৫০০ টাকা জিতুন এখনি
কিভাবে?
১। ফুটবল বিশ্বকাপে আপনি যে দল সাপোর্ট করেন সেই দলের জার্সি পড়ে আপনার নিজের ১ টি ছবি লিংকির ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করুন। (গ্রুপের লিংকঃ https://www.facebook.com/groups/linkeeiofficial/ )
২। আপনার এই পোস্টে বন্ধুদের লাইক দিতে বলুন। যার মুল পোস্টে সবচেয়ে বেশি লাইক পরবে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে।
৩। ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়া পর্যন্ত আপনার পোস্টের লাইক গননা করা হবে।
৪। আপনি ১ বারই পোস্ট করতে পারবেন। ১ টির বেশি পোস্ট করা যাবেনা।
৫। পোস্টে লাইকের সংখ্যা অবশ্যই কমপক্ষে ৫০০ হতে হবে।
৬। ১ ডিসেম্বর থেকে ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচ শেষ হওয়া পর্যন্ত শুধুমাত্র ১ টি ছবি পোস্ট করা যাবে। তবে আপনার পোস্টে যেন বেশি লাইক পড়ে সেইজন্য বন্ধুদের সাথে যতো ইচ্ছা তত পোস্ট টি শেয়ার করা যাবে।
তাহলে আর দেরি কেন? এখনি জার্সি পড়ে আপনার ১ টি ছবি লিংকির ফেসবুক গ্রুপে পোস্ট করুন। (গ্রুপের লিংকঃ https://www.facebook.com/groups/linkeeiofficial/ ) এবং ৫০০ টাকা জিতে নিন।
লিংকি
নতুন সোশ্যাল মিডিয়া
ওয়েবসাইটঃ https://linkeei.com
অ্যাপ ইন্সটলঃ https://play.google.com/store/....apps/details?id=com.
আইওএস, আইপ্যাডওএস ও ম্যাকওএসের নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করল অ্যাপল
***********************************************************************
আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করতে আইওএস, আইপ্যাডওএস ও ম্যাকওএসের সর্বশেষ সংস্করণে থাকা নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করেছে অ্যাপল। এবারই প্রথম হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত না করে অপারেটিং সিস্টেমগুলোয় থাকা নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করা হয়েছে। আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেটিংস অপশন থেকে নিরাপত্তা হালনাগাদ করতে পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করতে সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত করে থাকে অ্যাপল। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো ‘র্যাপিড সিকিউরিটি রেসপন্স’ সুবিধার আওতায় অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা হালনাগাদ করেছে অ্যাপল। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে গত মাসে উন্মুক্ত হওয়া আইওএস ১৬.৪.১, আইপ্যাড ১৬.৪.১ ও ম্যাকওএস ১৩.৩.১ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা সাইবার হামলা থেকে নিরাপদে থাকবেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, গত বছর নিজেদের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে প্রথম ‘র্যাপিড সিকিউরিটি রেসপন্স’ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছিল অ্যাপল। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, অপারেটিং সিস্টেম থাকা ছোট বা কম ক্ষতিকর ত্রুটিগুলো এই নিরাপত্তা হালনাগাদের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। ফলে নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করার জন্য পরবর্তী সংস্করণ উন্মুক্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।
সূত্র: মেইল অনলাইন
Source: প্রথম আলো
গুগল মেসেজে দ্রুত ছবি পাঠানোর সুবিধা
***********************************************************************
দ্রুত ছবি পাঠানোর জন্য গত মাসে ‘সেন্ড ফটোজ ফাস্টার’ নামে একটি সুবিধা চালু করে গুগল মেসেজ। এখন দ্রুত ছবি পাঠানোর এ সুবিধা আরও বিস্তৃত পরিসরে গ্রাহকের জন্য উন্মুক্ত করছে গুগল।
গুগল মেসেজেস অ্যাপের সেটিংস মেনুতে নতুন একটি টগলে ‘সেন্ড ফটোজ ফাস্টার’ সুবিধাটি পাওয়া যাবে। সুবিধাটি সেন্ড ফটোজ ফাস্টার নামেও খুঁজে পাওয়া যাবে। এর নামের সঙ্গে বিবরণে লেখা রয়েছে, দ্রুত ছবি পাঠানোর জন্য রেজল্যুশন কমে যাবে। এ সেবা রিচ কমিউনিকেশন সার্ভিস বা আরসিএস মেসেজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
