ও এর মালিক হারুন অর রশিদ। শেরেস্ত ডটকম ও এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা খান ইমরান রাসেল, পরিচালক মো. শামীম রেজা, ইরফান হোসাইন, জুনায়েদ হোসাইন, রাহাত হোসাইন চৌধুরী ও শেখ আহমেদ; আস্থার প্রতীক ও এর মালিক রুশো তালুকদার; টিকটিকি, শপ আপ ই-লোন, বাড়ি দোকান ডটকম, ই-শপ ইন্ডিয়া, বিডি লাইক, সান টিউন, চলন্তিকা, সুপম প্রোডাক্ট এবং নিউ নাভানা।

এর আগে ইভ্যালিসহ ১০টি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ও লেনদেনের তথ্য সংগ্রহ করেছেন গোয়েন্দারা। ওই ১০ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কালো তালিকায় যোগ হলো এই ২৩ প্রতিষ্ঠান। ফলে কালো তালিকাভুক্ত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা দাঁড়ালো ৩৩টিতে। উচ্চ ছাড়ে প্রলোভন দেখিয়ে পণ্য বিক্রি, গ্রাহকের অর্ডার নিয়েও পণ্য সরবরাহ না করাসহ বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে।


অবশ্য বিতর্কিত ই-কমার্স ইভ্যালি, ই-অরেঞ্জ, ধামাকা শপিং, কিউকমের মতো অনেক প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবের যাবতীয় তথ্য ইতোমধ্যে সংগ্রহ করেছে বিএফআইইউ। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ ও মালিকদের গ্রেফতার করা হয়েছে।

Like
Comment
Share
Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

নওগাঁয় আমন ধানের বাম্পার ফলন

নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ ॥ নওগাঁর ১১টি উপজেলার প্রতিটি মাঠ জুড়ে অপরুপ সৌন্দর্যে ভরা আমন ধানের ডগায় দোল খাচ্ছে এখন হেমন্তের শিশির বিন্দু। দিগন্ত জুড়ে যে দিকে দু’চোখ যায়, শুধু সবুজ আর সবুজ। সবুজের সমারোহে যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। ঋতু শরৎকে বিদায় দিয়ে হেমন্তকে বরণ করেছে প্রকৃতি।

জেলার প্রতিটি মাঠ জুড়ে ধানের শীষে পড়ছে শীতের শিশির বিন্দু। সকাল হলেই দেখা মিলছে সাদা কুয়াশার ভেলা। এই কুয়াশা জানান দিচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা। ইতোমধ্যেই আগাম লাগানো ধান কাটা হয়েছে।


শস্য-শ্যামলা, সবুজ বাংলার কৃষি প্রধান দেশের রাজশাহী অঞ্চলের নওগাঁ জেলার দিগন্ত জুড়ে খোলা মাঠে দুলছে এখন কৃষকের কাঙ্খিত স্বপ্ন। ধুধু চোখে নজর কাড়ছে আমন ধানের ক্ষেত। ভালো ফলনের আশায় আমন ধান পরিচর্যায় এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা । মাঠে মাঠে চলছে আমন ধান পরিচর্যার মহোৎসব। কাক ডাকা ভোর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলছে ধান পরিচর্যার কার্যক্রম। ধান ক্ষেতগুলো এখন কৃষকদের পদভারে মুখরিত হয়ে উঠেছে। অধিকাংশ ক্ষেতের ধান হলুদ বর্ন হতে শুরু করেছে।


কার্তিক মাসের শুরতেই ধানের গাছ এখন শিশির ভেজা বাতাসে দুলছে। সম্প্রতি মাঠের চারিদিকে এখন সবুজের সমারোহ। গত বছরের চেয়ে এ বছর আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে মাঠ জুড়ে। এদিকে জেলার ডিলারদের কাছে পর্যাপ্ত পরিমান তেল ও সার পাওয়ায় কৃষকরা অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছে। নওগাঁ জেলা খাদ্য উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে। এ জন্য বোরো মৌসুমে সেচ কার্যক্রম যথাযথ রাখতে বিদ্যুৎ বিভাগও রয়েছে তৎপর।


জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ শামসুল ওয়াদুদ জানান, চলতি মৌসুমে নওগাঁ জেলার ১১টি উপজেলায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ৫৫ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হলেও চাষ হয়েছে ১ লাখ ৯৭ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে। এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে আমন ধান চাষ করা হয়েছে। চলতি আমন মৌসুমে কৃষকদের কাঙ্খিত ফসল অর্জনে প্রতিটি ব্লক পর্যায়ে গিয়ে ক্যাম্পেইনসহ নানা ধরণের পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে। এছাড়াও মাজড়াপোকা এবং অন্যান্য আবাদ বিনষ্টকারী পোকার আক্রমণ থেকে বাঁচতে উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা পাচিং সহ আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহারে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন। ফলে জেলার কোথাও মাজড়া পোকা, কারেন্ট পোকার আক্রমণ তেমন একটা নেই। তবে এবারো আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

Like
Comment
Share
Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

ঢাবির ‘ক’ ইউনিটের ফল প্রকাশ, ফেল ৮৯ শতাংশ

অনলাইন ডেস্ক ॥ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়েছে। ‘ক’ ইউনিটের ফলে পাস করেছেন ১০.৭৬ শতাংশ শিক্ষার্থী। আর ফেল করেছেন ৮৯.২৪ শতাংশ।

আজ বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের অধ্যাপক আব্দুল মতিন ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান এ ফলাফল ঘোষণা করেন।

ফলাফলে দেখা গেছে, পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী ৯৪ হাজার ৫০৫ জনের মধ্যে পাস করেছেন ১০ হাজার ১৬৫ জন, যা মোট শিক্ষার্থীর ১০ দশমিক ৭৬ শতাংশ। বাকি ৮৯ দশমিক ২৪ শতাংশ শিক্ষার্থী ফেল করেছেন।


গত ১ অক্টোবর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস ছাড়াও সাত বিভাগে ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ‘ক’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

এ বছর ‘ক’ ইউনিটে মোট আবেদনকারীর সংখ্যা এক লাখ ১৭ হাজার ৯৫৭ জন। মোট আসন সংখ্যা এক হাজার ৮১৫টি। ইউনিটটিতে প্রতি আসনের বিপরীতে লড়েছেন ৬৫ জন পরীক্ষার্থী।


গতকাল মঙ্গলবার কলা অনুষদভুক্ত ‘খ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। এ পরীক্ষায় পাস করেছেন সাত হাজার ১২ জন শিক্ষার্থী। পাসের হার ১৬ দশমিক ৮৯ শতাংশ আর ফেলের হার ৮৩ দশমিক ১১ শতাংশ।

Like
Comment
Share
Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

জেলহত্যা ঘটনায় খুনিদের বিচার এবং শাস্তি দাবি

অনলাইন ডেস্ক ॥ ১৯৭৫ সালের ৩ নবেম্বর কেন্দ্রীয় কারাগারে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতীয় চার নেতাকে নির্মম ভাবে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় খুনিদের বিচার এবং শাস্তি দাবি করেছেন জাতীয় চার নেতার পরিবারের সদস্যরা।

আজ বুধবার জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে নাজিমুদ্দিন রোডের পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারের অভ্যন্তরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ শেষে তারা এই আহ্বান জানান।

শহীদ তাজউদ্দিন আহমদের ছেলে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী তানজিম আহমেদ সোহেল তাজ বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধের সময় পাকিস্তানের কারাগারে বন্দী ছিলেন। এই দুর্যোগময় মুহূর্তে জাতীয় চার নেতা দৃঢ়তার সঙ্গে মহান মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং স্বাধীনতা ছিনিয়ে এনেছিলেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়। পরে কেন্দ্রীয় কারাগারে ৩ নবেম্বর নির্মম হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। আমাদের পরিবারের পক্ষ থেকে স্বাভাবিকভাবে আমরা চাই এটার বিচার হোক এবং খুনিদের শাস্তি হোক।


সোহেল তাজ বলেন, আমাদের ভবিষৎ প্রজন্ম যেন জানতে পারে কী লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। সোনার বাংলার স্বপ্নের জন্য, একটা সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে মুক্তিযুদ্ধ হয়েছিল। আমি মনে করি, চার নেতার পরিবারবর্গ মনে করে ওনাদের জীবনী জাতীয়ভাবে মানুষের সামনে, নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরা উচিৎ।

