Posts
Mga gumagamit
Mga pahina
Grupo
Blog
Merkado
Mga kaganapan
Mga laro
Forum
Mga pelikula
Mga trabaho
https://www.thehomedekor.in/wooden-box
https://www.thehomedekor.in/dinning-chair-online
মেটার হরাইজন ওয়ার্ল্ডস কিশোর-কিশোরীরাও ব্যবহার করতে পারবে
***********************************************************************
ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার তৈরি হরাইজন ওয়ার্ল্ডস নামের ভার্চ্যুয়াল সামাজিক প্ল্যাটফর্ম শুধু ১৮ বছরের বেশি বয়সীরা ব্যবহার করতে পারেন। নিজের ইচ্ছেমতো মেটাভার্স (ভার্চ্যুয়াল বিশ্ব) তৈরির সুযোগ থাকায় এরই মধ্যে বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে ভিআর (ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি) প্রযুক্তির প্ল্যাটফর্মটি। এবার হরাইজন ওয়ার্ল্ডসের পরিধি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে মেটা। নতুন এ পরিকল্পনার আওতায় ১৩ থেকে ১৭ বছরের কিশোর-কিশোরীরাও হরাইজন ওয়ার্ল্ডস ব্যবহার করতে পারবে।
মেটার তথ্যমতে, হরাইজন ওয়ার্ল্ডস ব্যবহারের সুযোগ পেলেও কিশোর-কিশোরীদের নিরাপত্তায় তাদের প্রোফাইল স্বয়ংক্রিয়ভাবে গোপন রাখা হবে। ফলে বন্ধু ছাড়া হরাইজন ওয়ার্ল্ডসের অন্য ব্যবহারকারী কিশোর-কিশোরীদের প্রোফাইল দেখতে পারবে না। এমনকি সম্মতি ছাড়া তাদের অনলাইন স্ট্যাটাসও প্রদর্শন করা হবে না।
আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডায় বসবাসকারী কিশোর-কিশোরীরা হরাইজন ওয়ার্ল্ডস ব্যবহারের সুযোগ পাবে। নতুন এ সুবিধা চালু হলে হরাইজন ওয়ার্ল্ডস ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের ডিসেম্বরে হরাইজন ওয়ার্ল্ডস চালু করা হয়। প্ল্যাটফর্মটি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও স্পেনে ব্যবহার করা যায়। সম্প্রতি হরাইজন ওয়ার্ল্ডসের জন্য ভয়েস চ্যাট ও অবতারের অবস্থান নিয়ন্ত্রণে বেশ কিছু নিরাপত্তা সুবিধা চালু করেছে মেটা।
সূত্র: দ্য ভার্জ
Source: প্রথম আলো
ঢাকার বাইরে দ্রুতগতির ইন্টারনেট চান ফ্রিল্যান্সাররা
***********************************************************************
ঢাকার বাইরে, বিশেষ করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে উচ্চগতির ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করার দাবি জানিয়েছেন তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সাররা। পাশাপাশি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেটে ফ্রিল্যান্সিংয়ের জন্য ভালো মানের প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করার কথাও বলেছেন তাঁরা। দেশের সফল তিন ফ্রিল্যান্সার বাজেটে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং খাতের প্রত্যাশার কথা বলেছেন প্রথম আলোর এই ধারাবাহিক আয়োজনের ষষ্ঠ পর্বে। গ্রন্থনা করেছেন রাহিতুল ইসলাম।
ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সহজলভ্য করা হোক
সুমন সাহা, ফ্রিল্যান্সার
আমাদের মধ্যে যাঁরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সার এবং যাঁরা ছোট উদ্যোক্তা তাঁরা ঢাকা বা বিভাগীয় শহরে থাকতে চান না। তাঁরা চান তাঁদের নিজ জেলা শহরে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে যেতে এবং সেখানে আরও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে। কিন্তু যেতে পারছেন না কয়েকটি কারণে।
