★★শিক্ষণীয়গণসচেতনতামূলকপোস্ট ★_
★★শুনেছি তুরস্কের বেশির ভাগ মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে কথাটি হলো :
"মুহতারাম !
নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন ।"
আরব প্রবাসীদের তথ্যমতে, আরব দেশে বাচ্চারা মসজিদে মোটামোটি উপস্থিত থাকে । তাদের যেখানে ইচ্ছা খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাঁড়ায়। বড়রা কিছুই বলেনা। এমনকি অনেক সময় নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে, অথচ নামাজ শেষে ইমাম, মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা ।💛
★একদিন একজনকে জিজ্ঞেস করা হলো : বাচ্চারা এতো ডিস্টার্ব করার পরও তাদেরকে কেউ কিছু না বলার কারণ কী ?
তিনি উত্তর দিলেন, বাচ্চারা হলো ফেরেশতার মতো । তারা এখানে আসবে, একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে । দুষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে, সেটা কোন ব্যাপার না । কিন্তু এখন যদি তাদেরকে মসজিদে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় কিংবা প্রহার করা হয়, তাহলে তো সে আর কখনও আসতেই চাইবেনা । কতই না সুন্দর যুক্তি !!!
কিন্তু তার ঠিক.. উল্টো চিত্র দেখবেন আমাদের বাংলাদেশে। আমি এমনও দেখেছি নাতীকে মসজিদে নিয়ে আসার কারণে দাদার সাথে আরেকজনের মারামারি লেগে যাচ্ছিলো প্রায় । তাছাড়া এলাকার সিজনাল মুরব্বিরা তো মসজিদে গেলে বড় বড় মোল্লা হয়ে যায় । সামনের কাতারে তো ছোটদের দাঁড়াতে দেই না, বরং বাচ্চারা আওয়াজ করলে চড়-থাপ্পর এসব তো আছেই । আমাদের মতো মোল্লারাও এটাকে এড়িয়ে যায় ।
অতএব, এ ব্যাপারে তরুণদের সতর্ক হওয়া দরকার, মুরব্বিদেরকে এসব বুঝানো এবং আমাদের হুজুরদের বয়ানেও এসব স্পষ্ট করা দরকার । তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম তথা বাচ্চারা মসজিদমুখী হতে আগ্রহী হবে ।
★★শিক্ষণীয়গণসচেতনতামূলকপোস্ট ★_
★★শুনেছি তুরস্কের বেশির ভাগ মসজিদের দেওয়ালে একটা কথা লিখা থাকে কথাটি হলো :
"মুহতারাম !
নামাজ পড়ার সময় যদি পেছনের সারি থেকে বাচ্চাদের হাসির আওয়াজ না আসে তাহলে পরবর্তী প্রজন্মের ব্যাপারে ভয় করুন ।"
আরব প্রবাসীদের তথ্যমতে, আরব দেশে বাচ্চারা মসজিদে মোটামোটি উপস্থিত থাকে । তাদের যেখানে ইচ্ছা খেয়াল খুশী মতো কাতারে দাঁড়ায়। বড়রা কিছুই বলেনা। এমনকি অনেক সময় নামাজের সময় বাচ্চারা পেছনে বা সামনে কোন কাতারে হইহুল্লোড় করছে, অথচ নামাজ শেষে ইমাম, মুসল্লি কেউ কিছু বলেনা ।💛
★একদিন একজনকে জিজ্ঞেস করা হলো : বাচ্চারা এতো ডিস্টার্ব করার পরও তাদেরকে কেউ কিছু না বলার কারণ কী ?
তিনি উত্তর দিলেন, বাচ্চারা হলো ফেরেশতার মতো । তারা এখানে আসবে, একটু দুষ্টামি করবে কিন্তু দেখতে দেখতে এটাতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে । দুষ্টামির ব্যাপারটা বয়স বাড়ার সাথে সাথে ঠিক হয়ে যাবে, সেটা কোন ব্যাপার না । কিন্তু এখন যদি তাদেরকে মসজিদে হুমকি-ধমকি দেওয়া হয় কিংবা প্রহার করা হয়, তাহলে তো সে আর কখনও আসতেই চাইবেনা । কতই না সুন্দর যুক্তি !!!
কিন্তু তার ঠিক.. উল্টো চিত্র দেখবেন আমাদের বাংলাদেশে। আমি এমনও দেখেছি নাতীকে মসজিদে নিয়ে আসার কারণে দাদার সাথে আরেকজনের মারামারি লেগে যাচ্ছিলো প্রায় । তাছাড়া এলাকার সিজনাল মুরব্বিরা তো মসজিদে গেলে বড় বড় মোল্লা হয়ে যায় । সামনের কাতারে তো ছোটদের দাঁড়াতে দেই না, বরং বাচ্চারা আওয়াজ করলে চড়-থাপ্পর এসব তো আছেই । আমাদের মতো মোল্লারাও এটাকে এড়িয়ে যায় ।
অতএব, এ ব্যাপারে তরুণদের সতর্ক হওয়া দরকার, মুরব্বিদেরকে এসব বুঝানো এবং আমাদের হুজুরদের বয়ানেও এসব স্পষ্ট করা দরকার । তাহলে আমাদের আগামী প্রজন্ম তথা বাচ্চারা মসজিদমুখী হতে আগ্রহী হবে ।

চল্লিশ বছর পূর্বে বাগদাদে এক কশাই ছিল। ফজরের আগেই সে দোকানে চলে যেত। সে ছাগল-মেষ যবেহ করে অন্ধকার থাকতেই বাড়ী ফিরে যেত। একদা ছাগল যবেহ করে বাড়ি ফিরছিল। তখনো রাতের আধার কাটেনি। সেদিন অনেক রক্ত লেগেছিল তার জামা-কাপড়ে। পথিমধ্যে সে এক গলির ভিতর থেকে একটা কাতর গোঙানি শুনতে পেল। সে গোঙানিটা লক্ষ্য করে দ্রুত এগিয়ে গেল। হঠাৎ সে একটা দেহের সাথে ধাক্কা খেয়ে পড়ে গেল। একজন আহত লোক পড়ে আছে মাটিতে।
যখম গুরুতর। বাঁচাতে হলে দ্রুত চিকিৎসার প্রয়োজন। তখনো দরদর করে রক্ত বেরুচ্ছে। তাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। ছুরিটা তখনো দেহে গেঁথে আছে। দ্রুত সে ছুরিটা ঝটকা টানে বের করে ফেলল। তারপর লোকটিকে কাঁধে তুলে নিল। কিন্তু লোকটি পথে এবং তার কাঁধেই মারা গেল।
Read more https://www.anuperona.com/sati-nari-story/
Install app for better experience