ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ দেয় এই রোবট
***********************************************************************
দেশ-বিদেশে যেখানেই থাকুন না কেন, দূর থেকেই ভার্চ্যুয়ালি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার সুযোগ করে দেয় ‘নিউমি’। সম্প্রতি এ রোবট কাজে লাগিয়ে দূর থেকে প্রতিষ্ঠানের নতুন কর্মী পরিচিতি অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছেন জাপানের অল নিপ্পন এয়ারওয়েজের এক কর্মী।
রোবটটির পর্দায় দূরে থাকা ব্যক্তির ভিডিও দেখা যায়। ফলে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া ব্যক্তিরা সশরীর উপস্থিত হতে না পারা সহকর্মীকে দেখার পাশাপাশি পরিচিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। নিজ থেকে পথ চলতে সক্ষম রোবটটির মাধ্যমে প্রশ্ন করার পাশাপাশি উত্তরও দেওয়া সম্ভব।
সূত্র: এএফপি
Source: প্রথম আলো
১০ লাখ ডলার পুরস্কার দেবেন ইলন মাস্ক, তবে...
***********************************************************************
বেশ কিছুদিন ধরেই টুইটারের টাইমলাইনে পোস্ট প্রদর্শন সঠিক নিয়মে করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করছেন ব্যবহারকারীরা। অনেকের অভিযোগ, টুইটারে থাকা একাধিক বটনেটের কারণে নির্দিষ্ট অ্যাকাউন্টের তথ্য অন্য ব্যবহারকারীরা দেখতে পারছেন না। ফলে চাইলেই যেকোনো টুইটার অ্যাকাউন্টের পোস্টের ভিউ কমানো যায় খুদে ব্লগ লেখার সাইটটিতে। ব্যবহারকারীদের এ অভিযোগ বেশ গুরুত্বের সঙ্গে নিয়েছেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক। টুইটারে থাকা ক্ষতিকর কোনো বটনেটের সন্ধান দিতে পারলে ১০ লাখ ডলার পুরস্কার দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
সম্প্রতি এক টুইটে সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডাবডটএসএইচের গবেষক স্টিভেন টেই জানিয়েছেন, টুইটারে থাকা বটনেট অসংখ্য অ্যাকাউন্ট নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে বটনেটের মাধ্যমে চাইলেই যেকোনো অ্যাকাউন্টের পোস্ট ব্লক করা যায়। এর মাধ্যমে টুইটারে নির্দিষ্ট ব্যবহারকারীর জনপ্রিয়তাও কমানো সম্ভব।
স্টিভেন টেইয়ের অভিযোগের বিষয়ে ইলন মাস্ক টুইটারে লিখেছেন, বটনেটগুলোর পেছনে কারা রয়েছে, দোষীদের সন্ধান দিতে পারলে ১০ লাখ ডলার পুরস্কার দেওয়া হবে।
সম্প্রতি টুইটার টাইমলাইনে নতুন সুবিধা যোগ করেছে। ফলে ব্যবহারকারী বের হওয়ার সময় শেষবার যে টাইমলাইনে ছিলেন, টুইটার তাঁকে সেটি মনে করিয়ে দেবে। অর্থাৎ ব্যবহারকারী যখন টুইটারে ঢুকবেন, তখন সর্বশেষ টাইমলাইনে পছন্দসই টুইট দেখতে পাবেন। কিন্তু বটনেটের কারণে টুইটার টাইমলাইনে অনুসরণ করা অ্যাকাউন্টের পোস্টগুলো ঠিকমতো দেখা যাচ্ছে না।
সূত্র: বিজনেস ইনসাইডার ও ইন্ডিয়া টাইমস
Source: প্রথম আলো
ভিডিও কলের পটভূমিতে সবুজ পর্দা ব্যবহার করা যাবে মাইক্রোসফট টিমসে
