Finding the IP address of an HP printer is not difficult and can be done in a few simple steps. Here are the most common methods to find the IP address of an HP printer: Print a network configuration page: Many HP printers have a built-in option to print a network configuration page, which will include the IP address. Use the HP Smart app: The HP Smart app allows you to manage and monitor your HP printer from a mobile device, and you can find the IP address of the printer in the app's settings. Check the printer's control panel: On the printer's control panel, navigate to the network settings and look for the IP address. Use the Command Prompt: On a Windows computer, open the Command Prompt and type "ping" followed by the printer's hostname, then look for the IP address in the results. URL- https://printersofflines.com/b....log-post/best-ways-t
ই-কমার্সের জন্য নতুন আইনের প্রয়োজন নেই
***********************************************************************
ই-কমার্সের জন্য নতুন কোনো আইন প্রয়োজন নেই। পুরোনো আইন সংশোধন এবং ভোক্তা অধিকার ও প্রতিযোগিতা আইনের মাধ্যমেই দেশের ই-কমার্স খাতে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তৈরি ‘খসড়া ডিজিটাল বাণিজ্য আইন, ২০২৩’ নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় আলোচকেরা এসব কথা বলেন। গতকাল রোববার এফবিসিসিআই মিলনায়তনে এ সভার আয়োজন করে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ই-ক্যাব)।
সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশন—এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন বলেন, প্রতিবেশী বা উন্নত দেশগুলোয় যেভাবে ই-কমার্স ব্যবসা চলছে, বাংলাদেশেও সেভাবে ব্যবসা করতে দেওয়া উচিত। কিন্তু অংশীজনদের ছাড়াই এই আইনের খসড়া করা হয়েছে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ব্যারিস্টার তানজীব উল আলম বলেন, এই আইনের দরকার নেই। কেননা, এর সবকিছুই বিদ্যমান আইনে আছে। এটি ব্যবসাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে। ডিজিটাল কমার্সে প্রতারণা করলে তিন বছরের জেল, কিন্তু মুদিদোকানে করলে কোনো শাস্তি নেই। এটা হয় না।
ই-ক্যাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল ওয়াহেদের সঞ্চালনায় সভায় সংগঠনটির সভাপতি শমী কায়সার বলেন, ‘চুরি মানেই চুরি। এটা অনলাইন বা অফলাইনে আলাদা করার দরকার নেই। অংশীজনদের মতামত নিয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। আমরা এই আইন চাই না। ই-কমার্স সেল থাকার পর নতুন করে কর্তৃপক্ষ গঠনের কোনো দরকার নেই।’
সভায় ফোনে আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশের প্রধান বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (সিসিও) আলী আহম্মেদ বলেন, ফেসবুককে কেন্দ্র করে অনেকেই মৌসুমি ব্যবসা করেন। কিন্তু নতুন খসড়া অনুযায়ী, ডিবিআইডি (ডিজিটাল বিজনেস আইডেনটিফিকেশন নম্বর) নেওয়ার বিধানের কারণে ক্ষুদ্র ব্যবসাই গড়ে উঠবে না। অর্থ গ্রহণের ক্ষেত্রেও একই ধরনের সমস্যা হবে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সুব্রত বড়ুয়া বলেন, আলাদা কর্তৃপক্ষ না করে প্রতিযোগিতা কমিশন ও ভোক্তা অধিকার আইনই যথেষ্ট। আইনটি পণ্যকেন্দ্রিক হলেও সেবা উপেক্ষিত। ওয়্যারহাউস, অভিযোগ ব্যবস্থাপনার বিষয়গুলো বাস্তবসম্মত নয়।
বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের (বিআইজেএফ) সভাপতি নাজনীন নাহার বলেন, অতিমারিতে ই-কমার্সের অবদান বেশি। এর ৫১ শতাংশই নারী। আইনটি যে হারে খরচ বাড়াবে, তাতে পুরো ব্যবসাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অনলাইনে পরিবহনের টিকিট বিক্রির ওয়েবসাইট সহজ ডটকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মালিহা কাদির বলেন, বিদ্যমান আইনেই দোষীদের শাস্তি দেওয়া যায়।
আইনের খসড়া নিয়ে আরও আলোচনা করেন অনলাইনভিত্তিক বিকিকিনির ওয়েবসাইট বিক্রয় ডটকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ঈশিতা শারমিন, ই-ক্যাবের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য আবদুল হক, প্রতিযোগিতা কমিশনের সাবেক পরিচালক খালেদ আবু নাসের, ই–কমার্স প্রতিষ্ঠান চালডাল ডটকমের পরিচালক ইশরাত জাহান প্রমুখ।
অনলাইনে সভায় যুক্ত ছিলেন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা সোনিয়া বশির কবির, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিংয়ের (বাক্কো) সভাপতি ওয়াহিদ শরীফ, বেটার স্টোরিজের প্রতিষ্ঠাতা মিনহাজ আনোয়ার প্রমুখ।
Source:. প্রথম আলো
মাইক্রোসফটের বিং অ্যাপ নামানোর হিড়িক
***********************************************************************
গত সপ্তাহে ওপেনএআইয়ের তৈরি চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’র কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) প্রযুক্তি নিজেদের বিং সার্চ ইঞ্জিনে যুক্ত করেছে মাইক্রোসফট। এর পর থেকেই বিং সার্চ ইঞ্জিন অ্যাপ ডাউনলোডের হিড়িক পড়েছে। চ্যাটজিপিটি প্রযুক্তি যুক্তের ঘোষণার পর বিং অ্যাপ ডাউনলোডের হার ১০ গুণ বেড়েছে বলে জানিয়েছে অ্যাপ বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান ডেটা ডট এআই৷
ডাউনলোডের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় অ্যাপ স্টোরে সর্বোচ্চ ডাউনলোড হওয়া অ্যাপের তালিকায় শীর্ষ ছয়ে উঠে এসেছে বিং সার্চ ইঞ্জিন। শুধু তা–ই নয়, বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা অ্যাপের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে অ্যাপটি। অথচ এক সপ্তাহ আগেও তালিকায় ১৬০তম অবস্থানে ছিল বিং অ্যাপ।
উল্লেখ্য, চ্যাটজিপিটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি যেকোনো বার্তার উত্তর দ্রুত এবং নির্ভুলভাবে দিতে পারে। নিজ থেকে বার্তা, নিবন্ধ বা কবিতাও লিখে থাকে। ফলে বিং সার্চ ইঞ্জিনে উন্নত সার্চ ফলাফল দেখার পাশাপাশি ডান পাশে চ্যাটজিপিটির কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত চ্যাটবট ব্যবহার করা যাবে।
সূত্র: বিজিআর ডটকম
Source:. প্রথম আলো
আরও প্রাসঙ্গিক অনুবাদের উদ্যোগ নিয়েছে গুগল
***********************************************************************
গুগল ট্রান্সলেটে এক ভাষা থেকে অন্য ভাষায় অনুবাদ করার ক্ষেত্রে নতুন সুবিধা আনার ঘোষণা দিয়েছে বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগল। ৮ ফেব্রুয়ারি ‘লাইভ ফ্রম প্যারিস’ অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। সুবিধাগুলোর মধ্যে রয়েছে অনুবাদের সময় উন্নত, প্রাসঙ্গিক শব্দের খোঁজ, আইওএসের জন্য গুগল ট্রান্সলেটের পুনর্নকশা এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটি (এআর) চশমায় অনুবাদসুবিধা নির্বিঘ্নে পাওয়া।
গুগল জানায়, ইংরেজি, ফরাসি, জার্মান, জাপানি ও স্প্যানিশ ভাষার অনুবাদ আরও প্রাসঙ্গিক করে তুলছে প্রতিষ্ঠানটি। অর্থাৎ যেসব শব্দ বা শব্দগুচ্ছের একাধিক অর্থ রয়েছে, সেগুলো প্রাসঙ্গিকতার ভিত্তিতে অনুবাদ হবে। এতে অনুদিত বাক্য ব্যবহারকারীর কাছে স্বাভাবিক ও প্রাসঙ্গিক মনে হবে। এটি অনেকটা লিঙ্গুই এবং রিভারসো অ্যাপের মতো কাজ করবে।
এ ছাড়া কোনো ব্যবহারকারী যদি কোনো ভাষায় সাবলীল না হন, তাঁকে একটি শব্দগুচ্ছের আপত্তিকর বা ঘৃণ্য অর্থ ব্যবহার ঠেকানোর সুবিধা দেওয়া হবে। গুগল জানিয়েছে, সপ্তাহখানের মধ্যে এই হালনাগাদগুলো ব্যবহাকারীরা পাবেন। প্রথমে পাঁচটি ভাষায় সুবিধাগুলো দেওয়া হলেও পরে আরও অনেক ভাষায় এটি চালু করা হবে। একই অনুষ্ঠান থেকে গুগল ম্যাপসের জন্যও নতুন সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
গত বছর গুগল ট্রান্সলেটের অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপের হালনাগাদ ছেড়েছিল প্রতিষ্ঠানটি। এখন নতুন এ সুবিধা এবং আইওএস অপারেটিং সিস্টেম–চালিত আইফোনের জন্য ‘রিফ্রেশ ইউজার ইন্টারফেস’ আনল প্রতিষ্ঠানটি।
এ ছাড়া আইওএস অ্যাপে শক্তিশালী বর্ণসুবিধা চালু করা হয়েছে। এতে অনুবাদ আরও পাঠযোগ্য হয়ে উঠবে। পুনর্নকশা করা অ্যাপে ব্যবহারকারী সম্প্রতি কী অনুবাদ করেছেন এবং কোন ভাষা ব্যবহার করেছেন, তা দ্রুত বাছাই করতে পারবেন।
সম্প্রতি আইওএস অ্যাপে অফলাইনে (ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন) নতুন করে আরও ৩৩টি ভাষার অনুবাদসুবিধা চালু করেছে গুগল। এর আগে গত বছরের সেপ্টেম্বরে নতুন এক অনুবাদপ্রক্রিয়া দেখায় গুগল, যেখানে অনুদিত লেখাকে নির্বিঘ্নে পটভূমির ছবিতে (ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ) মেশানো যায়। অর্থাৎ ব্যবহারকারী যদি অন্য ভাষায় লেখা পোস্টারও অনুবাদ করেন, তবে তা অপ্রাসঙ্গিক মনে হবে না। যেসব অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনে ৬ গিগাবাইট বা তার বেশি র্যাম আছে, সেগুলোতে এ সুবিধা পাবে ব্যবহারকারী।
সূত্র: টেকক্রাঞ্চ
Source:. প্রথম আলো
বৈদ্যুতিক গাড়ি আগামীর বাহন
***********************************************************************
সারা বিশ্বেই বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার বাড়ছে। তারই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশেও বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারজাত শুরু করেছে কয়েকটি প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশে বিদ্যুচ্চালিত বা ইলেকট্রিক গাড়ি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। রাস্তায় জ্বালানি তেল ও গ্যাসে চলা গাড়ির তুলনায় বৈদ্যুতিক গাড়ির সংখ্যা তাই এখনো খুব কম। সম্প্রতি অডি বাংলাদেশ তাদের ‘ই-ট্রোন ইলেকট্রিক এসইউভি’ দেশের বাজারে ছেড়েছে। অনেকের ধারণা আগামী দিনে বৈদ্যুতিক গাড়ি বাজার সম্প্রসারিত হবে। এর ব্যবহারও বাড়বে।
কেন বৈদ্যুতিক গাড়ি? বাংলাদেশে অডির অনুমোদিত প্রতিনিধি প্রোগ্রেস মোটরস ইমপোর্টস লিমিটেডের বিপণন ব্যবস্থাপনা আবদুল্লাহ আর রাকিব এ ব্যাপারে জানান, ইলেকট্রিক গাড়ির সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো এটি পরিবেশবান্ধব। তাই এটি ব্যবহারে পরিবেশের কম ক্ষতি হয়। তাই বৈশ্বিক উষ্ণতা, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি, কালো ধোঁয়া নির্গমন এবং আরও অনেক সমস্যার সমাধান রয়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ির কাছে। বিশ্বের মধ্যে বাষুদূষণের শহরগুলোর মধ্যে ঢাকার অবস্থান সবার ওপরের দিকে। তাই ঢাকার মতো শহরের জন্য বৈদ্যুতিক গাড়ি বড় সুবিধাই হতে পারে।’
পরিবেশের সুরক্ষার কথা চিন্তা করলে প্রচলিত জ্বালানিচালিত গাড়ির চেয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি ভালো। আবদুল্লাহ আর রাকিবের মতে, দক্ষতার দিক দিয়েও বৈদ্যুতিক গাড়ি অনেক এগিয়ে। বৈদ্যুতিক মোটর ইন্টারনাল কমবাসশনে চলা ইঞ্জিনগুলোর চেয়ে বেশি কার্যকর। যার অর্থ, একই পরিমাণ শক্তি নিয়ে বৈদ্যুতিক গাড়ি অনেক বেশি দূরত্বে যেতে পারে। বৈদ্যুতিক গাড়ি এক রাতেই সম্পূর্ণ চার্জড হয়ে যাবে। তাই সকালে কোনো ফুয়েল স্টেশনে না গিয়েই গন্তব্যে যাত্রা শুরু করা যাবে। গাড়ি কেনার সময় প্রথম যে চিন্তা মাথায় আসে, তা হলো গাড়ির রক্ষণাবেক্ষণ ও জ্বালানির খরচ। এসব দিক বিবেচনা করে বৈদ্যুতিক গাড়ির খরচ তুলনামূলক কম।
গাড়ি কেনার পর জ্বালানি খরচ ছাড়াও রক্ষণাবেক্ষণের পেছনে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় হয়। আর যত সময় যায়, গাড়ি রক্ষণাবেক্ষণের খরচ আরও বাড়তেই থাকে। গাড়ির বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ইঞ্জিনের রক্ষণাবেক্ষণের খরচও বাড়তে থাকে। ইলেকট্রিক গাড়ির কিছু ক্ষেত্রে এসব খরচ কম। তবে কিছু দৈনন্দিন খরচ, যেমন অটো বিমা, কাঠামোগত মেরামত, ব্রেক, টায়ার পরিবর্তন ইত্যাদি আইসিই এবং বৈদ্যুতিক গাড়ি উভয়ের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আপনি যে গাড়িই ব্যবহার করেন না কেন, আপনাকে এসব ব্যয় বহন করতেই হবে।
বৈদ্যুতিক গাড়ির জন্য ব্যাটারির বিষয়ে একটু সচেতন থাকতে হবে। ব্যবহার করার ফলে গাড়ির ব্যাটারি প্যাকটি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়। ব্যয়ের ক্ষেত্রে এটি এক বিরাট বড় ধাক্কা। বৈদ্যুতিক গাড়িতে ব্যাটারি থাকে। প্রতিনিয়ত চার্জ দেওয়ার ফলে ব্যাটারিতে সমস্যা দেখা দিতে পারে। তখন ব্যাটারি প্রতিস্থাপনের প্রয়োজন হয়।
বর্তমানে ঢাকা শহরে তেমন কোনো বৈদ্যুতিক গাড়ি চার্জ করার বাণিজ্যিক চার্জিং স্টেশন নেই। তাই বৈদ্যুতিক গাড়ির মালিকদের গাড়ি চার্জ দেওয়ার কাজটা কঠিন হয়ে যাবে। তবে ব্যক্তি পর্যায়ে চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা রয়েছে। এ বিষয়গুলো সহজলভ্য হলে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার আরও বাড়বে। সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ সরকার নতুন একটি অটোমোবাইল নীতিমালা প্রণয়ন করেছে, যার লক্ষ্য পরিবেশবান্ধব যানকে পরিবহনব্যবস্থায় বেশি করে অন্তর্ভুক্ত করা। ২০৩০ সাল নাগাদ অন্তত ১৫ শতাংশ নিবন্ধিত বৈদ্যুতিক গাড়ির লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে সরকারের। অটোমোবাইল শিল্প উন্নয়ন নীতিমালা-২০২০-এর খসড়ায় আরও বলা হয়েছে, জ্বালানিসাশ্রয়ী যানবাহন (ইইভি) প্রস্তুতের পেছনে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর অবকাশের (ট্যাক্স হলিডে) সুপারিশ করা হয়েছে।
Source:. প্রথম আলো
নতুন কৃতির সন্ধানে
***********************************************************************
গত জানুয়ারিতে শাহরুখ খান অভিনীত ‘পাঠান’-এর ট্রেলারকে টপকে ভারতে ইউটিউব ট্রেন্ডিংয়ের শীর্ষে পৌঁছে যায় কৃতি শ্যানন-কার্তিক আরিয়ান অভিনীত ‘শেহজাদা’র ট্রেলার। পরে ছবিটির গান মুক্তির পরও ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। মিমি-তে অন্তঃসত্ত্বার চরিত্রে অভিনয়ের পর ‘শেহজাদা’য় তাঁর গ্ল্যামারস লুক ভক্তদের মন জয় করে নেয়। কৃতি বলছেন চমকের এই শুরু; চলতি বছর নানা বৈচিত্র্যময় চরিত্রে হাজির হবেন তিনি।
