Buying a GitHub account еntails acquiring an еxisting profilе on thе platform rather than creating a new one from scratch. This can be donе through various onlinе platforms or sеrvicеs spеcializing in sеlling such accounts. Thе procеss usually involvеs transfеrring ownеrship of thе account to thе buyеr, granting accеss to all thе profilе’s fеaturеs and rеpositoriе.
We ensure fast delivery and customer satisfaction. So, you can place your order to get best service.
24 Hours Reply/Contact
Telegram: @smmvirals24
WhatsApp: +44 7577 076701
Skype: smmvirals
Email: smmvirals@gmail.com
https://smmvirals.com/product/buy-github-account/
যখন রেডিয়েশন ছিল ফ্যাশন! (স্কিপ করতে পারেন)
নিচের ছবিটি ১৯৫০-৬০ এর দশকের এক সাধারণ চিত্র। একজন নারী বসে আছেন আর ডাক্তাররা তার গলায় এক্স-রে মেশিন তাক করেছেন। তখনকার দিনে এটাই ছিল আধুনিকতার প্রতীক, রোগ নির্ণয়ের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি।
এটার পেছনের গল্পটা জানবো আসুন।
সেই সময়টাতে মানুষ রেডিয়েশন বা তেজস্ক্রিয়তাকে ভয় পেত না, বরং মুগ্ধ ছিল। এর ব্যবহার এতটাই সহজ আর সাধারণ ছিল, যা আজকের দিনে আমরা কল্পনাও করতে পারবো না। যেমন:
১. জুতার দোকানে এক্স-রে: পায়ের সঠিক মাপের জুতো খুঁজে বের করার জন্য দোকানে দোকানে এক্স-রে মেশিন থাকতো, যা দিয়ে পায়ের ভেতরের হাড়ের গঠন দেখে জুতো ফিটিং করা হতো!
২. ব্রণ সারাতে এক্স-রে: অবাক হলেও সত্যি, ত্বকের নানা সমস্যা, এমনকি ব্রণ সারানোর জন্যও এক্স-রে থেরাপি দেয়া হতো। 👧
৩. তেজস্ক্রিয় এনার্জি ড্রিংক: তখন বাজারে “এনার্জি ড্রিংক” হিসেবে রীতিমতো তেজস্ক্রিয় পানি বিক্রি হতো! রেডিয়াম (Radium) মেশানো এই পানিকে বলা হতো স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এবং শক্তিদায়ক। 🫨
সেই যুগে তেজস্ক্রিয়তার দীর্ঘমেয়াদী বিপদ সম্পর্কে মানুষের ধারণা ছিল খুবই কম। ছবিতে ডাক্তারদের দেখুন, তাদের পরনে তেমন কোনো সুরক্ষামূলক পোশাকও নেই। তেজস্ক্রিয়তার মারাত্মক ঝুঁকিকে হয় জানা সত্ত্বেও এড়িয়ে যাওয়া হতো, অথবা এর ভয়াবহতা সম্পর্কে মানুষ ছিল পুরোপুরি অজ্ঞ।
উদ্ভাবন বা আবিষ্কার দারুণ জিনিস, কিন্তু তার সাথে দায়িত্ববোধ থাকাটা তার চেয়েও বেশি জরুরি। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ইতিহাস শুধু সফলতার গল্প বলে না, বরং ভুল থেকে শেখা যন্ত্রণাদায়ক অভিজ্ঞতার কথাও স্মরণ করিয়ে দেয়। প্রতিটি বড় অগ্রগতির জন্য শুধু সাহস নয়, সতর্কতা, নৈতিকতা এবং নিজেদের ভুল স্বীকার করার মতো মানসিকতাও প্রয়োজন। 🕵️🫨
Old Gmail accounts are reliable and trustworthy to access and have a significant benefit of having. Using an old Gmail account has the advantage of separate pages for managing each task. It has sufficient security and acts as an encoded link for dispatching transmission. Through an Internet browser, anyone can receive messages; This implies that old Gmail makes safe email storage.
If you have more questions then (contact us) we will help you solve your all questions answer
24 Hours Reply/Contact
Telegram: @smmvirals24
WhatsApp: +44 7577 076701
Skype: smmvirals
Email: smmvirals@gmail.com
https://smmvirals.com/product/....buy-old-gmail-accoun
জানুন এক মহাকাশচারীর অজানা কাহিনী
ভাবুন, আপনি পৃথিবী থেকে ৪০০ কিলোমিটার ওপরে, চারদিকে শুধু অসীম মহাশূন্য।
দিনে ১৬ বার পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছেন, অথচ ৩১১ দিন ধরে কারও সাথে যোগাযোগ নেই!
ঠিক এমনই ভয়ংকর বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছিলেন সোভিয়েত মহাকাশচারী সের্গেই ক্রিকালেভ।
১৯৯১ সালে রুটিন মিশনে মাত্র ৫ মাসের জন্য মির স্পেস স্টেশনে গিয়েছিলেন তিনি।
কিন্তু পৃথিবীতে শুরু হয় রাজনৈতিক ঝড়—ভেঙে যায় সোভিয়েত ইউনিয়ন, জন্ম নেয় নতুন রাশিয়া।
দেশটাই যখন মানচিত্র থেকে উধাও, তখন ক্রিকালেভও হয়ে গেলেন নাগরিকবিহীন এক মানুষ।
ফলাফল?
কেউ তাকে ফেরাতে দায়িত্ব নিল না। খাবার কমে আসছে, অক্সিজেন ফুরোচ্ছে,
তবুও তিনি একা ঘুরে চলেছেন—৫,০০০ বার পৃথিবী প্রদক্ষিণ!
অবশেষে দীর্ঘ ৩১১ দিনের নিঃসঙ্গ লড়াই শেষে ১৯৯২ সালের মার্চে ফিরে আসেন তিনি।
কিন্তু ততদিনে শরীর-মন দুটোই বদলে গেছে।
মাসের পর মাস লেগেছে স্বাভাবিক হতে। তবুও হাল ছাড়েননি—
পরবর্তীতেও বহুবার মহাকাশে গিয়েছেন এই সাহসী মানুষটি।
🚀 আজও সের্গেই ক্রিকালেভকে বলা হয় “The Last Citizen of the Soviet Union”—
যিনি পৃথিবীর বাইরে থেকেও ইতিহাসের সাক্ষী হয়েছিলেন।
চুল পড়া থামাতে চান? রসায়নের জাদু লুকিয়ে আছে পেঁয়াজের রসে—প্রকৃতি আর বিজ্ঞানের মিশ্রনে আছে চুল গজানোর এক অনন্য রহস্য! 🧅💇
চলুন এ সম্পর্কে কিছু তথ্য জেনে নেই, লেখা আর ছবি যদি আপনাদের পছন্দ হয় তাহলে রসায়ন এর সাথে থাকবেন 🙏।
পেঁয়াজের রস দিয়ে চুল গজায়—এটা অনেকের কাছে কেবল ঘরোয়া উপায় মনে হলেও এর পেছনে রয়েছে রসায়নের সুন্দর ব্যাখ্যা। আমাদের চুল মূলত কেরাটিন নামের একটি প্রোটিন দিয়ে তৈরি। কেরাটিনকে শক্ত ও সুস্থ রাখতে সালফার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পেঁয়াজে রয়েছে প্রচুর সালফার যৌগ, যেমন অ্যালিসিন, ডাইঅ্যালাইল ডিসালফাইড ইত্যাদি, যা নতুন কেরাটিন তৈরি করতে সাহায্য করে এবং চুলকে মজবুত করে।
এছাড়াও পেঁয়াজে রয়েছে কুয়ারসেটিনসহ বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো আমাদের মাথার ত্বকে জমে থাকা ফ্রি র্যাডিক্যাল বা Reactive Oxygen Species (ROS) কে নিষ্ক্রিয় করে দেয়। ফ্রি র্যাডিক্যাল চুলের ফলিকলকে দুর্বল করে, ফলে চুল পড়তে শুরু করে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের কারণে ফলিকল আবার সক্রিয় হতে পারে এবং চুল গজানোর সম্ভাবনা বাড়ে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো, পেঁয়াজের রসে থাকা সালফার যৌগ catalase এনজাইম সক্রিয় করে। এই catalase মাথার ত্বকে জমে থাকা হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড (H₂O₂) ভেঙে দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে, হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড জমে থাকলে চুল অকালে সাদা হয়ে যায় এবং ফলিকল দুর্বল হয়। তাই পেঁয়াজের রস এভাবে চুলকে সাদা হওয়া থেকে কিছুটা রক্ষা করতে পারে।
শুধু তাই নয়, পেঁয়াজের রসের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য মাথার ত্বককে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসের আক্রমণ থেকে সুরক্ষা দেয়। এতে খুশকি ও অন্যান্য সংক্রমণ কমে, যা পরোক্ষভাবে চুলের স্বাস্থ্য ভালো রাখে।
তবে মনে রাখতে হবে, পেঁয়াজের রস সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে কাজ নাও করতে পারে। কারো ক্ষেত্রে ভালো ফল পাওয়া যায়, আবার কারো ক্ষেত্রে তেমন পরিবর্তন দেখা নাও যেতে পারে। তবুও রসায়নের দিক থেকে ব্যাখ্যা করলে বোঝা যায়, পেঁয়াজের রসে এমন উপাদান রয়েছে, যা চুলের জন্য উপকারী হতে পারে।
ছবিটিতে একজন বাবাকে দেখা যাচ্ছে যিনি তার সন্তানের মাথার ক্ষতের মতো একইরকমের একটি ট্যাটু করিয়েছেন। ক্যাপশন অনুযায়ী, শিশুটির মাথায় একটি 'কুৎসিত' দাগ ছিল, তাই তার বাবা নিজের মাথায় একই আকারের ট্যাটু করিয়েছেন যাতে শিশুটির সাহস বাড়ে।
এই ছবিটি প্রায়শই ইন্টারনেটে শেয়ার করা হয় এবং এটি বাবা-মা ও সন্তানের সম্পর্কের গভীরতা এবং নিঃস্বার্থ ভালোবাসার এক দারুণ উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হয়।