Many things that giving GMAT again may improve the score, however there is no actual basis for this claim unless you put in more effort and strategise the exam giving better results this time. If you are taking GMAT multiple times, then this blog is especially for you as this will give you an idea as to how to improve your GMAT score.
Read Our Blog - https://www.onyuzbin.com/posts/10359
The Role of Solar Design Services in Successful Renewable Energy Projects
As the global demand for clean and sustainable energy continues to grow, solar power has emerged as one of the most reliable and scalable renewable energy sources. However, the success of any solar energy project depends not only on the quality of equipment used but also on how well the system is designed.
#solar #solardesign
https://premiumcadd.blogspot.c....om/2026/01/the-role-
যে-সব ছোটো আমল📿
পূর্বের সমস্ত গুনাহ মিটিয়ে দেয়।
-------------------------•
০১. পরিপূর্ণভাবে ওযু করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে ওযু করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়। ফলে তার সালত এবং মাসজিদে গমন, নফল হিসেবে বিবেচিত হয়।” (সহীহ মুসলিম, হা. ২২৯)
০২. ওযু-পরবর্তী দুই রাকা‘আত সালাত। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি অতি উত্তমভাবে ওযু করে এমনভাবে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করে, যাতে দুনিয়াবি কোনো চিন্তা আসে না, তাহলে তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (সহীহুল বুখারী, হা.৬৪৩৩ ; সহীহ মুসলিম, হা.২২৬)
০৩. রুকু থেকে দাঁড়িয়ে দু‘আ পাঠ। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “ইমাম যখন ‘সামি‘আল্লা-হু লিমান হামিদা’ বলে, তখন তোমরা ‘আল্লাহম্মা রব্বানা- লাকাল হামদ’ বলো। কেননা যার বলা ফেরেশতাদের বলার সাথে মিলে যায়, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (তিরমিযি, হা. ২৬৭; সহীহ)
০৪. সূরা ফাতিহা শেষে 'আমীন' বলা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “ইমাম যখন আমীন বলে, তখন তোমরা আমীন বলো। কেননা যার আমিন ফেরেশতার আমিন সাথে মিলে যায়, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (সহীহুল বুখারী, হা. ৭৮০ ; সহীহ মুসলিম, হা. ৪১০)
০৫. খাবার শেষে দু‘আ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি খাবার শেষে বলল, ‘আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ব‘আমানী হাযাত্ত্ব‘আমা ওয়া রযাক্বানীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়া লা- কুওওয়াতিন’ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (তিরমিযি, হা. ৩৪৫৮; হাসান )
০৬. পোশাক পরিধানের দু‘আ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি পোশাক পরিধানের সময় বলে, ‘আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী কাসা-নী হাযা- ওয়া রযাক্বানীহি মিন গইরি হাওলিম মিন্নী ওয়া লা- কুওওয়াতিন’ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (আবূ দাউদ, হা. ৪০২৩; হাসান)
০৭. রমাযানের সিয়াম পালন করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ঈমানের সাথে নেকীর আশায় রমাযানের সিয়াম পালন করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” ( সহহুল বুখারী, হা. ২০১৪ ; সহীহ মুসলিম, হা. ৭৫৯)
০৮. রমাযানে ক্বিয়াম তথা তারাবীর সালাত আদায় করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ঈমানের সাথে নেকীর আশায় রমাযানে ক্বিয়াম তথা তারাবীর সালাত আদায় করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” ( সহহুল বুখারী, হা.২০১৪ ; সহীহ মুসলিম, হা. ৭৫৯)
০৯. লাইলাতুল ক্বদরে ইবাদত করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ঈমানের সাথে নেকীর আশায় লাইলাতুল ক্বদরে ইবাদত করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” ( সহহুল বুখারী, হা. ২০১৪ ; সহীহ মুসলিম, হা. ৭৫৯)
১০. হজ্ব সম্পাদন করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি হজ্ব সম্পাদন করে এবং এতে অন্যায়-অশ্লীল কথা ও কাজ করা থেকে বিরত থাকে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (তিরমিযি, হা. ৮১১; সহীহ)
১১. আযানের দু‘আ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি আযানের সময় বলে, ‘ওয়া আনা আশহাদু আন লা- ইলাহা ইল্লাল্ল-হু ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহ, ওয়া আন্না মুহাম্মাদান ‘আবদুহু ওয়া রাসূলুহ, রযীতু বিল্লা-হি রব্বা-, ওয়া বি মুহাম্মাদি রসূলা-, ওয়া বিল ইসলা-মি দ্বীনা-’ তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়।” (সহীহ মুসলিম, হা. ৩৮৬)
১২. ইস্তিগফার পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ‘আস্তাগ্ফিরুল্লাহাল আ‘যীমাল্লাযী লা- ইলা-হা ইল্লা- হুয়াল হায়য়ুল ক্বয়্য়ূমু ওয়া আতূবু ইলাইহি’ পাঠ করে, আল্লাহ তা‘য়ালা তাকে মাফ করে দেন। যদিও সে যুদ্ধের মাঠ থেকে পলায়ন করার মত জঘন্য পাপ করে।” (তিরমিযি হা. ৩৫৭৭, সহীহ )
১৩. ফরয-সালাত পরবর্তী তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি প্রত্যেক ফরয সালাতের পর ৩৩ বার সুবহা-নাল্লা-হ, ৩৩ বার আলহামদুলিল্লা-হ, ৩৩ বার আল্লাহু আকবার বলে—এই হলো ৯৯ বার - এবং ১০০ বার পূর্ণ করবে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ, ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহু, লাহূল মুলকু ওয়া লাহূল হামদু , ওয়া হূওয়া ‘আলা কুল্লি শায়য়িন ক্বদীর’—এর মাধ্যমে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়; যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়।” সহীহ মুসলিম, হা. ৫৯৭ )
১৪. ১০০ বার ‘সুবহা-নাল্লা-হি ওয়া বিহামদিহি’ পাঠ করা। রাসূল ‘(ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ‘সুব্হানাল্লা-হি ওয়া বিহাম্দিহি’ দিনে ১০০ (এক্শ) বার পাঠ করে, আল্লাহ তা’আলা তার সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমাণ গুনাহ মাফ করে দেন।” (সহীহ বুখারী হা. ৬৪০৫)
১৫. ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়া লা- কুওওয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ’ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ, ওয়াল্লাহু আকবার, ওয়া লা- হাওলা ওয়া লা- কুওওয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ’ পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার সমুদ্রের ফেনারাশি পরিমান গুনাহ মাফ করে দেবেন।” (তিরমিযি, হা. ৩৪৬০; হাসান)
১৬. ফজরের সালাতের পর ১০০ বার ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ এবং ১০০বার ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি ফজরের সালাতের পর ১০০ বার ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ এবং ১০০ বার ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লা-হ’ পাঠ করে, তার পূর্বের সমস্ত গুনাহ মাফ করে দেওয়া হয়; যদিও তা সমুদ্রের ফেনা পরিমাণ হয়।” (নাসায়ী, হা. ১৩৫৪, সহীহ)
১৭. বিছানায় দু‘আ পাঠ করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “যে-ব্যক্তি বিছানায় ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ, ওয়াহ্দাহু লা- শারীকা লাহ, লাহূল মুলকু ওয়া লাহূল হামদু , ওয়া হূওয়া ‘আলা কুল্লি শায়্য়িন ক্বদীর, লা- হাওলা ওয়া লা- কুওওয়াতা ইল্লা-বিল্লাহ, সুবহা-নাল্লা-হ, ওয়াল হামদুলিল্লা-হ, ওয়া লা- ইলা-হা ইল্লাল লাহূ, ওয়াল্লাহু আকবার’ পাঠ করে, তাঁর সমস্ত গুনাহ মাফ করা দেওয়া হয়। যদিও তার গুনাহ সমুদ্রের ফেনার চেয়েও বেশি হয়।” (ইবনু হিব্বান, হা. ৫৫২৮, সহীহ)
১৮. পরস্পর সাক্ষাতে সালাম দিয়ে মুসাফাহা করা। রাসূল (ﷺ) বলেছেন, “দুজন মুসলমান পরস্পর মিলিত হয়ে মুসাফাহা করলে পরস্পর বিচ্ছিন্ন হওয়ার পূর্বেই তাদের ক্ষমা করে দেওয়া হয়।” (আবূ দাউদ, হা. ৫২১২, সহীহ)
.
একটু চেষ্টা করলে আমরা উপরোক্ত আমলগুলো খুব সহজেই করতে পারি। এতে আমাদের অতিরিক্ত সময়ও লাগবে না।
— আব্দুল্লাহ্ মাহমুদ (হাফি.)
📚✨ তিনি সম্পদ অর্জনের জন্য নয়, একটি স্বপ্ন গড়ার জন্য নিজের সম্পত্তি বিক্রি করেছিলেন: ২০ লক্ষেরও বেশি বই নিয়ে একটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যের গ্রন্থাগার।
এটাই কর্ণাটকের হারালাহল্লির কৃষক আঙ্কে গৌড়ার উত্তরাধিকার। মাত্র ২০ বছর বয়স থেকে তিনি তার সঞ্চয়ের প্রতিটি পয়সা বই কেনার পেছনে ব্যয় করেছেন — একই সঙ্গে বাসচালক হিসেবে কাজ করেছেন এবং কন্নড় সাহিত্য নিয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।
পাঁচ দশকেরও বেশি সময়ে তিনি গড়ে তুলেছেন ভারতের অন্যতম বৃহৎ ব্যক্তিগত বই সংগ্রহ:
🔹 প্রায় ৫ লক্ষ বিরল বিদেশি গ্রন্থ
🔹 বিভিন্ন ভাষায় ৫,০০০-এরও বেশি অভিধান
🔹 ছাত্র থেকে শুরু করে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পর্যন্ত— সবার জন্য উন্মুক্ত এক সাংস্কৃতিক ভাণ্ডার
👉 সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় কী জানেন? এই লাইব্রেরিতে এক টাকাও ফি দিতে হয় না। যে কেউ ঢুকতে পারে, পড়তে পারে, শিখতে পারে।
বর্তমানে ৭৫ বছর বয়সে, স্ত্রী বিজয়লক্ষ্মী ও ছেলে সাগরের সঙ্গে নিয়ে গৌড়া আজও এই জ্ঞানমন্দির আগলে রেখেছেন — প্রমাণ করে দিচ্ছেন, বইয়ের প্রতি ভালোবাসা শুধু একটি জীবন নয়, পুরো একটি সমাজকেই বদলে দিতে পারে। 🌍❤️
স্ত্রীকে বলে গেলেন, “কাজে যাচ্ছি” 😇
কিন্তু গেলেন সোজা তার বান্ধবীর বাসায় 😏
যার স্বামী একজন দারোয়ান 🧍♂️
ঠিক সেই সময়েই দারোয়ান বাড়ি ফিরে এলো 😳
আর আপনি লুকিয়ে পড়লেন খাটের তলায় 🛏️🙈
দারোয়ান তার স্ত্রীকে পাঠিয়ে দিল বাবার বাড়িতে 🚶♀️🏠
তখনো আপনি খাটের তলায় 😶
হঠাৎ শুনলেন, দারোয়ান ফোনে তাড়াতাড়ি আসতে বলছে কোনো এক মহিলাকে 📞😌
মহিলাটি এসে হাজির 🚪
কিন্তু বিপত্তি! 😱
দারোয়ানের স্ত্রী বাবার বাড়ি না গিয়ে আবার ফিরে এলো — শাড়িতে নাকি ময়লা লেগেছে, পাল্টাবে 👗😬
দরজা খোলার আগে, দারোয়ান সেই মহিলাকে বললো খাটের তলায় লুকাতে 🫣
তখনো আপনি খাটের তলায় 😐
মহিলাটিও ঢুকে পড়ল খাটের তলায়… 😶🌫️
দেখলেন — সে আপনারই স্ত্রী! 😳😳
দুজন দুজনের দিকে তাকিয়ে রইলেন খরগোশের মতো 🐰🐰
একে আমরা স্কুলে বলতাম পুনর্মিলনী 📚
সামাজিক ক্ষেত্রে এর নাম গেট টুগেদার 🎉
অংকে একে বলি সিমাল্টেনিয়াস ইকুয়েশন ➗
মনোবিজ্ঞানে এই পরিস্থিতিকে বলা হয় রিভার্স সাইকোলজি 🧠
ধর্ম বইয়ে একে বলে কর্মফল 🙏
কেমিস্ট্রিতে এটি চেইন রিয়েকশন ⚗️
ইকোনোমিক্সে একে বলে ডিমান্ড এণ্ড সাপ্লাই 💰
ফিজিক্সে এরই নাম নিউক্লিয়ার ফিউশন 💥😆
Install app for better experience