Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #ai #xembongda
    جستجوی پیشرفته
  • وارد شدن
  • ثبت نام

  • حالت روز
  • © 2026 Linkeei
    در باره • فهرست راهنما • با ما تماس بگیرید • توسعه دهندگان • سیاست حفظ حریم خصوصی • شرایط استفاده • بازپرداخت • Linkeei App install

    انتخاب کنید زبان

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

تماشا کردن

تماشا کردن قرقره ها فیلم ها

مناسبت ها

مرور رویدادها رویدادهای من

وبلاگ

مقالات را مرور کنید

بازار

آخرین محصولات

صفحات

صفحات من صفحات لایک شده

بیشتر

انجمن کاوش کنید پست های محبوب بازی ها شغل ها ارائه می دهد
قرقره ها تماشا کردن مناسبت ها بازار وبلاگ صفحات من همه را ببین

کشف کردن نوشته ها

Posts

کاربران

صفحات

گروه

وبلاگ

بازار

مناسبت ها

بازی ها

انجمن

فیلم ها

شغل ها

Magazine
Magazine
3 سال

নিউইয়র্কে মোমেনা চৌধুরীর ‘লাল জমিন’
***********************************************************************
বাংলা নাটক, গান, সংস্কৃতির চর্চা নিউইয়র্কে চলছে বহুদিন। লোকে টিকিট কেটেও অনুষ্ঠান দেখেন। বাবা–মায়েরা ছেলেমেয়েদের বাংলা গান, নাচ ও আবৃত্তি শেখান বৈতনিক বিদ্যালয়ে। বাংলা পত্রিকা, টেলিভিশন, এমনকি নানা ইস্যুতে দলাদলিও এখানে আছে। তাঁদের সবার সঙ্গে বসে আপনি যখন ‘লাল জমিন’ দেখবেন, বুঝবেন, যে মহান ত্যাগের ইতিহাস আমাদের পূর্বসূরিরা রচনা করেছিলেন, তার কাছে ওই সব দল অদলবদল কত তুচ্ছ, কত আগাছা।

নাটকের শেষে আমার পা দুখানা সটান দাঁড়িয়ে গেল। হলভর্তি দর্শকের তুমুল হাততালি। মঞ্চে মোমেনা চৌধুরীর হাত দুটি বুকের ওপর ভাঁজ করে রাখা, সেখানে শ্বাসের দ্রুত ওঠানামা বোঝা যায়। তাঁর কণ্ঠও নিশ্চয়ই শুকিয়ে কাঠ, কিন্তু চোখে আনন্দের ঝিলিক।

তিনি জানেন, এবার দর্শকদের কেউ কেউ তাঁর সঙ্গে সেলফি তুলতে আসবেন, নিজেদের মুগ্ধতাও জানাবেন। আমার তখন মনে হলো, দূর ভবিষ্যতে এই অভিনয় মোমেনা নিজেও কি করতে পারবেন? যখন বয়স হবে? একক অভিনয় বলে তো আর এ নাটক টুলের ওপর বসে বসে কেবল সংলাপ আওড়ানো নয়। মঞ্চজুড়ে ৭০ মিনিট ধরে লাফঝাঁপ, হামাগুড়ি, দৌড়াদৌড়ি।

পরে মোমেনা চৌধুরীর সঙ্গে আলাপে জানলাম, শিগগির নাটকটির ভিডিও রেকর্ডিং হবে। মান্নান হীরার লেখা নাটকটির ছাপানো কপিও পাওয়া যায়। তিনি চান, বাংলার সবখানে ছড়িয়ে পড়ুক এই নাটক। এ কারণেই তিনি পথে নেমেছেন। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ভারত, কোরিয়া, দুবাই, কানাডা, যুক্তরাষ্ট্রেও পৌঁছে গেছে ‘লাল জমিন’। এ পর্যন্ত ৩৩০টি মঞ্চায়ন করেছেন, আরও করবেন। বললেন, ‘টিমের সবাইকে নিয়ে দেশের নানা জায়গায় গিয়ে মঞ্চস্থ করার মতো বাজেট নেই। তবু মনের জোরেই সব বাধা পেরোচ্ছি। আমাদের পরের প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধ দেখেনি, অভিনয় করে আমি ওদের তা দেখাব।’

শুনে মনে হলো, তিনি যেন নিজেকেই খুঁজে পেয়েছেন। এই আত্মশক্তিতে বলীয়ান বলেই এমন আনন্দে কাজ করতে পারছেন। মোমেনা নিজেও সে কথা বললেন, ‘আমার গা শিউরে ওঠে, যখন বীরাঙ্গনার সংলাপ কণ্ঠে তুলি। মনে হয়, একাত্তরের বধ্যভূমি থেকে জেগে উঠে ওরা আমার ওপর ভর করেছে। নিজের উচ্চারণে আমি নিজেই চমকে যাই।’

মোমেনা চৌধুরী মনে করিয়ে দিলেন, একাত্তরের জননীদের জন্য, শহীদদের জন্য আমাদের সবারই অনেক কিছু করার আছে।

যে শপথে, যে ত্যাগে এই স্বাধীন দেশ তাঁরা আমাদের দিয়ে গেছেন—সে দেশকে এগিয়ে নেওয়া, সেই বিজয়কে স্বার্থক করাই আমাদের নিজের জীবনকে স্বার্থক করবে। মোমেনা সেই আলোর পথের সন্ধান পেয়েছেন, তাই সেই কাজে যেন ব্রত নিয়েছেন। এ নাটকের হাজারো মঞ্চায়ন হোক।

