৳14500 Om måneden
৳16500 Om måneden
Fuld tid
Call : 01701824578
Employer:
Manager
Role:
Field Sales Executive
Job type:
Full Time
Salary per month:
Tk 14,500 - 16,500
Required education:
SSC / O Level
Required work experience (years):
0
Application deadline:
2023-08-31
About the role
বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত লজিস্টিক কোম্পানি তার সেলস ডিভিশনের জন্য কিছু "সুপারভাইজার অবশ্যক" খুঁজছে।
• পদের নাম: সুপারভাইজার অবশ্যক ।
• শূন্যপদ : 4 জন ।
• কর্মস্থল: ঢাকা।
• স্ট্যাটাস: ফুলটাইম
শিক্ষাগত যোগ্যতাঃ S.S.C /H.S.C এর উপরে কেউ CV পাঠাবেন না।
দায়িত্বসমূহঃ
• শরুমে কাস্টমসদের সহযোগীতা করা।
• কাস্টমসদের সাথে ভালো ব্যাবহার করা।
• শরুমে পন্য দেখভাল করা।
• শরুমে প্রদত্ত অনান্য কাজ করা।
প্রয়োজনীয় কাগজ পত্রঃ
• সিভি/ বায়োডাটা ১ কপি।
• শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেটের ফটোকপি।
• ভোটার আইডি কার্ড / জন্ম সনদ এর ফটোকপি।
• ৪ কপি পাসপোর্ট সাইজ ছবি।
অতিরিক্ত আবশ্যক:
• বয়স 18 থেকে 28 বছর।
• শুধুমাত্র পুরুষ ও মহিলা আবেদন করার অনুমতি দেওয়া হয়.
• চ্যালেঞ্জ নিতে হবে এবং স্মার্ট হতে হবে।
• দৃঢ় দায়িত্ববোধ সহ চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতা।
• সেল্ফ মোটিভেটেড, রিস্ক টেকার, ডাইনামিক, সেলস কর্মীদের সাথে সমন্বয় সাধন করুন।
• কর্মস্থলঃ ঢাকা।
• ডিউটি টাইমঃ ৮ ঘন্টা
• বেতন:১৪,৫০০ থেকে ১৬,৫০০
★★বিস্তারিত জানার জন্য কল করুন সকাল ৮ টা থেকে রাত ১০ টা পযন্ত।
অথবা ? Whatapp CV পাঠান উক্ত নাম্বারে★★
হোয়াটসঅ্যাপে এবার এইচডি মানের ছবিও পাঠানো যাবে
***********************************************************************
হোয়াটসঅ্যাপে শখের বশে বা কাজের প্রয়োজনে উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি তোলেন অনেকেই। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে এইচডি (হাই-ডেফিনেশন) মান বা ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যায় না। এর ফলে মাঝেমধ্যেই বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়। সমস্যা সমাধানে ‘এইচডি’ ফরম্যাটের ছবি পাঠানোর সুবিধা যুক্ত করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এইচডি মানের ছবি আদান-প্রদানের সুযোগ দিতে দীর্ঘদিন ধরেই পরীক্ষা চালাচ্ছিল হোয়াটসঅ্যাপ। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিল ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি। নতুন এ সুবিধা আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনের পাশাপাশি কম্পিউটার থেকেও ব্যবহার করা যাবে। পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারী এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
নতুন এ সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠানোর আগে ‘এইচডি’ বাটন দেখা যাবে। বাটনটিতে ক্লিক করলে ছবির মান পরিবর্তনের জন্য ‘এইচডি কোয়ালিটি’ ও ‘স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ নামের দুটি অপশন দেখা যাবে। এইচডি কোয়ালিটি অপশনে ক্লিক করে ছবি নির্বাচন করলেই এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যাবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে ছবির পাশাপাশি এইচডি মানের ভিডিও পাঠানোর সুযোগও চালু করা হবে বলে জানিয়েছে মেটা।
