করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু
#nobokontho24
#news
করোনা টিকার চতুর্থ ডোজ দেওয়া শুরু
#nobokontho24
#news
Yes, it’s possible to remove hp jumpstarts, if you do not require it. You should open Control Panel on your PC and then click Uninstall a program. Finally, find HP JumpStart Bridge and then select it. It will be removed from your system.
https://printersofflines.com/b....log-post/hp-jumpstar
সৌরজগতের বাইরে দুটি গ্রহ আবিষ্কার, পানির সন্ধান
***********************************************************************
সৌরজগতের বাইরে দুটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন বিজ্ঞানীরা। পৃথিবী থেকে যার অবস্থান ২১৮ আলোকবর্ষ দূরে। লাল বামন (ছোট) নক্ষত্রকে কেন্দ্র করে ঘুরতে থাকা এই গ্রহমণ্ডলী পৃথিবীর মতো নয়। জোতির্বিজ্ঞানীদের ধারণা, গ্রহ দুটির উপরিভাগ পানিতে তলিয়ে আছে। এ জন্যই এই দুই গ্রহকে ‘ওয়াটার ওয়ার্ল্ড’ বলে বর্ণনা করেছেন তাঁরা।
কানাডার মন্ট্রিয়ল বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল জোতির্বিজ্ঞানী নাসার হাবল ও স্পিটজা নামে দুটি টেলিস্কোপ ব্যবহার করে তাঁদের গবেষণায় গ্রহ দুটির সন্ধান পান। গবেষণায় নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির ইনস্টিটিউট ফর রিসার্চ অন দ্য এক্সোপ্লানেটস–এর ক্যারোলিন পিউলেট। নেচার অ্যাস্ট্রনমি নামের একটি বিজ্ঞান সাময়িকীতে কেপলার–১৩৮সি ও কেপলার–১৩৮ডি নামের গ্রহ দুটির বিষয়ে গবেষণায় পাওয়া ফল নিয়ে একটি বিস্তারিত নিবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে।
নাসা একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। তাতে বলা হয়েছে, গবেষক দলের প্রধান ক্যারোলিন পিউলেট ও তাঁর সহকর্মীরা সৌরজগতের বাইরে দুটি গ্রহ আবিষ্কার করেছেন। গ্রহ দুটির বেশির ভাগ অংশ পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
Source: প্রথম আলো
‘পিকচার-ইন-পিকচার’ পরীক্ষা করছে হোয়াটসঅ্যাপ
***********************************************************************
বেশ কিছু দিন ধরেই প্রযুক্তি বিশ্বে জল্পনাকল্পনা চলছিল, ‘পিকচার-ইন-পিকচার’ সুবিধা চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ। এবার বিষয়টি নিশ্চিত করে অ্যাপটি জানিয়েছে, আগামী বছরের শুরুতেই আইফোন ব্যবহারকারীদের জন্য ‘পিকচার-ইন-পিকচার’ সুবিধা চালু করা হবে। এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও কলের সময় অন্য অ্যাপ বা ওয়েবসাইটে কাজ করা যাবে।
ভিডিও কলের ছবি পর্দার এক পাশে দেখা যাওয়ায় অন্য কাজও করা যাবে। এরই মধ্যে নির্দিষ্ট–সংখ্যক আইফোন ব্যবহারকারী এ সুবিধা পরখ করে দেখছেন। আইফোনে ‘পিকচার-ইন-পিকচার’মোড চালুর জন্য হোয়াটসঅ্যাপের হালনাগাদ সংস্করণ ব্যবহার করতে হবে।
Source: প্রথম আলো
পর্দাজুড়ে আড়াআড়ি দেখা যাবে টিকটক ভিডিও