এক. বাংলাদেশের সব জায়গায় এখনো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের ব্যবস্থা নিশ্চিত হয়নি।
দুই. ব্রডব্যান্ড বা উচ্চগতির ইন্টারনেট সংযোগ বেশির ভাগ স্থানেই সহজলভ্য নয়।
এই দুটি বিষয়ে আমাদের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ তথা সরকার যদি একটু দৃষ্টি দেয়; তবে বাংলাদেশ সরকারের অন্তত ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং খাত থেকে বছরে যে আয় হওয়ার কথা, তার অনেকটাই পূরণ হয়ে যাবে আগামী দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে। আগামী বাজেটে ঢাকার বাইরে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট—এই দুটি বিষয়ের উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার অনুরোধ করছি।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভালো মানের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে
তৌহিদ রহমান, ফ্রিল্যান্সার
ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং আমাদের দেশের জন্য অনেক বড় সম্ভাবনাময় খাত। এই খাতের উন্নয়নে ভালো মানের প্রশিক্ষণ এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। ভালো মানের প্রশিক্ষণ না থাকায় কিছু অসাধু মানুষ, প্রশিক্ষণের নামের ফ্রিল্যান্সিংয়ের ক্ষতি করছে। সরকারকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রশিক্ষণ এবং প্রশিক্ষণের মান বজায় রাখতে হবে। প্রতিষ্ঠিত সফল ফ্রিল্যান্সারদের সঙ্গে আলোচনা করে তাঁদের দিয়ে পাঠক্রম তৈরি করে প্রশিক্ষণ দিতে হবে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মশালার আয়োজন করতে হবে। প্রশিক্ষণের পাশাপাশি এ ধরনের সচেতনতা ফ্রিল্যান্সিংয়ের উন্নয়নে কাজে দেবে। যদি সম্ভব হয়, ফ্রিল্যান্সিংকে পাঠ্যসূচিতে যোগ করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে সফল হতে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন এ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা এবং এখানে কীভাবে সফল হওয়া যায়, সেই সম্পর্কিত দিকনির্দেশনা। ভালো প্রশিক্ষণের মাধ্যমে এগুলো নিশ্চিত করতে পারলেই ফ্রিল্যান্সিংয়ে আমাদের দেশ অনেক এগিয়ে যাবে।
গ্রাম পর্যায়ে ফোরজি ইন্টারনেট চাই
সুবীর নকরেক, ফ্রিল্যান্সার
ইন্টারনেটের নিরবচ্ছিন্ন সেবা শহর ও গ্রাম পর্যায়ে চাই। দেশে অনেক গ্রামে এখনো ফোরজি ইন্টারনেট পাওয়া যায় না। অনেক তরুণ আগ্রহ দেখালেও ইন্টারনেট ও ল্যাপটপের অভাবে এগোতে পারেন না। বাজেটে এই বিষয়ে পদক্ষেপ নিলে অনেক তরুণ স্বাবলম্বী হতে পারবেন।
Source: প্রথম আলো
ইয়ারবাডস পরিষ্কার করবেন যেভাবে
***********************************************************************
এখন স্মার্টফোন ব্যবহারকারীদের অনেকের কাছেই তারবিহীন হেডফোন বা ইয়ারবাডস থাকে। বাজারেও খুব ভালো মানের ইয়ারবাডস পাওয়া যায়। আর এসব ইয়ারবাডস দীর্ঘদিন ব্যবহার করতে হলে পরিষ্কার রাখা জরুরি, যা দ্রুত নষ্ট হওয়া থেকে ইয়ারবাডস রক্ষা করে। তবে এটাও লক্ষ রাখতে হবে, পরিষ্কার করতে গিয়ে যেন ইয়ারবাডস ভেঙে না যায়। তাই সাবধানে কীভাবে ইয়ারবাডস পরিষ্কার রাখবেন, তা দেখে নেওয়া যাক।