আরসিএসে সাধারণ এসএমএসের থেকে উন্নত সুবিধা পাওয়া যায়। অ্যান্ড্রয়েডে এ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকে আরসিএস মেসেজ পাঠালে প্রেরক মেসেজ করছেন কি না, প্রাপক মেসেজ পড়েছেন কি না, তা দেখা যায়। এ ছাড়া উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।
নাইন টু ফাইভ গুগল বলছে, সেন্ড ফটোজ ফাস্টার চালু হলে ফাইলের আকাট ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এ সেবায় পাঠানো ছবির মান হ্রাস পরবর্তীকালে জুম করলেই বোঝা যায়। এ ছাড়া পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে এখন আরসিএস গ্রুপ চ্যাটে মেসেজে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন নিরাপত্তাসুবিধা চালু করতে যাচ্ছে গুগল। আগে এ সুবিধা নির্দিষ্ট একজনের সঙ্গে চ্যাটিংয়ে উন্মুক্ত ছিল।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে পরীক্ষামূলক উদ্যোগ
***********************************************************************
শুধু ‘ক্লোজ ফ্রেন্ড’ অর্থাৎ নির্বাচিত বন্ধুরা পোস্ট দেখতে পারবেন এমন সুবিধা নিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে ইনস্টাগ্রাম। এর ফলে ইনস্টাগ্রামের পোস্ট সবার জন্য উন্মুক্ত না হয়ে শুধু ক্লোজ ফ্রেন্ডরা দেখতে পারবেন।
প্রযুক্তি–গবেষক অ্যালেজান্দ্রো পালুজ্জি বলছেন, ব্যবহারকারীরা ইনস্টাগ্রাম ফিডে কোনো পোস্ট করার ক্ষেত্রে অডিয়েন্স নামে একটি ট্যাব দেখতে পারবেন। এ ট্যাবে ‘এভরিওয়ান’ ও ‘ক্লোজ ফ্রেন্ড’ নামের আলাদা দুটি অপশন দেখা যাবে। এভরিওয়ান চালু করলে সবাই পোস্টটি দেখতে পারবেন এবং ক্লোজ ফ্রেন্ড চালু করলে শুধু নির্বাচিত বন্ধুরাই পোস্টটি দেখতে পারবেন। এ সুবিধা চালুর ফলে এখন ইনস্টাগ্রামের ফিড ও স্টোরিতে নির্বাচন করা বন্ধুদের সঙ্গে ছবি, ভিডিও বা আধেয় শেয়ার করা যাবে।
তবে সুবিধাটি কবে নাগাদ চালু হবে এ নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি। এদিকে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ছবি শেয়ার করার সময় গান যোগ করার সুবিধা সম্প্রতি চালু হয়েছে। এমনকি ফটো ক্যারোসেল ও নোটসে গান যোগ করার সুবিধা নিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
সূত্র: বিজিআর
Source: প্রথম আলো
হাইব্রিড গাড়িতে তেল খরচ কত কম
***********************************************************************
জ্বালানি খরচ বাঁচাতে ও পরিবেশবান্ধব গাড়ি হিসেবে হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা বেশ। হাইব্রিড গাড়িগুলোতে প্রচলিত জ্বালানি, মানে তেলের পাশাপাশি বিদ্যুৎ–শক্তি ব্যবহৃত হয়। সাধারণত বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে ব্যাটারিতে জমানো শক্তি খরচ করে হাইব্রিড গাড়ি চলে। এ সময় ইঞ্জিন বন্ধ থাকায় তেল খরচ হয় না। গাড়ি বিদ্যুৎ–শক্তিতে এগিয়ে চলে।
হাইব্রিড গাড়িকে আলাদা কোনো চার্জারের সাহায্যে চার্জ দিতে হয় না। হাইব্রিড গাড়ির উন্নত সংস্করণ হচ্ছে প্লাগ–ইন হাইব্রিড ভেহিক্যাল বা পিএইচইভি। এ ধরনের গাড়িগুলো চার্জারের সাহায্যে বিদ্যুৎ–শক্তি সঞ্চয় করে ব্যাটারির মাধ্যমে কোনো ধরনের জ্বালানি খরচ না করে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে চলতে পারে। হাইব্রিড গাড়িতে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হয়, সেটি জেনে নেওয়া যাক।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সমন্বয়ে চালিত বাহনের নাম হাইব্রিড গাড়ি। এসব গাড়িতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে হাইব্রিড ব্যাটারি ও বিকল্প শক্তি হিসেবে জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। হাইব্রিড ব্যাটারির সাহায্যে এ ধরনের গাড়ি চালু হয় এবং ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন চালু হয়। ব্যাটারির শক্তি গাড়ির জন্য যথেষ্ট না হলে হাইব্রিড ব্যাটারি ও ইঞ্জিন যৌথভাবে শক্তি উৎপাদন করে এবং গাড়ির চাকা গতিশীল রাখে। ব্যাটারি চাকার ঘূর্ণনগতি এবং ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত কর্মশক্তি থেকে চার্জ সংগ্রহ করে। পাওয়ার কন্ট্রোল ইউনিট বা পিসিইউ নামের অত্যাধুনিক যন্ত্র এই পুরো কাজ করে থাকে। এ জন্য চালককে আলাদা কোনো সুইচ চাপতে হয় না।