নতুন এ সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠানোর আগে ‘এইচডি’ বাটন দেখা যাবে। বাটনটিতে ক্লিক করলে ছবির মান পরিবর্তনের জন্য ‘এইচডি কোয়ালিটি’ ও ‘স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ নামের দুটি অপশন দেখা যাবে। এইচডি কোয়ালিটি অপশনে ক্লিক করে ছবি নির্বাচন করলেই এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যাবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে ছবির পাশাপাশি এইচডি মানের ভিডিও পাঠানোর সুযোগও চালু করা হবে বলে জানিয়েছে মেটা।
এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো হলে প্রাপককে তা জানানোর জন্য ছবির ওপর এইচডি লেবেল যুক্ত করে দেওয়া হবে। ফলে প্রাপকও জানতে পারবেন এইচডি ফরম্যাটের ছবি এসেছে। এইচডি ফরম্যাটের ছবির আকার বড় হলেও সেগুলো অ্যান্ড টু অ্যান্ড এনক্রিপশন করে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে ছবিগুলো নিরাপদে আদান-প্রদান করা যাবে।
সূত্র: টেক ক্রাঞ্চ
source : প্রথম আলো।
হোয়াটসঅ্যাপে এবার এইচডি মানের ছবিও পাঠানো যাবে
***********************************************************************
হোয়াটসঅ্যাপে শখের বশে বা কাজের প্রয়োজনে উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি তোলেন অনেকেই। কিন্তু হোয়াটসঅ্যাপে এইচডি (হাই-ডেফিনেশন) মান বা ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যায় না। এর ফলে মাঝেমধ্যেই বিড়ম্বনার মুখোমুখি হতে হয়। সমস্যা সমাধানে ‘এইচডি’ ফরম্যাটের ছবি পাঠানোর সুবিধা যুক্ত করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। হোয়াটসঅ্যাপের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মার্ক জাকারবার্গ এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন।
এইচডি মানের ছবি আদান-প্রদানের সুযোগ দিতে দীর্ঘদিন ধরেই পরীক্ষা চালাচ্ছিল হোয়াটসঅ্যাপ। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিল ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি। নতুন এ সুবিধা আইওএস ও অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনের পাশাপাশি কম্পিউটার থেকেও ব্যবহার করা যাবে। পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারী এ সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।
নতুন এ সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠানোর আগে ‘এইচডি’ বাটন দেখা যাবে। বাটনটিতে ক্লিক করলে ছবির মান পরিবর্তনের জন্য ‘এইচডি কোয়ালিটি’ ও ‘স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ নামের দুটি অপশন দেখা যাবে। এইচডি কোয়ালিটি অপশনে ক্লিক করে ছবি নির্বাচন করলেই এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যাবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে ছবির পাশাপাশি এইচডি মানের ভিডিও পাঠানোর সুযোগও চালু করা হবে বলে জানিয়েছে মেটা।
নতুন এ সুবিধায় হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠানোর আগে ‘এইচডি’ বাটন দেখা যাবে। বাটনটিতে ক্লিক করলে ছবির মান পরিবর্তনের জন্য ‘এইচডি কোয়ালিটি’ ও ‘স্ট্যান্ডার্ড কোয়ালিটি’ নামের দুটি অপশন দেখা যাবে। এইচডি কোয়ালিটি অপশনে ক্লিক করে ছবি নির্বাচন করলেই এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো যাবে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে ছবির পাশাপাশি এইচডি মানের ভিডিও পাঠানোর সুযোগও চালু করা হবে বলে জানিয়েছে মেটা।
এইচডি ফরম্যাটের ছবি পাঠানো হলে প্রাপককে তা জানানোর জন্য ছবির ওপর এইচডি লেবেল যুক্ত করে দেওয়া হবে। ফলে প্রাপকও জানতে পারবেন এইচডি ফরম্যাটের ছবি এসেছে। এইচডি ফরম্যাটের ছবির আকার বড় হলেও সেগুলো অ্যান্ড টু অ্যান্ড এনক্রিপশন করে পাঠানো হবে বলে জানিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে ছবিগুলো নিরাপদে আদান-প্রদান করা যাবে।
