উটের চোখের পানি সাপের বি,ষের বিরুদ্ধে বড় একটি আবিষ্কার হতে পারে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ফ্রান্সের বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেয়েছেন যে এতে ন্যানোবডি নামে বিশেষ অ্যান্টিবডি থাকে, যা ভাই,পার, কো,বরা এবং অন্যান্য সাপের বি.ষকে নিস্ক্রিয় করতে পারে।
এগুলো প্রচলিত অ্যান্টিভেনমের চেয়ে ছোট, বেশি শক্তিশালী ও নিরাপদ। কঠিন পরিবেশেও স্থিতিশীল থাকে, তাই ফ্রিজে রাখার প্রয়োজন হয় না এবং অ্যালার্জির ঝুঁ কিও কম। এই আবিষ্কারটি সস্তা ও সহজলভ্য অ্যান্টিভেনম তৈরিতে সহায়তা করতে পারে, বিশেষ করে যেসব এলাকায় সাপের কা,মড়ে মৃ,ত্যুর হার বেশি।
গবেষণায় দেখা গেছে, ঘুমের সময়কাল আমাদের শরীর কীভাবে ডায়েটের প্রতি প্রতিক্রিয়া জানাবে তা নাটকীয়ভাবে পরিবর্তন করে।
একটি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যারা দিনে মাত্র ৫.৫ ঘণ্টা ঘুমিয়েছেন, তারা একই ডায়েট অনুসরণ করেও ৮.৫ ঘণ্টা ঘুমানোদের তুলনায় ৫৫% কম চর্বি হারিয়েছেন এবং ৬০% বেশি পেশি হারিয়েছেন।
এটি ঘটার পেছনে কয়েকটি কারণ রয়েছে:
ঘুমের অভাবে গ্রেলিন ও লেপটিন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়, ফলে অপ্রয়োজনীয় ক্ষুধা বেড়ে যায়।
কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বৃদ্ধি পেয়ে শরীরকে শক্তি সঞ্চয়ের সংকেত দেয়।
পাশাপাশি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়, যা ক্যালোরিকে শক্তি বা পেশি পুনর্গঠনের বদলে চর্বি হিসেবে জমা করে।
সংক্ষেপে বলা যায়, অপর্যাপ্ত ঘুম শরীরের বিপাকক্রিয়াকে বদলে দেয়। একই খাবার পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে চর্বি হিসেবে জমা হয় এবং পেশি রক্ষায় ভূমিকা রাখতে ব্যর্থ হয়।
টাইটানিক যখন ডুবতে বসেছিল, তখন কাছাকাছি তিনটে জাহাজ ছিল।
একটির নাম ছিল স্যাম্পসন। মাত্র ৭ মাইল দূরে ছিল এর অবস্থান, বেআইনিভাবে সিল মাছ ধরায় ব্যস্ত ছিল জাহাজটি। তারা দেখতে পেয়েছিল টাইটানিকের বিপদ সংকেত, কিন্তু উল্টোদিকে জাহাজের মুখ ঘুরিয়ে দূরে চলে যায়।
এই জাহাজটির কথা একবার ভাবুন। দেখবেন আপনার আশেপাশের অনেকের সাথেই মিল আছে এর! এরা শুধু স্বার্থপরের মতো নিজের কথাই ভাবে। অন্যের জীবন কি ঘটল তা নিয়ে বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই তাদের।
দ্বিতীয় জাহাজটির নাম ক্যালিফোর্নিয়ান, মাত্র চৌদ্দ মাইল দূরে ছিল টাইটানিকের থেকে সেই সময়। ওই জাহাজের চারপাশে ছিল জমাট বরফ। ক্যাপ্টেন দেখেছিলেন টাইটানিকের বাঁচতে চাওয়ার আকুতি। কিন্তু পরিস্থিতি অনুকূল নয় এই অজুহাতে তিনি সিদ্ধান্ত নেন ঘুমাতে যাবেন। সকালে দেখবেন কিছু করা যায় কিনা। জাহাজটির অন্যসব নাবিকরা নিজেদের মনকে প্রবোধ দিয়েছিল এই বলে যে ব্যাপারটা এতটা গুরুতর নয়।