ব্যাটারিতে চলা অবস্থায় গাড়ির ইঞ্জিন যেহেতু বন্ধ থাকে, সেহেতু তখন পরিবেশদূষণের মাত্রাও কমে যায়। সাধারণ গাড়ির তুলনায় হাইব্রিড গাড়ি কতটা জ্বালানি সাশ্রয় করে, তা গাড়ির কর্মক্ষমতার পাশাপাশি গাড়ির সার্বিক অবস্থা, চালনার ধরন, সড়ক এবং আসল যন্ত্রাংশ ও তেল ব্যবহার করার ওপর নির্ভর করে। হাইব্রিডের মধ্যে টয়োটার অ্যাকুয়া গাড়িকে মাইলেজের রাজা হিসেবে ধরা হয়। আকারে ছোট এবং ওজন কম হওয়ায় সাধারণ গাড়ির তুলনায় এই গাড়িগুলোর জ্বালানি খরচ প্রায় অর্ধেক।
মহাসড়ক ও শহর—এই দুই জায়গায় কতটা জ্বালানি খরচ করবে, তার ওপর নির্ভর করে গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে কতটা জ্বালানি খরচ করবে, তা নির্ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে শহরের যানজট ও মহাসড়কের রাস্তার অবস্থা অনুসারেও জ্বালানির খরচে তারতম্য হয়। হাইব্রিড গাড়ি নির্মাণে জাপানি গাড়ি নির্মাতা টয়োটা ও হোন্ডা পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত। টয়োটা বা হোন্ডার নির্মিত নন–হাইব্রিড গাড়ি এক লিটার জ্বালানি খরচ করে যতটা পথ অতিক্রম করতে পারে, তাদের তৈরি প্রস্তুতকারকের হাইব্রিড গাড়ির মাইলেজ সে ক্ষেত্রে দ্বিগুণ হয়।
দেশের বাজারে মধ্যম বাজেটে টয়োটার এক্সিও মডেলের রাজত্ব লক্ষণীয়। একটি নন–হাইব্রিড এক্সিও ঢাকার রাস্তায় প্রতি লিটার জ্বালানি তেলে সাধারণত ৭ থেকে ৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে; মহাসড়কে যা ১৫-১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়ে যায়। ওদিকে একটি এক্সিও হাইব্রিড গাড়ি প্রতি লিটার জ্বালানি তলে শহরে ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার এবং মহাসড়কে ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। নিয়মিত পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্নভাবে থ্রটল চেপে রাখা অথবা ক্র্যুজ কন্ট্রোলের ব্যবহার, গাড়ির সঠিক টায়ার প্রেশার, অতিরিক্ত মালামাল বা যাত্রী বহন না করে হাইব্রিড গাড়িতে প্রতি লিটার জ্বালানি খরচ করে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দেয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে চালকদের।
গাড়ির আকার এবং ওজন অনুসারে টয়োটা অ্যাকুয়ার পরে বেশি মাইলেজ মেলে হোন্ডা ফিটে। এ ছাড়া ১৫০০ সিসি বা ১.৫ লিটার ঘরানার গাড়িতে টয়োটা এক্সিও, ফিল্ডার, সিয়েন্টা, হোন্ডা গ্রেসেও ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। ১৮০০ সিসি বা ১.৮ লিটার ঘরানায়ও রয়েছে বেশ কিছু জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ি। টয়োটা প্রিয়াস, প্রিয়াস আলফা, প্রিয়াস প্লাগ-ইন হাইব্রিড (পিএইচইভি), নোয়াহ, এসকুয়ার, ভক্সি, করোলা অলটিস, করোলা ক্রস, র্যাভ–৪ অন্যতম। ২৫০০ সিসি বা ২.৫ লিটার শ্রেণিতে রয়েছে টয়োটা ক্যামরি, ভেলফায়ার এবং আলফ্রাডসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি। মিতসুবিশির রয়েছে আউটল্যান্ডার পিএইচইভি। টয়োটার হাইব্রিড গাড়িতে পঞ্চম প্রজন্মের হাইব্রিড সিস্টেম তথা হাইব্রিড সিনার্জি সিস্টেম (এইচএসডি) ব্যবহৃত হয়। এতে ব্যাটারির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম ওজনের নিকেল মেটাল বা লিথিয়াম ব্যাটারি থাকায় ফলে বেশি মাইলেজ পাওয়া যায়।
হাইব্রিড গাড়িগুলোর ব্যাটারিতে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো দুই লাখ কিলোমিটার পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে থাকে। একটি হাইব্রিড ব্যাটারির জীবনকাল সর্বোচ্চ ১০ বছর। সে হিসেবে হাইব্রিড গাড়ি জ্বালানি খরচকে অর্ধেকে নামিয়ে দিতে পারে। ১০ বছর নিয়মিতভাবে গাড়ি চালালে জ্বালানি খরচ কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যাবে।
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience