Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda #software
    Advanced Search
  • Login
  • Create a new account or Register

  • Day mode
  • © 2026 Linkeei
    About • Directory • Contact Us • Developers • Privacy Policy • Terms of Use • Refund • Linkeei App install

    Select Language

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Watch

Watch Reels Movies

Events

Browse Events My events

Blog

Browse articles

Market

Latest Products

Pages

My Pages Liked Pages

More

Forum Explore Popular Posts Games Jobs Offers
Reels Watch Events Market Blog My Pages See all

Discover posts

Posts

Users

Pages

Group

Blog

Market

Events

Games

Forum

Movies

Jobs

Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha  
14 w

মৃতের রাজ্য থেকে পুর্নজন্ম!
১০ হাজার বছর পর ফিরলেন প্রাগৈতিহাসিক মানবী,

কোন জাদুতে অসাধ্য সাধন করলেন বিজ্ঞানীরা?

পৃথিবীর জুড়ে অনবরত বিস্ময় তৈরি করে চলেছে বিজ্ঞান। সমাজ মাধ্যমের যুগে যার আভাস পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের আশীর্বাদে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আমাদের আশেপাশে অনেক শতাযুর মানুষের খোঁজ পাওয়া যায়। কিন্তু কখনও মৃতের রাজ্য থেকে হুবহু একই রকম মুখের অবয়ব নিয়ে ফিরে পেতে দেখেছেন? হকচকিত হয়ে গেলেন তো! শুনতে খানিকটা জটিল মনে হলেও তেমনই এক ঘটনায় কামাল করে দেখিয়েছে বিজ্ঞান।

সম্প্রতি নতুন এক সাফল্য মিলেছে বিজ্ঞান জগতে। প্রায় ১০ হাজার বছর আগে বেলজিয়ামে বসবাসকারী এক মহিলার মুখের অবয়ব পুনর্গঠন করেছেন বিজ্ঞানীরা। ডিনান্টের কাছে মার্গাক্স গুহায় পাওয়া গিয়েছে মানবীর দেহাবশেষ। যা প্রাচীন ডিএনএ এবং কঙ্কালের প্রমাণের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে ধরা পড়ে যে ওই মহিলার ফর্সা ত্বক,নীল চোখ এবং টিকালো নাক ছিল এবং তিনি একজন মধ্যপ্রস্তর যুগে জীবিত ছিলেন। যদিও তাকে বাস্তবে জীবিত করা হয়নি,তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন ডিএনএ ব্যবহার করে তার জীবন্ত মুখের ছবি ও ত্রিমাত্রিক (থ্রি ডি) মডেল বানানো হয়েছে। যা দেখে মনে হবে যেন ওই মানবী জীবন্ত সামনে বসে আছেন।

কীভাবে সম্ভব হল এই অসাধ্য সাধন?

প্রত্নতাত্ত্বিকরা একটি প্রাচীন প্রত্নস্থল থেকে মানবীর কঙ্কাল উদ্ধার করেন। হাড় ও দাঁতের নমুনা নিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ডিএনএ সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর উন্নত জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ত্বকের রং,চোখের রং,চুলের ধরন এবং মুখাবয়বের গঠন সম্পর্কে তথ্য বার করা হয়। ডিএনএ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরেনসিক ফেসিয়াল রিকনস্ট্রাকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার সফটওয়্যারে তার মুখমণ্ডলের থ্রিডি মডেল তৈরি করা হয়। এতে প্রতিটি মুখের বৈশিষ্ট্য,চোখের গভীরতা,ঠোঁটের আকার এবং নাকের গঠন যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন,এই ধরনের কাজ শুধু একজন মানুষের মুখ পুনর্গঠন নয়,এটি মানব ইতিহাস বোঝার নতুন পথ খুলে দেয়। এর মাধ্যমে জানা যায় যে প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল,তারা কোন অঞ্চলে বসবাস করত,এমনকি তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। এটি ইউরোপের প্রাচীনতম মানব সমাজ সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা গঠনেও সাহায্য করে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন,প্রাচীন ডিএনএ বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে মানব বিবর্তন এবং হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার অনেক রহস্য উন্মোচন করতে সাহায্য করবে। এই মানবী হয়তো তার সময়ে একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন,কিন্তু হাজার বছর পর তার চেহারা ফের পৃথিবীর সামনে আসা মানব ইতিহাসের যে এক অনন্য অর্জন তা বলাই বাহুল্য।