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

আরও পরিণত হতে চান জাংকুক
***********************************************************************
বিটিএস থেকে সাময়িক বিরতি নিয়ে একক ক্যারিয়ার গড়ার কাজে মন দিয়েছেন জাংকুক। ব্যান্ডটির সর্বকনিষ্ঠ এই সদস্যের প্রথম একক গান ‘সেভেন’এসেছে গত শুক্রবার। প্রকাশের পর থেকেই গানটি আইটিউনসে রীতিমতো রাজত্ব করছে। এক দিনের ব্যবধানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জার্মানিসহ বিশ্বের ১০৬টি দেশের তালিকায় শীর্ষ রয়েছে ‘সেভেন’।

গানটি নিয়ে মার্কিন সাময়িকী ভ্যারাইটিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে জাংকুক জানান, ‘একক গানে আমি নতুন, ফলে গানটি করা আমার কাছে চ্যালেঞ্জিং ছিল। গান করার সময় নিজেদের সেরাটা দেওয়ার চেষ্টা করি। এরপরও এটি আমার প্রথম ধাপ। আগামী দিনে আরও পরিণত হতে চাই।’
বছরের শেষভাগে প্রথম একক অ্যালবাম নিয়ে আসছেন জাংকুক। তিনি বলেন, ‘নিজেকে আরও শাণিত করতে বিরতি নেওয়ার দরকার ছিল। এখন নিজের মতো করে কাটানোর সময় পাচ্ছি, অনেক কিছু শিখতেও পারছি। বিরতি শেষে আবারও বিটিএসে ফিরব।’

বিরতির মাঝখানে গত বছর কাতারে আয়োজিত ফিফা বিশ্বকাপের উদ্বোধনী আয়োজনে বিশ্বকাপের অফিশিয়াল গান ‘ড্রিমারস’ পরিবেশন করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন জাংকুক। গত বছরের জুনে যুক্তরাষ্ট্রের গায়ক চার্লি পুথের সঙ্গে ‘লেফট অ্যান্ড রাইট’ শিরোনামে একটি গান প্রকাশ করেছেন জাংকুক। সেটিই ছিল বিটিএসের বাইরে তাঁর প্রথম কোনো গান। গানটি বিলবোর্ডের হট ১০০ তালিকায় ছিল।

১২ বছর বয়সে বিটিএসে যোগ দেন জাংকুক। ২৫ পেরোনোর আগেই নিজেকে খ্যাতির চূড়ায় নিয়ে যান এই বিটিএস তারকা। ‘বিগিন’, ‘ইউফোরিয়া’ থেকে ‘ড্রিমারস’—এক দশকের ক্যারিয়ারে একের পর হিট গানে নিজেকে ছাড়িয়ে গেছেন। গত বছরের জুনে বিটিএস থেকে বিরতি নিয়ে একক ক্যারিয়ার গড়ার কাজে মন দিয়েছেন জাংকুক।
জাংকুকের আগে বিটিএসের পাঁচ সদস্য জে-হোপ, জিন, আরএম, জিমিন ও সুগাকেও একক গানে পাওয়া গেছে।

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

গায়িকা থেকে নায়িকা
***********************************************************************
কিছুদিন আগেই মোহনলালের ‘বৃষভ’ ছবিতে অভিনেতা সঞ্জয় কাপুরের কন্যা শানায়া কাপুরের অভিনয় করার খবর উঠে এসেছিল। এবার এই প্যান ইন্ডিয়া ছবির সঙ্গে আরেক তারকা-কন্যার নাম জুড়ে গেছে। সংগীতশিল্পী ও অভিনেত্রী সালমা আঘার মেয়ে পপ তারকা জারা এস খানেরও এই প্যান ইন্ডিয়া ছবিতে অভিষেক হতে চলেছে। জানা গেছে, ছবিতে তাঁকে অকুতোভয় এক যোদ্ধা-রাজকুমারীর ভূমিকায় দেখা যাবে।

ছবির প্রযোজক জুহি পারেখ মেহেতা এক বিবৃতিতে বলেছেন, সাহসী যোদ্ধা-রাজকুমারীর বেশে জারা একদম উপযুক্ত। মোহনলাল অভিনীত এই প্যান ইন্ডিয়া ছবিতে জারার বেশ কিছু দুর্ধর্ষ অ্যাকশন দৃশ্য আছে।

তার জন্য তাঁকে প্রশিক্ষণ নিতে হয়েছে। বৃষভ ছবিতে তাঁর বিপরীতে আছেন তেলেগু তারকা রোশন মেকা।

এত বড় এক প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত হতে পেরে জারা যারপরনাই খুশি। তিনি সম্প্রতি এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘“বৃষভ” ছবির মাধ্যমে সর্বভারতীয় স্তরে আমার অভিষেক হতে চলেছে। এটা আমার একটা অনেক বড় স্বপ্নপূরণ। মোহন (লাল) স্যারের মতো কিংবদন্তি অভিনেতার সঙ্গে সব সময় কাজ করতে চেয়েছিলাম। তাঁর সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নেওয়া একজন অভিনেতা হিসেবে অনেক বড় প্রাপ্তি। ছবিটি অত্যন্ত বড় আকারে আসতে চলেছে।’

