দীর্ঘ ১৪ বছরের সংসার আল মামুনের সঙ্গে। অভিযোগ অনুযায়ী, ভালোবাসা ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে নিজের সো-মিল পর্যন্ত স্ত্রীর নামে লিখে দিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু সেই বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে স্ত্রী মুক্তা গোপনে জমি বিক্রি করে প্রায় ১৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেন বলে দাবি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, সেই অর্থ দিয়ে তিনি দ্বিতীয় স্বামী হিসেবে পরিচিত সুরুজের জন্য একটি দামি মোটরসাইকেল কেনেন এবং তাদের থাকার জন্য একটি ভাড়া বাসার ব্যবস্থা করেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রাত কাটাতেন প্রথম স্বামী মামুনের সংসারে, আর সকালে স্বামী কাজে বেরিয়ে গেলে বান্ধবীর বাসায় যাওয়ার অজুহাতে চলে যেতেন সুরুজের কাছে। সেখানে সারাদিন কাটিয়ে রাতে আবার ফিরে আসতেন প্রথম স্বামীর ঘরে। বরিশালের কাউনিয়া এলাকায় ঘটে যাওয়া এই ঘটনাকে ঘিরে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, একপর্যায়ে সুরুজের প্রথম স্ত্রীর সহায়তায় সেই ভাড়া বাসায় যান মামুন। সেখানে দুজনকে একসঙ্গে দেখতে পাওয়ার পর পুরো বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে বলে দাবি করা হয়। এরপরও মুক্তা প্রকাশ্যে মামুনকে নিজের স্বামী হিসেবে অস্বীকার করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
যে সম্পর্কে বছরের পর বছর ধরে ছিল বিশ্বাস ও ভালোবাসা, সেই সম্পর্ককে ঘিরে ওঠা এসব অভিযোগ অনেকের কাছেই প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গ এবং পারিবারিক মূল্যবোধ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে। তবে ঘটনাটির সব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এবং আইনগত সত্যতা যাচাই হওয়া এখনও গুরুত্বপূর্ণ।