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

কালাচ বা কমন ক্রেইট আর রাসেল'স ভাইপার হচ্ছে আমাদের দেশে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আলোচিত দুটি সাপের প্রজাতি। এজ দুটি সাপের প্রজাতিই মারাত্নক বিষধর এবং প্রতি বছর প্রতি বছর বাংলাদেশের প্রচুর মানুষ এই দুটি প্রজাতির সাপের কামড়ে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

রাসেল'স ভাইপার ও কালাচ দুটো সাপের বিষের ধরন সম্পূর্ণ আলাদা। রাসেল'স ভাইপার হচ্ছে ভাইপারিডি গোত্রের একটি সাপ এবং একই সাথে এর রয়েছে মারাত্নক হেমোটক্সিক বিষ, যা রক্ত জমাট বাঁধতে দেয়না, যার ফলে ইন্টারনাল রক্ত ক্ষরণ ঘটতে পারে, সেই সাথে কিডনীর কার্যক্রম ক্ষতিগ্রস্থ হয়, এমনকি কিডনী বিকল হয়ে যেতে পারে, যেই কারণে বেশিরভাগ রোগী মারা যায়। এছাড়া পেশীর কোষগুলো নষ্ট হতে থাকে এবং মাংসপেশী অচল হয়ে যায়। আর অপরদিকে ক্ষতস্থানের আশেপাশে ফোস্কা পড়ে, পচন ধরে যায়, মাঝে মাঝে অঙ্গহানি ঘটতে পারে। আর এই সাপের বিষের প্রভাবে রোগী সুচিকিৎসা না পেলে ২/৩ দিনের মধ্যে আক্রান্ত ব্যক্তি মারা যেতে পারে।

আর অপরদিকে কালাচের বিষ হচ্ছে মারাত্নক নিউরোটক্সিক বিষ। এর রয়েছে দুই ধরণের নিউরোটক্সিক বিষ, একটি প্রিসিন্যাপটিক নিউরোটক্সিক বিষ যা মস্তিকের স্নায়ুকে বিকল করে করে দেয়, আরেকটি হচ্ছে পোষ্টসিন্যাপটিক নিউরোটক্সিক বিষ যা পেশীগুলোর সংকেত গ্রহণকারী কোষগুলোকে বিকল করে দেয়, ফলে ধীরে ধীরে পেশীসমূহ আস্তে আস্তে বিকল হয়ে যায়, বিশেষ করে আক্রান্ত ব্যক্তির রেসপিরেটরি সিস্টেম বিকল হয়ে শ্বাস- প্রাশ্বাস বন্ধ হয়ে রোগী মারা যায়। সঠিক সময়ে চিকিৎসা না পেলে রোগী ৬ থেকে ৪৮ ঘন্টার মধ্যে মারা যায়।

Toxinologist রা বিষের তীব্রতা পরিমাপ করেন LD50 এর মানের উপর ভিত্তি করে। কোনো সাপের বিষের কার্যকারিতা তুলনা করার জন্য LD50 (Lethal Dose 5-এর মান ব্যবহার করা হয়। LD50 বলতে বোঝায় একটি নির্দিষ্ট প্রাণীর (যেমন ইঁদুর) জনসংখ্যার ৫০% কে মেরে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় বিষের পরিমাণ। LD50 মান যত কম হয়, বিষের বিষাক্ততা তত বেশি হয়।

এখন দেখা যাক গবেষণাগারে কোন সাপের ক্ষেত্রে LD50 এর মান কত পেয়েছেন টক্সিনোলজিস্টরা?

কমন ক্রেইট: বিভিন্ন গবেষণায় ইন্ট্রাভেনাস (শিরায়) ইনজেকশনের মাধ্যমে কমন ক্রেইটের বিষের LD50 মান প্রায় 0.169 থেকে 0.2828 মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া যায়।

​রাসেলস ভাইপার: একই পদ্ধতিতে রাসেলস ভাইপারের বিষের LD50 মান প্রায় 0.3321 থেকে 0.4 মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম পর্যন্ত পাওয়া যায়।

উপরে উল্লিখিত মানগুলো থেকে দেখা যায় যে, কমন ক্রেইটের LD50 মান রাসেলস ভাইপারের LD50 মানের চেয়ে কম। এর অর্থ হলো, কমন ক্রেইটের বিষ রাসেলস ভাইপারের বিষের চেয়ে বেশি বিষাক্ত।

