অভিনেত্রী ইশা আলিয়ার মৃত্যুর রহস্য বাড়ছে, ৫ প্রশ্নের উত্তর মিলছে না
***********************************************************************
ছিনতাইকারীদের গুলিতে নিহত না পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড? অভিনেত্রী ইশা আলিয়ার মৃত্যুর পর এখন এটাই বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর সেই প্রশ্নের উত্তর মেলাতে হিমশিম খাচ্ছে হাওড়ার পুলিশ। কারণ, পুলিশ ঘটনাস্থলে সেই অভিনেত্রীর সঙ্গে থাকা স্বামীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক প্রশ্নের উত্তরে অসংগতি পেয়েছে। এ ঘটনা বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন পুলিশ কর্মকর্তারা। তাঁরা কোনোভাবেই পাঁচ প্রশ্নের উত্তর মেলাতে পারছেন না।
গতকাল ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, ছিনতাইকারীর গুলিতে মারা গেছেন ঝাড়খন্ডের অভিনেত্রী ইশা আলিয়া। স্বামী এবং তিন বছরের সন্তানের সামনে তাঁকে গুলি করা হয়। সেই ঘটনা এখন কোন দিকে মোড় নেবে বলা যাচ্ছে না। গতকাল থেকে এ অভিনেত্রীর স্বামী পরিচালক প্রকাশ কুমারকে একাধিকবার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। সেখানে পুলিশের সন্দেহ হয়।
প্রকাশের বক্তব্যের অসংগতি নিয়ে তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তারা প্রথমত জানিয়েছেন, প্রকাশের বয়ান অনুযায়ী ঘটনাস্থল থেকে মাত্র ৫০ মিটার দূরে ট্রাফিক পুলিশ বক্স ছিল। সেখানে সব সময় পুলিশ অবস্থান করে। অথচ সেই সময় পুলিশের কাছে কোনো সাহায্য চাননি প্রকাশ। তিনি ঘটনাস্থলের পাশে একটি কারখানায় সাহায্য চান। কিন্তু কেউ তাঁকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি। তারপরও পুলিশের কাছে সাহায্য না চাওয়ায় প্রকাশকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে। এখন সিসিটিভি ফুটেজ খতিয়ে দেখছে পুলিশ।
দ্বিতীয়ত, প্রকাশের দাবি গাড়ির মধ্যে ইশা আলিয়াকে গুলি করা হয়। কিন্তু পুলিশের বক্তব্য, গাড়ির মধ্যে কোনো গুলির চিহ্ন নেই। কেন গাড়িতে কোনো গুলির চিহ্ন নেই, সে হিসাব মেলাতে পারছে না পুলিশ। তারা সেই গাড়ি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নিয়ে গেছে। পুলিশ মনে করে, গাড়িতে কোনো না কোনো গুলির প্রমাণ থাকার কথা। তৃতীয়ত, গতকাল হত্যাকাণ্ডের পর পুলিশ স্থানীয় ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে জেনেছে, ঘটনার সময় রাস্তায় যথেষ্ট লোকজন ছিলেন। পুলিশের প্রশ্ন, যে সময় প্রকাশ ঘটনার কথা উল্লেখ করেছেন, তখন রাস্তায় লোকজন ছিলেন। এত কিছু ঘটল, অথচ কারও চোখে পড়ল না? যার উত্তর মেলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশকে।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে আরও জানা যায়, হাওড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অলোকনন্দা ভাওয়ালের নেতৃত্বে প্রকাশকে ঘটনাস্থলে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। এখনো তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, গতকাল পশ্চিমবঙ্গের হাওড়ায় জাতীয় সড়কের নির্জন এক স্থানে সকাল ছয়টার দিকে ইশা আলিয়াকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় গতকাল থানায় অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রীর স্বামী পরিচালক প্রকাশ কুমার। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করার পর সন্দেহ হলে প্রকাশকে জিজ্ঞাসাবাদ করে।