তারহীন ইয়ারবাডস পরিষ্কার প্রক্রিয়ায় যা করতে মানা, তা মনে রাখা উচিত। ভুল চেষ্টা ইয়ারবাডস নষ্ট হওয়ার জন্য যথেষ্ট। পানি প্রতিরোধী বা ইনগ্রেস প্রোটেকশন (আইপি) রেটিং থাকা সত্ত্বেও ইয়ারবাডস পানির নিচে ধোয়া যাবে না। চার্জিং পয়েন্টগুলোতে তরল প্রবেশ করানো যাবে না। ইয়ার টিপসগুলো আলাদা আলাদাভাবে খুলে পরিষ্কার করতে হবে। ওয়াশিং মেশিনে পরিষ্কার করা যাবে না। ইয়ারবাডস বা ইয়ার টিপস শুকানোর জন্য ড্রায়ার বা এ ধরনের যন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না। ইয়ারবাডস, ইয়ার টিপস ও চার্জিং কেস পরিষ্কারের জন্য অ্যালকোহল এড়িয়ে চলতে হবে। ইয়ারবাডস চার্জিং কেসে রাখার আগে সেগুলো পুরোপুরি শুকিয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে হবে।
ইয়ারবাড খুব সংবেদনশীল, তাই এই টিপসগুলো অনুসরণ করা প্রয়োজন। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ইয়ারবাডস পরিষ্কারে তরল ব্যবহারে সতর্ক করে। বরং তারা মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহারের পরামর্শ দেয়।
যেভাবে আপনার ইয়ারবাডস পরিষ্কার করবেন
ইয়ারবাড থেকে বিভিন্ন ধরনের ময়লা পরিষ্কারের সবচেয়ে ভালো উপায় হলো মাইক্রোফাইবার কাপড় ব্যবহার করা। এই কাপড় ভেজানোর জন্য কোনো বিশেষ তরল বা সাবানপানি ব্যবহারের দরকার নেই। স্বাভাবিক পানিই যথেষ্ট।
পরিষ্কার শুরু করার আগে ইয়ারবাড থেকে ইয়ার টিপ সরান। সে জন্য আলতো করে সেগুলো টানুন। ইয়ার টিপ পানির নিচে রেখে বা সাবানপানি ব্যবহার করে পরিষ্কার করুন। এতে কান থেকে লাগা সব ময়লা উঠে যাবে। সামান্য ভেজা মাইক্রোফাইবার কাপড় দিয়ে ইয়ারবাডস মুছুন। এ ক্ষেত্রে সাবানপানি বা সল্যুশন ব্যবহার করা যাবে না। আবার মাইক্রোফাইবার কাপড় যেন বেশি ভেজা না থাকে, সেটাও খেয়াল রাখবেন। প্রয়োজনে কটন বাড ভিজিয়ে ব্যবহার করা যেতে পারে। পরিষ্কার হয়ে গেলে ইয়ার টিপস ইয়ারবাডে লাগানোর আগে ভালোভাবে শুকিয়ে নিন।
সূত্র: অ্যান্ড্রয়েড পুলিশ
Source: প্রথম আলো
ঈদবাজারে ৫টি দামি স্মার্টফোন
***********************************************************************
আগে অনেকেই বেশি দামের মোবাইল ফোনের কথা শুনলে চোখ কপালে তুলত। এখন দামি স্মার্টফোন অনেকে কাজের প্রয়োজনে কেনেন। আবার এটা হালফ্যাশনেরও অংশ। নির্মাতারা দামি ফোন তৈরির দিকে ছুটছে। বর্তমানে ‘দাম দিয়ে কিনব, ভালো দেখেই কিনব’ এমন চিন্তা থেকে স্মার্টফোন কিনতে চান অনেকে। ঈদের বাজারে নতুন কিছু দামি ফোনও এসেছে। ঢাকার বাজারে আছে, বেশি বাজেটের পাঁচটি স্মার্টফোনের খোঁজ থাকছে এখানে।
ভিভো ভি২৭
সনির সেন্সরসহ ১২০ হার্টজ ত্রিমাত্রিক (থ্রিডি) পর্দার ভি২৭ স্মার্টফোনটি হতে পারে ৪০ হাজারের বেশি বাজেটের মধ্যে অন্যতম সেরা পছন্দ। স্মার্টফোনটিতে রয়েছে ৬.৭৮ ইঞ্চি ফুল এইচডি প্লাস অ্যামোলেড পর্দা। এতে আছে মাল্টি-টাচ ক্যাপাসিটিভ প্রযুক্তি। মিডিয়াটেকের ডাইমেনসিটি ৭২০০ প্রসেসর এবং ফানটাচ ওএস১৩ অপারেটিং সিস্টেমে চলে ফোনটি। অরা লাইট এবং সনির সেন্সরসমৃদ্ধ ৫০ মেগাপিক্সেল ওআইএস পেছনের ক্যামেরার সঙ্গে পাওয়া যাবে ৫০ মেগাপিক্সেল সামনের ক্যামেরা, ৮ মেগাপিক্সেল ওয়াইড এঙ্গেল ক্যামেরা এবং ২ মেগাপিক্সেল মাইক্রো ক্যামেরা। ৪,৬০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের ব্যাটারির চার্জের জন্য রয়েছে ৬৬ ওয়াটের ফাস্ট চার্জার। ম্যাজিক ব্লু ও নোবেল ব্ল্যাক রঙের ৫৪ হাজার ৯৯৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে ভিভোর এই ফোনটি।
অপো রেনো–৮টি
