হোয়াটসঅ্যাপের পটভূমি পরিবর্তন করবেন যেভাবে
***********************************************************************
হোয়াটসঅ্যাপ চালুর পর সাধারণত একই রঙের পটভূমি দেখা যায়। নিয়মিত একই রঙের পটভূমি দেখতে অনেকেরই ভালো লাগে না। চিন্তার কিছু নেই, হোয়াটসঅ্যাপে চাইলেই বিভিন্ন রঙের পটভূমি যুক্ত করা যায়। এমনকি নিজের কোনো ছবিও পটভূমিতে ব্যবহার করা সম্ভব। অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা ফোনে হোয়াটসঅ্যাপের পটভূমি পরিবর্তনের পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক—
পটভূমি পরিবর্তনের জন্য প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করে ওপরে থাকা তিনটি ডট মেনুতে ট্যাপ করে সেটিংস অপশনে প্রবেশ করতে হবে। এরপর নিচে থাকা চ্যাটস অপশনে ক্লিক করে ওয়ালপেপার অপশন নির্বাচন করতে হবে। এবার চেঞ্জ বাটনে ট্যাপ করে পরবর্তী পেজ থেকে পছন্দের ওয়ালপেপার নির্বাচন করতে হবে। চাইলে ফোনের গ্যালারিতে থাকা ছবিও নির্বাচন করা যাবে। এরপর চেঞ্জ অপশনে ক্লিক করলে হোয়াটসঅ্যাপের নতুন পটভূমির প্রিভিউ দেখা যাবে। এরপর সেট বাটনে ট্যাপ করলেই হোয়াটসঅ্যাপের পটভূমি পরিবর্তন হয়ে যাবে।
Source: প্রথম আলো
গুগল মিটে এইচডি মানের ভিডিও দেখা যাবে
***********************************************************************
ব্যক্তিগত বা কাজের প্রয়োজনে ভিডিও কল করেন অনেকেই। কিন্তু ভিডিওর মান খারাপ হলে স্বাচ্ছন্দ্যে কথা বলা যায় না। শুধু তা-ই নয়, অফিসের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের সময় প্রেজেন্টেশনের ভিডিও ভালোভাবে দেখা না গেলে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়। সমস্যা সমাধানে এইচডি (হাই ডেফিনেশন) মান বা ফরম্যাটে ভিডিও আদান-প্রদানের সুযোগ চালু করেছে গুগলের ভিডিও কনফারেন্সিং সফটওয়্যার গুগল মিট।
নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে গুগল মিটে ভিডিও কল করার আগে ১০৮০পি ফরম্যাট নির্বাচন করলেই ব্যবহারকারীরা এইচডি মানের ভিডিও দেখতে পারবেন। ফলে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকের ছবি বা প্রেজেন্টেশন স্পষ্ট দেখা যাবে। প্রাথমিকভাবে শুধু কম্পিউটারে এইচডি মানের ভিডিও দেখার সুযোগ মিলবে।
গুগল মিটের তথ্যমতে, নতুন এ সুবিধা শুধু গুগল ওয়ানের নিবন্ধিত ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে। এইচডি মানের ভিডিও দেখার জন্য কম্পিউটারে দুই টেরাবাইট জায়গা খালি থাকার পাশাপাশি ১০৮০পি ফরম্যাটের ওয়েবক্যাম ব্যবহার করতে হবে।
সূত্র: এনডিটিভি
Source: প্রথম আলো
কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত কি না জানার ৫ কৌশল
***********************************************************************
ভাইরাস একধরনের ক্ষতিকর কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এটি কম্পিউটারের গতি কমিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য চুরি করে সাইবার অপরাধীদের কাছে পাঠিয়ে থাকে। এমনকি কম্পিউটারকে দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করার মতো সুযোগও তৈরি করে দেয়। অনলাইন থেকে ছবি, ভিডিও, সফটওয়্যার নামানোর পাশাপাশি পেনড্রাইভ বা ই-মেইলে থাকা ফাইলের মাধ্যমে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করতে পারে। তাই নিরাপদ থাকতে অনেকে কম্পিউটারে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের তৈরি অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করেন। কিন্তু সব অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার নতুন ঘরানার ভাইরাসের আক্রমণ প্রতিরোধ করতে পারে না। ফলে ব্যবহারকারীদের অজান্তে কম্পিউটারে ভাইরাস প্রবেশ করে। কম্পিউটার ভাইরাস আক্রান্ত কি না, তা জানার ১০টি কৌশল দেখে নেওয়া যাক—
কম্পিউটারের ধীরগতি
একটি কম্পিউটার বিভিন্ন কারণে ধীরগতিতে কাজ করতে পারে। অপারেটিং সিস্টেমের ত্রুটির কারণেও অনেক সময় কম্পিউটারের কাজের গতি কমে যায়। তবে হালনাগাদ যন্ত্রাংশ এবং অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারের পরও যদি সফটওয়্যার চালু করতে বেশি সময় নেয়, তবে বুঝতে হবে কম্পিউটারে ভাইরাস রয়েছে।
অস্বাভাবিক কাজ
ভাইরাস আক্রান্ত হলে বিভিন্ন কাজ করার সময় কম্পিউটার অস্বাভাবিক আচরণ করে। এ ক্ষেত্রে কাজ করার সময় হঠাৎ করে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এক বা একাধিকবার রিস্টার্ট হয়ে থাকে। এমনকি বিভিন্ন সফটওয়্যার চালু থাকা অবস্থায় সেগুলো স্বয়ংক্রিয়ভাবে বন্ধ হয়ে যায়।
অপ্রাসঙ্গিক পপআপ ও বিজ্ঞাপন
ইন্টারনেট ব্যবহারের সময় নিজ থেকে বিভিন্ন ফাইল ডাউনলোড হতে থাকলে বা কাজের সঙ্গে অপ্রাসঙ্গিক পপআপ এবং বিজ্ঞাপন দেখা গেলে বুঝতে হবে কম্পিউটারে ভাইরাস রয়েছে।
ফোল্ডার থেকে ফাইল মুছে যাওয়া
হঠাৎ করে ফোল্ডারে থাকা কোনো ফাইল বা ছবি মুছে গেলে সতর্ক হতে হবে। কম্পিউটার ভাইরাসে আক্রান্ত হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ফাইল মুছে যাওয়ার ঘটনা ঘটে থাকে। আর তাই একাধিকবার এ ধরনের ঘটনা ঘটলে বুঝতে হবে কম্পিউটারে ভাইরাস রয়েছে।
সিস্টেম ক্র্যাশ এবং ত্রুটিপূর্ণ বার্তা
কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইল ক্র্যাশ করলে বা খুঁজে না পাওয়ার বার্তা একাধিকবার দেখা গেলে বুঝতে হবে কম্পিউটারে ভাইরাস রয়েছে। কারণ, ভাইরাসের কারণে কম্পিউটারের সাধারণ কার্যক্রম ব্যাহত হওয়ায় ঘন ঘন সিস্টেম ক্র্যাশের ঘটনা ঘটে থাকে।
Source: প্রথম আলো
উদ্ভাবনের জন্য পুরস্কার পেল অপো
***********************************************************************
উদ্ভাবনের মাধ্যমে স্মার্টফোনের প্রযুক্তি উন্নয়নে অবদান রাখায় সম্প্রতি এডিসন বেস্ট নিউ প্রোডাক্ট অ্যাওয়ার্ডস পেয়েছে মুঠোফোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান অপো। ২০ এপ্রিল যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এ ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ছাড়া বিশ্ববিখ্যাত মার্কিন সাময়িকী ‘ফাস্ট কোম্পানি’র এশিয়া প্রশান্ত অঞ্চলের সেরা ১০ উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের তালিকায়ও জায়গা করে নিয়েছে অপো। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে অপো বাংলাদেশ।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পণ্য, নকশা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অবদান রাখার স্বীকৃতিস্বরূপ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে এডিসন অ্যাওয়ার্ডস দেওয়া হয়ে থাকে। বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনের নামে ১৯৮৭ সাল থেকে চালু হওয়া এ পুরস্কার খুবই মর্যাদাপূর্ণ। উদ্ভাবনী ডিজাইন ও নিজস্ব প্রযুক্তির মাধ্যমে এয়ার গ্লাস নামের চশমা তৈরির জন্য অগমেন্টেড রিয়েলিটি বিভাগে এ পুরস্কার পেয়েছে অপো।