রোশন মেকার সঙ্গে জুটি বাঁধার প্রসঙ্গে জারার মন্তব্য, ‘রোশনের সঙ্গে জুটি বাঁধব ভেবে আমি অত্যন্ত রোমাঞ্চিত। পর্দায় তাঁর (রোশন) উপস্থিতি এক অন্য মাত্রা আনে। অপেক্ষায় আছি, দর্শক কখন আমাকে এই চরিত্রে দেখবেন।’

নন্দ কিশোর পরিচালিত ‘বৃষভ ’পিরিয়ড ছবি। পিতা-পুত্রের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নির্মীয়মাণ ছবিতে বাবার ভূমিকায় মোহনলাল আর তাঁর ছেলের ভূমিকায় আছেন রোশন মেকা। ছবিটি আগামী বছর সারা দুনিয়ার সাড়ে চার হাজার হলে মুক্তি পাবে। দেখা যাবে তামিল, তেলেগু, মালয়ালম, কন্নড় ও হিন্দি ভাষায়।

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

মায়ের সঙ্গে কাঁদলেন জোভানও
***********************************************************************
রোববারের ঘটনা। ড্রয়িংরুমে সবাই বসে আছেন। উদ্দেশ্য সবাই মিলে নাটক দেখা। নাটকের অভিনেতা জোভান। তিনি তখনো বুঝে উঠতে পারছিলেন না পরিবারের সঙ্গে নাটকটি দেখবেন কি না। কারণ, কয়েক দিন আগেও শত শত ভক্তের সামনে এই নাটকের শুটিংয়ের সময় তিনি কেঁদেছেন। কিন্তু এবার মায়ের জন্য একসঙ্গে দেখতে হলো নাটকটি। একসময় সেই নাটকের গল্পে ডুবে গেলেন সবাই। নাটকের গল্পের শেষে পর্যায়ে রুমে নেমে এল নীরবতা। ভিজে গেল সবার চোখ। মনের অজান্তেই মা, নানি, মামার সঙ্গে কাঁদলেন জোভান। এমন অভিজ্ঞতা এই প্রথম।

জন্মের পরই একটি শিশু মারা যায়। সেই শিশুকে দাফন করা নিয়েই নাটকের গল্প। ‘কবর’ নামের মানবিক এই গল্পের চিত্রনাট্য পাওয়ার পর থেকেই শেষ দৃশ্যটি কিছুতেই ভুলতে পারছিলেন না এই অভিনেতা। কবরে শুইয়ে দেওয়া হচ্ছে একটি শিশুকে। হঠাৎ সেই শিশু কবরে রাখার পর কান্না করতে থাকে। ২০১৬ সালে এই ঘটনা প্রথম আলোয় প্রকাশিত হয়। ঘটনা ঘটেছিল ফরিদপুর শহরের আলীপুরস্থ পৌর কবরস্থানে।

সত্য ঘটনাটা ছিল এমন, ‘রাত সাড়ে ১২টায় জন্ম হওয়ার কিছুক্ষণ পর নবজাতকটিকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। এরপর শিশুটিকে কবর দিতে কার্টনে করে নিয়ে আসা হয় কবরস্থানে। সকাল ছয়টায় কবর দেওয়ার আগে মৃত নবজাতকের মাথা কোন দিকে রয়েছে, তা দেখার জন্য কার্টনটি খোলা হয়। আর তখনই কেঁদে ওঠে নবজাতক।’ সেই ঘটনার অনুপ্রেরণায় এবার ঈদে প্রচারিত হয়েছে ‘কবর’ নাটকটি। সেই নাটক ১১ দিনে ৫০ লাখের বেশি দর্শক দেখেছেন।

জোভান বলেন, ‘দিনটি আমার জন্য স্মরণীয় হয়ে থাকবে। ক্যারিয়ারে এমন ঘটনা এই প্রথম। গল্পে কোথায় কী ঘটবে, আমি তো সবই জানি। একসময় আমি দর্শক হয়ে গল্পে ডুবে যাই। আমি কবরে শিশুটিকে যখন শুইয়ে দিচ্ছিলাম, তখন ইমোশনাল হয়ে যাচ্ছিলাম। এই দৃশ্যগুলো আমাকে দারুণভাবে ছুঁয়ে যায়। পাশে তাকিয়ে দেখি আমার মা, নানি, মামা কাঁদছেন। সবাইকে কাঁদতে দেখে আমি নিজে চোখের পানি ধরে রাখতে পারছিলাম না। আমারও কান্না চলে আসে।’

জোভান আরও বলেন, ‘এই ঘটনা সত্য। খবরটি সেই সময়ই চোখে পড়েছিল। তখনই খারাপ লেগেছিল। অভিনয় করতে গিয়ে নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হই। শুটিংয়ের জন্য পাঁচ দিনের এক শিশুকে নিয়ে আসা হয়েছে। শিশুটি ঘুমাচ্ছে। সেই শিশুটিকে কবর দিতে যাচ্ছি, এটা আমাকে খুবই ইমোশনাল করে দিচ্ছিল। আমি তখন ভাবছিলাম, এভাবেই একটি শিশুকে তাঁর বাবা কবরে শুইয়ে দিয়েছিল। তাঁর ফিলটাই হয়তো আমি পাচ্ছিলাম। ইমোশনাল দৃশ্যে সব সময় কান্নার জন্য চোখে গ্লিসারিন বা অন্য কিছু ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু সেদিন কিছুই দরকার ছিল না। আমি ২০১৬ সালের সেই ঘটনা, চরিত্রের সঙ্গে মিশে গিয়েছিলাম।’

একসঙ্গে নাটকটি দেখা শেষ হওয়ার পর কিছু সময় জোভানরা কেউই কোনো কথা বলতে পারছিলেন না। সবাই চুপ ছিল। এর মধ্যেই হঠাৎ জোভানের মামা তাঁকে আশীর্বাদ করেন। তাঁর অভিনীত চরিত্র, অভিনয়, গল্প নিয়ে প্রশংসা করেন তিনি। জোভান বলেন, ‘আমার মা এমন এক মানুষ, যিনি আমার বড় সমালোচক। খারাপ হলে মুখের ওপর বলে দেন, নাটকটি ভালো লাগেনি। আরও ভালো হতে পারত, ভুল ধরিয়ে দেন। আবার ভালো হলে সরাসরি বলে দেন। এবার যখন মা বললেন, নাটকটি খুবই সুন্দর হয়েছে। প্রশংসা করছিলেন, তখন মনে হলো হয়তো অভিনয়ে এসে কিছুটা অর্জন করতে পেরেছি। এই ভালোবাসাগুলো অনুপ্রেরণা।’

শুটিংয়ের জন্য নিয়ে আসার পর সেই শিশুর মা–বাবা জানতে পারেন শিশুটিকে প্রথম মৃত দেখানো হবে। পরে দেখা যাবে জীবিত। এসব শুনেই বেঁকে বসেন শিশুর দাদা। তখন নাটকটির পরিচালক রাফাত মজুমদার রিংকু তাঁদের কাছে করজোড়ে অনুরোধ করেন। কারণ, দৃশ্যটির শুটিং করতে না পারলে তাঁরা ফেঁসে যাবেন। শিশুটির পরিবারের সদস্যরা শর্তে রাজি হয় যে কান্না করার সময় কবর থেকে তোলা দৃশ্য দেখানো হবে। সেভাবেই পরিকল্পনা করা হয়।
জোভানের হাতে একটি শিশু। সেই শিশুকে কবর থেকে তোলা হচ্ছে, সেই দৃশ্য দেখে শুটিং ইউনিটের সবার চোখ ভিজে যাচ্ছিল। পাশে কাঁদছিলেন পরিচালক। সেই ছবি ফেসবুকে নাটকসংশ্লিষ্ট গ্রুপগুলোয় মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। এই পরিচালক বলেন, ‘দৃশ্যটা দেখে নিজেকে সামলাতে পারছিলাম না। মনে হচ্ছিল, আমার সামনে ঘটনাটি ঘটছে। এই পাঁচ দিনের শিশুটির পরিবারের লোকজনও কাঁদছিলেন। পরে তাঁরা বুঝতে পেরেছিলেন, এটা সত্য গল্প। এটা সবার ক্ষেত্রেই ঘটতে পারে। তাই আর মন খারাপ করেননি। নাটক প্রচারের পর শুনলাম, নাটকটি দেখে বস্তির সেই শিশুটিকেও আশপাশের অনেকে দেখতে আসছেন। তাঁরা খুবই খুশি।’

‘কবর’ নাটকে ধনী ও গরিবের বৈষম্য তুলে ধরা হয়েছে। নাটকটিতে জোভানের সঙ্গে অভিনয় করেছেন তাসনিয়া ফারিণ। আরও রয়েছেন মিলি বাসার, সমাপ্তি মাসুক প্রমুখ। নাটকটি ঈদে প্রচারিত হয়। এটি রচনা করেছেন জোবায়েদ আহসান।

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

বাস্তবে দুই বোন, পর্দায়ও দুই বোন
***********************************************************************
নাবিলা নূর ও সাবিলা নূর। দুই বোন। নাবিলা বড়। থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। পেশায় নগর–পরিকল্পনাবিদ। টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গাইল শহরের ডিরেক্টর অব কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট হিসেবে কাজ করেন। আর সাবিলাকে তো সবাই চেনেন, অভিনয়শিল্পী। এবার ‘মুখোমুখি অন্ধকার’ নামে এক ঘণ্টার একটি নাটকে দুই বোনকে একসঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যাবে। বাস্তবের মতো গল্পেও তাঁদের বড় বোন-ছোট বোন চরিত্রেই দেখা যাবে।

নাটকটির গল্পও লিখেছেন সাবিলা। ‘পারাপার’ ও ‘হৃদিতা’ নামে এর আগে আরও দুটি নাটকের গল্প লিখেছেন সাবিলা। ‘মুখোমুখি অন্ধকার’ তাঁর তৃতীয় গল্প। সম্প্রতি মাদারীপুরের শিবচরে নাটকটির শুটিং শেষ হয়েছে।চিত্রনাট্য লিখেছেন আহমেদ তাওকীর।

দুই বোনের চরিত্রে দুই বোনকে দিয়ে কেন অভিনয় করালেন, জানতে চাইলে পরিচালক অনন্য ইমন বলেন, ‘গল্প পড়ার পর মনে হলো, এখানে বড় বোনের চরিত্রে সাবিলার বড় বোনও করতে পারেন। আমার জানামতে, নাবিলা ভালো গান করে, মঞ্চনাটকের সঙ্গেও সে জড়িত। আর দেখলাম, আপন দুই বোন চরিত্র দুটি করলে কেমিস্ট্রিটাও উপযুক্তভাবে পাওয়া যাবে। তখন সাবিলার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে আলাপ করি।’