***********************************************************************
বিভিন্ন প্রয়োজনে আমরা অনেকে নিয়মিত ভিডিও কল বা ভিডিও চ্যাট করে থাকি। কখনো আবার অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করতে হয় ভিডিও কলের মাধ্যমে। তবে ভিডিও কলের সময় পেছনের দৃশ্যের কারণে অনেক সময় বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। আর তাই ভিডিও কলের সময় ভার্চ্যুয়াল পটভূমি ব্যবহারের সুযোগ দিয়ে থাকে মাইক্রোসফট টিমস। কিন্তু ভার্চ্যুয়াল পটভূমি ব্যবহার করলে ব্যবহারকারীর চেহারা তেমন উজ্জ্বলভাবে দেখা যায় না। সমস্যা সমাধানে ভিডিও কলের পটভূমিতে সবুজ পর্দা ব্যবহারের সুবিধা যুক্ত করেছে মাইক্রোসফটের ব্যবসায়িক যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মটি।
মাইক্রোসফটের তথ্যমতে, ভিডিও কলের সময় পটভূমিতে সরাসরি সবুজ পর্দা ব্যবহার করা যাবে। শুধু তা–ই নয়, সবুজ পর্দার সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল পটভূমি ব্যবহার করলে বর্তমানের তুলনায় চেহারা ভালোভাবে দেখা যাবে। ফলে স্বচ্ছন্দে ভিডিও কলের সুযোগ মিলবে।
মাইক্রোসফট টিমসের প্রোগ্রাম ব্যবস্থাপক জ্যান স্টেবার্ল জানিয়েছেন, ব্যাকগ্রাউন্ড ইফেক্ট সুবিধা চালু করে ভিডিও কলের পটভূমিতে সবুজ পর্দা যুক্ত করা যাবে। এরপর পছন্দের ভার্চ্যুয়াল পটভূমি নির্বাচন করলেই আগের তুলনায় স্পষ্টভাবে চেহারা দেখা যাবে।
উল্লেখ্য, বেশ কিছু অ্যাপ ও যোগাযোগের প্ল্যাটফর্মে ভিডিও কলের সময় পেছনের ছবি ঝাপসা করার পাশাপাশি ভার্চ্যুয়াল পটভূমি ব্যবহারের সুযোগ মিলে থাকে। মাইক্রোসফট টিমসে নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে আগের তুলনায় স্বচ্ছন্দে অপরিচিত ব্যক্তি বা সহকর্মীদের সঙ্গে ভিডিও কল করা যাবে।
সূত্র: দ্য ভার্জ
Source: প্রথম আলো
সুন্দর সেলফি তুলবেন যেভাবে
***********************************************************************
স্মার্টফোনের ক্যামেরা যতই শক্তিশালী হোক না কেন, ভালোমানের ছবি তোলার জন্য বেশ কিছু কৌশল জানা থাকা দরকার। স্মার্টফোনে ভালো সেলফি ছবি তোলার দরকারি তথ্য জেনে নেওয়া যাক—
পর্যাপ্ত আলো
পর্যাপ্ত আলোর সামনে ছবি না তুললে সেলফি আকর্ষণহীন ও অনুজ্জ্বল দেখায়। তাই ঘরে বাইরে ছবি তোলার সময় অবশ্যই আলোর বিপরীত দিকে অবস্থান করে ছবি তুলতে হবে। তাই ঘরের ভেতরে বাতির আলোর সামনে এবং বাইরে সূর্যের আলোর সামনে দাঁড়াতে হবে।
ফ্ল্যাশ ব্যবহার না করা
স্মার্টফোনের ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহার করে মুখের সামনে আলো ফেলা হয়। তবে ফ্ল্যাশ লাইট ব্যবহারে ভালো সেলফি নেওয়া যায় না। কারণ, স্বাভাবিক আলোতে ভালো সেলফি তোলা যায়। তাই সেলফি তোলার সময় ফ্ল্যাশ ব্যবহার না করাই ভালো।
টাইমার ব্যবহার
ক্যামেরা ধরার সময় হাত কাঁপলে ভালোমানের সেলফি ছবি তোলা পাওয়া যায় না। স্মার্টফোনে টাইমার ব্যবহার করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, টাইমার ব্যবহার করলে ভালোভাবে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ছবিও তোলা যায়।
ক্যামেরার ওয়াইড অ্যাঙ্গেল মোড
লোকসংখ্যা বেশি হলে ভালোভাবে দলগত সেলফি তোলা যায় না। অনেক সময় দুই পাশে থাকা ব্যাক্তিরা ছবি থেকে বাদ পড়ে যান। স্মার্টফোনের ওয়াইড অ্যাঙ্গেল মোড ব্যবহার করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব। সেলফি ক্যামেরায় গ্রুপ আইকনে ট্যাপ করে সহজেই ওয়াইড অ্যাঙ্গেল মোড ব্যবহার করা যায়।
বিভিন্ন কোণ থেকে সেলফি