***********************************************************************
ছোট আকারের ভিডিও সহজে তৈরি ও আদান–প্রদানের সুযোগ থাকায় তরুণ-তরুণীদের কাছে খুবই জনপ্রিয় টিকটক। টিকটকের ভিডিওগুলো সাধারণত উলম্ব বা ভার্টিক্যাল হয়ে থাকে। অনেকে আবার আড়াআড়ি (হরাইজন্টাল বা ল্যান্ডস্কেপ) ভিডিও দেখতে চান। আর তাই এবার পর্দাজুড়ে হরাইজন্টাল ভিডিও দেখার সুযোগ চালু করছে অ্যাপটি। আনুষ্ঠানিকভাবে চালুর আগে এটি পরীক্ষা করে দেখছে টিকটক। পরীক্ষার জন্য ব্যবহারকারীদের জন্য ফুল স্ক্রিন নামে একটি বাটন যুক্ত করা হয়েছে টিকটকে।
সম্প্রতি আকারে বড় ভিডিও তৈরি ও আদান–প্রদানের সুযোগ চালু করেছে টিকটক। নতুন এ সুবিধা চালু হলে টিকটক সহজেই ইউটিউবের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
Source: প্রথম আলো
যেসব চ্যানেল ইউটিউব থেকে টাকা পাবে না
***********************************************************************
ইউটিউব থেকে আয় করার জন্য অনেকেই এক বা একাধিক চ্যানেল খোলেন। কিন্তু নিয়মিত ভিডিও দিলেও অধিকাংশ চ্যানেলেই ইউটিউবের মনিটাইজেশন বা অর্থ পাওয়ার সুবিধা চালু হয় না। কারণ, মনিটাইজেশন পাওয়ার জন্য বেশ কিছু শর্ত রয়েছে ইউটিউবের। এসব শর্তের কারণে ভিডিওর মান যতই ভালো হোক না কেন, সব চ্যানেলে এই সুবিধা চালু করে না ইউটিউব।
অনেকেই ভাবেন, চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখানো মানেই ইউটিউবের মনিটাইজেশন চালু হয়ে গেছে। আসলে তা নয়। নতুন নীতিমালার কারণে মনিটাইজেশন চালু না থাকলেও বিভিন্ন চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দেখায় ইউটিউব। এসব বিজ্ঞাপন থেকে পাওয়া অর্থ চ্যানেলগুলোকে দেওয়া হয় না। এ জন্য অবশ্যই ইউটিউব চ্যানেলে মনিটাইজেশন–সুবিধা চালু করতে হবে। প্রথমবার আবেদন বাতিল হলে পরে এটি পেতে বেশ সমস্যা হয়। আর তাই ইউটিউবে মনিটাইজেশন–সুবিধার অযোগ্য চ্যানেল কোনগুলো হতে পারে, তা দেখে নেওয়া যাক—
কমিউনিটি নীতিমালা ভঙ্গ করা চ্যানেল
ইউটিউবের কমিউনিটি নীতিমালা না মেনে ভিডিও তৈরি করলে সেই চ্যানেল কোনোভাবেই মনিটাইজেশনের অন্তর্ভুক্ত হবে না। এমনকি একবার কমিউনিটি ‘গাইডলাইন স্ট্রাইক’ পেলেও এটা চালু করা হবে না।
কৃত্রিমভাবে ভিডিও দেখে সময় বাড়ানো
পরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে অন্য যন্ত্র থেকে নিয়মিত নিজেদের তৈরি ভিডিওতে ক্লিক করে ভিডিও দেখার সময় বাড়ান অনেকেই। কিন্তু একই যন্ত্র থেকে একই চ্যানেলে বারবার ভিডিও দেখা হলে চ্যানেলে মনিটাইজেশন–সুবিধা চালু করা হয় না।
সাবস্ক্রাইব ফর সাবস্ক্রাইব
গ্রাহক বা সাবস্ক্রাইবারের সংখ্যা বেশি থাকলেও যেসব চ্যানেলের ভিডিও বেশির ভাগ সাবস্ক্রাইবার দেখেন না, সেগুলোয় মনিটাইজেশন চালু হয় না। সাবস্ক্রাইব করার পর চ্যানেলটিতে আর কখনো প্রবেশ না করা ব্যক্তির সংখ্যা বেশি থাকলে এমনটি করা হয়।
অন্যের ভিডিও বা অডিও ব্যবহার করা চ্যানেল
অন্যের মেধাস্বত্ব করা ভিডিও বা অডিও ব্যবহার করা চ্যানেলগুলোয় মনিটাইজেশন চালু করা হয় না। কারণ, চ্যানেলে থাকা ভিডিওগুলোকে পুনরায় ব্যবহার করা কনটেন্ট হিসেবে বিবেচনা করে ইউটিউব।