তিনি বলেন, স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের বই পুস্তকে যদি তাদের জীবনী তুলে ধরতে পারতাম তাহলে নতুন প্রজন্ম অনুপ্রাণিত হতো। তাহলে আগামীর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে আমরা নতুন প্রজন্মকে গড়ে তুলতে পারবো। ৩ নবেম্বর শোকাহত দিনে এটাই আমাদের চাওয়া।


এ সময় এক প্রশ্নের জবাবে শহীদ তাজউদ্দিন আহমদের মেয়ে সংসদ সদস্য সিমিন হোসেন রিমি বলেন, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকারী, জেল হত্যাকারীরা প্রায় একই মানুষ। আমি সকল মানুষের, সকল সচেতন নাগরিকের পক্ষ থেকে বলতে চাই, বিশ্বের সকল দেশে যেমন একটা বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা থাকে, পাশাপাশি একটা স্বাধীন কমিশন গঠন করা হয়। হত্যাকাণ্ড মানে খালি গুলি করলো চলে গেল, এমনটি নয়। এর পেছনের কারিগর বা কুশিলব যারা তাদেরকে জানার জন্য যেন একটা স্বাধীন কমিশন গঠন করা হয়।

তিনি বলেন, আমরা সুদূর অতীতে না, পাশের দেশের দিকে যদি তাকাই ইন্দিরা গান্ধী মারা যাওয়ার পর সেরকম কমিশন গঠন করা হয়েছে, একইসঙ্গে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে। একইভাবে রাজীব গান্ধী হত্যার পরেও তাই করা হয়েছে। ১৯৬৩ সালে কেনেডিকে আমেরিকায় হত্যা করা হয়। সেসময়ও আলাদা কমিশন গঠন করা হয়েছিল। কারণ আলাদা কমিশন ছাড়া কারা ঘটনার পেছনে ছিল সেটা জানা সম্ভব নয়।


সিমিন হোসেন রিমি আরও বলেন, আমরা শুধু শোক প্রকাশ করতে চাই না, কাঁদবো আর আসবো আর সেই দিনকে স্মরণ করবো সেটা নয়। আমি একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে মনে করি, যে মানুষদের হত্যা করলে দেশের চেহারা বদলে যায়, রাষ্ট্রের চিন্তাধারা বদলে যায়- সে মানুষদের যথাযথ মর্যাদায় সম্মানের সঙ্গে নাগরিকদের জানানো উচিৎ। তাদেরকে আড়ালে রেখে কোনদিনও আমরা সোনার বাংলা গড়তে পারবো না।

সৈয়দ এম মনসুর আলীর পুত্র রেজাউল করিম বলেন, ৩ নবেম্বর জেলখানায় যে হত্যাকাণ্ড ঘটেছিল তার ৪০ বছর হয়ে গেলে তদন্ত কমিশনসহ বিভিন্ন দাবি উঠছে। কিন্তু একটা তদন্ত কমিশন সে সময় গঠিত হয়েছিল, সেটার পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট কেউ জানতে পারেনি এখনো। তৎকালীন অবৈধ প্রেসিডেন্ট মোস্তাকের নির্দেশে জেলখানায় ঢুকে এই হত্যাকাণ্ড হয়। তৎকালীন জেল কর্তৃপক্ষের কী ভূমিকা ছিল আমরা জানতে চাই। এছাড়া, জাতীয় চার নেতার যে ভূমিকা ইতিহাসে তা যথাযথ মূল্যায়ন করা উচিৎ।

Like
Comment
Share
Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

জেলহত্যার ঘটনার বিচারের রায় কার্যকরে সর্বোচ্চ চেষ্টা চলছে’

অনলাইন ডেস্ক ॥ ১৯৭৫ সালের ৩ নবেম্বর জেলহত্যার ঘটনার বিচারের রায় কার্যকর করতে সরকার সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। তিনি বলেন, বাংলাদেশে দুটি জঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যার মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট, অন্যটি ৩ নবেম্বর জেলহত্যার ঘটনাটি।

আজ বুধবার সকাল ১০টায় রাজধানীর নাজীম উদ্দিন রোডে অবস্থিত পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে তিনি এ কথা জানান।