যাঁরা ছবি তুলতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য অপো রেনো–৮টি স্মার্টফোনটি কাজের হবে। কেননা, এই ফোনে আছে ১০০ মেগাপিক্সেলের পোর্ট্রেট তোলার ক্যামেরা। অপোর রেনো সিরিজ ইতিমধ্যেই বিশ্বব্যাপী ৭ কোটি ব্যবহারকারীর কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। হালকা ডিজাইন, পোর্ট্রেট ক্যামেরা প্রযুক্তি এবং দীর্ঘস্থায়িত্বের সমন্বয় করা হয়েছে এই ফোনে। এতে আছে ফাইবার গ্লাস-লেদার স্টিচ ডিজাইন। ৪৮ মাসের জন্য ফ্লুয়েন্সি প্রোটেকশন। ফোনটিতে রয়েছে ২ মেগাপিক্সেল ডেপথ ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা। অপো রেনো–৮টি কমলা ও কালো রঙের পাওয়া যাচ্ছে। দাম ৩২ হাজার ৯৯০ টাকা।
রিয়েলমি জিটি মাস্টার
রিয়েলমি সম্প্রতি ফাইভ-জি প্রযুক্তি–সমর্থিত রিয়েলমি জিটি মাস্টার এডিশন স্মার্টফোনটি বাজারে এনেছে। স্যুটকেস থেকে অনুপ্রাণিত নকশা এর। শক্তিশালী স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি ফাইভ–জি প্রসেসর এবং অত্যাধুনিক ভ্যাপার চেম্বার কুলিং সিস্টেম রয়েছে এতে। স্মার্টফোনটিতে আছে ৬.৪৩ ইঞ্চির ১২০ হার্টজ সুপার অ্যামোলেড পর্দা। এ ছাড়া ৬৫ ওয়াটের সুপারডার্ট চার্জিং ব্যবস্থার কারণে ৩৫ মিনিটের কম সময়ে চার্জ হবে স্মার্টফোনটির ৪ হাজার ৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি। পাশাপাশি স্মার্টফোনটিতে রয়েছে শক্তিশালী ও ইন্টেলিজেন্ট ৬৪ মেগাপিক্সেলের ট্রিপল ক্যামেরা, সঙ্গে রয়েছে স্ট্রিট ফটোগ্রাফি ফিল্টার। ফোনটিতে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের এআই সেলফি ক্যামেরা। এর দাম ৩৪ হাজার ৯৯০ টাকা।
গ্যালাক্সি এ৭৩
গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভ–জিকে বলা চলে মাল্টিমিডিয়া পাওয়ারহাউস। এতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৭৭৮জি ফাইভ–জি প্রসেসর। প্রয়োজনের সময় ফোনটির র্যাম প্লাস সুবিধা দেবে ৮ জিবি পর্যন্ত অতিরিক্ত র্যাম বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ। জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্তগুলোকে ফোনে ধারণ করে রাখতে গ্যালাক্সি এ৭৩ ফাইভ–জিতে দেওয়া হয়েছে ২৫৬ জিবি তথ্য ধারণক্ষমতা, যা ১ টেরাবাইট পর্যন্তও বাড়িয়ে নেওয়া যাবে। নান্দনিক ডিজাইনের সমন্বয়ে তৈরি এ ফোনটিতে আছে সুপার স্লিম বেজেল, হালকা ডিসপ্লে, নিরবচ্ছিন্ন ক্যামেরা সুবিধা আর দীর্ঘ সময় ব্যাটারিতে চার্জ থাকার নিশ্চয়তা। বিশেষ ঈদ অফারে ৬৪ হাজার ৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে ফোনটি।
আইফোন ১৪ প্রো
বাজারে নতুন না হলেও দামি ফোনের মধ্যে আইফোন ১৪ প্রো ম্যাক্সের চাহিদা এখনো বেশি। ৬.৭ ইঞ্চির সুপার রেটিনা এক্সডি আর ওএলইডি পর্দা রয়েছে এ ফোনে। রয়েছে এ১৬ বায়োনিক চিপসেট। বলা হয় এটিই স্মার্টফোনের সবচেয়ে শক্তিশালী চিপসেট। দ্বিতীয় প্রজন্মের সেন্সর শিফট অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনসহ ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রধান ক্যামেরাসহ রয়েছে ৩ গুণ অপটিক্যাল জুম ও ২.৮ এফ অ্যাপারচার। অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশনসহ একটি ১২-মেগাপিক্সেল টেলিফটো ক্যামেরা ছাড়াও রয়েছে ১২ মেগাপিক্সেলের একটি সেন্সর ক্যামেরা। ২.২ অ্যাপারচারের আল্ট্রা-ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এ ১২০ ডিগ্রি ফিল্ড অব ভিউ পাওয়া যাবে। ফাইভ–জিসহ ওয়াই–ফাই ৬ ও ব্লুটুথ ৫.৩ সমর্থন করে এ ফোন। এর দাম ২ লাখ ১ হাজার ৫৯৯ টাকা।
Source: প্রথম আলো