কিন্তু একবার ছোবড়ে রাসেল'স ভাইপার কালাচের থেকে বেশি বিষ ছেড়ে দেয়।
আবার কালাচের বিষের ফলে মৃত্যু অনেক দ্রুত ও সময়মত চিকিৎসা না পেলে শতভাগ নিশ্চিত। আর কালাচ সাধারণত ঘুমের মধ্যে মানুষের ঘরে বিছানায় যেয়ে ছোবড় দেয়, যেখানে রাসেলস ভাইপার শুধুমাত্র আক্রান্ত হলে প্রতিঘাত করে। তাই কালাচকে বেশি মারাত্নক ও প্রাণঘাতী বলা যায়।

image
Like
Comment
Share
Healthier Me today
Healthier Me today
14 w

Relief for Hip Pain After Pregnancy: Causes & Quick Solutions

Struggling with hip pain after giving birth? Discover why it happens—from hormonal shifts to muscle strain—and explore effective recovery strategies. Let us guide you toward a stronger, more comfortable post-partum body. For more details read this blog: https://healthiermetoday.com/h....ip-pain-after-pregna

Favicon 
healthiermetoday.com

Relief for Hip Pain After Pregnancy – Causes & Quick Solutions

Hip pain after pregnancy is common, but you don’t have to live with it. Discover causes, symptoms, and effective relief tips to heal faster and move comfortably again.
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

মৃতের রাজ্য থেকে পুর্নজন্ম!
১০ হাজার বছর পর ফিরলেন প্রাগৈতিহাসিক মানবী,

কোন জাদুতে অসাধ্য সাধন করলেন বিজ্ঞানীরা?

পৃথিবীর জুড়ে অনবরত বিস্ময় তৈরি করে চলেছে বিজ্ঞান। সমাজ মাধ্যমের যুগে যার আভাস পৌঁছে যাচ্ছে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের আশীর্বাদে মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। আমাদের আশেপাশে অনেক শতাযুর মানুষের খোঁজ পাওয়া যায়। কিন্তু কখনও মৃতের রাজ্য থেকে হুবহু একই রকম মুখের অবয়ব নিয়ে ফিরে পেতে দেখেছেন? হকচকিত হয়ে গেলেন তো! শুনতে খানিকটা জটিল মনে হলেও তেমনই এক ঘটনায় কামাল করে দেখিয়েছে বিজ্ঞান।

সম্প্রতি নতুন এক সাফল্য মিলেছে বিজ্ঞান জগতে। প্রায় ১০ হাজার বছর আগে বেলজিয়ামে বসবাসকারী এক মহিলার মুখের অবয়ব পুনর্গঠন করেছেন বিজ্ঞানীরা। ডিনান্টের কাছে মার্গাক্স গুহায় পাওয়া গিয়েছে মানবীর দেহাবশেষ। যা প্রাচীন ডিএনএ এবং কঙ্কালের প্রমাণের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করা করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে ধরা পড়ে যে ওই মহিলার ফর্সা ত্বক,নীল চোখ এবং টিকালো নাক ছিল এবং তিনি একজন মধ্যপ্রস্তর যুগে জীবিত ছিলেন। যদিও তাকে বাস্তবে জীবিত করা হয়নি,তবে আধুনিক প্রযুক্তি ও প্রাচীন ডিএনএ ব্যবহার করে তার জীবন্ত মুখের ছবি ও ত্রিমাত্রিক (থ্রি ডি) মডেল বানানো হয়েছে। যা দেখে মনে হবে যেন ওই মানবী জীবন্ত সামনে বসে আছেন।

কীভাবে সম্ভব হল এই অসাধ্য সাধন?

প্রত্নতাত্ত্বিকরা একটি প্রাচীন প্রত্নস্থল থেকে মানবীর কঙ্কাল উদ্ধার করেন। হাড় ও দাঁতের নমুনা নিয়ে বিজ্ঞানীরা প্রাচীন ডিএনএ সংগ্রহ করেছিলেন। এরপর উন্নত জিনোম সিকোয়েন্সিং প্রযুক্তি ব্যবহার করে তার ত্বকের রং,চোখের রং,চুলের ধরন এবং মুখাবয়বের গঠন সম্পর্কে তথ্য বার করা হয়। ডিএনএ থেকে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফরেনসিক ফেসিয়াল রিকনস্ট্রাকশন প্রযুক্তি ব্যবহার করে কম্পিউটার সফটওয়্যারে তার মুখমণ্ডলের থ্রিডি মডেল তৈরি করা হয়। এতে প্রতিটি মুখের বৈশিষ্ট্য,চোখের গভীরতা,ঠোঁটের আকার এবং নাকের গঠন যতটা সম্ভব নিখুঁতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গবেষকরা বলছেন,এই ধরনের কাজ শুধু একজন মানুষের মুখ পুনর্গঠন নয়,এটি মানব ইতিহাস বোঝার নতুন পথ খুলে দেয়। এর মাধ্যমে জানা যায় যে প্রাগৈতিহাসিক যুগে মানুষের শারীরিক বৈশিষ্ট্য কেমন ছিল,তারা কোন অঞ্চলে বসবাস করত,এমনকি তাদের জীবনযাত্রা সম্পর্কেও ধারণা পাওয়া যায়। এটি ইউরোপের প্রাচীনতম মানব সমাজ সম্পর্কে আমাদের স্পষ্ট ধারণা গঠনেও সাহায্য করে।