আসাদুজ্জামান খান বলেন, আজ ৩ নবেম্বর, জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশে দুটি ঘৃণ্যতম হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। যার মধ্যে একটি ১৫ আগস্ট, অন্যটি ৩ নবেম্বর জেলহত্যার ঘটনাটি। এই ঘটনাগুলো কারা ঘটিয়েছে তা সবাই জানে। অনেক হত্যাকারীর বিচার হয়েছে, এদেরও হবে।


এ সময় মন্ত্রী বলেন, জেলহত্যা দিবসে আমরা প্রথমে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি। এছাড়া জাতীয় চার নেতাকেও গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছি।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমরা জানি জেলখানা পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে নিরাপদ স্থান। কিন্তু কিভাবে আইন ভঙ্গ করে এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়েছে সবাই জানে। বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়েছে এবং রায় আংশিক কার্যকর হয়েছে। আর যারা পলাতক আসামি রয়েছেন তাদেরকে আমরা খুঁজে বেড়াচ্ছি। আমরা যখন আসামিদের নিজেদের আওতায় পাবো তখনি ফাঁসির রায় কার্যকর হবে। জেলহত্যার রায় কার্যকরের জন্য আমরা সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা নিচ্ছি।

Like
Comment
Share
Selim Reza
Selim Reza
4 yrs

শোকাবহ জেলহত্যা

আজ ৩ নবেম্বর, শোকাবহ জেলহত্যা দিবস। বাংলাদেশ নামক স্বাধীন সার্বভৌম দেশটিকে পরাজিত শক্তি তাদের কব্জায় নেয়ার জন্য ইতিহাসের নারকীয় হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছিল ১৯৭৫ সালে। স্বাধীনতা প্রাপ্তির সাড়ে তিন বছরের মাথায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধুকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয় সপরিবারে ১৫ আগস্ট ভোরে। এর আড়াই মাস পর আজকের এই দিনে কারাগারে আটক রাখা জাতীয় চার নেতা সৈয়দ নজরুল ইসলাম, তাজউদ্দীন আহমদ, এম মনসুর আলী এবং এএইচএম কামারুজ্জামানকে হত্যা করা হয় নৃশংসভাবে। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতাকে কেন এবং কি কারণে হত্যা করা হয়েছিল তা সহজেই বোধগম্য। দেশের স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ধ্বংস করাই ছিল তাদের মূল উদ্দেশ্য। দেশী-বিদেশী অপশক্তি একত্রে কাজ করে নির্মমতার চ‚ড়ান্ত বহির্প্রকাশ ঘটিয়েছিল। হত্যাকাণ্ডের মধ্য দিয়ে প্রতিবিপ্লবীরা অর্জিত রাষ্ট্রীয় চার মূলনীতি শুধু পরিবর্তনই নয়, দেশকে পাকিস্তানী ভাবধারায় পরিচালিত করে। রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠী এবং বিভিন্ন পেশার বাংলাদেশবিরোধীরা হত্যাকাণ্ডের ক্ষেত্র তৈরি ও ষড়যন্ত্রে জড়িত এবং সহায়ক ছিল। কিন্তু তাদের চিহ্নিত করা হয়নি। বঙ্গবন্ধু ও জাতীয় চার নেতা হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করার জন্য তদন্ত কমিশন গঠনের দাবি বারবার উচ্চারিত হয়েছে দেশবাসীর পক্ষ থেকে।

Like
Comment
Share
Mohammad Altaf Hossen
Mohammad Altaf Hossen
4 yrs

আম্মে হেই ডাক্তারের কষ্ট কহনও বোঝবেননা, যে ডাক্তার কিনা ১জন নার্সরে ভালোবাসে, অথচ হ্যারে সিস্টার ডাকতে হয়।🙂

Like
Comment
Share
Shuvon Islam
Shuvon Islam  changed his profile picture
4 yrs

image
Like
Comment
Share
Æléx Pïççï
Æléx Pïççï
4 yrs

image
Like
Comment
Share
HB Hhmed Islam
HB Hhmed Islam  changed his profile picture
4 yrs

image
Like
Comment
Share
Showing 20802 out of 22466
  • 20798
  • 20799
  • 20800
  • 20801
  • 20802
  • 20803
  • 20804
  • 20805
  • 20806
  • 20807
  • 20808
  • 20809
  • 20810
  • 20811
  • 20812
  • 20813
  • 20814
  • 20815
  • 20816
  • 20817

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund