২০০৮ সালের ১৩ নভেম্বর, একটি মাত্র মুহূর্ত সবকিছু বদলে দিল। ⚡
টেক্সাসের একজন নির্মাণ শ্রমিক ডালাস উইন্স, একটি হাই-ভোল্টেজ পাওয়ার লাইনের সংস্পর্শে এলে, বৈদ্যুতিক প্রবাহ তার মুখের অধিকাংশ অংশ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে ধ্বংস করে দেয়।
তাকে তৎক্ষণাৎ পার্কল্যান্ড মেমোরিয়াল হাসপাতাল, ডালাস-এ নেওয়া হয়, যেখানে চিকিৎসকরা তাকে বাঁচাতে লড়াই করেন। ক্ষয় প্রতিরোধ করতে, সার্জনরা দগ্ধ অংশগুলি অপসারণ করতে বাধ্য হন। তার বাম চোখ বাঁচানো যায়নি এবং অপারেশনের মাধ্যমে সরিয়ে ফেলা হয়।
ডান চোখও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। চিকিৎসকরা সেটিকে চোখের গহ্বরে ফিরিয়ে রাখেন এবং সংক্রমণ রোধ করার জন্য ত্বকের একটি ফ্ল্যাপ দিয়ে ঢেকে দেন। 🏥
এরপর শুরু হয় মাসব্যাপী কঠোর পুনর্গঠন।
একটি বড় অপারেশনে, সার্জনরা দুই দিনে ৩৬ ঘন্টা কাজ করে তার পেছনের পেশী ব্যবহার করে মুখের অংশগুলি পুনর্গঠন করেন। এর পরে, ডালাসের কাছে চোখের পাতার, ভ্রু, নাক বা ঠোঁট নেই।
সে আর দেখতে পারত না।
মুখ একটি সঙ্কীর্ণ অনুভূমিক খোলা অংশে সীমিত হয়ে যায়। অবশিষ্ট চোখও শেষ পর্যন্ত এক এক্রাইলিক প্রস্থেটিক চোখ দিয়ে প্রতিস্থাপন করতে হয়। 💔
২০১১ সালের মার্চে, ব্রাইঘাম অ্যান্ড উইমেন্স হাসপাতাল-এর ৩০+ চিকিৎসক ও ৮ জন সার্জন যুগের অন্যতম জটিল অপারেশন সম্পন্ন করেন—
১৫ ঘণ্টা স্থায়ী একটি পূর্ণ মুখ প্রতিস্থাপন। 🧠
অপারেশন তাকে নতুন মুখ দিল।
দৃষ্টি ফিরিয়ে দিতে পারলো না।
চিকিৎসা যা ফিরিয়ে দিতে পারেনি, জীবন অন্যভাবে পুনর্গঠিত হলো।
পরবর্তীতে ডালাস একটি সহযাত্রী দগ্ধ-সারভাইভারকে বিয়ে করেন, যিনি ক্ষতি, পুনরুদ্ধার এবং অভ্যন্তরীণভাবে পুনর্গঠনের মানে বোঝেন। ❤️
এই গল্পটি অতীত ফিরে পাওয়ার নয়।
এটি শেখায় কীভাবে বাকি থাকা জীবনকে গ্রহণ করতে হয়, এবং বেঁচে থাকা ছাড়াও অর্থ খুঁজে পেতে হয়। 🌱