‘ইউনিফর্মের আড়ালে একজন পুলিশ অফিসারের বাস্তব জীবনের আমি সাক্ষী হয়েছিলাম’
***********************************************************************
এক বিধায়কের বাসা থেকে এক জোড়া কাঁঠাল চুরি গেছে। আর এই কাঁঠালচোর আর চুরি যাওয়া কাঁঠাল খুঁজে বের করার দায়িত্ব পান পুলিশ অফিসার মহিমা। কাঁঠাল জোড়া খুঁজে বের করতে রীতিমতো হিমশিম খান মহিমা।
এই হচ্ছে হাসির ছবি ‘কাঁঠাল’-এর কাহিনি। নবাগত পরিচালক যশবর্ধন মিশ্রা পরিচালিত ছবিটি ১৯ মে নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাবে।
ছবিতে পুলিশ অফিসার মহিমার চরিত্রে অভিনয় করছেন সানিয়া মালহোত্রা।
মুম্বাইয়ের এক পাঁচতারা হোটেলে গত বৃহস্পতিবার ছবির ট্রেলার মুক্তির আয়োজনে সানিয়া মালহোত্রা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ছবির মূল দুই অভিনেতা রাজপাল যাদব আর অনন্ত ভি জোসি।
ট্রেলার মুক্তির পর আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘কাঁঠাল’ ছবিতে অভিনয় প্রসঙ্গে সানিয়া বলেন, ‘“পাগলেট” ছবির পরপরই (প্রযোজক) গুণিত আমাকে জুম কলে এক লাইন শুনিয়েছিলেন।
শুনেই আমার দারুণ লেগেছিল। মনে হয়েছিল “পাগলেট”-এর পর মজার কিছু পেয়েছি। এরপর (পরিচালক) যশ আমাকে ছবির পুরো গল্প শুনিয়েছিলেন। আমি খুব খুশি এই চরিত্রে অভিনয় করে। আর এটাকে এক চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছিলাম। কারণ আজ অবধি কোনো পুলিশের সঙ্গে আমার সেভাবে পরিচয় হয়নি।’
নিজের অভিনীত চরিত্রটি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘প্রস্তুতির সময় একজন পুলিশের সঙ্গে সময় কাটিয়েছি।
পুলিশ স্টেশনে তাঁর ঘরের এক কোনায় বসে তাঁকে লক্ষ করতাম। দেখতাম যে কীভাবে তিনি নানা কেসের সমাধান করছেন। এমনকি বাড়ির সমস্যা কীভাবে সামলাতেন, সেটাও দেখতাম। কারণ ঘরে তাঁর শিশুসন্তান ছিল। ইউনিফর্মের আড়ালে একজন পুলিশ অফিসারের বাস্তব জীবনের আমি সাক্ষী হয়েছিলাম। এই ছবিতে একজন পুলিশের বাস্তব কাহিনি তুলে ধরা হয়েছে। আমাদের বলিউড ছবিতে এসব দেখানো হয় না। শুধু দেখানো হয় পুলিশমাত্রই কীভাবে মারধর করছে বা গাড়ির সামনে বসে ছুটছে!’
পর্দায় ‘মহিমা’ হয়ে উঠতে সানিয়াকে আঞ্চলিক ভাষা শিখতে হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেছেন, ‘চরিত্রের প্রয়োজনে আমাকে বিশেষ একটা অঞ্চলের ভাষা রপ্ত করতে হয়েছে। শেখাটা বেশ কঠিন ছিল। এ ব্যাপারে (সহশিল্পী) নেহা আমাকে সাহায্য করেছে। তার আগে আমি রীতিমতো হাতড়াচ্ছিলাম। কোনো দিশা খুঁজে পাচ্ছিলাম না। তবে নতুন এই ভাষা শিখে দারুণ মজা পেয়েছি। এখনো আমি এর থেকে বের হতে পারিনি। এই ছবিতে অভিনয়ের পর মনে হচ্ছে আমার অভিনয় ক্যারিয়ার সম্পূর্ণ বৃত্ত হয়ে গেছে।’
Source: প্রথম আলো
পানির পাত্র হাতে নিজেই ছুটলেন জ্যাকুলিন
***********************************************************************
বাংলাদেশের মতো ভারতের বিভিন্ন রাজ্যেও এখন তীব্র গরম অনুভূত হচ্ছে। গরমে হাঁসফাঁস করছেন মানুষ। শুধু মানুষ নয়, প্রাণীকুলও গরমে কাহিল। গরমে প্রাণীদের একটু প্রশান্তি দিতে রাস্তার পাশে পানিভর্তি পাত্র রাখছেন বলিউড অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ। পরে এ কার্যক্রমের ছবি ও ভিডিও শেয়ার করেছেন ইনস্টাগ্রামে। প্রাণীপ্রেমী হিসেবে আগে থেকেই পরিচিত তিনি।
মানবিক এই কাজের ভিডিও ও ছবি শেয়ার করে অন্যদেরও এ ধরনের কাজ করতে উৎসাহী করছেন। ভিডিওতে জ্যাকুলিনকে দেখা যায়, একটি মাটির পাত্রে পানি ভর্তি করে রাস্তার পাশে রেখে আসতে।
যাতে গ্রীষ্মের গরমে হাঁসফাঁস করা রাস্তার প্রাণী, পাখি পানি খেতে পারে, গা ভিজিয়ে নিজেকে শীতল করার সুযোগ পায়।
ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেন, ‘এই গ্রীষ্মের গরমে নিঃসঙ্গ প্রাণীদের শীতল হতে সাহায্য করবে পানির পাত্রগুলো। আমি অনুরোধ করছি, আপনারা যাঁরা পারবেন স্থানীয় কুমোর থেকে মাটির পাত্র বানিয়ে পানিসহ বাড়ির বাইরে রাখুন। প্রতিদিন পানি দিয়ে এই মাটির পাত্রগুলো পূর্ণ করে দিন।’
অভিনেতার এই কাজকে ভক্তরাও সমর্থন করছেন। মন্তব্যের ঘরে তাঁর এই কাজকে উৎসাহ দিতে তাঁর প্রশংসা করছেন অনেকেই। সম্প্রতি জ্যাকুলিন অমৃতসরে তাঁর পরবর্তী ছবি ‘ফতেহ’-এর শুটিং শেষ করেছেন। বৈভব মিশ্র পরিচালিত সাইবার ক্রাইমভিত্তিক এই সিনেমায় সোনু সুদের বিপরীতে অভিনয় করছেন তিনি।
Source: প্রথম আলো
আমি সেই চারুলতা । পর্ব - ০২
-----------------------------------------------------
পুলিশ অফিসার সাজিদ ও সীমা এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলো এই ভয়ংকরী চারুলতার দিকে। তার হাসিটাও কেমন যেনো নির্মম। সীমা আর বসতে পারলো না সেখানে।
সাজিদকে ইশারা করে বেড়িয়ে আসলো সেখান থেকে। সাজিদও সেখানে বেশিক্ষণ বসে থাকতে পারলো না। যে মেয়ে এত সহজে একজন মানুষের ফুসফুস ভক্ষণ করতে পারে সে আর যাই হোক সাধারণ কোনো মানুষ নয়।
https://www.lovestory-bd.com/2....023/05/blog-post_14.