https://www.bdlatestjobs.com/2....023/06/bcic-job-circ
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/06/bcic-job-circ
https://www.bdlatestjobs.com/2....023/06/bcic-job-circ
https://www.mygenerix.com/product/fildena-150-mg/
Techugo: Pioneering iOS App Development Company
Techugo is a renowned iOS app development company that stands at the forefront of innovation. With a team of skilled developers and designers, we specialize in creating top-notch iOS applications that captivate users and drive business growth. Our commitment to excellence, coupled with a deep understanding of the iOS platform, enables us to deliver exceptional mobile experiences. Whether it's a sleek e-commerce app or a feature-rich enterprise solution, Techugo is your trusted partner for all your iOS app development needs.
For more info visit:
https://www.techugo.com/iphone....-application-develop
আসছে প্রাচ্যনাটের নতুন নাটক
***********************************************************************
ঢাকার মঞ্চে আসছে আরেকটি নতুন নাটক। শনিবার প্রাচ্যনাট ইন-হাউস আনবে নতুন নাটক ‘আ মাদার ইন ম্যানভিল’। সন্ধ্যা ৬টা ও সাড়ে ৭টায় শিল্পকলা একাডেমির স্টুডিও থিয়েটার হলে নাটকটির দুটি প্রদর্শনী হবে। মার্কিন লেখিকা মার্জোরি কিনান রলিংসের ছোটগল্প থেকে ইংরেজিতে নাট্যরূপ দিয়েছেন শওকত হোসেন। রূপান্তর ও নির্দেশনায় আছেন ফরহাদ হামিদ। প্রাচ্যনাট ইন-হাউস একটি মহড়াকক্ষভিত্তিক নাট্যশীলনপ্রক্রিয়া, যেখানে দলের সদস্যরা নিরীক্ষাধর্মী কাজ করেন।
মার্জোরি কিনান রলিংসের লেখা ‘আ মাদার ইন ম্যানভিল’ একটি হৃদয়স্পর্শী ছোটগল্প, যা প্রেম, ত্যাগ ও সামাজিক সম্পর্কের গুরুত্ব অনুসন্ধান করে। একজন লেখিকা ও ১২ বছর বয়সী এতিম ছেলে জেরিকে ঘিরে গল্পটি আবর্তিত হয়েছে।
লেখালেখি করতে কয়েক দিনের জন্য ক্যারোলিনা পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এতিমখানার গেস্টহাউসে যান লেখিকা। লেখিকার ঘর গরম রাখার চুল্লির কাঠ কেটে দেওয়ার দায়িত্ব পায় জেরি। এভাবেই জেরি ও লেখিকার পরিচয়। গল্প যত এগোতে থাকে, চরিত্র দুটি তত কাছাকাছি আসে। পাশাপাশি জেরির সঙ্গে লেখিকার পোষ্য কুকুরেরও বন্ধুত্ব হয়ে যায়। এতিম জেরির একাকিত্ববোধ এবং মায়ের ভালোবাসা পাওয়ার আকুলতা তার কল্পনায় বিভিন্ন গল্প তৈরি করে। অন্যদিকে বেদনাবিধুর অতীত ভুলে নতুন করে জীবন শুরু করতে চান লেখিকা।
৫৫ মিনিটের নাটকটিতে অভিনয় করেছেন ডায়না ম্যারেলিন চৌধুরী, শ্রেয়ান ওয়াদি, আহমাদ সাকি, ফয়সাল ইবনে মিজান, অদ্রীজা আমিন, নাহিদা আক্তার, চন্দ্রবিন্দু তোতা, স্বাতী ভদ্র, তানজি কুন ও সুপ্তি দাস। নাটকটির সেট ডিজাইন করেছেন ফয়সাল ইবনে মিজান, লাইট ডিজাইন করেছেন নাহিদা আক্তার, মিউজিক করেছেন এবি সিদ্দিকি, প্রপস তৈরি করেছেন তানজি কুন ও স্বাতী ভদ্র, পোশাক ডিজাইন করেছেন জেসমিন জাহান, কোরিওগ্রাফি করেছেন ডায়না ম্যারেলিন চৌধুরী ও পাপেট নির্মাণ করেছেন চন্দ্রবিন্দু তোতা।
source : প্রথম আলো
এবার এলিট শ্রেণির দর্শকও আমার টার্গেট: হিরো আলম
***********************************************************************
‘টোকাই’ বানাতে গিয়ে পদে পদে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছে, নিজেই এই কথা জানালেন হিরো আলম। ‘অভিনয়শিল্পীরা অনেকে রাজি হন না। অনেক অনুরোধ করে রাজি করালেও অন্যরা তাদের আমার সিনেমায় কাজ করা নিয়ে বাজে কথা বলেছে। অনেকেই ভয় দেখায় আমার সিনেমা করলে তাদের কাজ কমে যাবে। আমি সিনেমা বানাতে পারব না। সিনেমা মুক্তি দিতে পারব না। সবাইকে বলেছি আপনারা মুখ ফিরিয়ে নিলে আমি চলচ্চিত্রে কাজ করব কীভাবে? তখন তাঁরা রাজি হয়েছেন,’ মনে কষ্ট নিয়েই কথাগুলো বলে গেলেন হিরো আলম। তবে শেষ পর্যন্ত ঠিকই শেষ করেছেন ছবির কাজ। আজ মুক্তি পাচ্ছে তাঁর নতুন সিনেমা টোকাই।
প্রথম সিনেমা ‘সাহসী হিরো’ আলম মুক্তির সময়ে হিরো আলমকে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে। অনেকেই চাচ্ছিলেন না সিনেমাটা মুক্তি পাক। এবার তাঁর সামনে কোনো বাধা নেই। বরং এবার সাধুবাদ পাচ্ছেন বলে জানালেন হিরো আলম। সিনেমাটি নিয়ে প্রত্যাশা কী, কেন মনে হলো আপনার সিনেমা দর্শক দেখবে?