সব সময় সামনে থেকে ছবি না তুলে বিভিন্ন কোণ থেকে সেলফি ছবি তোলা উচিত। বিভিন্ন কোণ থেকে ছবি তুললে ছবিতে বৈচিত্র্য আসে। ফলে ছবির মান ভালো হয়।
Source: প্রথম আলো
একনজরে মুঠোফোনের ৫০ বছর
***********************************************************************
আজ থেকে ৫০ বছর আগে এই দিনে মুঠোফোন (সেলুলার ফোন) উদ্ভাবন করেন মার্টিন কুপার। লম্বা অ্যান্টেনাসহ ইট আকৃতির মটোরোলা ডাইনাট্যাক ৮০০০ এক্স মডেলের মুঠোফোনটি কাজ করবে কি না, তা নিয়ে তখন উদ্বিগ্ন ছিলেন কুপার। ৭৮৪ গ্রাম ওজনের মুঠোফোনটি দিয়েই সেদিন ফোনকল করেছিলেন তিনি। এরপর ১৯৮৩ সালে মুঠোফোনটি বিক্রির জন্য যুক্তরাজ্যের বাজারে ছাড়া হয়। সে সময় এর মূল্য ছিল তিন হাজার পাউন্ড।
৩ এপ্রিল ১৯৭৩
লম্বা অ্যান্টেনাসহ ইট আকৃতির মটোরোলা ডাইনাট্যাক ৮০০০ এক্স মডেলের মুঠোফোন উদ্ভাবন করেন মার্টিন কুপার। এটি কাজ করবে কি না, তা নিয়ে তখন উদ্বিগ্ন ছিলেন কুপার। ৭৮৪ গ্রাম ওজনের মুঠোফোনটি দিয়ে সেদিন প্রথম ফোনকল করেছিলেন তিনি।
১৯৮৩
১৯৮৩ সালে মটোরোলা ডাইনাট্যাক ৮০০০ এক্স মডেলের মুঠোফোনটি বিক্রির জন্য যুক্তরাজ্যের বাজারে ছাড়া হয়। সে সময় এর মূল্য ছিল তিন হাজার পাউন্ড।
১৯৮৯
প্রথম ফ্লিপ ফোন হিসেবে বাজারে আসে মটোরোলা মাইক্রোট্যাক ৯৮০০ এক্স।
১৯৯১
বিশ্বের প্রথম জিএসএম বা ডিজিটাল মুঠোফোন বাজারে আনে অরবিটেল নামের একটি ব্রিটিশ প্রতিষ্ঠান।
১৯৯২
প্রথম টেক্সট বার্তা পাঠানোর সুবিধাযুক্ত টিপিইউ ৯০১ মডেলের মুঠোফোন বাজারে আনে অরবিটেল। সে বছর প্রথম জিএসএম মুঠোফোন বাজারে আনে নকিয়া। ২৩৪ পাউন্ড মূল্যের নকিয়া ১০১১ মডেলের মুঠোফোনটি বাজারে আসার পরপরই বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল।
১৯৯৪
প্রথম গেম খেলার সুবিধাযুক্ত হ্যাগেনাক এমটি ২০০ মডেলের মুঠোফোনে বাজারে আসে। ফলে মুঠোফোনে কথা বলার পাশাপাশি বিনোদনেরও সুযোগ চালু হয়।
১৯৯৭
সিমেন্স এস ১০ প্রথম রঙিন পর্দার মুঠোফোন বাজারজাত শুরু করে। লাল, সবুজ, নীল ও সাদা এ চার রং সমর্থন করত মুঠোফোনটি।
১৯৯৯
১৯৯৯ সালের অক্টোবরে ইন্টারনেট ব্যবহারের সুবিধা যুক্ত প্রথম নকিয়া ৭১১০ মডেলের মুঠোফোন বাজারে আসে।
২০০০
প্রথম ক্যামেরা যুক্ত মুঠোফোন বাজারে আনে জাপানের শার্প। জে–ফোন জে–এসএইচ০৪ মডেলের মুঠোফোনটিতে প্রথমবারের মতো পলিফোনিক রিংটোনও যুক্ত করা হয়।
২০০৩
ব্ল্যাকবেরির ৬২১০ মডেলের মুঠোফোনে প্রথম থ্রি–জি প্রযুক্তি সুবিধা যুক্ত হয়। সে বছরই সেলফি ক্যামেরাযুক্ত জেড ১০১০ মডেলের মুঠোফোনে বাজারে আনে সনি এরিকসন।
২০০৬
এলজি প্রাডা নামের প্রথম স্পর্শনির্ভর পর্দার মুঠোফোন বাজারে আসে।
২০০৭
আইফোন বাজারে আসে। ৮ গিগাবাইট সংস্করণের আইফোনটি অ্যাপলের সর্বাধিক বিক্রি হওয়া স্মার্টফোনের একটি।
২০০৯
স্মার্টফোন বিকাশের শুরু। যুক্ত হতে থাকে দৈনন্দিন জীবনের নানা সুবিধা। সে সময়ই যুক্ত হয় কণ্ঠস্বর শণাক্তের প্রযুক্তি।
২০১১
বড় আকৃতির স্মার্টফোন বা ফ্যাবলেট বাজারে আনে স্যামসাং।
২০১২
ফোর–জি প্রযুক্তি চালুর পর মুঠোফোনের বাজার আরও বড় হতে থাকে। এইচটিসি ইভো ছিল প্রথম ফোর–জি সমর্থিত মুঠোফোন।
২০১৯
ফাইভ–জি প্রযুক্তি চালু হয়। এরপরের বছরগুলোয় বড় পর্দার মুঠোফোনের সবচেয়ে বেশি উন্নয়ন হয়েছে। যোগ হয়েছে নতুন নতুন প্রযুক্তি।