এসব চ্যানেলের পাশাপাশি আরও বেশ কিছু চ্যানেলে মনিটাইজেশন–সুবিধা চালু করে না ইউটিউব। এগুলো হলো: ভুল তথ্য বা বিভ্রান্তি ছড়ানো চ্যানেল, অশ্লীল ভিডিওর চ্যানেল, ধ্বংসাত্মক ও ভয়ংকর কনটেন্টনির্ভর চ্যানেল, অন্যের নাচের অনুকরণে ভিডিও চ্যানেল, রিমিক্স ভিডিওর চ্যানেল, কণ্ঠ বা ছবি ছাড়া গেমিং চ্যানেল, ছবি বা স্লাইডশো দিয়ে ভিডিও তৈরি করা চ্যানেল, কণ্ঠ ছাড়া একাধিক খেলার দৃশ্য যুক্ত করে ভিডিও চ্যানেল, একই চ্যানেলে বিভিন্ন ক্যাটাগরির ভিডিওযুক্ত চ্যানেল, কণ্ঠ ছাড়া বিভিন্ন পণ্য বা সেবার রিভিউ করা চ্যানেল ইত্যাদি। তবে শিক্ষণীয় বিভিন্ন চ্যানেল, যেমন রান্না বা ড্রয়িং শেখানোর ভিডিওগুলোয় কণ্ঠ না থাকলেও মনিটাইজেশন পাওয়া যায়।
Source: প্রথম আলো
টুইটারপ্রধানের পদে ইলন মাস্ককে দেখতে চান না বেশির ভাগ ব্যবহারকারী
***********************************************************************
টুইটার ব্যবহারকারীদের মতামত নিতে গিয়ে একরকম বিপাকেই পড়ে গেলেন প্রতিষ্ঠানটির মালিক ইলন মাস্ক। গতকাল সোমবার এই যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা ভোটের মাধ্যমে জানান দিয়েছেন, তাঁরা ইলন মাস্ককে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী (সিইও) পদে চান না।
এর আগে টুইটার ব্যবহারকারীদের ভোটের ভিত্তিতে বেশ কয়েকটি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ইলন মাস্ক। এরপর আজ সোমবার বাংলাদেশ সময় ভোর ৫টা ২০ মিনিটে এক টুইট পোস্টে তিনি জানতে চান, সিইওর পদ থেকে তাঁর সরে দাঁড়ানো উচিত কি না। ওই সময় তিনি এই ঘোষণাও দিয়েছিলেন, মতামত জরিপে যে ফল আসবে, তা মেনে নেবেন।
ইলন মাস্কের টুইটার হ্যান্ডেলে অনুসারী রয়েছেন ১২ কোটি ২০ লাখ। গতকাল সন্ধ্যায় দেখা যায়, ১ কোটি ৭৫ লাখ ভোট পড়েছে ওই জরিপে। এতে ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ টুইটার ব্যবহারকারী রায় দিয়েছেন, সিইওর পদ থেকে ইলন মাস্কের সরে দাঁড়ানো উচিত। আর ৪২ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যবহারকারী চান তিনি এই পদেই থাকুন। তবে এই জরিপের ফলাফলের বিষয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।
ইলন মাস্ক শুধু টুইটারের প্রধান এমনটা নয়। বৈদ্যুতিক গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলা, মহাকাশযান নির্মাতা প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্স-এর প্রধানও তিনি। টু্ইটার অবশ্য তিনি সম্প্রতি কিনেছেন। গত ২৭ অক্টোবর এই প্রতিষ্ঠানটির মালিক হওয়ার পরই বেশ কিছু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মালিকানা নেওয়ার পরই প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বিদায় করেছেন। তাঁকে নিয়ে প্রতিবেদন করায় সম্প্রতি বেশ কয়েকজন সাংবাদিকের অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দিয়েছিলেন। যদিও জাতিসংঘ, ইউরোপীয় ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংস্থার সমালোচনার মুখে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে বাধ্য হয়েছেন। এসব বিতর্কিত পদক্ষেপের মধ্যই তার গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান টেসলার শেয়ারের মূল্য কমছে। এই পরিস্থিতিতে টুইটারের সিইও পদ থেকে সড়ে দাঁড়াবেন কি না, সেই বিষয়টি ব্যবহারকারীদের ওপর ছেড়ে দিয়েছিলেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিনিয়োগবিষয়ক বিশেষজ্ঞ গ্রে ব্ল্যাক এক টুইট বার্তায় লিখেছেন, এই জরিপের ফল উপেক্ষা করা কঠিন। টুইটারে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন, সেই দায়িত্ব ছাড়তে টেসলার পরিচালনা পর্ষদ থেকে তাঁর ওপর চাপ রয়েছে।
Source: প্রথম আলো
টাইটানিকের সেই দৃশ্য নিয়ে বিতর্ক, নির্মাতার ব্যাখ্যা
***********************************************************************
টাইটানিক সিনেমার সেই দৃশ্য মনে আছে? বরফখণ্ডের সঙ্গে ধাক্কায় আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যাওয়া জাহাজের যাত্রীরা বরফজলে তলিয়ে যাচ্ছেন; ক্রমেই তাঁদের সামনে হিমশীতল মৃত্যু ঘনিয়ে আসছে। প্রেমিক যুগল জ্যাক ও রোজ অতল জলে হাতে হাত রেখে বেঁচে থাকার শেষ লড়াই করছেন। এর মধ্যেই জ্যাক ও রোজের সামনে একটি ভাঙা কাঠের দরজা ভেসে আসে, সেই দরজায় প্রথমে রোজ ওঠেন, এরপর জ্যাককে তোলার চেষ্টা করলে দরজাটি ডুবে যেতে থাকে।
জীবন নাকি মৃত্যু? পেণ্ডুলামের মতো দুলতে থাকা জীবন–মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে প্রেমিকাকে বাঁচাতে মৃত্যুকেই বেছে নিলেন জ্যাক, আর হৃদয়ের সমস্ত উষ্ণতা দিয়ে জ্যাককে বাঁচানোর চেষ্টা চালিয়ে থাকেন রোজ। জ্যাকের হাত শক্ত বাঁধনে জড়িয়ে রেখে কাতরকণ্ঠে রোজ বলেন, ‘ওপরে আসো’। জ্যাক নিরুপায়। ততক্ষণে জ্যাকের হাত অবশ হতে থাকে; ধীরে ধীরে সাগরের গভীর নীলজলে তলিয়ে যান জ্যাক, জ্যাকের স্মৃতি নিয়ে বেঁচে থাকেন রোজ।
এ সিনেমায় জ্যাক চরিত্রে লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিও ও রোজ চরিত্রে কেট উইন্সলেট অভিনয় করে আলোচিত হয়েছেন। ১৯৯৭ সালে আজকের এই দিনে বিশ্বজুড়ে মুক্তি পায় নির্মাতা জেমস ক্যামেরন পরিচালিত টাইটানিক। ১৯৯৮ সালে সেরা সিনেমা, সেরা নির্মাতাসহ মোট ১১ বিভাগে অস্কার পেয়েছিল সিনেমাটি।
২০০৯ সালে অ্যাভাটার সিনেমা মুক্তির আগে সেটিই ছিল বিশ্বের সবচেয়ে ব্যবসাসফল সিনেমা; ২০০ মিলিয়ন ডলার খরচায় নির্মিত সিনেমাটি বক্স অফিসে দুই বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করেছিল। ব্যবসায়িকভাবে সফলতার পাশাপাশি দর্শকের মাঝে তুমুল জনপ্রিয়তা পাওয়া এ সিনেমা নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি।
টাইটানিক মুক্তির পর থেকে ২৫ বছর ধরে সেই কাঠের দরজার দৃশ্য নিয়ে বিশ্বজুড়ে বিতর্ক চলছে। দর্শকেরা জ্যাকের মৃত্যু এখনো মেনে নিতে পারেননি। দর্শকেরা বলছেন, সেই দরজার ওপর জ্যাকও উঠতে পারতেন; রোজের সঙ্গে জ্যাকও বেঁচে যেতেন। কিন্তু জ্যাককে মেরে ফেলা হয়েছে।
সেই ভাসমান দরজা কি দুজনের ভার বইতে পারত না?—এমন প্রশ্নে বছরের পর বছর ধরে জর্জর হতে হয়েছে নির্মাতা জেমস ক্যামেরনকে। সিনেমাটি মুক্তির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে শুক্রবার টরন্টো সানকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারেও সেই প্রশ্নের মুখে পড়েছেন জেমস ক্যামেরন। তিনি জানান, দুজনকে একটি কাঠের দরজার ওপর রেখে বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় ফরেনসিক বিশ্লেষণ করে তাঁরা দেখেছেন, সেই পরিবেশে দরজার ওপর একজনই টিকে থাকতে পারেন। দুজনের টিকে থাকার কোনো সম্ভাবনা নেই।