বিজ্ঞানীরা মনে করেন,প্রাচীন ডিএনএ বিশ্লেষণ ভবিষ্যতে মানব বিবর্তন এবং হারিয়ে যাওয়া সভ্যতার অনেক রহস্য উন্মোচন করতে সাহায্য করবে। এই মানবী হয়তো তার সময়ে একজন সাধারণ মানুষ ছিলেন,কিন্তু হাজার বছর পর তার চেহারা ফের পৃথিবীর সামনে আসা মানব ইতিহাসের যে এক অনন্য অর্জন তা বলাই বাহুল্য।

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

ছোট্ট একটি ছেলে তার পুরোনো সাইকেলের ব্রেক ফেইল করায় তুরস্কে এক ব্যক্তির গাড়িতে দুর্ঘটনাবশত ধাক্কা দেয়। গাড়িটির ক্ষতি হওয়ায় ওই ব্যক্তির রেগে যাওয়ার যথেষ্ট কারণ ছিল, কিন্তু তিনি তা না করে এমন কিছু করলেন যা ভোলার মতো নয়। কয়েকদিন পর তিনি ছেলেটির জন্য একটি নতুন বাইসাইকেল উপহার নিয়ে হাজির হলেন।

​গাড়ির ক্ষতিটুকু ক্ষমা করে দেওয়া ছাড়াও, তিনি নিশ্চিত করলেন ভবিষ্যতে শিশুটি যেন নিরাপদে থাকে। ছেলেটি কৃতজ্ঞতায় আপ্লুত হয়ে পড়েছিল এবং এই গল্পটি সারা বিশ্বের মানুষের হৃদয় ছুঁয়ে গেছে।❤️

​এটি একটি শক্তিশালী উদাহরণ যে, সহানুভূতি এবং ক্ষমা একটি ছোট দুর্ঘটনাকে মানবতা ও ভালোবাসার এক সুন্দর মুহূর্তে রূপান্তরিত করতে পারে। 💙🚲✨

image
Like
Comment
Share
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
14 w

২০০৩ সালে চিলিতে খুজে পাওয়া যায় মাত্র ৬ ইঞ্চির এই কঙ্কালটি৷ অনেকের মতে এটি এলিয়েন আবার অনেকের মতে হারিয়ে যাওয়া ছোট্ট মানবপ্রজাতি কিংবা অন্য বিলুপ্ত প্রাণি। কিন্তু আসল সত্যিটা কী?

না, দেখতে অদ্ভুত হলেও নিচের কঙ্কালটি মোটেও এলিয়েন নয়, বরং মানুষের কঙ্কাল। ছয় ইঞ্চির মমি, তার উপর কোণাকার খুলি, দশটা রিবস- সব মিলিয়ে কংকালটা দেখলে অনেকে এলিয়েন বলে কিংবা অনেকে বলে কোনো বিলুপ্ত প্রাণীর কংকাল, কিংবা কোনো পুরোনো এলিয়েন মমি। বস্তুত এটা একটা ভ্রূন অথবা জন্মের সাথে সাথে মারা যাওয়া কোনো বাচ্চা, এবং তার কংকাল। আর বেশি না, মাত্র চল্লিশ বছর আগের এটা। মাল্টিপল বোন ডিজিজ ও মিউটেশনের জন্য সাধারণ ভ্রূনের মতো তার গঠন না। জিনোম সিকুয়েন্সে এটাও ধারণা করা হয় যে এটা একজন ফিমেল ভ্রূণ।