বর্তমানে ভাঁজযোগ্য স্পর্শনির্ভর পর্দার মুঠোফোন বাজারে আনতে কাজ করছে শীর্ষ মুঠোফোন নির্মাতারা।
সূত্র: মেইল অনলাইন
Source: প্রথম আলো
‘সংস্কৃতির সংকট: রুচির দুর্ভিক্ষ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় যা বললেন বক্তারা
***********************************************************************
‘নৈতিকতাবিবর্জিত মানুষমাত্রই রুচিহীন’, ‘কুরুচির লালন–পালন অনেক সময় রুচিমানরাও করে থাকে’, ‘রুচির সংকটটি আসলে রাজনৈতিক সংকট’, ‘সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলে এ ধরনের সমস্যা সমাধান করা কঠিন’, ‘পরিবর্তন আনতে হবে রাজনৈতিক চর্চার মধ্যে’, ‘রাষ্ট্র ছাড়া এ ধরনের সমস্যার সমাধান করা যাবে না। ’ আজ সকালে ‘সংস্কৃতির সংকট: রুচির দুর্ভিক্ষ’ শিরোনামে মুক্ত আলোচনায় এসব কথা বলেন বক্তারা।
সম্প্রতি অভিনয়শিল্পী মামুনুর রশীদ মন্তব্য করেন, ‘রুচির দুর্ভিক্ষ পড়েছে দেশ। যে কারণে কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এমনকি এসব কারণেই সেখান থেকে হিরো আলমদের উত্থান হয়েছে...।’ এমন মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে সংস্কৃতি অঙ্গনেও এ নিয়ে চলছে নানা ধরনের কথাবার্তা। সমসাময়িক এই বিষয় নিয়ে ফেডারেশন অব টেলিভিশন প্রফেশনালস অর্গানাইজেশন (এফটিপিও) শনিবার আয়োজন করেছে ‘সংস্কৃতির সংকট: রুচির দুর্ভিক্ষ’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনার। আজ সকালে বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত এই আলোচনা সভায় বক্তারা তাঁদের অবস্থান তুলে ধরেন।
বক্তারা বলছেন, ডিজিটাল যুগে সবার হাতে হাতে এখন মোবাইল ফোনসহ নানা ডিভাইস। ফ্রি প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক, ইউটিউবের কল্যাণে অনেকেই নিজস্ব একটা ‘চ্যানেল’–এর মালিক। এসব প্ল্যাটফর্মে কনটেন্ট প্রকাশে কোনো বাধা না থাকায় যে কেউ যেকোনো কিছু প্রকাশ করছে। আর মানহীন, রুচিহীন এবং ক্ষতিকর এই কনটেন্টগুলো ফ্রি প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সহজেই তা সবার কাছে পৌঁছে যাচ্ছে।
এই সময় কুরুচিপূর্ণ কনটেন্টের জন্য নির্মাতা ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মকে দায়ী করেছেন কেউ কেউ। তাঁরা বলেন, পরিচালকেরা ভিউয়ের জন্য দ্বৈত অর্থবোধক সংলাপ ব্যবহার করেন তাঁদের নাটকে। এর সঙ্গে রয়েছে অশ্লীলতা। কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল সংলাপে ভরপুর এসব কনটেন্ট অনেক ওটিটিতেও প্রচারিত হয়। অনেক সময় টেলিভিশনেও এমন অনেক কনটেন্ট দেখা যায় বলে জানান তাঁরা।
গীতিকবি সংঘের সভাপতি শহীদ মাহমুদ জঙ্গী বলেন, ‘সংস্কৃতির সংকটের শুরুটা অনেক আগের। স্বাধীনতার পর পর আমরা দেখেছিলাম প্রথম দিকে দেশাত্মবোধক গান হচ্ছে। যেকোনো অনুষ্ঠানে চলছে এই গান। এরপর ১৯৭৪ সালের দিকে শুরু হয় হিন্দি গানের আগ্রাসন। এরপর আজম খান, লাকী আখন্দ্ আমাদের উপহার দিল আধুনিক সুন্দর সুন্দর গান। এই গান দিয়ে সরালো হিন্দি গানের আগ্রাসন। তখন থেকে এভাবেই চলে আসছে। এখন এই খারাপ কনটেন্টকে সরাতে হলে আমাদের ভালো ভালো কাজ করে যেতে হবে। এত বেশি ভালো কাজ করতে হবে, মানুষ খারাপ কাজগুলো ফেলে এই ভালো কাজগুলোর দিকে যাতে ঝুঁকে।’
সংস্কৃতির এই সংকটের সঙ্গে রাজনৈতিক সংকট হিসেবে দেখছেন অনেকে। আক্ষেপ নিয়ে নির্মাতা, নাট্যকার বৃন্দাবন দাস বলেন, ‘আগে রাজনৈতিক দলের ছাত্রসংগঠনগুলো সংস্কৃতির সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিল। কিন্তু এখন ছাত্রসংগঠনের কাউকে সংস্কৃতি অঙ্গনে দেখা যায় না। সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা না থাকলে আসলে সমস্যা সমাধান করা কঠিন।’
আলোচনা সভার শুরুতে অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবিব নাসিম একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন। সেখানে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে মিডিয়াতে নানাভাবে দুর্ভিক্ষের প্রাচুর্য লক্ষ করা যাচ্ছে। কিছু কিছু টিভি নাটক, ওটিটিসহ নিউ মিডিয়ার কিছু কিছু কনটেন্ট ও অনুষ্ঠানে ঘটনার বর্ণনা এবং বক্তব্যের অন্তঃসারশূন্য, নানাবিধ বিকৃতি ও অশ্লীলতা আমাদের শিল্পের সৌন্দর্য ও গৌরবকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিচ্ছে এবং মানুষের রুচিকে নিম্নগামী করে দিচ্ছে। চলচ্চিত্রে একসময়ে প্রবল রুচির দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছিল। সুষ্ঠু চলচ্চিত্রের নির্মাতারা বসে গিয়েছিলেন। কিন্তু দর্শক সেসব রুচিহীন চলচ্চিত্র প্রত্যাখ্যান করায় দুর্ভিক্ষ সৃষ্টিকারীরা বেশি দূর এগোতে পারেননি।
সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হয় এবং দর্শকদের প্রবেশমূল্য দিয়ে তা দেখতে হয়। তাই সিনেমা দেখার ক্ষেত্রে দর্শকের একটা সুযোগ থাকে সে কী দেখবে, কী দেখবে না—এই সিদ্ধান্ত নেওয়ার। কিন্তু নিউ মিডিয়ার অনুষ্ঠান বা কনটেন্ট বিনা মূল্যে বাধাহীনভাবে পৌঁছে যায় মানুষের হাতের মুঠোয়। তাই নানা মাত্রা ও আঙ্গিকে এর ব্যাপক প্রভাব পড়ে দর্শকের ওপর। বিশেষ করে সামাজিক অবক্ষয় এবং নানাবিধ কারণে শিক্ষাব্যবস্থায় বিপর্যয় সৃষ্টির ফলে সংস্কৃতির ক্ষেত্রেও বড় ধরনের সংকট সৃষ্টি হয়। নিউ মিডিয়ায় যুক্ত মাধ্যমে একদিকে সংস্কৃতিবিবর্জিত কিছু ব্যক্তির কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য এবং পাশাপাশি উদ্ভট ও রুচিহীন সিনেমা, নাটক ও অনুষ্ঠানের অব্যাহত প্রচার মানুষকে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করছে। এর ফলে রুচির দুর্ভিক্ষে পড়ে যাচ্ছেন তাঁরা।
সংস্কৃতির সংকট প্রসঙ্গে নির্মাতা ও উপস্থাপক আব্দুন নূর তুষার বলেন, ‘এই সংস্কৃতির সংকট আজকে সৃষ্টি হয় নাই। দীর্ঘ সময় ধরে তৈরি হয়েছে এই সংকট। এর পেছনে আমাদের ব্যর্থতা রয়েছে, আমাদেরও দায় রয়েছে। আমাদের অনেক সংগঠন রয়েছে, আছে আমাদের অনেক ঐক্যও। কিন্তু আমরা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছি আমাদের চোখের সামনে বাতির নিচে অন্ধকার তৈরি হচ্ছে। আমরা যতই আলো জ্বালাই না কেন, এই অন্ধকারকে দূর করতে সক্রিয় হতে পারিনি। মামুনুর রশীদের বক্তব্যের পর আমাদের সামনে সুস্পষ্ট হয়েছে আমাদের সামনে একটা রুচির দুর্ভিক্ষ আছে এবং রুচির দুর্ভিক্ষ চলছে।’