সূত্র: টেক ক্রাঞ্চ
source : প্রথম আলো।
ইনস্টাগ্রামের ফটো ক্যারোসেলে গানের সুর যোগ করা যাবে
***********************************************************************
ইনস্টাগ্রামের ফটো ক্যারোসেল সুবিধায় একই পোস্টে সর্বোচ্চ ১০টি ছবি পোস্ট করা যায়। আর তাই ব্যবহারকারীরা ফটো ক্যারোসেলের মাধ্যমে নির্দিষ্ট অনুষ্ঠানের ছবি একসঙ্গে প্রকাশ করেন। জনপ্রিয় এ সুবিধার মানোন্নয়নে ফটো ক্যারোসেলে গানের সুর যুক্ত করার সুবিধা চালু করেছে ইনস্টাগ্রাম। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে ইনস্টাগ্রামের রিলস ও স্টোরিজ অপশনের মতো ফটো ক্যারোসেলেও গানের সুর যুক্ত করা যাবে।
ইনস্টাগ্রামে এত দিন আলাদা আলাদা ছবিতে গান যোগ করা যেত। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে ফটো ক্যারোসেলের মাধ্যমে একসঙ্গে একাধিক ছবির পোস্টে গানের সুর ব্যবহার করা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা গানের সুর শুনতে শুনতে ফটো ক্যারোসেলে থাকা বিভিন্ন ছবি দেখতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারী এ সুবিধা পাবেন বলে জানিয়েছে ইনস্টাগ্রাম।
যৌথভাবে পোস্ট, রিলস ও ফটো ক্যারোসেল প্রকাশের সুযোগও চালু করেছে ইনস্টাগ্রাম। এ সুবিধা চালুর ফলে সর্বোচ্চ তিনজন ব্যক্তি যৌথভাবে পোস্ট, রিলস ও ফটো ক্যারোসেল প্রকাশ করতে পারবেন। তিনজনের অ্যাকাউন্ট প্রোফাইল গ্রিডে এসব পোস্ট, রিলস ও ফটো ক্যারোসেল দেখা যাবে। এর ফলে তিনজনের অ্যাকাউন্ট অনুসরণকারীরা (ফলোয়ার) আলাদাভাবে পোস্ট, রিলস ও ফটো ক্যারোসেলগুলো দেখতে পারবেন। প্রাইভেট ও পাবলিক উভয় ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টেই এ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে।
সূত্র: দ্য ভার্জ
source : প্রথম আলো।
হাসপাতালে পরীমনি, রক্তাক্ত মাথার রাজকে ঘিরে রহস্য
***********************************************************************
তাঁদের সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ড যেন সিনেমার গল্প। সকালে হাসিখুশির খবর প্রকাশের পর সন্ধ্যায় মান-অভিমান, ছাড়াছাড়ির খবর। সিনেমার মানুষ পরীমনি ও শরীফুল রাজ সিনেমার বাইরের কর্মকাণ্ডে সবচেয়ে বেশি আলোচনায়, একই সঙ্গে সমালোচনারও শেষ নেই।
কয়েক মাস আলাদা থাকার পর গত বৃহস্পতিবার সকালে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি স্থিরচিত্র দেখে তাঁদের একত্রে থাকার ইঙ্গিত মিললেও পরদিন শুক্রবার জানা যায়, পরীমনির বাসা থেকে রাজ আবার বেরিয়ে গেছেন। এদিন সন্ধ্যায় প্রচণ্ড জ্বর নিয়ে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন পরীমনি। খবরটা ছড়িয়ে পড়ার কিছু সময় পর শরীফুল রাজের রক্তাক্ত মাথার একটি স্থিরচিত্র ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে দেখা যায়। তবে কখন, কোথায়, কীভাবে মাথা ফেটে যাওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে, তা কেউই বলতে পারেনি। রাজের রক্তাক্ত মাথার স্থিরচিত্র ঘিরে তৈরি হয়েছে রহস্য।
সম্প্রতি জানা গিয়েছিল, সব মান-অভিমান ভুলে প্রায় তিন মাস পর আবারও পরীর বসুন্ধরার বাসায় ফিরেছেন রাজ। জানিয়েছিলেন, ভালো আছেন, ঠিকঠাক আছেন তাঁরা। ছেলেকে নিয়ে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন। তবে এক দিনের ব্যবধানেই আবার বদলে গেল হিসাব। জানা যাচ্ছে, মাথা ফেটে গুরুতর জখম হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন রাজ। অন্যদিকে পরীমনি জ্বরে ভুগছেন। একাধিক সূত্রে জানা যায়, জ্বরের কারণে পরীমনি ঠিকমতো কথাও বলতে পারছেন না।
