১০ অ্যান্টিবায়োটিক স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াচ্ছে
অ্যান্টিবায়োটিক জীবনদায়ী ওষুধ। অযৌক্তিক ব্যবহারে ওষুধটি অকার্যকর হয়ে পড়ছে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ১০টি হাসপাতালে করা গবেষণায় দেখা গেছে, হাসপাতালগুলোতে সতর্কভাবে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা হচ্ছে না। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি অ্যান্টিবায়োটিক রোগীদের দেওয়া হচ্ছে। বেশি ব্যবহৃত ১০টি অ্যান্টিবায়োটিক অনেক ক্ষেত্রে রোগ নিরাময়ে কাজে আসছে না।
অযৌক্তিক, অপ্রয়োজনীয় ও যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে জীবন রক্ষাকারী এই ওষুধটি অকার্যকর হয়ে পড়ছে। দেশে-বিদেশে গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, ক্ষেত্রবিশেষে জীবাণু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী হয়ে উঠছে। একের পর এক অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করেও রোগী সুস্থ হচ্ছে না। শুধু বাংলাদেশে নয়, এটি বৈশ্বিক সমস্যা।
অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়লে সংক্রামক রোগের বিরুদ্ধে কোনো প্রতিরোধব্যবস্থা থাকবে না।
জীবাণু মারতে বা ধ্বংস করতে নির্দিষ্ট মাত্রায় নির্দিষ্ট সময় ধরে নিয়মিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হয়। রোগী যদি তা না করে, তাহলে ওই জীবাণু ওই অ্যান্টিবায়োটিকে মরে না, জীবাণু ওই অ্যান্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে টিকে থাকার ক্ষমতা অর্জন করে। অ্যান্টিবায়োটিক তখন অকার্যকর হয়ে পড়ে।
১০টি অ্যান্টিবায়োটিক সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। এই তালিকায় আছে সেফট্রিয়াক্সোন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন, সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, ফ্লুক্লোক্সাসিলিন, মেরোপেনেম, সেফিক্সিম, অ্যামোক্সোসিলিন + ক্যালভুলানিক অ্যাসিড, সেফুরোক্সিম, মোস্কিফ্লোক্সাসিন ও মেট্রোনিডাজোল। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় সেফট্রিয়াক্সোন। অ্যান্টিবায়োটিকটি ৩৬ শতাংশের বেশি রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।
২০১৯ সালে থেকে এ পর্যন্ত উদ্ভাবিত অ্যান্টিবায়োটিকগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করে। প্রথমে ‘অ্যাক্সেস’ শ্রেণি। এই শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিকগুলোর অকার্যকর হওয়ার প্রবণতা কম। এগুলো সাধারণত বেশি ব্যবহৃত হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিকগুলো ব্যবহার করা যাবে, তবে অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে। আর ‘রিজার্ভ’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করতে হবে মরণাপন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে বা আইসিইউতে।
হাসপাতালগুলোতে ‘অ্যাক্সেস’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়েছে ২৮ শতাংশ। অন্যদিকে ‘ওয়াচ’ শ্রেণির ব্যবহার হয়েছে দ্বিগুণের বেশি। এই শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহৃত হয়েছে ৬৯ দশমিক ৪ শতাংশ। অন্যদিকে ‘রিজার্ভ’ শ্রেণির অ্যান্টিবায়োটিক শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ ব্যবহৃত হতে দেখা গেছে।
প্রাণী ও মৎস্যসম্পদ এই দুটি ক্ষেত্রেও অনেক অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হয়। মাছ মাংসে যে হারে অ্যান্টিবায়েটিক ব্যবহারের কোন নীতি মানেন না খামারিরা, তাই এই মাছ মাংস থেকে মানব শরীরে প্রবেশ করে অ্যান্টিবায়েটিক প্রতিরোধী করে তুলছে, যার কারণে অনেক অপারেশন রোগীও সুস্থ হয়ে উঠছেন না। বিশেষ করে যাদের অপারেশনের প্রয়োজন হয়।
সচেতনতা দরকার সাংসদদের মতো নীতিনির্ধারকদের, স্বাস্থ্য ও ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের, হাসপাতাল ব্যবস্থাপকদের, ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের, ব্যবস্থাপত্র যাঁরা লেখেন, সেই চিকিৎসকদের, ওষুধের দোকানদারদের, সর্বোপরি সাধারণ মানুষের।
সুত্র: শিশির মোড়লের লেখা থেকে।
গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান গবাদিপশুর ক্যালসিয়াম যে ভাবে তৈরী করবেন?