ঘটনা শুরু একটা ডকুমেন্টারি নিয়ে। ২০০৩ সালে চিলির Atacama মরুভূমিতে ( La Noria) প্রাপ্ত এই কঙ্কাল প্রথমে মমিকৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। এই মমিটি কিনে নেন স্প্যানিশ ব্যবসায়ী Ramón Navia-Osorio, এবং ২০১২ সালে Steven Greer(আমেরিকান ইউএফওলজিস্ট) এর হাতে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হস্তান্তর করেন। সেখানে থেকে একটা pseudo-documentary তৈরি হয় "Sirius", যেখানে থেকে সাধারণ মানুষ এই কঙ্কালকে এলিয়েন বলে দাবী করতে শুরু করেন। এরপর ডকুমেন্টারি দেখে আগ্রহী হয়ে স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইমিউনলজির প্রফেসর Gary Nolan এই কঙ্কালের ডিএনএ স্যাম্পল নিয়ে গবেষণা শুরু করেন।

এরপর গ্যারি নোলান ও এই গবেষণায় তাঁর সহকর্মী মিলে জিনোম রিসার্চ জার্নালে তাঁদের পরীক্ষালব্ধ ফলাফল প্রকাশ করেন। প্রথমে প্রাথমিক গবেষণায় বের হয়েছিলো যে কঙ্কালটি সেই সময় থেকে চল্লিশ বছরের পুরোনো। এরপর বোনম্যারো ও রিবস থেকে আলাদা করে স্যাম্পল নিয়ে সম্পূর্ণ জিনোমে সিকোয়েন্স বের করেন। মানুষের জিনোমের সাথে মেলানো হয়- জানা যায় এটা একটা ফিমেল ভ্রূন। ভ্রূণ হলেও কঙ্কালটির হাড়ের গঠন ছয়-আট বছরের বাচ্চার মতো। রিসার্চাররা দেখেন যে একটা রেয়ার বোন-এজিং ডিজঅর্ডারের জন্য কঙ্কালের আসল বয়সের থেকে হাড়ের বয়স বেশি বলে মনে হয়। কমপক্ষে সাতটি জিনের মধ্যে মিউটেশন হয়, যার ফলে Musculosceletal deformities দেখা দেয়, যেমন- Scoliosis, Sceletal dysplasia, এগুলো dwarfism বা বামনতা হিসেবেও পরিচিত।

এই মিউটেশন গুলো বোন ডিজিজের সাথে সম্পর্কিত৷ কিন্তু কিভাবে এলো এই মিউটেশন?
Butte র মতে "জেনেটিক ডিজিজগুলো প্রধানত বাবা-মার কাছে থেকেই আসে। কিন্তু এই কেসে যে মিউটেশন পাওয়া গেছে তা পূর্বে দেখা যায়নি। এবং এটা কিভাবে কোন বাহক দ্বারা এসেছে তা ধারণা করা কিছুটা মুশকিল।তবে যেই এলাকায় এই কঙ্কাল পাওয়া গেছে, সেখানকার পরিবেশ অনুযায়ী ধারণা করা যায় সেই এলাকার আবহাওয়া সেই ভ্রূনের ডেভেলপমেন্টে কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলেছে। (কঙ্কাল পাওয়া গিয়েছিলো এক পরিত্যক্ত নাইট্রেট মাইন এলাকায়, নাইট্রেটের সংস্পর্শে এরকম মিউটেশন ঘটতে পারে। এটা শুধুই ধারণা।)। স্কেলেটাল ম্যালফর্মেশনের বাইরে Ata-র congenital diaphragmatic hernia থাকতে পারে, এটি একটি জন্মগত ত্রুটি।

Butte আরও যোগ করেন, "ডিএনএ সিকোয়েন্স বর্তমানে অনেক অনির্ণেয় রোগ সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। কিন্তু বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই একটা একক জিনের উপর গবেষণা চালানো হয়। কিন্তু এই কেসের মাধ্যমে এটা নিশ্চিত যে কোনো জটিল রোগ নির্ণয়ে একটা জিনের উপর গবেষণা করেই থামা যাবে না, দেখা যেতে পারে আরও কিছু মিউটেশন থাকলেও থাকতে পারে।"

image
Like
Comment
Share
Showing 2814 out of 22041
  • 2810
  • 2811
  • 2812
  • 2813
  • 2814
  • 2815
  • 2816
  • 2817
  • 2818
  • 2819
  • 2820
  • 2821
  • 2822
  • 2823
  • 2824
  • 2825
  • 2826
  • 2827
  • 2828
  • 2829

Edit Offer

Add tier








Select an image
Delete your tier
Are you sure you want to delete this tier?

Reviews

In order to sell your content and posts, start by creating a few packages. Monetization

Pay By Wallet

Payment Alert

You are about to purchase the items, do you want to proceed?

Request a Refund