Source: প্রথম আলো
ঢালিউডে নতুন হাওয়া
***********************************************************************
কেউ আশাবাদী ছিলেন, কেউ ছিলেন সংশয়ে। করোনা–পরবর্তী এই সময়ে ছবি মুক্তি দিলে কী হবে, দর্শক আদৌ প্রেক্ষাগৃহে আসবেন কি না, এমন নানা দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যেই ছিটমহল দিয়ে নতুন বছরের খাতা খোলে ঢালিউড। ছবিটি বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়লেও ফেব্রুয়ারিতে মুক্তি পাওয়া ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’ প্রেক্ষাগৃহে কিছুটা দর্শক ফেরায়। এরপর ঈদুল ফিতরের আগপর্যন্ত আরও আধা ডজন ছবি মুক্তি পেলেও কোনোটাই দর্শক টানতে পারেনি। তবে ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘গলুই’, ‘শান’ ও ‘বিদ্রোহী’ দিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর ইঙ্গিত দেয় ঢালিউড। তারপর তিন মাস আবার দর্শক–খরায় ভোগে দেশের বিভিন্ন ছবিঘর।
বছরের মাঝামাঝি এসে বদলে যায় চিত্র। ঈদুল আজহায় ছন্দে ফেরে ঢালিউড। ‘সাইকো’, ‘পরাণ’ ও ‘দিন: দ্য ডে’ একসঙ্গে মুক্তি পেলেও দ্বিতীয় সপ্তাহে ‘পরাণ’ সিনেমাপ্রেমীদের মধ্যে সাড়া ফেলে। ঠিক তিন সপ্তাহ পর মুক্তি পাওয়া ‘হাওয়া’ যেন নতুন হাওয়া বইয়ে দেয় ঢালিউডে।
ছবি দুটি ঢাকা ও ঢাকার বাইরে প্রেক্ষাগৃহে ঝড় তোলে। প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ভিড় বাড়তে থাকে। একটা পর্যায়ে দর্শককে টিকিটের জন্য হাহাকার করতেও দেখা গেছে। নিয়মিত দর্শকের পাশাপাশি ছবি দুটি দেখতে নতুন দর্শকও ভিড় করেন। যাঁদের কেউ এক দশক, কেউবা দুই দশক পর পরিবার নিয়ে প্রেক্ষাগৃহে ছবি দেখতে এসছিলেন। এমনকি দেশের বাইরে ইউরোপ, আমেরিকা, অস্ট্রেলিয়া, এশিয়া থেকেও ভালো আয় করে ছবি দুটি। মুক্তির প্রায় ছয় মাস পার হতে চলল, এখনো দেশের বেশ কয়েকটি হলে চলছে পরাণ। সম্প্রতি ভারতে মুক্তি পেয়েছে হাওয়া। তাই তো অনেকের মতে, এটি ছিল চলচ্চিত্রের জন্য ইতিবাচক বছর।
২৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশের প্রেক্ষাগৃহে ৪৮টি ছবি মুক্তি পেয়েছে। ৩০ ডিসেম্বর ‘মেঘ রোদ্দুর খেলা’ ও ‘বীরাঙ্গনা ৭১’ নামে দুটি ছবি মুক্তির কথা রয়েছে। সে হিসাবে এ বছর মুক্তি পাওয়া ছবির সংখ্যা হবে ৫০। প্রযোজক পরিবেশক সমিতি সূত্রে জানা গেছে, এ বছর মুক্তি পাওয়া চলচ্চিত্রের মধ্যে আছে ‘ছিটমহল’, ‘তোর মাঝেই আমার প্রেম’, ‘শ্বশুরবাড়ি জিন্দাবাদ ২’, ‘মাফিয়া ১’, ‘মুখোশ’, ‘শিমু: মেইড ইন বাংলাদেশ’, ‘গুণিন’, ‘লকডাউন লাভ স্টোরি’, ‘জাল ছেঁড়ার সময়’, ‘গলুই’, ‘শান’, ‘বিদ্রোহী’, ‘বড্ড ভালোবাসি’, ‘পাপ পুণ্য’, ‘আগামীকাল’, ‘বিক্ষোভ’, ‘তালাশ’, ‘অমানুষ’, ‘পরাণ’, ‘দিন: দ্য ডে’, ‘সাইকো’, ‘কার্নিশ’, ‘যা হারিয়ে যায়’, ‘হাওয়া’, ‘আশীর্বাদ’, ‘ভাইয়ারে’, ‘লাইভ’, ‘বীরত্ব’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘বিউটি সার্কাস’, ‘ঈশা খাঁ’, ‘হৃদিতা’, ‘যাও পাখি বলো তারে’, ‘রাগী’, ‘জীবন পাখি’, ‘বসন্ত বিকেল’, ‘রোহিঙ্গা, ‘দামাল’, ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, ‘দেশান্তর’, ‘ভাঙন’, ‘মেইড ইন চিটাগং’, ‘ও মাই লাভ’, ‘হডসনের বন্দুক’, ‘জয় বাংলা’, ‘৭১ এর একখণ্ড ইতিহাস’, ‘পায়ের ছাপ’ ও ‘কাগজ’।