ক্যালসিয়াম যে কোন প্রাণীর শরীরে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদান। গবাদি পশুর শরীরে দুধের পরিমাণ বাড়ানোর জন্য উচ্চ পর্যায়ে প্রয়োজন হয় ক্যালসিয়ামের। গবাদি পশুর শরীরে দুধের বৃদ্ধির জন্য পশুপালকদের ক্যালসিয়াম বাজার থেকে কিনতে হয়, তবে তা খুবই ব্যয়বহুল। যা সকলের পক্ষে ক্রয় করা সম্ভব হয় না।
কিন্তু ঘরে বসে খুব সহজেই তৈরি করা যায় ক্যালসিয়াম এবং স্বল্প মূল্যে আপনি পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম প্রস্তুত করতে পারেন। কীভাবে?
আসুন জেনে নেওয়া যাক: ক্যালসিয়াম তৈরির জন্য, প্রথমে প্রয়োজন ৫ কেজি চুন, যার মূল্য বাজারে ৪০-৫০ টাকার কাছাকাছি। এটি সাধারণত ঘর রঙের জন্য ব্যবহৃত হয়। এরপর এই চুনটি একটি বড় প্লাস্টিকের ড্রামে রাখুন এবং এতে ৭ লিটার জল যোগ করুন।
জল দেওয়ার পরে ৩ ঘন্টা সময় দিন মিশ্রণের জন্যে। ৩ ঘন্টার মধ্যে, এটি জলের সাথে ভালভাবে দ্রবীভূত হয়ে যাবে এবং জল আলাদা করে বোঝা যাবে না। এবার এই মিশ্রণে পুনরায় ২০ লিটার জল যুক্ত করুন। এখন এই মিশ্রণটি ২৪ ঘন্টা এভাবে রাখতে হবে। ২৪ ঘন্টা পরে ক্যালসিয়াম সম্পূর্ণ প্রস্তুত হয়ে যাবে, তবে এটি সরাসরি প্রাণীকে খাওয়ার জন্য দেওয়া যাবে না।
এবার একটি গ্লাস অথবা পাত্র নিন এবং উপর থেকে পরিষ্কার জল একটি ক্যান বা বালতিতে সংরক্ষণ করুন। মনে রাখবেন, যে গ্লাস থেকে জল অপসারণ করার সময় দ্রবণটি/মিশ্রণটি যেন কম্পিত না হয়। কেবলমাত্র উপরিভাগ থেকে পরিষ্কার জল সংগ্রহ করতে হবে। এইভাবে মিশ্রণটি থেকে ১৫ লিটার পরিষ্কার জল সংগ্রহ করতে হবে এবং বাকি দ্রবণটি অন্য কোনও উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা যেতে পারে।
তবে এই মিশ্রণটি সরাসরি পশুকে পান করাবেন না। পশুকে জল খাওয়ানোর সময়, এই দ্রবণটির ১০০ গ্রাম তার জলে মিশিয়ে তা পান করাবেন। তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আপনাকে অবশ্যই সতর্ক হতে হবে যে, আপনি বাজার থেকে যে চুন ক্রয় করবেন, তা সম্পূর্ণ বিশুদ্ধ হতে হবে।
তথ্যসূত্র: কৃষি জাগরণ ডটকম
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করলেন মেক্সিকান এক তরুণী। মেয়েটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পোগলদিঘা গ্রামের নজরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। মেক্সিকান তরুণীকে একনজর দেখার জন্য উপচেপড়া ভিড় জমিয়েছেন উৎসুক জনতা।
জানা গেছে, গ্লাডিস নাইলি টরিবিও মরালেস (৩২) নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে মোছা. লাইলী আক্তার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে রবিউল হাসান রুমানকে (২৯) বিয়ে করে হাসি-আনন্দে সময় কাটাচ্ছেন। রবিউল হাসান নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহের রুমডো ইন্সটিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যালে ডিপ্লোমা শেষে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।
Read more https://www.anuperona.com/mexi....can-girl-in-love-jam
প্রেমের টানে বাংলাদেশে এসে বিয়ে করলেন মেক্সিকান এক তরুণী। মেয়েটি এখন জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার পোগলদিঘা ইউনিয়নের পোগলদিঘা গ্রামের নজরুল ইসলামের বাড়িতে অবস্থান করছেন। মেক্সিকান তরুণীকে একনজর দেখার জন্য উপচেপড়া ভিড় জমিয়েছেন উৎসুক জনতা।
জানা গেছে, গ্লাডিস নাইলি টরিবিও মরালেস (৩২) নাম পরিবর্তন করে বর্তমানে মোছা. লাইলী আক্তার। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে রবিউল হাসান রুমানকে (২৯) বিয়ে করে হাসি-আনন্দে সময় কাটাচ্ছেন। রবিউল হাসান নজরুল ইসলামের ছেলে। তিনি ময়মনসিংহের রুমডো ইন্সটিটিউট অব মডার্ন টেকনোলজি থেকে মেকানিক্যালে ডিপ্লোমা শেষে ফ্রিল্যান্সিং করছেন।
Read more https://www.anuperona.com/mexi....can-girl-in-love-jam
Install app for better experience
Nurul Amin
댓글 삭제
이 댓글을 삭제하시겠습니까?
Saiful Islam
댓글 삭제
이 댓글을 삭제하시겠습니까?