হিরো আলম বলেন, ‘ভক্তদের মাঝে জনপ্রিয়তা আমার আগের চেয়ে বেড়েছে। আমার ছবি নিয়ে তাদের অনেক উচ্ছ্বাস। ভালো রেসপন্স পাচ্ছি। সব সময় আমাকে যাঁরা বাধা দেন, তাঁদের আমি দেখিয়ে দিব।
আমার সিনেমা দেখতে মানুষ এবার হলে আসবেন। আমি যে শুধু নামেই হিরো না; চলচ্চিত্রজগতেও যে আমি হিরো, সেই সফলতা নিয়ে আসব। আমার প্রথম বাধা ছিল হল। সেখানে এই দুঃসময়ে ৩০টি সিনেমা হল পেয়েছি। এসবই আমার জন্য চ্যালেঞ্জ ছিল।’
করোনার মধ্যে সিনেমার শুটিং শুরু করেছিলেন। ৩০ দিন টানা শুটিং করে ছবি শেষ করার কথা থাকলেও সেই কাজ শেষ করতে লেগে যায় ৩ মাস। হিরো আলম জানালেন, অর্থের জন্য সিনেমার শুটিং মাঝেমধ্যেই বন্ধ করে দিতে হয়েছে। কারণ, তিনি নিজেই প্রযোজক। পরে মিউজিক ভিডিওসহ অন্যান্য উৎস থেকে অর্থ আয় করে সিনেমার শুটিং করেছেন। আপনার সিনেমার দর্শক কারা? এমন প্রশ্নের জবাবে হিরো আলম বলেন, ‘আমি খেটে খাওয়া মানুষের দলে। আমি যা করি, সেগুলো বেশির ভাগ নিম্নবিত্ত, টোকাই শ্রেণির মানুষ দেখেন। অন্যরাও দেখেন। দেখে হিরো আলমকে টেনে নিচে নামাতে চান। যাঁরা আমাকে পছন্দ করেন, তাঁদের জন্যই এ কাজ। তাঁরা বুঝবেন একটা টোকাই কত কষ্ট করে তার পরিবার চালায়। এবার এলিট শ্রেণির দর্শকও আমার টার্গেটে আছে।’
‘টোকাই’ সিনেমায় হিরো আলমের জুটি হয়েছেন রিয়া চৌধুরী। তাঁর এটি চতুর্থ সিনেমা। এই নায়িকাও হিরো আলমের সঙ্গে প্রথমে অভিনয় করতে চাননি। পরে রাজি হয়েছেন। মজা করে তিনি হিরো আলমের নাম রেখেছেন ‘নেভার গিভআপ ম্যান’। রিয়ার কাছে মনে হয়েছে, কোনো কাজে জড়িয়ে গেলে তিনি হাল ছাড়েন না।
তিনি একটি ভিডিওবার্তায় বলেন, ‘আমি বড় প্রতিষ্ঠানেও কাজ করেছি। তারা ফরমালি সম্মান করে। কিন্তু হিরো আলম মন থেকে সম্মান করে। তার সঙ্গে অভিনয় করে আমি খুশি। দর্শক সিনেমাটি দেখলে আমাদের পরিশ্রম সার্থক হবে।’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন কাজী হায়াৎ, মেহেদী, রিনা খান, দুলালী প্রমুখ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন বাবুল রেজা।
সবশেষে দর্শকের উদ্দেশে হিরো আলম বলেন, ‘আপনারা সিনেমা দেখে ভুল থাকলে আমাকে বলেন। আমি সামনে ভালো করব।’
source : প্রথম আলো
Install app for better experience