ভবিষ্যতে মুক্তির অপেক্ষায় থাকা কৃতির সিনেমাগুলোর মধ্যে যেমন আছে পুরোপুরি বাণিজ্যিক ধারার ছবি, তেমনই আছে ভিন্ন ধারার কাজও। ২০২৩ সালে নিজের কাজ নিয়ে কৃতি বলেন, ‘দর্শকেরা এবার আমার নতুন এক সংস্করণ দেখতে পাবেন। শুরুটা হবে গ্ল্যামারাস লুক দিকে (‘শেহজাদা’)। এরপর আছে আমার সবচেয়ে বড় সিনেমা ‘আদিপুরুষ’। যে ছবিটি নিয়ে আমি সবচেয়ে গর্বিত। এ ছাড়া গণপথ আছে, যেখানে প্রথমবারের মতো আমাকে অ্যাকশন চরিত্রে দেখা যাবে। চরিত্রটিতে মানিয়ে নিতে বাইক, অস্ত্র চালানোসহ অনেক কিছুই শিখেছি।’
নতুন ছবির সহকর্মীদের নিয়েও দারুণ রোমাঞ্চিত কৃতি। অভিনেত্রী বলেন, ‘শহীদ কাপুরের সঙ্গে রোমান্টিক ছবি করছি; প্রথমবারের মতো আমাদের জুটি দেখবেন দর্শক। এ ছাড়া তিন নারীর গল্প নিয়ে সিনেমা দ্য ক্রুতে আছেন টাবু, কারিনা কাপুর খানের মতো শিল্পীরা। সব মিলিয়ে দুর্দান্ত অভিজ্ঞতা।’
নতুন ছবি মুক্তির আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের চরিত্র নির্বাচনপ্রক্রিয়া নিয়েও কথা বলেন কৃতি। তিনি জানান, কোনো সিনেমা করতে রাজি হওয়ার আগে তিনি পরিচালক, সহ-অভিনেতার চেয়ে নিজের চরিত্র নিয়েই বেশি মাথা ঘামান। কৃতি বলেন, ‘প্রতিটি সিনেমার চরিত্র যেন ভিন্ন ভিন্ন হয়, এটা মাথায় থাকে। কয়েক বছর ধরেই এ নিয়মে কাজ করছি। “বেরেলি কি বরফি”তে আমার চরিত্র ছিল ছোট শহরের এক তরুণীর। “পানিপথ” আবার ইতিহাসনির্ভর সিনেমা। আর মিমির কথা যদি বলেন, ছবিটি আমাকে ক্যারিয়ারের পরের ধাপে পৌঁছে দিয়েছে। এক সিনেমা থেকে অন্য সিনেমায় নিজেকে বদলাতে না পারলে তো স্থবির হয়ে যাব।’
আপাতত কৃতি আছেন আগামী শুক্রবারের অপেক্ষায়, যেদিন মুক্তি পাবে ২০২৩ সালে তাঁর প্রথম সিনেমা ‘শেহজাদা’। কার্তিক আরিয়ানের সঙ্গে ছবিটি একটি দক্ষিণি সিনেমার রিমেক। আগে কৃতি ও কার্তিক জুটি ‘লুকাচুপি’র মতো হিট দিয়েছিলেন। কৃতির আশা এবারও ২০১৯-এর পুনরাবৃত্তি হবে।
Source:. প্রথম আলো
সমকামী চরিত্রে অভিনয় নিয়ে যা বললেন ভূমি
***********************************************************************
সামাজিক বার্তা আছে, এমন সিনেমাতেই তাঁকে বেশি দেখা যায়। ‘দম লাগাকে হেইসা’, ‘টয়লেট: এক প্রেম কথা’, ‘বালা থেকে বাধাই দো’—ভূমি পেদনেকরের ক্যারিয়ারে আলো ফেললেই তা বোঝা যায়। অভিনেত্রী নিজেই এবার বললেন সিনেমা দিয়ে সমাজে প্রভাব রাখতে চান তিনি।
২০২২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মুক্তি পায় ভূমি পেদনেকর ও রাজকুমার রাও অভিনীত সিনেমা ‘বাধাই দো’। ছবিটিতে কমেডির মোড়কে সমকামীদের অধিকার নিয়ে বার্তা উঠে এসেছে, নিজেও একটি সমকামী নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন ভূমি। ছবিটির এক বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতীয় গণমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার সঙ্গে কথা বলেছেন ভূমি, ‘আমরা ভারতে সমকামীদের অধিকার নিয়ে সোচ্চার হতে চেয়েছি।’
ভূমি আরও বলেন, ‘আমি নিজেকে কখনো কেবল অভিনয়শিল্পী মনে করি না। আমার কাছে যখন চলচ্চিত্রের মতো এত বড় একটা মাধ্যম আছে, সেটার মাধ্যমে অনেক বার্তাই দেওয়া যায়। আমি বরাবরই নিজের ছবির মাধ্যমে সমাজ-সংস্কৃতিতে প্রভাব রাখতে চাই। অভিনয় মানে আমার কাছে দর্শকের সঙ্গে কথা বলা। এটা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ।’