‘পরাণ’ ও ‘হাওয়া’র আয় নিকট অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। শুধু তা-ই নয়, এ বছর মুক্তি পাওয়া একাধিক ছবি দেশের বাইরে বিভিন্ন দেশ থেকে রেকর্ড আয় করেছে। এ ছাড়া এ বছর মুক্তি পাওয়া ‘গলুই’, ‘শান’, ‘পাপ পুণ্য’, ‘গুণিন’, ‘দামাল’, ‘দেশান্তর’, ‘পায়ের ছাপ’, ‘বিউটি সার্কাস’, ‘অপারেশন সুন্দরবন’, ‘বীরত্ব’, ‘মুখোশ’সহ ডজনখানেক ছবি দর্শকের প্রশংসা পেয়েছে। স্পনসর, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, টিভি স্বত্ব, ডিজিটাল স্বত্ব বিক্রি এবং দেশের বাইরে মুক্তি দিয়ে এসব ছবির বিনিয়োগ উঠে এসেছে। কেউ কেউ লাভ করেছেন বলেও জানালেন সংশ্লিষ্ট ছবির প্রযোজক ও পরিচালকেরা। পাশাপাশি কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া, পায়ের ছাপসহ কয়েকটি ছবি দেশের বাইরে বিভিন্ন চলচ্চিত্র উৎসব থেকে পুরস্কারও জিতেছে।
সব মিলিয়ে বছরটিকে সিনেমার জন্য সম্ভাবনাময় মনে করছেন নির্মাতা কাজী হায়াৎ। তিনি বলেন, ‘আমার জানামতে, গত বছর (২০২১ সাল) ১৯টি ছবি মুক্তি পায়। এবার হচ্ছে ৫০টি। এর মধ্য দুটি ছবি তো দারুণ ব্যবসা করেছে। সাত-আটটি ছবি প্রেক্ষাগৃহে চালানোর পর নানা মাধ্যমে স্বত্ব বিক্রি করে কিছুটা লাভও করেছে। অনেক দিন পর এ অবস্থাকে সিনেমার জন্য সম্ভাবনাই বলতে চাই।’
চলতি বছরটি ঢালিউডের জন্য আশীর্বাদ বলে মনে করেন পরাণ ছবির পরিচালক রায়হান রাফি। তাঁর ভাষ্য, ‘অনেক বছর পর বলতে পারি, বছরটি দেশের চলচ্চিত্রের জন্য শুভ। এখন নতুন করে বড় বড় প্রতিষ্ঠান সিনেমা বানানোর আগ্রহ দেখাচ্ছে, সিনেপ্লেক্সও শাখা বাড়াচ্ছে। বছরে যদি আমরা ৮-১০টি সিনেমা দিতে পারি, তাহলে আমাদের সিনেমার সোনালি দিন ফিরতে সময় লাগবে না।’
হাওয়ার পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন মনে করেন, ‘চলতি বছর বাংলা সিনেমা দেশের গণমানুষের কাছে পৌঁছে গেছে, দেশের বাইরেও বাংলাভাষী মানুষ দল বেঁধে আমাদের সিনেমা দেখেছেন, এটি খুব ভালো দিক। আনন্দেরও।’ তিনি বললেন, ‘খেলাধুলা, রাজনীতিসহ নানা বিষয় গণমানুষের আলোচনায় থাকে। কিন্তু সিনেমা বহু বছর গণমানুষের আলোচনা ছিল না, যেটি চলতি বছর হয়েছে। এ আলোচনা বাংলা সিনেমার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর গণমানুষ যেটি নিয়ে আলোচনা করে, সেটি শিল্প হিসেবে দাঁড়াতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি।’
হাওয়া ছবিতে চান মিয়া মাঝির চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী। তিনি বছরটিকে বাংলা সিনেমার ঘুরে দাঁড়ানোর বছর মনে করলেও ছবির সংখ্যার চেয়ে মানের দিকে জোর দেওয়া জরুরি মনে করছেন। চঞ্চল বলেন, ‘বর্তমান সময়ে এসে ধারাবাহিকভাবে ভালো সিনেমা নির্মাণের কোনো বিকল্প নেই। এক যুগ আগে মনপুরা যেমন হিট হয়েছিল, মাঝে সে রকম হিট সিনেমা আমরা দিতে পারিনি। এখন থেকে যেন হাওয়া, পরাণ-এর মতো দর্শক আলোচিত ৮-১০টি ছবি দর্শককে উপহার দিতে পারি, তা মাথায় রাখতে হবে। তাহলে সিনেমার ঘুরে দাঁড়ানোর বছর সার্থক হবে।’
Source: প্রথম আলো
সিনেমার গানে বাজিমাত, জমজমাট কনসার্ট