লিখিত বক্তব্যে আহসান হাবিব নাসিম আরও বলেন, রুচির এই চলমান দুর্ভিক্ষ দূর না হলে সম্ভাব্য সাংস্কৃতিক বিপর্যয়ের সুদূরপ্রসারী ফলাফলের ব্যাপারে সতর্কবার্তা দিয়েছেন মামুনুর রশীদ। এরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দল তাঁর নামে কুরুচিপূর্ণ ও অশ্লীল কথা বলে অসম্মান করছে এবং তার এই বক্তব্যকে বিতর্কিত করছে। ফেসবুক সবার জন্য উন্মুক্ত হওয়ায় যে যা ইচ্ছা লিখতে এবং বলতে পারে। কবি নির্মলেন্দু গুণের একটি মন্তব্য তুলে দেওয়া হয় লিখিত বক্তব্যে, ‘সম্মানিত বুদ্ধিজীবীদের প্রকাশ্যে অসম্মান করার সুযোগ তৈরি করে দিয়েছে ফেসবুক। আমার কোনো কবিতাই পড়েনি, এ রকম যদুরাও আমাকে ভর্ৎসনা করেছে কত। সম্মানীয় মানুষদের অসম্মান করে প্রকাশ্যে আনন্দলাভের এই সুবর্ণ সুযোগ ফেসবুকহীন পৃথিবীতে ছিল না। এটা আমি মেনে নিয়েছি। আমার প্রিয় বন্ধু মামুনুর রশীদকেও মেনে নিতে বলি।’
মুক্ত আলোচনার সভাপতিত্ব করেন এফটিপিওর মহাসচিব সালাউদ্দিন লাভলু। নাট্যকার সংঘের সভাপতি হারুন-অর-রশিদের সঞ্চালনায় এই সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা খায়রুল আলম সবুজ, চিত্রশিল্পী মনিরুজ্জামান, নির্মাতা ফেরদৌস হাসান, ফজলুর রহমান বাবু, অভিনয়শিল্পী আজাদ আবুল কালাম, আফসানা মিমি, ইরেশ যাকের, শাহনাজ খুশী, গাজী রাকায়েত, আহমেদ গিয়াস, সাজু খাদেম প্রমুখ। অনুষ্ঠানে নাট্যজন মামুনুর রশীদ উপস্থিতি ছিলেন শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত। তবে তিনি নিজে কোনো কথা বলেননি। অন্য আলোচকেরা বলেন, আজ আমরা মামুন ভাইয়ের কথাই বলতে এসেছি, বলব।
Source: প্রথম আলো
সালমান শাহের মৃত্যুরহস্য ঘিরে ‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজ নিয়ে রুল
***********************************************************************
প্রয়াত চিত্রনায়ক সালমান শাহের মৃত্যুরহস্য ঘিরে কল্পিত ঘটনা–নির্ভর ওয়েব সিরিজ ‘বুকের মধ্যে আগুন’ হইচইসহ ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রচার কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন হাইকোর্ট। এক রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল দেন।
হইচই প্ল্যাটফর্মে ‘বুকের মধ্যে আগুন’ ওয়েব সিরিজ নিয়ে প্রয়াত অভিনেতা সালমান শাহর পরিবারের আপত্তির পর সিরিজটি তুমুল আলোচনার জন্ম দেয়। সাধারণ ডায়েরির (জিডি) পাশাপাশি সিরিজটির নির্মাতাকে গত ৫ ফেব্রুয়ারি আইনি নোটিশও পাঠায় সালমানের পরিবার।
নোটিশে দাবি করা হয়, এটি সালমান শাহকে নিয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। সিরিজের মুক্তি বন্ধ না করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে এতে হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়। তবে সিরিজের নির্মাতা তানিম রহমান দাবি করেছেন, সিরিজের সঙ্গে সালমান শাহর কোনো সম্পর্ক নেই।
নোটিশ পাঠিয়ে ফল না পেয়ে সালমান শাহের মা নীলা চৌধুরী গত ১৩ মার্চ হাইকোর্টে রিটটি করেন। এর আগে গত ৩ মার্চ সিরিজটি মুক্তি দেয় হইচই। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী চৌধুরী মুর্শেদ কামাল টিপু, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী এ কে খান উজ্জ্বল। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিপুল বাগমার।