সমালোচকদের প্রশংসা জুটলেও প্রেক্ষাগৃহে তেমন একটা ব্যবসা করতে পারেনি ‘বাধাই দো’। তারপরও ছবিটি ভূমির হৃদয়ে বিশেষ জায়গা নিয়ে আছে, ‘সমকামীদের মধ্যে আমার অনেক বন্ধু-স্বজন আছেন। তাঁদের গল্প যখন শুনি, নিজেকে অসহায় মনে হয়। তাঁদের গল্প কীভাবে সবাইকে জানাব, এ নিয়ে ভাবতে থাকি। “বাধাই দো”তে কিছুটা হলেও সেটা করতে পেরেছি।’
যে উদ্দেশ্য নিয়ে ছবিটি করেছিলেন, তাতে তিনি সফল বলেও মনে করেন ভূমি, ‘ছবিটি মুক্তির সময় কোভিডের কারণে আসনসংখ্যা অর্ধেক রাখতে হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে দর্শকের কাছ থেকে যথেষ্ট সাড়া পেয়েছি। কয়েক মাস পরে বিশ্বজুড়ে ওটিটিতে যখন মুক্তি পেল, তখন ছবিটি ব্যাপক সাড়া ফেলে।’
চলতি বছর ভূমি পেদনেকরকে ছয়টি সিনেমায় দেখা যাবে। ভূমি বলেন, ‘সিনেমাগুলোয় শক্তিশালী নারী চরিত্রে আমাকে দেখা যাবে। অভিনেত্রী হিসেবে এর চেয়ে বেশি আর কী চাই!’ ২০২৩ সালে ভূমিকে দেখা যাবে ‘ভেদ’, ‘দ্য লেডিকিলার’, ‘আফওয়া’, ‘ভক্ষক’, ‘মেরে হাজব্যান্ড কি বিবি’ ইত্যাদি সিনেমায়।
Source:. প্রথম আলো
৪০ লাখ টাকার সঙ্গে আর যা পেলেন ‘বিগ বস’ বিজয়ী
***********************************************************************
সালমানের হাত থেকে হাসিমুখে ট্রফিএক ঝাঁক প্রতিযোগী। প্রায় চার মাস চার দেয়ালে বন্দী। ভাব, ভালোবাসা, বন্ধুত্ব, পরনিন্দা, লড়াই, ঝগড়া, এমনকি হাতাহাতি—এই চার দেয়ালের অন্দরে। এটা ‘বিগ বস’ হাউসের অত্যন্ত চেনা ছবি। এবারের ‘বিগ বস’-এর আসরও সব মিলিয়ে জমজমাট ছিল। কে হবেন ‘বিগ বস ১৬’-এর বিজয়ী, তা নিয়ে শুরু থেকে ছিল তুমুল উত্তেজনা। অবশেষে সেই উত্তেজনার অবসান হলো। গতকাল রোববার গভীর রাতে কালার্স চ্যানেলের বিতর্কিত রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস ১৬’-এর জয়ীর নাম ঘোষণা করলেন অনুষ্ঠানের সঞ্চালক বলিউড তারকা সালমান খান। সেরার মুকুট উঠল হায়দরাবাদের র্যাপার এমসি স্ট্যানের মাথায়।
রাত যত গভীর হচ্ছিল উত্তেজনা তত বাড়ছিল। ‘বিগ বস ১৬’-এর অন্তিম লড়াইয়ে টিকে তখন তিন প্রতিযোগী—এমসি স্ট্যান, প্রিয়াঙ্কা চাহার চৌধুরী ও শিব ঠাকরে। সেরার দৌড়ে মোটেও এমসি স্ট্যানের নাম ছিল না। ‘বিগ বস ১৬’-র কালোঘোড়া ছিলেন প্রিয়াঙ্কা ও শিব। বিশেষ করে এই রিয়েলিটি শোর শুরুর দিন থেকে ধীরে ধীরে প্রিয়াঙ্কা দর্শকের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছিলেন। কিন্তু শেষ লড়াইয়ে হেরে গেলেন রাজস্থানের এই কন্যা। এই প্রতিযোগিতা থেকে ছিটকে গেলেন প্রিয়াঙ্কা। কিন্তু তাতে মোটেও ভেঙে পড়েননি এই তরুণী। ‘বিগ বস ১৬’-র তৃতীয় স্থান পেয়েই তিনি খুশি।
বলিউড সুপারস্টার সালমানের হাত থেকে হাসিমুখে ট্রফি নিয়ে প্রিয়াঙ্কা বললেন, ‘বিগ বস ১৬’ জিততে না পারায় কোনো আক্ষেপ নেই। মানুষের হৃদয়ে জায়গা করতে পেরেছি, আর এতেই আমি খুশি’। প্রিয়াঙ্কা ভেবেছিলেন শিব ঠাকরের সঙ্গে তাঁর কড়া টক্কর হবে। তিনি বলেন, ‘এই প্রতিযোগিতায় শিবের জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা ছিল প্রবল। কিন্তু এমসি স্ট্যানকে আমি বেশি পছন্দ করি। তাই তাঁর জয়ে আমি খুশি।’
অনেক নাটকীয় মুহূর্ত। টান টান উত্তেজনা। অবশেষে শিব ও এমসি স্ট্যানের লড়াই শেষ হলো। সালমান হায়দরাবাদের র্যাপার এমসি স্ট্যানের হাতে তুলে দিলেন ‘বিগ বস ১৬’-এর ট্রফি। শুধু ট্রফিই নয়, ৩১ লাখ ৮০ হাজার রুপি পকেটে পুরলেন এমসি স্ট্যান। সঙ্গে পেলেন একটি গাড়ি। সব মিলিয়ে দারুণ উচ্ছ্বসিত এই হায়দরাবাদি তরুণ, ‘প্রথমে বিশ্বাসই হচ্ছিল না। ভেবেছিলাম সালমান স্যার রসিকতা করছেন। কিন্তু তিনি যখন আমাকে বুকে টেনে নিলেন, তখন এসব কিছু সত্যি বলে মনে হয়েছিল। এ এক এমন অনুভব, যা ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না।’