এয়ার গ্লাস চশমায় অপোর স্পার্ক মাইক্রো প্রজেক্টর, মাইক্রো এলইডি, ডিফ্র্যাকশন অপটিক্যাল ওয়েভগাইড ডিসপ্লেসহ বেশ কয়েকটি উদ্ভাবনী প্রযুক্তি যুক্ত করা হয়েছে। ফলে চশমার কাচে বার্তা পড়ার পাশাপাশি, নেভিগেশন, টেলিপ্রম্পটার ও অনুবাদ সুবিধা ব্যবহার করা যায়। চশমাটির ওজন মাত্র ৩০ গ্রাম। ফলে স্বচ্ছন্দে ব্যবহার করা যায়।
গত মাসে মার্কিন সাময়িকী ‘ফাস্ট কোম্পানি’র প্রকাশিত এশিয়া প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের সেরা উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানের তালিকার ষষ্ঠ স্থানে রয়েছে অপো। তালিকায় প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যাটারি তৈরি করা চীনা প্রতিষ্ঠান বিওয়াইডি, ইন্দোনেশিয়ার স্ট্রিমিং প্রতিষ্ঠান ভিডিও এবং বাংলাদেশের স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠান ‘শপআপ’।
Source: প্রথম আলো
জিমেইলের ’কনফিডেনশিয়াল’ মোড ব্যবহার করবেন যেভাবে
***********************************************************************
প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত বিভিন্ন কাজে নিয়মিত ই-মেইল আদান-প্রদান করতে হয়। এসব ই-মেইলের মধ্যে কখনো কখনো খুবই গুরুত্বপূর্ণ তথ্য থাকে, ফলে বার্তার নিরাপত্তা নিয়ে অনেকেই শঙ্কায় থাকেন। জিমেইলের কনফিডেনশিয়াল মোড কাজে লাগিয়ে চাইলেই নিরাপদে ই-মেইল পাঠানো যায়। কনফিডেনশিয়াল মোডের মাধ্যমে পাঠানো ই-মেইলের স্ক্রিনশট নেওয়া যায় না, এমনকি ডাউনলোড বা অন্য কোনো ব্যক্তিকে ফরওয়ার্ডও করা সম্ভব হয় না। ফলে ই-মেইলে থাকা তথ্য নিরাপদ থাকে। কনফিডেনশিয়াল মোড কাজে লাগিয়ে ই-মেইল পাঠানোর পদ্ধতি দেখে নেওয়া যাক—
কনফিডেনশিয়াল মোড ব্যবহারের জন্য প্রথমে কম্পিউটার থেকে জিমেইল অ্যাকাউন্ট লগইন করতে হবে। এরপর ওপরের বাঁ দিকে থাকা কম্পোজ বাটনে ক্লিক করে গতানুগতিক পদ্ধতিতে প্রাপকের ই-মেইল ঠিকানা, বিষয়বস্তু লিখতে হবে। এরপর নিচের দিকে থাকা প্যাডলক ক্লক আইকনে ক্লিক করে কনফিডেনশিয়াল মোড চালু করতে হবে। প্যাডলক ক্লক আইকনে ক্লিক করার পর সেট এক্সপাইরেশন অপশন থেকে ই–মেইলের সুরক্ষার তারিখ নির্ধারণ করতে হবে। এরপর সেন্ড বাটনে ট্যাপ করলেই ই-মেইলটি নির্দিষ্ট ঠিকানায় চলে যাবে।
উল্লেখ্য, জিমেইলের কনফিডেনশিয়াল মোডে এসএমএস পাসকোড ব্যবহারের সুযোগ থাকলেও এ সুবিধা এখনো বাংলাদেশে চালু হয়নি।
Source: প্রথম আলো
A web programmer needs a strong foundation in HTML, CSS, and JavaScript. They should be proficient in a server-side programming language such as PHP, Python, or Ruby, and be familiar with popular web frameworks such as Django, Laravel, or Ruby on Rails. Additionally, knowledge of SQL, NoSQL databases, and RESTful APIs is essential. Strong problem-solving, debugging, and communication skills are also important for developing a robust and scalable web application.
https://ansuninternationals.co....m/blog/web-programme
Install app for better experience