এই জাহাজটিও অনেকের মনের কথা বলে! কেউ বিপদে পড়লে অনেকেই মনে করে ঠিক সেই মুহূর্তে সাহায্য করতে যাওয়া বোকামি, পরিস্থিতি অনুকূল হলে দেখা যাবে। আসলে দায়িত্ব এড়ানোর জন্য কোনো না কোনো অজুহাত খোঁজ এরা।
শেষ জাহাজটির নাম ছিল কারপাথিয়ান্স। এই জাহাজ যাচ্ছিল উল্টোদিকে, ছিল প্রায় আটান্ন মাইল দূরে। সেই মুহূর্তে তারা রেডিওতে শুনতে পায় টাইটানিকের যাত্রীদের আর্তচিৎকার।
জাহাজের ক্যাপ্টেন হাঁটুমুড়ে বসে পড়েন ডেকের ওপর। সৃষ্টিকর্তার কাছে প্রার্থনা করেন যাতে তিনি সঠিক পথ দেখান তাঁদের। তারপর নাবিকদের নিয়ে সর্বশক্তিতে বরফ ভেঙ্গে এগিয়ে চলেন টাইটানিকের দিকে। জাহাজটির এই সিদ্ধান্তের জন্যই টাইটানিকের ৭০৫ যাত্রী প্রাণে বেঁচে যান।
১০০০ কারণ থাকবে আপনার কাছে দায়িত্ব এড়াবার জন্য, কিন্তু তারাই প্রকৃত মানুষ যারা অন্যের বিপদের সময় কিছু না ভেবেই ঝাঁপিয়ে পড়ে। ইতিহাস হয়তো মনে রাখে না তাদের, কিন্ত যুগে যুগে তারা বন্দিত হয় খেটে খাওয়া মানুষের মুখে মুখে বলা লোকগাঁথায়!
বড়দের চেয়ে ছোটরা যে অনেক সময় কত বড় মনের পরিচয় দেয়, এই ছবিটি তারই প্রমাণ।
স্কুলের টিফিন বক্স থেকে একটি কামড় নিজের জন্য, আর বাকিটা তার রাস্তার বন্ধু দুটির জন্য—এই ছিল ৮ বছরের এই ছেলেটির রুটিন। প্রতিদিন সে তার ক্ষুধার্ত বন্ধু দুটিকে খাবার দিত।
করুণা আসলে কী দেয়, তা হিসেব করে না; কেবল দিতে জানে। এই ছোট্ট কাজটিই মানবিকতার এক বিশাল উদাহরণ। আসুন, আমরাও আমাদের চারপাশের প্রাণীদের প্রতি আরও সংবেদনশীল হই।
৪৮৬ কেজি ওজনের রবার্ট আর্ল হিউজেস জীবদ্দশায় ছিলেন বিশ্বের সবচেয়ে ওজনদার মানুষ। জন্মের সময় তার ওজন ছিল ৫.১ কেজি। ৬ বছর বয়সে তা দাঁড়ায় ৭৯ কেজিতে আর ১০ বছর বয়সে ১৭০ কেজিতে। মাত্র ৩২ বছর বয়সে ১৯৫৮ সালের ১০ জুলাই তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের ব্রেমেনে মারা যান। তবে এই মার্কিন নাগরিক কারো সাহায্য ছাড়াই হাঁটতে সক্ষম ছিলেন।
তিনি আজ পর্যন্ত সবচেয়ে ভারী মানুষ হিসেবে হাঁটার রেকর্ডটি ধরে রেখেছেন। তার বাবার নাম আব্রাহাম গাই হিউজেস এবং মায়ের নাম জর্জিয়া অ্যালিস ওয়েথার্বি। থাইরয়েড গ্রন্থি ফেটে যাওয়ার জন্য তার এই অতিরিক্ত ওজনকে জন্য দায়ী করা হয়। মৃত্যুর আগে তার বুকের মাপা ছিল ১০ ফুট ৩ ইঞ্চি। কর্মজীবনে তিনি ছবি বিক্রি করেছেন কিছুদিন। যুক্তরাষ্ট্রের মিসৌরি অঙ্গরাজ্যের মন্টিসেলোতে ১৯২৬ সালের ৪ জুন তিনি জন্মগ্রহণ করেছিলেন।