এবারের ‘বিগ বস’-এর আসরে সবচেয়ে ‘খাঁটি’ মানুষটি ছিলেন এমসি স্ট্যান। আসরটিতে আজ বন্ধু, আবার কাল তাঁকেই পিঠে ছুরি চালাতে দেখা যায় হরহামেশাই। ‘বিগ বস’-এর ট্রফি জিততে সময়ে–অসময়ে রং বদলান প্রতিযোগীরা। কিন্তু এমসি স্ট্যান আর সবার চাইতে আলাদা। তিনি তাঁর রণনীতি থেকে একটুও সরেননি। সোজা কথা সোজাভাবে বলায় অনেকেরই অপ্রিয় ছিলেন এমসি। তাঁর এসব গুণই তাঁকে সেরার শিরোপা দিয়েছে বলে অনেকেরই ধারণা।
এমসি নিজেকে ‘বস্তি কা হস্তি’ বলে দাবী করেন। দারিদ্রতার সঙ্গে লড়াই করে তিনি এই জায়গায় পৌঁছেছেন। এই রিয়েলিটি শোটির একদিকে আকর্ষণ ঘরের ভেতরের রোমান্স ও কোন্দল। অন্যদিকে ‘বিগ বস’-এর মুখ্য আকর্ষণ যে ভাইজান তথা সালমান খান তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এই বলিউড সুপারস্টার বছরের পর বছর ধরে ‘বিগ বস’-এর সঞ্চালনার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। তাই প্রতিবছর এই রিয়েলিটি শো-টি ঘিরে উন্মাদনা থাকে তুঙ্গে।
Source:. প্রথম আলো
হুমায়ুন ফরীদি বলতেন ‘শত্রুকে বধ করার জন্য আমার “হাসি টুকু” অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করি’
***********************************************************************
বিভিন্ন সাক্ষাৎকার কিংবা ব্যক্তিগত আলোচনায় জীবন নিয়ে নিজের উপলব্ধির কথাগুলো অনায়াসে বলতেন হুমায়ুন ফরীদি। তাঁর কথাগুলো কে কীভাবে নেবেন, সেসব চিন্তা করতেন না। তিনি কখনোই কারও সঙ্গে নিজেকে মেলাতেন না। তিনি ছিলেন স্বতন্ত্র, যেন নিজেই একটি প্রতিষ্ঠান। কালক্রমে প্রিয় অভিনেতার জীবনযাপন, প্রেম–ভালোবাসার সম্পর্কের সেসব কথায় থাকত জীবনকে বদলে দেওয়ার মতো অনেক উপাদান। ভক্তরা এখনো তাঁকে সেসব উক্তি দিয়ে শ্রদ্ধা জানান। নিরলস পরিশ্রমী ও জীবনের সঙ্গে আপসহীন এই তারকার আজ মৃত্যুবার্ষিকী। চলে যাওয়ার ১১ বছর।
বললে মোটেও বাড়াবাড়ি হবে না, হুমায়ুন ফরীদির মতো অভিনেতা কালেভাদ্রে জন্ম নেন। তাঁরা বেঁচে থাকেন কাজ দিয়ে, ভালোবাসা ও জীবনের দার্শনিক চিন্তা দিয়ে। ক্যারিয়ারে তুমুল আলোচনায় থাকলেও জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি দর্শক, সহকর্মীদের থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন। অভিনয়ে কিছুটা অনিয়মিত ছিলেন। তবে নিজের মতোই সময়গুলো কাটাতেন। এই সময় তিনি উপলব্ধি করেছেন যাঁদের বেশি ভালোবেসেছিলেন, তাঁরাই একসময় দূরে সরে গিয়েছেন। কিন্তু কখনোই তিনি জীবনে হোঁচট খাননি। এসব মানসিক আঘাত তাঁকে কোনো কিছু থেকে দূরে সরিয়ে রাখতে পারেনি। একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, ‘আমি যখন যাঁকে আঁকড়ে ধরতে চেয়েছি, সে আমাকে ফেলে গেছে। আমাদের জীবনেও প্রায়ই এমনটা হয়। যাঁদেরকে আমরা একান্তই খুব কাছের মানুষের মতো প্রাধান্য দিই। নিয়তির দোষে তাঁদের সঙ্গেই আমাদের বেশি ছাড়াছাড়ি হয়। তারপরও জীবন চলে যায় তার নিয়মে।’
ব্যক্তিগত জীবনে আলোচনা–সমালোচনা থাকলেও সেগুলো নিয়ে অগোচরে দর্শক ও সহকর্মীরা নানা কথা বলতেন। সেসব কথা হুমায়ুন ফরীদির কানে আসত। সেগুলো নিয়ে তিনি হাসিমুখে বলতেন, ‘আমি আমার শত্রুকে বধ করার জন্য আমার “হাসি টুকু” অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করি। মানুষ পেছনে অনেক কিছু বলে, এটাই নিয়তি।’ এ ছাড়া প্রায়ই তাঁকে শুনতে হতো আপনি মানুষ হিসেবে বদলে গিয়েছেন। সেসব প্রসঙ্গে প্রিয় তারকার উল্টো প্রশ্ন ছিল, ‘আমি বদলায়নি তবে আমি কি মানুষ নই?’
শেষের দিকে অভিনয় কম করলেও তিনি ব্যস্ত থাকতেন বই নিয়ে। নিয়মিত বই পড়তেন। শৈশব থেকে বইয়ের প্রতি ভালোবাসা ছিল এই তারকার। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, প্রথম প্রেমের অনুভূতি পেয়েছেন বই পড়ে। শরৎচন্দ্র, বঙ্কিমচন্দ্র পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সেই প্রেম-জীবনের অনুভূতিগুলো বদলে গেছে। নানা ঘাতপ্রতিঘাতে তিনি স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছেন। এসব মিলিয়েই যেন তিনি জীবনকে উপভোগ করে গিয়েছেন। এই অভিনেতা প্রায়ই বলতেন, ‘আমি জীবনকে উপভোগ করতে চাই এবং আমি জীবনকে উপভোগ করেছি। ভবিষ্যতেও উপভোগ করব। আমার কাছে জীবনটা অনেক বিশাল মনে হয়। এটা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। এটা অনুভূতির ব্যাপার। আমি জীবনে কখনোই আপস করিনি। আপস করে ভিতু মানুষ। আপস করে মেরুদণ্ডহীন প্রাণীরা। আমার মেরুদণ্ড আছে।’
তবে তিনি এটাও বলতেন, ‘কিছু কিছু পরিবর্তন মানুষ আপনা-আপনিই করে। কিছু পরিবর্তন মানুষের জীবনে অজান্তেই চলে আসে। যেখানে নিজের হাত নেই।’
প্রেম নিয়েও হুমায়ুন ফরীদি ব্যাখ্যা দিয়ে বলেন, ‘প্রেম স্বর্গীয়। মানুষের ভেতরে প্রেমের যে অনুভূতি এটা পবিত্র ও স্বর্গীয়। প্রেমের চেয়ে ভালো বিষয় মানব ইতিহাসে নেই। আমি শুধু মানুষে মানুষে প্রেমের কথা বলছি না। একটা মানুষ একটা বৃক্ষের সঙ্গে প্রেম করতে পারে, একটা মানুষ তাঁর জানালার পাশে বসা দোয়েল পাখির প্রেমে পড়তে পারে। আমরা প্রেম বলতে বুঝি একটা ছেলে একটা মেয়ে, কিন্তু ব্যাপারটা সেই রকম নয়। এই জন্যই আমার কাছে জীবনটা ছোট নয়।’
মঞ্চনাটক, সিনেমা বা টেলিভিশন—সব মাধ্যমেরই নিজস্বতার স্বাক্ষর রেখে গিয়েছেন হুমায়ুন ফরীদি। ইতিবাচক নেতিবাচক সব চরিত্রেই তিনি দাপুটে অভিনেতার পরিচয় দিয়েছেন। কখনো রমজান ডাকু, কখনো কানকাটা রমজান, সেরাজ তালুকদারসহ অসংখ্য চরিত্রে তিনি দর্শকদের মাতিয়েছেন। সেসব কাজ এখনো দর্শকদের বিনোদন দেয়।
এই অভিনেতা ২০১২ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারির আজকের এই দিনে মারা যান। শেষ সময়টায় তিনি অনেকটাই একা থাকতেন। এটাও তিনি উপভোগ করতেন। এক সাক্ষাৎকার তিনি জানিয়েছিলেন, ‘একা থাকা অনেক ভালো, কারণ, একাকিত্ব কখনো-বিশ্বাস ঘাতকতা করে না।’ সর্বশেষ হুমায়ুন ফরীদি চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন রেদওয়ান রনির ‘চোরাবালি’ সিনেমায়। কিন্তু সিনেমার শুটিংয়ের কদিন আগেই তিনি মারা যান।
Source:. প্রথম আলো
Install app for better experience