১০ আগস্ট ঢাকার একটি পাঁচ তারকা হোটেলে কাছের মানুষদের নিয়ে একমাত্র সন্তানের প্রথম জন্মদিন উদ্যাপন করেন চিত্রনায়িকা মা পরীমনি। রাজ্যর প্রথম জন্মদিনের আয়োজনেও দেখা যায়নি চিত্রনায়ক বাবা শরীফুল রাজকে। এর সাত দিন পর গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই ফেসবুকে সন্তান রাজ্যসহ পরীমনি ও শরীফুল রাজের একাধিক স্থিরচিত্র ফেসবুকে ছড়ায়। এর মধ্যে একটি স্থিরচিত্রে পরীমনি ও রাজ একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ছিলেন।
এসব স্থিরচিত্র দেখে সবাই ধরে নেন, মান-অভিমান ভুলে তাঁরা আবার একত্র হয়েছেন। বিষয়টি কি আসলে তা-ই? একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র বলছে, এসব ছবি অন্য একটা উপলক্ষকে কেন্দ্র করে তোলা হয়। তাই ছবি দেখে মোটেও বলা যাবে না, পরী ও রাজ এক হয়েছেন। এসব ছবির সঙ্গে একত্র হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। তাঁরা একত্রে নেইও। আবারও রাজ তাঁর মতো করে বাসা থেকে বেরিয়ে গেছেন।
মাস দুয়েকের বেশি সময় ধরে পরীমনি ও চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের সম্পর্কটা ভালো যাচ্ছে না। এ নিয়ে প্রথম আলোসহ একাধিক গণমাধ্যমে তাঁদের পাল্টাপাল্টি বক্তব্যও প্রকাশিত হয়। এসব বক্তব্যে সম্পর্কটা কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকেছে, তা সবাই অনুমান করেছেন। এদিকে গত বৃহস্পতিবার রাতে শরীফুল রাজের সঙ্গে কথা হলে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘রাজ্যের সঙ্গে খেলা করছি, সময় দিচ্ছি। অনেক দিন পর ওকে ভালোমতো কাছে পেয়েছি। রাজ্যও আমাকে কাছে পেয়ে খুবই মজা করছে, হাসছে, খেলছে।’
অন্যদিকে একটি বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার রাত থেকেই জ্বরে ভুগছেন পরীমনি। শুক্রবার সকাল থেকেই পরীমনির জ্বরের মাত্রা বেড়েছে। চিকিৎসা নিতে সন্ধ্যার দিকে হাসপাতালে ভর্তি হন। কিন্তু এই সময়ে পরীমনির সঙ্গে ছিলেন না শরীফুল রাজ। সূত্রটি আরও জানায়, ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া স্থিরচিত্রের সঙ্গে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। তাঁদের সম্পর্ক মোটেও জোড়া লাগেনি।
source : প্রথম আলো।
মালাইকা–অর্জুনের বিচ্ছেদ, গুঞ্জন না সত্যি?
***********************************************************************
২০১৬ সালে আরবাজ খানের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হয় বলিউড তারকা মালাইকা অরোরার। তার পর থেকেই অর্জুন কাপুরের সঙ্গে প্রেম মালাইকা অরোরার। প্রথম দিকে নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে জনসমক্ষে মুখ না খুললেও একপর্যায়ে কোনো লুকোচুরি ছিল না এই যুগলের। নিজেদের সম্পর্ক নিয়ে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ খোলামেলা অর্জুন ও মালাইকা। প্যারিসের রাস্তা থেকে শুরু করে রেস্তোরাঁ সফর, সুইমিংপুল—সব জায়গাতেই অর্জুনের সঙ্গী থাকেন মালাইকা। কিছুদিন আগেও শোনা যাচ্ছিল, দুজন ঘর বাঁধবেন। এ বছর শীতে, অর্থাৎ নভেম্বর-ডিসেম্বরে তাঁদের বিয়ের আসর বসতে পারে। মালাইকা আর অর্জুন দুজনেই সাদামাটাভাবে ঘরোয়া অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে বিয়ে করতে আগ্রহী। বিয়েতে তাঁরা কোনো জাঁকজমক চান না। তবে সর্বশেষ খবর, তাঁদের সম্পর্কে ফাটল ধরেছে। তাঁরা পাঁচ বছরের সম্পর্কে ইতি টানছেন!