জ্যাককে না মারলেও তো হতো—দর্শকের এমন অনুযোগের জবাবও দিয়েছেন জেমস ক্যামেরন। তিনি বলেন, ‘জ্যাকের মৃত্যুর দৃশ্যটি চিত্রনাট্য লেখা নিয়ে আমার কোনো অনুশোচনা নেই। তার মৃত্যু দরকার ছিল। এটি রোমিও জুলিয়েট–এর মতো সিনেমা; এতে ভালোবাসার সঙ্গে ত্যাগও রয়েছে। ত্যাগ দিয়েই ভালোবাসা পরিমাপ করা যায়।’
আলোচিত সেই দৃশ্য নিয়ে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে ইতিমধ্যে একটি তথ্যচিত্র নির্মাণ করেছেন জেমস ক্যামেরন, তাতে আরও বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। এটি আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকে মুক্তি পাবে।
সেই দৃশ্য নিয়ে রোজ চরিত্রের অভিনেত্রী কেট উইন্সলেটকেও দুষেছেন দর্শকেরা, ‘তাঁর ওজন বেশি হওয়ার কারণেই দরজাটি ডুবে গেছে’ বলে দাবি করেছেন কেউ কেউ। বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মধ্যে শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে কথা বলেছেন এই অভিনেত্রী। তাঁর শরীর নিয়ে দর্শকের মন্তব্যকে ‘কটূক্তি’ বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি। সেই সঙ্গে সেই দৃশ্যের ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘পায়ে চালিত নৌকায় একসঙ্গে দুজন উঠলেও সেটি ভারসাম্য হারায়। সেখানে একটি কাঠের দরজায় দুজন উঠলে সেটি স্থিতিশীল থাকার কথা নয়।’
স্মৃতিজাগানিয়া সিনেমাটি আবারও সিনেমা হলে আসছে; ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আগামী বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি সিনেমার ত্রিমাত্রিক, ফোর কে সংস্করণে বিশ্বজুড়ে মুক্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হলিউডভিত্তিক গণমাধ্যম ডেডলাইন।
১৯৯৮ সালে বাংলাদেশেও মুক্তি পেয়েছিল টাইটানিক, সিনেমাটি আমদানি করেছিলেন মধুমিতা সিনেমা হলের অন্যতম কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, সেই সময় দেশের প্রতিটি সিনেমা হলে ছবিটি চলেছে, খুব ভালো ব্যবসা করেছিল। ফেব্রুয়ারিত আবারও দেশে আনবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ইফতেখার বলেন, ‘এখনো বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়নি। ছবিটি আগের মতো আর দেখবে না।’
১৯১২ সালে আটলান্টিক মহাসাগরে ডুবে যাওয়া বিলাসবহুল ব্রিটিশ জাহাজ টাইটানিক ডুবে যাওয়ার কাহিনিকে উপজীব্য করে সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন জেমস ক্যামেরন, প্রযোজনাও করেছেন তিনি। ঐতিহাসিক চরিত্রের পাশাপাশি জ্যাক, রোজসহ বেশ কয়েকটি কল্পিত চরিত্রও নির্মাণ করেছেন তিনি। ছবিটি নির্মাণ শুরু হয়েছিল ১৯৯৫ সালে, নির্মাণ শেষ করতে বেশ সময় লাগায় অনেকে ভেবেছিল, ছবিটি মুখ থুবড়ে পড়বে। তবে মুক্তির পরপরই বদলে যেতে থাকে দৃশ্যপট।
Source: প্রথম আলো
খুব চেয়েছি, মেসি যেন এবার রাজার মতো বিদায় নেয়: ফেরদৌস ওয়াহিদ
