এমন মৃ/ত্যু 😭😭আর কারো না হোক
সোহানা তালুকদার তানহা। বয়স মাত্র ১২। ক্লাস সিক্সের শিক্ষার্থী। তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার বড়।
গত শুক্রবার স্কুল পিকনিকে গিয়েছিল নরসিংদীর ড্রিম হলিডে পার্কে। বাবা বলেছিলেন প্রাইভেট কারে যেতে, কিন্তু বন্ধুদের সাথে বাসে যাওয়ার আনন্দ তানহা ছাড়তে চায়নি। সন্ধ্যায় হাসিমুখে বাড়ি ফিরেছিল।
কে জানত, বাড়ির ভেতরেই অপেক্ষা করছিল মৃ/ত্যু।
রাত প্রায় নটা। প্রিয় খাবার গরম করতে রান্নাঘরে গেল তানহা। রান্না করা ছিল তার খুব শখের খাবার কিন্তু কেউ একজন চুলা জ্বা/লিয়ে রেখে গিয়েছিল। গ্যাসের চাপ কম থাকায় আ/গুন নিভে গেছিল, কিন্তু চুলা বন্ধ হয়নি। পরে গ্যাসের চাপ বাড়তে বাড়তে পুরো রান্নাঘর গ্যাসে ভরে গেল।
তানহা দিয়াশলাই জ্বা/লানোর সাথে সাথে—ভ/য়াব/হ বি/স্ফো/রণ।
নিমে-ষে পুরো শরীর আ/গুনে ঝলসে গেল। দ্রুত বার্ন ইউনিটে নেওয়া হলো।
আইসিইউতে নেওয়ার আগে তানহা বাবাকে বলছিল:
"বাবা, তুমি আমার পাশে এসে বসো। আমার চিকিৎসা লাগবে না।"
আইসিইউতে যাওয়ার ঠিক আগের কথা:
"বাবা, মা, তোমরা কথা বলতে থাকো। আমি হয়তো আর ফিরব না।"
তিন দিন পর, শবেবরাতের সন্ধ্যায় তানহা চিরতরে চলে গেল।
🥰আমাদের করণীয়
গ্যাস ব্যবহারে সতর্ক হোন:
# চুলা ব্যবহারের পর অবশ্যই বন্ধ করুন
# গ্যাসের গন্ধ পেলে জানালা খুলুন, আ/গুন জ্বা/লাবেন না
# শিশুদের গ্যাসের নিয়ম শেখান
একটু অসাবধানতা যেন আর কোনো শিশুর জীবন কে/ড়ে না নেয়।
ভালো থেকো তানহা। জান্নাতের ফুল হয়ে থেকো। Amin 🤲
📢 এই পোস্টটি শে-য়া-র করুন
আপনার একটি শে-য়া-র হয়তো বাঁ-চাতে পারে একটি শিশুর জীবন।
তানহার মতো আর কোনো পরিবারে যেন এমন দু-র্ঘটনা না ঘ-টে, সেজন্য এই পোস্টটি সবার কাছে পৌঁছে দিন। আপনার বন্ধু, পরিবার, প্রতিবেশী—সবাইকে সচেতন করুন।
💙 শেয়ার করুন। জীবন বাঁচান।