***********************************************************************
২০২২ সালের সেরা গান কোনটি? জনপ্রিয়তার নিরিখে চোখ বন্ধ করে বেছে নিতে পারেন ‘সাদা সাদা কালা কালা’। গত এক দশকে কোনো বাংলা সিনেমার গান নিয়ে শ্রোতাদের মধ্যে এমন উন্মাদনা দেখা যায়নি। হাওয়া সিনেমার মুক্তির আগেই জুলাইয়ে গানটি প্রকাশ্যে আসে; সপ্তাহখানেকের মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তুমুল আলোচনা শুরু হয়ে যায়।
কে মজেনি এই গানে? ঢাকা থেকে টেকনাফ কিংবা তেঁতুলিয়া; নির্মাতা থেকে অভিনয়শিল্পী, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী থেকে দিনমজুর—সব শ্রেণির দেয়াল ভেঙে মানুষের মুখে মুখে ফিরেছে গানটি। এখনো বন্ধুদের সঙ্গে ঘরোয়া আড্ডায় কিংবা দূরের যাত্রাপথে সঙ্গী এ গান। টিকটকে তরুণ–তরুণীদের মধ্যেও গানটি আলাদা মনোযোগ কেড়েছে। এখন পর্যন্ত শুধু ইউটিউবেই গানটির ‘ভিউ’ হয়েছে সাড়ে ছয় কোটির বেশি।
নির্মাতা মেজবাউর রহমান পরিচালিত হাওয়া সিনেমায় ব্যবহৃত গানটি লিখেছেন শিল্পী হাশিম মাহমুদ। গানটি নব্বইয়ের দশকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় নিয়মিত পরিবেশন করতেন তিনি। গানের সুরও বেঁধেছেন তিনি। তাঁর কণ্ঠেই গানটি সিনেমায় ব্যবহারের কথা থাকলেও তাঁর অসুস্থতার কারণে সম্ভবপর হয়নি; গানটিতে কণ্ঠ দেন এরফান মৃধা। গানের সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। বাংলাদেশের বাইরে পশ্চিমবঙ্গেও গানটি তুমুল আলোচিত হয়েছে; কলকাতায় বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উৎসবে হাওয়া প্রদর্শনের সময় ‘সাদা সাদা কালা কালা’ গানে মুখর হয়েছিল কলকাতার নন্দন চত্বর।
বছরের সেরা পাঁচটি সিনেমার গানের তালিকা করলে ‘সাদা সাদা কালা কালা’র পরপরই থাকবে চরকির ওয়েব সিনেমা দুই দিনের দুনিয়ার ‘ট্যাকা পাখি’, পরাণ সিনেমার ‘চলো নিরালায়’ ও হাওয়া সিনেমার আরেক গান ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’।
তরুণদের মধ্যে তুমুল সাড়া ফেলা ‘ট্যাকা পাখি’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তরুণ শিল্পী মাশা ইসলাম; কথা লিখেছেন সিনেমাটির নির্মাতা অনম বিশ্বাস। সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। জনি হকের কথায় নাভেদ পারভেজের সুর ও সংগীতে ‘চলো নিরালায়’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন অয়ন চাকলাদার ও আতিয়া আনিসা।
ইমন চৌধুরীর সংগীতায়োজনে ‘আটটা বাজে দেরি করিস না’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাসুদেব দাস বাউল। গানটির কথা ও সুর সংগৃহীত। সুর ও সংগীতায়োজনে এই বছরের শীর্ষে থাকবেন ইমন চৌধুরী; বছরের আরেক শ্রোতাপ্রিয় গান ‘ঘোমটা খুলে বদন তুলে’–রও সুর তুলেছেন ইমন চৌধুরী। চরকির গুণিন সিনেমার গানটি গেয়েছেন কাজল দেওয়ান ও আলেয়া বেগম।
চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় নির্মিত মেইড ইন চিটাগং সিনেমায় পার্থ বড়ুয়া ও নিশিতা বড়ুয়ার গাওয়া ‘ফেট ফুরেদ্দে তোঁয়াল্যাই’ গানটি বেশ আলোচিত হয়েছে। গানটির কথা ও সুর করেছেন প্রয়াত শিল্পী আমানউল্লাহ গায়েন।
এ ছাড়া শান সিনেমায় ‘চলো পাখি হই’, দামাল সিনেমার ‘ঘুর ঘুর পোকা’, অপারেশন সুন্দরবন সিনেমার ‘তোর হাওয়াতে চলে যে ডানা’ ও ওয়েব সিনেমা মায়ালশালিক–এর ‘বলা হয় না’ শ্রোতামহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
Source: প্রথম আলো
One of the principal features in Animal Crossing: New Horizons is crafting, and there are quite a few resources you could use to DIY.
https://www.lolga.com/
রাজের বাসা থেকে সম্পর্ক ছিন্ন করে বেরিয়ে এসেছি, বললেন পরীমনি
***********************************************************************
বিয়ের এক বছর না ঘুরতেই ঢাকাই ছবির আলোচিত নায়িকা পরীমনির সঙ্গে বর্তমান সময়ের জনপ্রিয় নায়ক শরীফুল রাজের বিচ্ছেদের ইঙ্গিত পাওয়া গেল। আর সেই ইঙ্গিত দিলেন পরীমনি নিজেই।
গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটে ফেসবুকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে দেওয়া পরীমনির এক স্ট্যাটাসে তেমনটাই আভাস পাওয়া গেছে। তবে স্ট্যাটাসে রাজের সঙ্গে পরীমনির বিচ্ছেদের ব্যাপারটি স্পষ্ট নয়। জানা গেছে, তার আগে রাত সাড়ে আটটার দিকে সন্তান রাজ্যকে সঙ্গে নিয়ে রাজের বাসা থেকে বের হয়ে গেছেন পরীমনি।
পোস্টে পরীমনি একাংশে লিখেছেন, ‘হ্যাপি থার্টি ফার্স্ট এভরিওয়ান! আমি আজ রাজকে আমার জীবন থেকে ছুটি দিয়ে দিলাম এবং নিজেকেও মুক্ত করলাম একটা অসুস্থ সম্পর্ক থেকে।’
আরেক অংশে লিখেছেন, ‘জীবনে সুস্থ হয়ে বেঁচে থাকার থেকে জরুরি আর কিছুই নাই।
তবে স্ট্যাটাসে রাজের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের বিষয়টি স্পষ্ট করেননি পরীমনি।
স্ট্যাটাসের বিষয় সস্পর্কে জানার জন্য পরীর সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে রাজের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা স্বীকার করেন পরীমনি। তবে এ ব্যাপারে বেশি কথা বলতে চাননি অভিনেত্রী। পরীমনি বলেন, ‘এখনো বিচ্ছেদ হয়নি। তবে আমি সম্পর্ক ছিন্ন করে রাজের বাসা থেকে বেরিয়ে এসেছি। আজ থেকে আমরা আলাদা হয়ে গেলাম। শিগগির বিচ্ছেদের চিঠি পাঠিয়ে দেব।’
আলাদা হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে তাঁর আরও বক্তব্য, ‘বেশ কিছুদিন ধরেই সমস্যা হচ্ছিল। সমস্যা কাটিয়ে সন্তানের মুখের দিকে তাকিয়ে একসঙ্গে থাকার চেষ্টা করেছি, পারলাম না। তাঁর আচার-আচরণ একসঙ্গে থাকার পরিস্থিতি নাই। তাই বাধ্য হয়ে বাসা ছেড়ে আলাদা হয়ে গেলাম। আমার মনমানসিকতা এখন ভালো নাই, এর বেশি আর কিছু বলতে পারছি না।’
রাজ-পরীর ঘরে রাজ্য নামের এক ছেলেসন্তান আছে। তার বয়স চার মাস পার হচ্ছে। এদিকে চলতি বছরের ১০ জানুয়ারি প্রকাশ্যে আসে রাজ-পরীর সম্পর্কের খবর। গত ২২ জানুয়ারি দুই পরিবারের সদস্যদের উপস্থিতিতে ১০১ টাকার দেনমোহরে ঘরোয়া আয়োজনে তাঁদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। ২১ জানুয়ারি হয় তাঁদের গায়েহলুদের অনুষ্ঠান।
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience