ভিডিও টা দেখে থাকবেন হয়তো এতক্ষণে.....
প্রতিদিনের মতো রিকশা চালক মালিকের ১০০ টাকার ভাড়ার বিনিময়ে রিকশা নিয়ে বের হয় রুটিরুজির জোগাড়ে।
স্বভাবতই রিকশা চালক ভাড়া খেটে প্যাসেন্জার নিয়ে যায় ৩০-৪০ টাকার বিনিময়ে।
কিন্তুু এটা তো প্যাসেন্জার না, এটা তো নরপ*শুর থেকে ও জঘন্য প্রাণী ।সে রিকশার পিছনের ছিটে মুখ বেধে বসে আছে(ছিনতাইকারী)।হাতে একটা ভারী হাতুড়ি লুকায়িত।যখন ই নির্জন গলির ভিতর আসছে।তখন ই কাপুরুষের মতো পিছন থেকে মাথা ও ঘাড়ে ইচ্ছে মতো এলো*পাতাড়ি মার*তে থাকে।একপর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে
লক্ষ্য কি? রাগ অভিমান?বহু টাকা?হিংসা?সোনা দানা?কিচ্ছু না। সামান্য একটা কাঠ-লোহার রিকশা ছিনতাই করার জন্য। তাও আবার মালিকের ভাড়ার রিকশা।এজন্য রিকশা মামাকে এই ভাবে মেরে ফেলে রিকশার লোভে।যা বিক্রি করে মাদক নেশা কিনবে।আর হাতে পায়ে সুচ ফুটিয়ে নে*শার টাকা জোগাড় করবে?জীবন কেড়ে নিয়ে নেশা কি উত্তম?
আহা এই নির্মম নিরাপত্তাহীন বাংলাদেশ। ধিক্কার।রিকশা চালকের কোন মুল্য নাই।মাদকের কাছে কি মানুষের জীবনের মুল্য এতই নগন্য।রিকশা মামার পরিবার এভাবে শেষ হয়ে গেলো। কাঠের রিকশার বদলে একটা জলজ্যন্ত প্রান মাটিতে শুয়ে থাকলো।ছি!রিকশা ওয়ালা বলে এদের মৃত্যুর দাম নাই?রিকশা মামা তো কোন দলের না।
কিছু ভাইরাল না হলে আর কি তদন্ত করে পুলিশ? হয়তো ইনার মৃত্যুর ফাইল টায় থানার আলমারির এককোনায় ধুলোয় পড়ে থাকবে !!ভুমিকম্প ও মহামারী কি আল্লাহ এমনি এমনি দিচ্ছে।
--খুলনা জেলা