টাইমস অব ইন্ডিয়াসহ একাধিক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, কয়েক মাস ধরেই মালাইকার থেকে দূরে আছেন অর্জুন কাপুর। অর্জুন একা একাই ঘুরছেন, ফিরছেন, রেস্তোরাঁয় যাচ্ছেন।
আর ছবি দিচ্ছেন একা একাই। দুজনকে একসঙ্গে কোনো আয়োজনে দেখা যাচ্ছে না, বরং যে পার্টিতে মালাইকা যাচ্ছেন, সেই পার্টিতে নাকি পা রাখছেন না অর্জুন। অর্জুন যেখানে যাচ্ছেন, মালাইকা সেখান থেকে দূরে থাকছেন। শুধু তা–ই নয়, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজেদের প্রেমকে ছড়িয়ে বেড়াতেন, কয়েক সপ্তাহ ধরে তার কোনো চিহ্ন নেই। অর্জুন কাপুর দুটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন। একটিতে দেখা যাচ্ছে সুইমিংপুলে পোজ দিচ্ছেন তিনি। অদূরে রাখা সানগ্লাস। আর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘উষ্ণতার আগে শীতলতার প্রয়োজন।’ অন্য ছবিতে হাসিমুখে ল্যাপটপে চোখ রাখতে দেখা গিয়েছে অর্জুন কাপুরকে। খালি গায়ে খাবার উপভোগ করছেন এই তারকা। ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘জীবনটা ছোট, ছুটির দিনগুলো বড় করে নাও।’ এসব থেকে নেটিজনরা বলছেন, একা জীবন বেশ উপভোগ করছেন অর্জুন, তা স্পষ্ট। এদিকে সম্প্রতি এপি ঢিল্লোর পার্টিতে আলাদা দেখা গিয়েছে মালাইকাকে।
অর্জুন কাপুর গত বছর মুম্বাইয়ের বান্দ্রা এলাকায় ২০ কোটি টাকা দিয়ে একটি চার বেডরুম, কিচেন, ড্রয়িংরুমের ফ্ল্যাট কিনেছিলেন। এটি একেবারেই মালাইকার অ্যাপার্টমেন্টের পাশেই ছিল। সেই ফ্ল্যাটের বয়স এক বছর হতে না হতেই অর্জুন সেটি বিক্রি করে দিয়েছেন। বরং অর্জুন ২০ কোটিতে কেনা সেই ফ্ল্যাট ১৬ কোটি রুপিতে বিক্রি করেছেন।
অসম প্রেম নিয়ে অর্জুন আর মালাইকাকে হরহামেশাই নেট দুনিয়ায় নানাভাবে কটাক্ষের শিকার হতে হয়। মালাইকার থেকে অর্জুন ১২ বছরের ছোট। অনেকেই বলেন, অর্জুনের সঙ্গে সম্পর্কই আরবাজ খানের সঙ্গে ১৯ বছর দাম্পত্যজীবনের পর বিচ্ছেদের কারণ।
অবশ্য মালাইকা বলেছেন, তাঁরা কেউ বিবাহিত জীবনে সুখী ছিলেন না। এটাই সম্পর্কের ইতি টানার জন্য যথেষ্ট। মালাইকা বলেন, বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত মোটেই সহজ ছিল না। কারণ, যত যা-ই হোক না কেন, বিচ্ছেদের পর সবাই হন্যে হয়ে কারণ খুঁজবে। আর কারণ যা-ই হোক না কেন, সবাই আঙুল তুলবে তাঁর দিকেই।
source : প্রথম আলো।
যে তামিল ছবিতে মজেছে বাংলাদেশি দর্শকও
***********************************************************************
বাংলাদেশে অনেক আগে থেকেই দক্ষিণ ভারতের সিনেমা জনপ্রিয়; বিশেষ করে দক্ষিণি থ্রিলার ও অ্যাকশন সিনেমার ভক্ত আছেন অনেকে। ফেসবুকে তো দক্ষিণি সিনেমার বেশ কয়েকটি গ্রুপ আছে, কোনো কোনোটির সদস্যসংখ্যা লাখও ছাড়িয়েছে। এ দেশের দর্শকেরা এখন মজেছেন নতুন তামিল সিনেমা ‘পোর থোহিল’-এ।
গত ৯ জুন ভারতের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায় ‘পোর থোহিল’। মুক্তির পর থেকেই সমালোচকেরা ছবিটির প্রশংসায় পঞ্চমুখ, সাধারণ দর্শকেরাও তারিফ করছিলেন। ফল, অল্প বাজেটের ছবিটি দ্রুতই ৫০ কোটি রুপি ব্যবসা পূর্ণ করে। তবে বাংলাদেশে সিনেমাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হয় গত সপ্তাহ থেকে—১১ আগস্ট ওটিটি প্ল্যাটফর্ম সনি লিভে মুক্তির পর থেকে।