পরে আইনজীবী চৌধুরী মুর্শেদ কামাল টিপু প্রথম আলোকে বলেন, ‘সালমান শাহ মৃত্যুর রহস্য এখনো উদ্ঘাটিত হয়নি, মামলাটি বিচারাধীন। বিচারাধীন কোনো বিষয় নিয়ে কোনো কল্পিত ঘটনা–নির্ভর কোনো কিছু প্রচার করলে স্বাভাবিক বিচারপ্রক্রিয়া ব্যহত হয়। আট পর্বে এই সিরিজে সালমান শাহ ও তার মাকে আপত্তিকর ও বিবৃত চরিত্রে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা সংবিধানের ৩২ অনুচ্ছেদের পরিপন্থী। এমনকি সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদে উল্লেখিত মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সঙ্গেও সিরিজ সঙ্গতিপূর্ন নয়। যে কারণে রিটটি করা হলে আদালত ওই রুল দেন।’ তথ্য সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যানসহ বিবাদীদের চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানান এই আইনজীবী।
তানিম রহমান পরিচালিত সিরিজে গোয়েন্দা কর্মকর্তা গোলাম মামুন চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্ব। সিনেমায় তারকা অভিনেতার চরিত্রে পাওয়া গেছে ইয়াশ রোহানকে। আর সেই চিত্রতারকা মৃত্যুরহস্য উন্মোচনের দায়িত্ব পান গোলাম মামুন। ‘ফিরে আসার গল্প’, ‘বন্ধু নাকি শত্রু’, ‘চেনা যখন অচেনা’, ‘স্নেহের ছলনা’, ‘উত্থান-পতন’, ‘প্রণয়ের পালাবদল’, ‘পতনের প্রস্তুতি’ ও ‘হত্যা নাকি আত্মহত্যা?’
১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ঢাকার ইস্কাটনে সালমান শাহর বাসা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা করেন সালমান শাহর বাবা কমরউদ্দিন আহমদ চৌধুরী। দুই যুগ ধরে আদালতে ঝুলে থাকা মামলার প্রথমে তদন্তভার পায় পুলিশের অপরাধ ও তদন্ত বিভাগ (সিআইডি), এরপর নানা সংস্থা ঘুরে ২০১৬ সালের ২১ আগস্ট পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। মামলার রায় না হওয়ায় সালমান শাহকে হত্যা করা হয়েছে নাকি তিনি আত্মহত্যা করেছেন, ২৭ বছরেও সেই জট এখনো খোলেনি।
Source: প্রথম আলো
আমি কখনোই এই কথা বলিনি: সামান্থা
***********************************************************************
বছর দেড়েক তেলেগু অভিনেতা নাগা চৈতন্যের সঙ্গে দাম্পত্যজীবনের ইতি টেনেছেন দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামান্থা রুথ প্রভু। তাঁর সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বলিউডের তরুণ অভিনেত্রী সবিতা ধুলিপালার সঙ্গে নাগা চৈতন্যের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে গণমাধ্যমে।
লন্ডনে নাগা ও সবিতার কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর প্রেমের গুঞ্জন আরও বিস্তৃত হয়েছে। তবে দুজনই বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছেন। তবে বিষয়টি নিয়ে সামান্থা কথা বলেছেন বলে দাবি করেছে হায়দরাবাদভিত্তিক দৈনিক সিয়াসাতসহ একাধিক গণমাধ্যম।
সামান্থাকে উদ্ধৃত করে গতকাল সোমবার বিকেলে প্রকাশিত সেই খবরে বলা হচ্ছে, ‘কে কার সঙ্গে প্রেম করছে—বিষয়টি নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছি না। যদি সে তাঁর আচরণ পরিবর্তন করে ও তাঁকে কষ্ট না দিয়ে তাঁর প্রতি যত্নবান হয়, তাহলে সবার জন্যই মঙ্গলজনক।’
খবরটি আজ টুইটারে শেয়ার করে সামান্থা লিখেছেন, ‘আমি কখনোই এই কথা বলিনি।’ সামান্থার টুইটের পর আজ মঙ্গলবার দুপুরেও সিয়াসাতের ওয়েবসাইটে খবরটি দেখা গেছে।
ভালোবেসে ২০১৭ সালে নাগা চৈতন্যের সঙ্গে ঘর বেঁধেছিলেন সামান্থা। দাম্পত্যজীবনের টানাপোড়েনের মধ্যে ২০২১ সালের অক্টোবরে বিচ্ছেদের পথে হেঁটেছেন তাঁরা।
অ্যামাজন প্রাইমের ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’ সিরিজে অভিনয় করে দর্শকমহলে প্রশংসিত হয়েছেন সামান্থা। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘শকুন্তলম’ সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। এতে তাঁর বিপরীতে অভিনয় করেছেন দেব মোহন। সিনেমাটি ১৪ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।
Source: প্রথম আলো
গোসলের জন্য ২৫ লিটার দুধ, ঘুমানোর জন্য পাপড়ি বিছানো বিছানার আবদার
***********************************************************************
‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’কে বলিউডের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সিনেমা হিসেবে মনে করেন সমালোচকেরা। পরিচালক অনুরাগ কশ্যপ পরিচালিত এই সিনেমা ২০১২ সালে মুক্তির পরপরই সিনেমাপ্রেমী মানুষের কাছে জনপ্রিয়তা পায়। এই সিনেমার হাত ধরেই ভারতীয় সিনেমায় উঠে এসেছিলেন পঙ্কজ ত্রিপাঠি, রাজকুমার রাও, নওয়াজুদ্দিন সিদ্দিকী, হুমা কুরেশি, রিচা চাড্ডাদের মতো বর্তমান সময়ের অনেক জনপ্রিয় তারকারা। তবে এ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পেয়েও বাদ পড়েছিলেন বলিউড ও ভোজপুরি সিনেমার সুপরিচিত অভিনেতা রবি কিষান। তাঁর অদ্ভুত কিছু আবদারের কারণেই এ সিনেমা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল তাঁকে।
টাইমস অব ইন্ডিয়ার খবর অনুযায়ী, ‘গ্যাংস অব ওয়াসিপুর’ সিনেমায় রবি কিষানকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হলে সিনেমার নির্মাতাদের কাছে তিনি অদ্ভুত এক আবাদার করেন।
সেটি হলো শুটিংয়ের সময় গোসলের জন্য প্রতিদিন ২৫ লিটার গরুর দুধ এবং ঘুমানোর জন্য ফুলের পাপড়ি বিছানো বিছানা চেয়ে বসেন তিনি। টেলিভিশন শো ‘আপ কি আদালত’–এ রবি কিষান এসব বিষয় সত্যি বলে স্বীকার করেন। ওই সময় সিনেমাটির বাজেট কম হওয়ায় এসব আবদার মেনে নেননি নির্মাতারা। তবে এই সিনেমা থেকে বাদ পড়ায় এখনো সেটা নিয়ে অনুশোচনা করেন বলে জানান এই অভিনেতা।
‘আপ কি আদালত’ শোতে রবি কিষান বলেন, ‘হ্যাঁ, আমি সে সময় দুধ দিয়ে গোসল করতাম আর ফুলের পাপড়ি বিছানো বিছানায় ঘুমাতাম। নিজেকে ওই সময় অনেক বড় তারকা ভাবতাম।
লোকে আমাকে তখন বলত, আমি নাকি আল পাচিনো কিংবা রবার্ট ডি নিরোর মতো দেখতে। সে সময় ভেবেছিলাম, যদি আমি দুধ দিয়ে গোসল করি ও ফুলের পাপড়ি বিছানো বিছানায় ঘুমায়, তাহলে অভিনেতা হিসেবে মানুষ আমার সম্পর্কে আরও বেশি আলোচনা করবে।’ যদিও পরে তাঁর এই ভুল ভাঙান স্ত্রী।
রবি কিষান অভিনেতার পাশাপাশি একজন রাজনীতিবিদও। তিনি একজন সংসদ সদস্য। ‘তেরে নাম’, ‘ফির হেরা ফেরি’, ‘বাতলা হাউস’, ‘এজেন্ট বিনোদ’, ‘মারজাওয়া’সহ বলিউডের আরও বেশ কিছু সিনেমায় এই অভিনেতাকে দেখা গেছে। এই অভিনেতা হিন্দি ও ভোজপুরির পাশাপাশি তেলেগু সিনেমাতেও কাজ করেছেন। সর্বশেষ তাঁকে ‘খাকি: দ্য বিহার চ্যাপ্টার’ সিরিজে দেখা গেছে।
Source: প্রথম আলো