***********************************************************************
‘শুরুতে আর্জেন্টিনা দুই গোল দেওয়ার পরও মনে হয়েছিল, কে জিতবে তা শেষ বাঁশি বাজার আগে বলা যাবে না। যদিও আর্জেন্টিনা শুরু থেকেই ফ্রান্সের ওপর বেশ চাপ প্রয়োগ করে। কিন্তু ফ্রান্সের খেলার যে স্ট্র্যাটেজি, যেকোনো মুহূর্তে যেকোনো কিছুই হতে পারে, এটা আমার বিশ্বাস ছিল। তবে খুব করে চেয়েছি, মেসি যেন এবার রাজার মতো বিদায় নেয়। মন খুব চাচ্ছিল, বিশ্বকাপ মেসির হাতেই উঠুক। শেষ পর্যন্ত সেটাই হয়েছে ইনশা আল্লাহ।’ কথাগুলো পপ গানের জনপ্রিয় শিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের।
ঢাকার অদূরে শ্রীনগরে সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদের পৈতৃক ভিটা। বিক্রমপুরের সন্তান বলেই নিজেকে পরিচয় দেন। যতই বয়স বাড়ছে, নাড়ির টান প্রবল হচ্ছে তাঁর। শিল্পী জানান, গ্রাম থেকে কখনোই দূরে সরে থাকেননি তিনি। সব সময়ই গ্রামে সময় দিয়েছেন। তাঁর পাড়ায় ১২০ জন মানুষের বাস। এদের নিয়েই সুখে-দুঃখে বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চান গান গেয়ে সারা দেশের মানুষের ভালোবাসা পাওয়া ফেরদৌস ওয়াহিদ। বিশ্বকাপ ফুটবলের এবারের ফাইনাল খেলাও গ্রামের বাড়িতে বসেই উপভোগ করেছেন তিনি। আত্মীয়স্বজন সবাই মিলে খেলা দেখেছেন। জানালেন, ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্স দুই পক্ষই এত ভালো খেলছে, শেষ পর্যন্ত ফলাফল টাইব্রেকারে গিয়ে ঠেকছে। টাইব্রেকারে আর্জেন্টিনা বেশ ভালো করছে। ভালো করেছে বলেই বিশ্বকাপ তাদের হাতেই উঠেছে।
কথায় কথায় জানা গেল, ফুটবলে ফেরদৌস ওয়াহিদের প্রিয় দলের তালিকায় রয়েছে ব্রাজিল, জার্মানি ও ফ্রান্স। এবার মরক্কোর খেলাও তাঁর মন কেড়েছে। তাই ফুটবলে এই দলটি নতুন করে প্রিয়র তালিকায় জায়গা পেয়েছে। প্রিয় দল যেটাই হোক না কেন, মেসিই তার প্রিয় খেলোয়াড়—জানালেন ফেরদৌস ওয়াহিদ। আধুনিক এই জীবনে মানবতার অনন্য প্রতীক হিসেবেও মেসি তাঁর কাছে সেরা। বললেন, ‘ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্র যেটাই ধরি, জনপ্রিয়তায় বিশ্বে এক নম্বরে মেসি। বিশ্বে আট শ কোটি মানুষের মধ্যে আমার মনে হয় চার শ কোটি মানুষ আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের খেলা দেখেছে। আর মেসি সম্পর্কে যতটুকু শুনেছি এবং লেখাপড়া করে জেনেছি, ইউনিসেফের হয়ে বিশ্বের কয়েক হাজার স্কুলের সঙ্গে তার নানাভাবে সম্পৃক্ততা আছে। ইউনিসেফে ডোনেশনও করে থাকে মেসি। যেটা আমার সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে, যা আমরাই কোনো দিন পারি তো নাই, কাউকে দেখিনি করতে, সেটা হলো—মা, সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে মাঠে যা করেছে, আগেও করেছে, এটা অভাবনীয় ব্যাপার। কোনো সাধারণ মানুষ এভাবে পারে না, ফুটবলার তো দূরের কথা। মেসির এসব কর্মকাণ্ড দেখে আমার মনে হয়, পৃথিবীতে ব্যতিক্রম মানুষেরা যে হঠাৎ হঠাৎ আসে, মেসি তাদেরই একজন। মানবতার অনন্য প্রতীক। মেসি তেমন একজনই তো, তাকে আমার ভালো না লেগে কোনো উপায় নেই।’
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience