মেটার সহযোগিতায় দেশে প্রতিযোগিতা
***********************************************************************
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ও গ্লোবালগিভিংয়ের সহযোগিতায় যৌথভাবে দেশে অনলাইনে প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান (রিয়েলিটি শো) আয়োজন করেছে ‘পেনসিল’। ‘প্রতিভার খোঁজে পেনসিল’ শীর্ষক এ আয়োজনে পেনসিলের ফেসবুক গ্রুপের সদস্যরা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের সৃজনশীলতা তুলে ধরতে পারবেন। আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে পেনসিল।
সৃজনশীলতা ও সাহিত্যচর্চা নিয়ে কাজ করা পেনসিল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অনলাইনভিত্তিক এ প্রতিযোগিতা গান, আবৃত্তি, ফটোগ্রাফি ও স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। প্রতিটি বিভাগে বিচারকদের মাধ্যমে বিজয়ী নির্বাচন করে পুরস্কার দেওয়া হবে। ‘প্রতিভারা ডানা মেলুক পেনসিলের সাথে’ স্লোগানে আয়োজিত এ প্রতিযোগিতার সব কটি বিভাগের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এতে অংশগ্রহণের বিস্তারিত তথ্য পেনসিল ফাউন্ডেশনের ফেসবুক পেজ ও পেনসিল ফেসবুক গ্রুপে জানা যাবে।
উল্লেখ্য, গত বছরের অক্টোবরে কমিউনিটি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামের জন্য বাংলাদেশের ছয়টি ফেসবুক গ্রুপকে নির্বাচন করে মেটা। এশিয়া প্যাসিফিক কমিউনিটি এক্সেলারেটর (এপিএসপি) প্রোগ্রামের জন্য নির্বাচিত ফেসবুক গ্রুপগুলোর মধ্যে পেনসিলও ছিল।
Source: প্রথম আলো
চ্যাটজিপিটি ডাউনলোড করার আগে যা করবেন
***********************************************************************
মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআই তৈরি করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাপ্রযুক্তির প্রোগ্রাম চ্যাটজিপিটি। আপনি যদি এর কার্যক্ষমতার ভক্ত হন, তাহলে এর মোবাইল অ্যাপ খুঁজবেন এটাই স্বাভাবিক। ওপেনএআই চ্যাটজিপিটি অ্যাপ উন্মুক্ত করেছে, তবে তা আইওএস–চালিত যন্ত্রে (আইফোন ও আইপ্যাড), যুক্তরাষ্ট্রে।
এমনিতে অ্যাপ স্টোরে গিয়ে চ্যাটজিপিটি নামের অনেক অ্যাপ পাবেন। এসব অ্যাপ নামানো বা ডাউনলোড করা অনেক সময় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। অ্যাপ স্টোরে থাকা অনেক অ্যাপ দাবি করে এগুলো ওপেনএআইয়ের প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। তবে তাদের দাবি বৈধ নয়। এতে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। এসব অ্যাপে অনাকাঙ্ক্ষিত নানা তথ্য চাইবে এবং ফোনের নানা অনুমতি চাইবে। এতে ফোনে ম্যালওয়্যার ডাউনলোডের ঝুঁকি বাড়বে। অনেক অ্যাপে অর্থ পরিশোধ করতে বলবে। অনেকেই ফাঁদে পড়ে সাবস্ক্রিপশন করে অর্থ খোয়াতে পারেন। ক্ষতিকর এসব অ্যাপ ডাউনলোড করা ঠেকাতে কিছু পরামর্শ থাকছে এখানে।
খেয়াল করুন অ্যাপ কী অনুমতি চাইছে
চ্যাটজিপিটি নামের অনেক অ্যাপ ডাউনলোডে ব্যক্তিগত তথ্য বেহাত হওয়ার ঝুঁকি থাকে। ডাউনলোডের সময় অপ্রয়োজনীয় তথ্য চায় এসব অ্যাপ, যা এর উদ্দেশ্য নিয়ে সন্দেহ তৈরি করে। তাই চ্যাটজিপিটি অ্যাপ দাবি করা এসব অ্যাপের পারমিশন বা অনুমতির দিকটি খেয়াল করুন। ভেবে দেখুন, আপনার চ্যাটবট কেন আপনার ফোনে থাকা যোগাযোগের তথ্য বা নম্বরগুলোর সংযোগ চাইবে? এ ধরনের অনুমতি চাইলে সতর্ক হোন।
অ্যাপ নির্মাতা কারা, খেয়াল করুন
চ্যাটজিপিটির নির্মাতা ওপেনএআই। এটা মাথায় রাখুন। তাই অ্যাপ স্টোর বা গুগল প্লেস্টোরে থাকা অন্য যেকোনো চ্যাটজিপিটি দাবি করা অ্যাপগুলো অন্য নির্মাতার (থার্ড পার্টি) তৈরি। তাই ডাউনলোড করার আগে অ্যাপ নির্মাতার প্রোফাইল ভালো করে খেয়াল করুন। এ ছাড়া ওই প্রতিষ্ঠান আর কী অ্যাপ তৈরি করেছে, সেটিও দেখুন। কোনো প্রতিষ্ঠান যদি চ্যাটজিপিটি তৈরির দাবি করে এবং নির্মাতার নাম যদি আলাদা হয়, তাহলে সেই অ্যাপ কোনোভাবেই চ্যাটজিপিটি নয় বা এর মতো সুবিধাও দিতে পারবে না।
পর্যালোচনাগুলো পড়ে দেখুন
অ্যাপ নামানোর আগে অ্যাপটি সম্পর্কে অন্যরা কী পর্যালোচনা দিয়েছেন, তা খেয়াল করুন। অ্যাপের রিভিউ বা পর্যালোচনা অংশে তা দেখতে পাবেন। কোনো পর্যালোচনা না থাকলে বা একেবারে নতুন অ্যাপ হলে তা এড়িয়ে যান। যদি অ্যাপটির পর্যালোচনা অনেকে বেশি ইতিবাচক হয়, তাহলে তা নিয়েও সন্দেহ করতে পারেন। অনেক অনেক ভুয়া নির্মাতা অর্থ খরচ করে ইতিবাচক পর্যালোচনা করিয়ে থাকে। অনেক অ্যাপে শত শত পাঁচতারাযুক্ত পর্যালোচনা দেখতে পাবেন। এখান থেকেই আপনি ইনস্টল করার যোগ্য কি না, ধরতে পারবেন। সন্দেহ হলে তা থেকে দূরে থাকুন। এক বা দুই তারকা পর্যালোচনাগুলোও পড়ে দেখুন। এগুলো অনেক সময় সঠিক পর্যালোচনা হতে পারে।
চ্যাটজিপিটি বিনা মূল্যে ব্যবহার করা যায়
ব্যবহারকারীদের মনে রাখতে হবে যে ওপেনএআইয়ের চ্যাটজিপিটি, গুগলের বার্ড, মাইক্রোসফটের বিং চ্যাট ওয়েব সংস্করণে বিনা মূল্যেই ব্যবহার করা যায়। সাপ্তাহিক বা মাসিক অর্থ খরচ করার বদলে সাফারি বা ক্রোম ব্রাউজার ব্যবহার করে বিনা মূল্যে নিরাপদ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারেন।
সূত্র: জেডডিনেট
Source: প্রথম আলো
হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তা সম্পাদনা করা যাবে
***********************************************************************
মনের ভুলে পাঠানো বার্তা ফেরত আনার সুযোগ অনেক দিন আগেই চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। কিন্তু এতে প্রাপক জানতে পারেন যে আপনি বার্তাটি ফেরত এনেছেন। ফলে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। সমস্যা সমাধানে পাঠানো বার্তা ফেরত না এনেই সম্পাদনা করার সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ। ‘এডিট’ নামের এ সুবিধা পর্যায়ক্রমে সব ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছে মেসেজিং অ্যাপটি।
হোয়াটসঅ্যাপের তথ্যমতে, এডিট সুবিধা কাজে লাগিয়ে ব্যবহারকারীরা চাইলেই নিজেদের পাঠানো যেকোনো বার্তার বানান পরিবর্তনসহ তথ্য যুক্ত করতে পারবেন। তবে মন চাইলেই যেকোনো সময় বার্তার তথ্য পরিবর্তন করা যাবে না। বার্তা পাঠানোর ১৫ মিনিটের মধ্যে সম্পাদনা করতে হবে। চাইলে পাঠানো বার্তা এক বা একাধিকবার সম্পাদনাও করা যাবে। এর মাধ্যমে তথ্যগত ভুল এড়ানো সম্ভব হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এডিট সুবিধার ব্যবহারপদ্ধতিও বেশ সহজ। বার্তা সম্পাদনা করার জন্য চ্যাটবক্সে থাকা নির্দিষ্ট বার্তার ওপর কিছুক্ষণ চেপে ধরে মেনু অপশন থেকে এডিট সুবিধা নির্বাচন করতে হবে। এরপর প্রয়োজনীয় তথ্য পরিবর্তন করলেই বার্তাটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ হয়ে যাবে। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে পাঠানো বার্তার পাশাপাশি গ্রুপের বার্তাও পরিবর্তন করা যাবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: প্রথম আলো
৮৯ লাখ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে ক্ষতিকর গরিলা প্রোগ্রাম শনাক্ত
***********************************************************************
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গরিলা নামের একটি ক্ষতিকর প্রোগ্রাম (ম্যালওয়্যার) পাওয়া গেছে। এখন পর্যন্ত ভারত, ইন্দোনেশিয়া, মেক্সিকো, থাইল্যান্ড, রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এর উপস্থিতিতে পাওয়া গেছে। এটি ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন করতে পারে। এ ছাড়াও দ্রুত ব্যাটারির চার্জ শেষ করে স্মার্টফোন ব্যবহারের বাজে অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করতে পারে।
তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ট্রেন্ড মাইক্রোর বিশেষজ্ঞরা গরিলা নামের এই ক্ষতিকর প্রোগ্রামটির সন্ধান পেয়েছেন। তাঁরা বলছেন, কোনো স্মার্টফোনে এটি ঢুকে পড়েলে নিজে থেকেই হালনাগাদ হয়। এ ছাড়া অন্যান্য ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা প্রোগ্রাম ইনস্টল করে। এ ছাড়া ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য চুরি করে। অ্যান্ড্রয়েড ফোনে থাকা অন্য অ্যাপে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এটি।
ট্রেন্ড মাইক্রোর তথ্য অনুযায়ী, এখন পর্যন্ত ৮৯ লাখ অ্যান্ড্রয়েড ফোনে গরিলার অস্তিত্ব রয়েছে। ৫০টিরও বেশি উৎপাদনকারীর অ্যান্ড্রয়েড ফোনে এ ম্যালওয়্যারের উপস্থিতি রয়েছে। ট্রেন্ড মাইক্রোর গবেষকেরা সম্প্রিত ব্ল্যাক হ্যাট এশিয়া ২০২৩ সম্মেলনে এ তথ্য উপস্থাপন করেন।
গবেষকেরা বলেন, গরিলা নামের এই ম্যালওয়্যারটির সঙ্গে ২০১৬ সালে শনাক্ত হওয়া ট্রায়াডার ম্যালওয়্যারের মিল রয়েছে। এ ম্যালওয়্যারের পেছনে থাকা ব্যক্তিরা একই হতে পারেন।
বিশেষজ্ঞরা বলেন, অনেক স্মার্টফোনে গরিলা ম্যালওয়্যার আগে থেকে ইনস্টল করা থাকে। এতে ফোনের ব্যাটারির চার্জ দ্রুত শেষ হওয়ার পাশাপাশি ফোনের প্রসেসিং ক্ষমতাকেও ব্যবহার করে। ফলে ফোন হ্যাং হতে পারে।
ট্রেন্ড মাইক্রোর পক্ষ থেকে অবশ্য কোনো ফোন নির্মাতার নাম বা ফোনের মডেলের নাম উল্লেখ করা হয়নি।
গবেষকেরা বলেন, গরিলা ম্যালওয়্যার একেবারে নতুন নয়। এটি ২০১৮ সালে প্রথম শনাক্ত হয়। গত পাঁচ বছর ধরেই এ ম্যালওয়্যারটি ছড়াচ্ছে।
ক্ষতিকর ম্যালওয়্যার থেকে রক্ষা পেতে অপরিচিত কোনো উৎস থেকে অ্যাপ ডাউনলোড না করার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা।
Source: প্রথম আলো
জিমেইলেই চ্যাট করবেন যেভাবে
***********************************************************************
প্রতিদিন যোগাযোগের জন্য অনেকেই জিমেইল ব্যবহার করে থাকেন। তবে ই–মেইল আদান–প্রদান ছাড়াও জিমেইলে যোগাযোগ করা যায়। জিমেইলের অন্যতম সুবিধা হলো চ্যাট। জিমেইলে নিয়মিত যাঁদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়, তাঁদের সঙ্গেই চ্যাট ফিচারে ব্যক্তিগতভাবে যোগাযোগ করা যায়। দেখে নেওয়া যাক কীভাবে কম্পিউটার ও স্মার্টফোনে জিমেইল চ্যাট ব্যবহার করা যায়।
জিমেইলের চ্যাট সুবিধা ব্যবহার করতে প্রথমে কম্পিউটার থেকে জিমেইলে প্রবেশ করে সেটিংস চালু করতে হবে। সেটিংস থেকে সি অল সেটিংসে গিয়ে ‘চ্যাট অ্যান্ড মিট’ থেকে চ্যাট অপশনে থাকা গুগল চ্যাট নির্বাচন করে সেভ করতে হবে। এরপর কম্পিউটার থেকে জিমেইল এর মূল পাতায় বাঁ দিকে প্রদর্শিত অপশন থেকে চ্যাটে ক্লিক করে জিমেইলে যুক্ত থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা করা যাবে। এ ছাড়া একটি চ্যাট বক্সে কয়েকজনকে যুক্ত করে দলগত আলাপচারিতাও করা যাবে।
স্মার্টফোন থেকে জিমেইল চ্যাট ব্যবহারের জন্য জিমেইল অ্যাপ থেকে চ্যাট আইকনে ট্যাপ করতে হবে। এরপর নিউ চ্যাটে ট্যাপ করে ব্যক্তির নাম নির্বাচন করে ব্যক্তিগত আলাপচারিতা শুরু করা যাবে। স্মার্টফোন থেকেও কয়েকজনকে একটি চ্যাটবক্সে যুক্ত করার সুযোগ রয়েছে।
Source: প্রথম আলো