‘পোর থোহিল’ তামিল ক্রাইম থ্রিলার ঘরানার সিনেমা। বিগনেশ রাজা পরিচালিত এই সিনেমার প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আর শরৎকুমার ও অশোক সেলভান। এ ছাড়া আছেন নিখিলা বিমল।
সিনেমার গল্প তরুণ এক পুলিশ কর্মকর্তাকে নিয়ে। এই তরুণের পুলিশে চাকরির কোনো ইচ্ছাই ছিল না। তবে ঘটনাচক্রে যেহেতু চাকরি পেয়েছে, সে চায় কাজটা ভালোভাবে করতে। কিন্তু তার মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা নেই। নতুন যে এলাকায় সে চাকরি নিয়ে আসে, সেখানে আবির্ভাব হয় এক ক্রমিক খুনি।
একের পর এক তরুণীর লাশ মিলতে থাকে। মাথার চুল পেছনে টেনে কবজির সঙ্গে বাঁধা। গলায় কেটে বসে যাওয়া দাগ। খুনি কে? এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নাজেহাল অবস্থা হয় তরুণ পুলিশ কর্মকর্তার। তার সঙ্গে থাকে অভিজ্ঞ, বেপরোয়া এক কর্মকর্তা। তারা কি পারবে ক্রমিক খুনিকে ধরতে? এমন গল্প নিয়ে এগিয়ে যায় সিনেমা।
সমালোচকেরা বলছেন, সিনেমাটির গল্পে আহামরি কিছু নেই। কিন্তু গল্প যা-ই হোক, সেটা যেভাবে দক্ষতার সঙ্গে পর্দায় দেখিয়েছেন পরিচালক, সেটা তারিফ পাওয়ার যোগ্য। ছবিটি সাধারণ দর্শকের ভালো লাগার একটি কারণ, ‘পোর থোহিল’-এর পরতে পরতে লুকিয়ে আছে রোমাঞ্চ। দর্শকেরা আন্দাজই করতে পারেন না গল্প কোন দিকে মোড় নিচ্ছে। প্রথম ৫০ মিনিটের পর যে চমক আসে, তা কম দর্শকই আন্দাজ করতে পারেন।
‘পোর থোহিল’-এর আরেকটি ইতিবাচক দিক অভিনয়। প্রধান দুই চরিত্রে শরৎকুমার ও অশোক সেলভান যে পারফরম্যান্স দিয়েছেন, তা অনেক দিন মনে থাকবে। ইন্ডিয়া টুডে ছবিটি সম্পর্কে লিখেছে, ‘এটি সাম্প্রতিক সময়ে নির্মিত অন্যতম সেরা থ্রিলার সিনেমা।’ ভারতের আরেকটি গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস লিখেছে, ‘পুলিশি তদন্ত নিয়ে নির্মিত গতানুগতিক সিনেমার অনেক কিছুই আছে এতে। তবে দুর্দান্ত চিত্রনাট্য, পরিচালনা আর অভিনয় দর্শককে আটকে রাখে।’ দ্য হিন্দু লিখেছে, ‘অভিষেকেই পরিচালক বিগনেশ রাজা বাজিমাত করেছেন। দর্শকেরা এখন তাঁর পরের সিনেমার অপেক্ষায়।’
‘পোর থোহিল’ নিয়ে ত্রিদেব দেবনাথ নামের এক দর্শক ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই মুভি খুব কমন একটা থ্রিলার প্যাটার্ন ফলো করে। কিন্তু পার্থক্য ছিল স্ক্রিপ্টে। বিশেষত খুনির মোটিভ একদমই আলাদা ছিল। ডাবল টুইস্ট কিছুটা আন্দাজ করা গেলেও তাতে কোনো ক্ষতি হয়নি মুভির। শেষটাও টিপিক্যাল মার্ডার মিস্ট্রির থেকে আলাদা।’
আরেক দর্শক লিখেছেন, ‘যাঁরা এখনো এই তামিল সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার ছবিটি দেখেননি, তাঁরা জানেন না কী মিস করছেন! এক কথায়, ছিটকে যাবেন! এর বেশি কিছু বলব না।’
দর্শকের কাছে ব্যাপক সাড়া পাওয়া সিনেমাটির সিকুয়েল নির্মাণের দাবি উঠেছে। কিছুদিন আগে এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা অশোক সেলভানও ইঙ্গিত দিয়েছেন, ছবিটির সিকুয়েল আসতে পারে।