নাটকটিতে বড় বোন সহশিল্পী হওয়া প্রসঙ্গ সাবিলা নূর বলেন, ‘আমি যখন গল্পটি লিখি, তখন নাবিলার কথা মাথায় ছিল না। পরিচালক গল্পটি পড়ার পর নাবিলাকে নেওয়ার আগ্রহ দেখান। আর নাবিলাও তখন দেশে ছিল।’

প্রথমে কাজটি করতে রাজি ছিলেন না নাবিলা। তাঁর বোন সাবিলা বলেন, ‘পরিচালকের অনুরোধে তার সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বললে সে লজ্জা পাচ্ছিল। যাহোক, আমি যেহেতু সহশিল্পী, তাই কমফোর্ট জোনের জায়গা থেকে শেষ পর্যন্ত কাজটি করতে রাজি হয় নাবিলা।’ ছোটবেলায় স্কুলে পড়ার সময় ‘বেলি’সহ তিন-চারটি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছিলেন তিনি। বড় হয়ে আর টেলিভিশনে কাজ করা হয়নি। তবে দেশের বাইরে মঞ্চনাটকের সঙ্গে জড়িত নাবিলা। ভালো গানও করেন।

দুই বোনের একসঙ্গে শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে সাবিলা আরও বলেন, ‘ব্যাপারটা আমাদের দুজনের জন্য একটু ইউনিক ছিল। ভালো লেগেছে। ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়েছে। দুজনের জন্য বেশ মজারও ছিল।’

অনেক দিন পর টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করতে গিয়ে কেমন লাগল, জানতে চাইলে ভালো লাগার কথাই বললেন নাবিলা, ‘খুবই ভালো লেগেছে। রিয়েল লাইফে দুই বোন নাটকের দুই বোনের চরিত্র ভালোভাবেই করতে পেরেছি। ঢাকার বাইরে গিয়ে কাজটি করেছি। দেশে থাকলেও দুই বোনের একসঙ্গে সময় কাটানো ওভাবে হয় না। কারণ, সাবিলা শুটিংয়ে ব্যস্ত থাকে। কাজটি করতে গিয়ে আমরা দুই বোন একসঙ্গে টানা সময়ও কাটাতে পেরেছি।’

নাবিলা আরও বলেন, ‘অন স্ক্রিন, অফ স্ক্রিন—দুই বোন একসঙ্গে কাজ করেছি। দারুণ অভিজ্ঞতা হয়েছে। সাধারণত পরিবারে বড়-ছোট দুই বোনের মধ্যে যে ডাইনামিক দেখি, তাতে ছোট বোনকে বড় বোন শাসন করার চেষ্টা করে। অনেক সময় ছোট বোন নিয়মের বাইরে যেতে চায়। তার রাশ টেনে ধরতে চায় বড় বোন। এই বিষয়গুলো নাটকটিতে সুন্দরভাবে এসেছে। পরিবারে যাঁরা দুই বোন, তিন বোন আছেন, নাটকটি দেখতে বসে নিজেদের রিলেট করতে পারবেন তাঁরা।’

নিয়মিত অভিনয় করবেন কি না, জানতে চাইলে নাবিলা বলেন, ‘হয়তো নিয়মিত সম্ভব হবে না। আমি তো দেশে থাকি না। দেশে থাকা অবস্থায় এভাবে সুযোগ হলে কাজ করা যেতেই পারে। কারণ, আমি তো থিয়েটারটা করি।’

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

উড়োজাহাজেও ব্যবহার করা যাবে অ্যান্ড্রয়েড যন্ত্রের ব্লুটুথ ও ওয়াই–ফাই
***********************************************************************
উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময়ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা যন্ত্রের ব্লুটুথ ও ওয়াই–ফাই সংযোগ ব্যবহার করা যাবে। ব্যবহারকারীদের এ সুযোগ দিতে ‘কানেক্টেড ফ্লাইট মোড’ নামের নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে গুগল। নতুন এ সুবিধা চালু হলে আকাশপথে ভ্রমণের সময় ফ্লাইট মোড চালু থাকলেও স্বচ্ছন্দে ওয়াই–ফাই ও ব্লুটুথ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে, তবে ফোনকল বা বার্তা আদান-প্রদান করা যাবে না।

কানেক্টেড ফ্লাইট মোড সুবিধা অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ল্যাপটপে ব্যবহার করা যাবে। ওয়াই–ফাই ও ব্লুটুথ ব্যবহারের সুযোগ দেওয়ার পাশাপাশি ব্যবহারকারীদের ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফ্লাইট মোড চালু বা বন্ধ করে দেবে কানেক্টেড ফ্লাইট মোডটি। ফলে উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় ফ্লাইট মোড চালু বা বন্ধ করার জন্য কষ্ট করতে হবে না।

গুগল জানিয়েছে, উড়োজাহাজে ব্যবহারকারীর অবস্থান শনাক্তের জন্য প্রেসার ড্রপ, আলট্রাসনিক সিগন্যাল, জিপিএস সিগন্যাল, সেলুলার আইডি ও ওয়াই–ফাই সিগন্যাল পর্যালোচনা করবে কানেক্টেড ফ্লাইট মোড। ফলে উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই ব্যবহারকারীর ফোনে ফ্লাইট মোড চালু বা বন্ধ হয়ে যাবে। শুধু তা–ই নয়, ব্যাটারির চার্জ কম বা নেটওয়ার্কের সিগন্যাল দুর্বল থাকলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও ল্যাপটপের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করবে কানেক্টেড ফ্লাইট মোড।

উড়োজাহাজে ভ্রমণের সময় রেডিও-ফ্রিকোয়েন্সি সিগন্যাল ট্রান্সমিশন বন্ধ করতে স্মার্টফোন ও অন্যান্য যন্ত্রে ফ্লাইট মোড চালু করা হয়। এ মোড চালু থাকলে মোবাইল নেটওয়ার্ক, ওয়াই–ফাই ও ব্লুটুথ সুবিধা ব্যবহার করা যায় না। কানেক্টেড ফ্লাইট মোড সুবিধা এখনো পরীক্ষামূলক পর্যায়ে রয়েছে। কবে নাগাদ চালু হবে, সে বিষয়ে কোনো তথ্য জানায়নি গুগল।

সূত্র: গ্যাজেটস নাউ

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

গুগলে দ্রুত সঠিক তথ্য খুঁজে পাওয়ার ৭ কৌশল
***********************************************************************
কোনো বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য আমরা প্রায় সবাই নিয়মিত গুগলে তথ্য খোঁজ করে থাকি। কিন্তু কাজের সময় দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজে না পেলে বেশ সমস্যা হয়। তবে কিছু কৌশল কাজে লাগিয়ে চাইলেই গুগলে দ্রুত প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়া সম্ভব। গুগলে দ্রুত সঠিক তথ্য খুঁজে পাওয়ার ৭ কৌশল দেখে নেওয়া যাক—

কোটেশন চিহ্ন ব্যবহার
অনেকেই গুগলে তথ্য খোঁজার সময় শুধু শব্দ বা বাক্য লেখেন। এতে নির্দিষ্ট বিষয়ের পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক নানা তথ্য ফলাফলে দেখা যায়। তবে কোটেশন চিহ্ন ব্যবহার করে প্রয়োজনীয় তথ্য দ্রুত পাওয়া সম্ভব। যেমন কোটেশন চিহ্ন ব্যবহার করে যদি ‘বাংলাদেশ ক্রিকেট দল’ লেখা হয় তবে সার্চ ফলাফলে শুধুই বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের তথ্য দেখা যাবে।

নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের তথ্য
নির্দিষ্ট কোনো ওয়েবসাইটে থাকা তথ্য জানার জন্য site: লেখার পর ওয়েবসাইটের নাম লিখে বিষয় উল্লেখ করলেই দ্রুত তথ্য দেখা যাবে।

নির্দিষ্ট আকারের ছবি
কাজের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট আকারের ছবি প্রয়োজন হয়। গুগলে নির্দিষ্ট আকারের ছবি দ্রুত দেখার জন্য সার্চ বক্সে imagesize: লিখে ছবির আকার উল্লেখ করত হবে। এরপর প্রয়োজনীয় ছবির বিষয়বস্তু উল্লেখ করলেই নির্দিষ্ট আকারের ছবি দেখা যাবে।

নির্দিষ্ট ফরম্যাটের নথি
কখনো কখনো পিডিএফ বা অন্য ফরম্যাটের নথির দরকার হয়। এ জন্য গুগলের সার্চ বক্সে filetype: লিখে pdf বা প্রয়োজনীয় ফরম্যাটের নাম লিখে বিষয়বস্তু উল্লেখ করলেই সেই ফরম্যাটের তথ্য দেখা যাবে।

সার্চে * চিহ্নের ব্যবহার
অনেক সময় নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ে তথ্য জানার প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে * চিহ্ন ব্যবহার করা যেতে পারে। যেমন বৈদ্যুতিক গাড়ি বিষয়ে তথ্যের দরকার হলে বৈদ্যুতিক গাড়ির পর * যুক্ত করে সার্চ করতে হবে।

নির্দিষ্ট সময়ের আগের বা পরের তথ্য
ব্যক্তিগত বা কাজের প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের আগের বা পরের তথ্যের প্রয়োজন হয়। এ ক্ষেত্রে সার্চ বক্সে BEFORE: বা AFTER: লিখে নির্দিষ্ট তারিখ উল্লেখ করে সার্চ করতে হবে। যেমন ২০০০ সালের আগের বাংলাদেশের ক্রিকেটের তথ্য জানতে BEFORE: 2000 Bangladesh Cricket লিখতে হবে।

সম্পৃক্ত তথ্য জানার জন্য
কোনো বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছে এমন তথ্য জানতে হলে সার্চ বক্সে related: লিখে নির্দিষ্ট বিষয় উল্লেখ করলেই গুগলের সার্চ ফলাফলে সে বিষয়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত তথ্যগুলো দেখা যাবে।

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

শর্ত পূরণ করেও টুইটারে আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন না নির্মাতারা, কিন্তু কেন
***********************************************************************
জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতাদের আয়ের সুযোগ দিতে সম্প্রতি ‘ক্রিয়েটর অ্যাডস রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রাম’ চালু করেছে টুইটার। নতুন এ উদ্যোগের আওতায় টুইটারের যেসব কনটেন্টে বিজ্ঞাপন দেখানো হবে, সেগুলোর নির্মাতাদের বিজ্ঞাপনের আয়ের নির্দিষ্ট অংশ দেওয়া হবে। বিজ্ঞাপনী আয়ের অংশ পাওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্তও দিয়েছে খুদে ব্লগ লেখার ওয়েবসাইটটি। কিন্তু শুরুতেই টুইটারের এ উদ্যোগ নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। কারণ, টুইটারের শর্ত পূরণ করার পরও অনেক নির্মাতা আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন না। অভিযোগ উঠেছে, টুইটারের মালিক ইলন মাস্কের পছন্দের কনটেন্ট নির্মাতারাই শুধু আয়ের সুযোগ পেয়েছেন। আর তাই টুইটারের শর্ত পূরণ করা নির্মাতার সংখ্যা প্রায় এক হাজার হলেও বর্তমানে মাত্র শতাধিক নির্মাতা আয় করতে পারছেন।

টুইটারের তথ্যমতে, রেভিনিউ শেয়ারিং প্রোগ্রামের আওতায় সর্বোচ্চ ৪০ হাজার ডলার পর্যন্ত আয় করা যাবে। প্রাথমিকভাবে অর্থের বিনিময়ে টুইটারের নীল বা ব্লু টিক ব্যবহারকারীরা এ সুযোগ পাবেন। ফলোয়ার বা অনুসারীর সংখ্যা বেশি থাকার পাশাপাশি গত তিন মাসে টুইটার অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলোতে ৫০ লাখ দর্শকের সম্পৃক্ততা থাকতে হবে। তবে এসব শর্ত মানার পরও টুইটার থেকে আয়ের সুযোগ পায়নি ‘আই, হিপোক্রেট’ নামের একটি টুইটার অ্যাকাউন্ট। প্রায় তিন লাখ অনুসরণকারী রয়েছে অ্যাকাউন্টটিতে। এ বিষয়ে অভিযোগ করার পর টুইটার জানিয়েছে, ‘নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি আয়ের সুযোগ পাচ্ছেন।’

টুইটারে বিজ্ঞাপনী আয়ের সুযোগ পাওয়া কনটেন্ট নির্মাতাদের সবার সঙ্গেই কোনো না কোনোভাবে ইলন মাস্ক সম্পৃক্ত রয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন অনেক টুইটার ব্যবহারকারী। তাঁদের মতে, টুইটারের আয় করার সুযোগ পাওয়া অ্যাকাউন্টগুলো বেশির ভাগই ইলন মাস্কের অনুসারী। ইলন মাস্কের টুইটে (টুইটারে দেওয়া বার্তা) নিয়মিত মন্তব্যও করা হয় অ্যাকাউন্টগুলো থেকে। তবে ইলন মাস্কের সমালোচনা করা কোনো অ্যাকাউন্ট এ তালিকায় স্থান পায়নি।

সম্প্রতি মেটার থ্রেডস অ্যাপ উন্মুক্তের পর বেশ চাপে পড়েছে টুইটার। টুইটারের আদলে তৈরি অ্যাপটিতে এরই মধ্যে ১৫ কোটির বেশি ব্যবহারকারী যুক্ত হয়েছেন। থেডস অ্যাপ চালুর পর তড়িঘড়ি করে জনপ্রিয় কনটেন্ট নির্মাতাদের জন্য আয়ের সুযোগ চালু করে টুইটার। কিন্তু বিজ্ঞাপনী আয় ভাগাভাগির সুযোগ চালুর ক্ষেত্রে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ ওঠায় টুইটারের জনপ্রিয়তা কমে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন অনেকেই।

সূত্র: ম্যাশেবল

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

রোলেবল পর্দার আইফোন আনতে কাজ করছে অ্যাপল
***********************************************************************
ভাঁজযোগ্য বা ফোল্ডেবল স্মার্টফোন নিয়ে প্রযুক্তি দুনিয়ায় মাতামাতির মধ্যে কিছুটা ব্যতিক্রমী রোলেবল ডিসপ্লের আইফোন আনার কাজ শুরু করেছে অ্যাপল কম্পিউটার। অর্থাৎ ফোনের পর্দা চাইলেই গোল করে মুড়িয়ে রাখা যাবে। আবার এই রোল বা মোড়ানো পর্দা (রোলেবল ডিসপ্লে) খোলা যাবে। এরই মধ্যে রোলেবল ডিসপ্লের ফোনের জন্য পেটেন্টও পেয়েছে অ্যাপল।

গত বছরের নভেম্বরে রোলেবল ডিসপ্লের ফোনের পেটেন্টের জন্য আবেদন করে অ্যাপল। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে এ পেটেন্টের খবর জানানো হয় গত বৃহস্পতিবার। পেটেন্টে বলা হয়, আনরোল ও রোল করা অবস্থায় যন্ত্রের পর্দাকে স্থানান্তরিত করা যাবে। রোলেবল অংশে একটি পাতলা কাচের স্তর ব্যবহৃত হবে। একই সঙ্গে পর্দাটি এমনভাবে তৈরি হবে, যাতে বাঁকানো অবস্থাতেও বাহ্যিক চাপে কোনো ক্ষতি না হয়।

অবশ্য এলজি ইতিমধ্যেই রোলেবল ওএলইডি টেলিভিশন এনেছে। তাই এ প্রযুক্তিতে এগিয়ে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। পাশাপাশি এলজি রোলেবল স্মার্টফোন আনার উদ্যোগ নিলেও তা শেষ পর্যন্ত আশার মুখ দেখেনি। এ ছাড়া নিজেদের কনসেপ্ট রোলেবল স্মার্টফোনের প্রদর্শন করেছে মটোরোলা ও অপো। তবে এ দুটি প্রতিষ্ঠানও এখনো এ ধরনের স্মার্টফোন বাজারজাত করেনি।

সাধারণত নতুন যেকোনো প্রযুক্তি নিজেদের পণ্যে যুক্ত করার ক্ষেত্রে সব সময়ই সতর্ক অবস্থানে থাকে অ্যাপল। তবে অ্যাপল যেহেতু রোলেবল ডিসপ্লের পেটেন্ট পেয়েছে, তাই আশা করা হচ্ছে, ভবিষ্যতে এ ধরনের পর্দাসহ আইফোন আনবে প্রতিষ্ঠানটি।

সূত্র: ম্যাশেবল

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Magazine
Magazine
3 سال

মনিটর থেকে কত দূরে বসতে হবে
***********************************************************************
দীর্ঘ সময় টানা কম্পিউটার মনিটরের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে অনেকের চোখ ব্যথা করে, শুষ্ক হয়ে যায়। ক্লান্তি ভাবও চলে আসে। মনিটরের খুব কাছাকাছি বা বেশি দূরত্বে বসলে এমনটা হতে পারে। একইভাবে খুব কাছাকাছি বসলে মনিটরের সব অক্ষর অনেক বড় দেখা যায়। ফলে চোখে বাড়তি চাপ পড়ে। তাই খুব কাছাকাছি না বসে এমন দূরত্বে বসতে হবে, যাতে মনিটরের লেখা বড় আকারে ও স্পষ্টভাবে পড়া যায় অংশ

দীর্ঘ সময় টানা কম্পিউটার মনিটরের দিকে তাকিয়ে কাজ করলে অনেকের চোখ ব্যথা করে, শুষ্ক হয়ে যায়। ক্লান্তি ভাবও চলে আসে। মনিটরের খুব কাছাকাছি বা বেশি দূরত্বে বসলে এমনটা হতে পারে। একইভাবে খুব কাছাকাছি বসলে মনিটরের সব অক্ষর অনেক বড় দেখা যায়। ফলে চোখে বাড়তি চাপ পড়ে। তাই খুব কাছাকাছি না বসে এমন দূরত্বে বসতে হবে, যাতে মনিটরের লেখা বড় আকারে ও স্পষ্টভাবে পড়া যায়।

মনিটরের সামনে সঠিক দূরত্ব বসে কাজ করা চোখের স্বাস্থ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, মনিটরের খুব কাছাকাছি বা দূরে বসলে চোখের ওপর চাপ তৈরি হয়। মনিটর থেকে ২০ থেকে ৩০ ইঞ্চি দূরত্বে বসে কাজ করা সবচেয়ে ভালো। সামনের দিকে ঝুঁকে টানা কাজ করলেও ঘাড়ে ব্যথা হয়। তাই সঠিক দূরত্বে বসার পাশাপাশি মনিটরের উচ্চতা নির্ধারণ করাও গুরুত্বপূর্ণ। এ জন্য মনিটরের পর্দায় থাকা লেখার প্রথম লাইন চোখ বরাবর রাখতে হবে।

একাধিক মনিটর ব্যবহার করলেও ২০ থেকে ৩০ ইঞ্চি দূরত্বে বসতে হবে। দুটি মনিটর দেখার জন্য একই উচ্চতায় রাখতে হবে।

ল্যাপটপে দীর্ঘ সময় টানা কাজ করার জন্য অবশ্যই ২০ থেকে ৩০ ইঞ্চি দূরত্বে সেটি রাখতে হবে। প্রয়োজন হলে আলাদা কি-বোর্ড ও মাউস ব্যবহার করুন।

মনিটরের দিকে তাকিয়ে কাজ করার সময় নিয়মিত বিরতিতে চোখের পলক ফেলতে হবে। দীর্ঘ সময় মনিটরের দিকে তাকিয়ে থাকার ফলে চোখে ঝাপসা দেখা, মাথাব্যথা, চোখ শুকিয়ে যাওয়া, লালচে ভাব, যেকোনো ধরনের অস্বস্তিকর অনুভূতি হলে কিছুক্ষণ কাজে বিরতি দিতে হবে এবং চোখে পানির ঝাপটা দিতে হবে।

সূত্র: হাউটুগিক ডটকম

source : প্রথম আলো

image
پسندیدن
اظهار نظر
اشتراک گذاری
Showing 12746 out of 21882
  • 12742
  • 12743
  • 12744
  • 12745
  • 12746
  • 12747
  • 12748
  • 12749
  • 12750
  • 12751
  • 12752
  • 12753
  • 12754
  • 12755
  • 12756
  • 12757
  • 12758
  • 12759
  • 12760
  • 12761

ویرایش پیشنهاد

افزودن ردیف








یک تصویر را انتخاب کنید
لایه خود را حذف کنید
آیا مطمئن هستید که می خواهید این ردیف را حذف کنید؟

بررسی ها

برای فروش محتوا و پست های خود، با ایجاد چند بسته شروع کنید. کسب درآمد

پرداخت با کیف پول

هشدار پرداخت

شما در حال خرید اقلام هستید، آیا می خواهید ادامه دهید؟

درخواست بازپرداخت