এদিকে মুক্তির পর প্রশংসায় ভাসছেন নির্মাতা বিগনেশ রাজা। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছেন, মুক্তির পর জনপ্রিয় তামিল নির্মাতা গৌতম বাসুদেব মেননসহ অনেকের ফোন পেয়েছেন তিনি। ছবিটিকে ভালোভাবে গ্রহণ করার জন্য দর্শকের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন তিনি।
source : প্রথম আলো।
ভিউ নিয়ে চিন্তিত নন সাদিয়া
***********************************************************************
বড় হয়েছেন রক্ষণশীল পরিবারে। অভিনয়ের কথা কখনোই ভাবেননি। ২০১৯ সালে পড়াশোনা করতে বরিশাল থেকে ঢাকায় আসা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম সেমিস্টার শেষে এক অবসরে ফেসবুকে ঢুঁ মারছিলেন। হঠাৎ চোখ আটকে যায় এক পোস্টে—এক পরিচালক নতুন মুখ খুঁজছেন। এভাবেই ওই পরিচালকের সঙ্গে যোগাযোগ। সাদিয়া আয়মানের শুরুর গল্পটা এখানেই শেষ নয়। কারণ, মূল ঝামেলার সূত্রপাত এরপরেই।
মেয়ে অভিনয় করবে! মা–বাবা মেনেই নিতে পারছিলেন না। কথা বলাই বন্ধ করে দেন। তবু দমে যাননি সাদিয়া। মা–বাবাকে ভরসা দিয়েছিলেন—একদিন মেয়ের জন্য তাঁরা গর্ব করবেন। বিশ্বাস ছিল, ভালো কিছু করে চমকে দিতে পারবেন মা–বাবাকে। সেই দিনটির জন্য বেশি দিন অপেক্ষা করতে হয়নি সাদিয়া আয়মানকে।
প্রথম নাটকের পর বেশ কিছু বিজ্ঞাপনচিত্রে কাজ করেন। সেখান থেকে বড় একটি কোম্পানির কর্মকর্তা সাদিয়াকে শুভেচ্ছাদূত করতে তাঁর বাবাকে ফোন করেন। সাদিয়ার কাজের ভূয়সী প্রশংসাও করেন। সেদিন বাবা অনেক খুশি হন। তাঁরা বুঝতে পারেন, মেয়ে ভালো কিছু করছে। খুশি আর আবেগে কান্নার মিশেলে সেদিন অদ্ভুত এক অনুভূতি হয়েছিল এই তরুণ অভিনেত্রীর।
ক্যারিয়ার বেশি দিনের না হলেও অল্প সময়ের মধ্যে নিজেকে প্রমাণ করেছেন সাদিয়া। এই সময়ে ছোট পর্দার ব্যস্ততম অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন তিনি। রোমান্টিক, শান্ত, ভদ্র, নরম চরিত্রে অভিনয়ের জন্য বেশি ডাক পড়ে। তবে যে রোমান্টিক চরিত্রে তাঁর চাহিদা সবচেয়ে বেশি সেই ধরনের চরিত্রে অভিনয় সবচেয়ে কঠিন বলে মনে করেন এই অভিনেত্রী।
শুরুর দিকে তাকে এ ধরনের চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে নিতে অনেক সংগ্রাম করতে হয়েছে সাদিয়াকে। রোমান্টিক ভঙ্গিতে কথা বলতে তাঁর কষ্ট হতো, লজ্জাও লাগত। একপর্যায়ে ভাবতে শুরু করেন, তাঁকে দিয়ে রোমান্স হবে না। তবে সেই সাদিয়াই এখন রোমান্টিক নাটকের নিয়মিত মুখ। একই ধাঁচের গল্পে অভিনয় করলেও নিজেকে আলাদা করে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে গেছেন তিনি।
তবে পরিচালকেরা এখন ভিন্নধর্মী চরিত্রেও তাঁকে ভাবছেন। সাদিয়ার নিজের পছন্দ নারীপ্রধান চরিত্রে কাজ। আইন বিভাগের শিক্ষার্থী সাদিয়ার প্রথমে ইচ্ছা ছিল আইনজীবী হবেন। কিন্তু হুট করেই অভিনয়ে চলে আসা। গত বছর ওয়েব ফিল্ম ‘মায়াশালিক’ প্রচারের পর রাতারাতি পরিচিতি পান। ছোট পর্দার নির্মাতারা তাঁকে নিয়ে কাজ করতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
গত ঈদুল আজহায় নয়টি নাটকে দেখা গেছে সাদিয়া আয়মানকে। ট্রেন্ডিংয়ে থাকা অন্য নাটকের তুলনায় কোনোটিরই সেভাবে ভিউ নেই। তবে ভিউ নিয়ে চিন্তিত নন সাদিয়া, ‘হয়তো ভিউ অত নেই, কিন্তু নাটকগুলো পরিবারের সবাই মিলে দেখতে পারবে। নাটকগুলোতে সেই মানসম্মত উপাদান রয়েছে। আমি কাজ নিয়ে দর্শকদের মন্তব্যগুলো দেখি। আমার নাটক নিয়ে মন্তব্যগুলো দেখবেন, সবাই প্রশংসা করেছেন। এটাই আমার অর্জন।’ চিত্রনাট্য নির্বাচনের সময় গল্পটা কতটা শক্তিশালী, কী বার্তা দিচ্ছে, সেটা মাথায় রাখেন এই তরুণ অভিনেত্রী। অনেক সময় দেখা যায়, গল্প ভালো কিন্তু সংলাপ মনের মতো হয়নি। তখন আলোচনার মাধ্যমে সংলাপে বদল আনেন। এভাবেই ভালো কাজ দিয়ে দর্শকের কাছে পৌঁছাতে চান সাদিয়া।
ঈদে অভিনেত্রীর উল্লেখযোগ্য নাটকের মধ্যে রয়েছে ‘আজ আকাশে চাঁদ নেই’। এই নাটকটা অভিনেত্রীর বেশ পছন্দের। প্রতিবেদকের সঙ্গে কথা বলার সময় বেশ কয়েকবার এই নাটকের নাম বলছিলেন তিনি। নাটকটি কেন তাঁর পছন্দের, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নব্বই দশকের নাটকগুলো যাঁরা মিস করেন, তাঁরা “আজ আকাশে চাঁদ নেই” নাটকে সেই সময়ের ফিল পাবেন। এটি নির্মিত হয়েছে হুমায়ূন আহমেদের নাটকের আদলে। নাটকটি দেখে অনেক দর্শকই মন্তব্য করেছেন, হুমায়ূন-জাদু ফিরে এসেছে।’ ইউটিউবে নাটকের মন্তব্যের ঘরেও দর্শকও তাঁদের প্রতিক্রিয়ায় হুমায়ূন আহমেদের কথা লিখেছিলেন। সাদিয়া বলেন, ‘আমরা কাউকে বলিনি এটা হুমায়ূন আহমেদের নাটকের আদলে নির্মিত। দর্শকের প্রতিক্রিয়া দেখে বুঝলাম দর্শকেরও সেই অনুভূতিটা হয়েছে।’
ঈদের নাটকের আলোচিত জুটির মধ্যে অন্যতম খায়রুল বাসার ও সাদিয়া আয়মান। দর্শকেরও পছন্দের জুটি হয়ে উঠছেন তাঁরা। এই ঈদে তাঁদের আলোচিত নাটকগুলোর মধ্যে রয়েছে ‘সুখ অসুখ’। ভালোবাসা যে একটা মানসিক ভারসাম্যহীন মানুষকেও সুস্থ করে দিতে পারে, এমন গল্পে নির্মিত হয়েছে নাটকটি। প্রতিটি অভিনয়শিল্পী তাঁদের সর্বোচ্চটা দেওয়ায় নাটকটি ভিন্নমাত্রা পেয়েছে, মনে করেন সাদিয়া।
ঈদে নারী পাচারের সত্য ঘটনা অবলম্বনে স্বপ্নভুক নামের ওয়েব ফিল্মেও অভিনয় করেছেন সাদিয়া আয়মান। তিনি দেখিয়েছেন, রোমান্টিক ধাঁচের বাইরে গিয়েও অভিনয় করতে পারেন। ভিন্ন ঘরানার চরিত্রে দর্শকও তাকে পছন্দ করেছে। আরটিভির পর্দায় ঈদের দিন ওয়েব ফিল্মটির প্রিমিয়ার হয়। টেলিভিশন, ওটিটির পর সাদিয়া এখন বড় পর্দায় অভিষেকের অপেক্ষায়। তাঁকে দেখা যাবে গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’য়। সামনে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে একটি অ্যান্থলজি সিরিজে দেখা যাবে তাঁকে। সেখানে তাঁর লুক ও চরিত্র ভক্তদের চমকে দেবে, মনে করেন সাদিয়া।
source : প্রথম আলো।
To tackle QuickBooks Error 179 and resume seamless banking tasks, start by verifying your login credentials and ensuring they match your bank's records. Clear browser cache and cookies, then log out of your bank's website and attempt reconnection in QuickBooks. If the issue persists, consider disconnecting the affected account and then reconnecting it. Additionally, review your bank's website for any pending updates or messages that might require your attention.
https://quicklybookonline.com/....blog/quickbooks-erro
Install app for better experience