👶🏻✨ ন্যাশ: বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সে জন্ম নেওয়া যোদ্ধা এক বছরে পা দিল
সে জন্মেছিল মাত্র ২১ সপ্তাহে।
ওজন ছিল মাত্র ২৮০ গ্রাম—প্রায় একটি হাতের তালুর সমান। ✋
তবু… সে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল।
সবকিছু শুরু হয়েছিল একটি সাধারণ ২০ সপ্তাহের চেকআপে।
কিন্তু কিছু একটা ঠিক ছিল না।
প্রসব শুরু হয়ে গিয়েছিল।
অত্যন্ত তাড়াতাড়ি। অত্যন্ত অপ্রস্তুত। অত্যন্ত নাজুক।
🏥 তিন মাসেরও বেশি সময় সে ইনটেনসিভ কেয়ারে কাটায়—
তার চারপাশে তার, বিপ শব্দ করা যন্ত্র, আর অনিশ্চয়তা।
প্রতিটি ঘণ্টা ছিল একেকটি যুদ্ধ।
প্রতিটি শ্বাস—ধার নেওয়া এক একটি অলৌকিক মুহূর্ত।
তার ত্বক ছিল প্রায় স্বচ্ছ।
ফুসফুস ঠিকমতো তৈরি হয়নি।
হৃদয় শিখছিল কীভাবে এমন এক পৃথিবীতে ধুকধুক করতে হয়, যার জন্য সে তখনও প্রস্তুত ছিল না।
কিন্তু ন্যাশ? সে টিকে ছিল। 💪
⸻
আজ, ২০২৫ সালে, ন্যাশ এক বছর পূর্ণ করল—
এখন পর্যন্ত বেঁচে থাকা সবচেয়ে অপরিণত অবস্থায় জন্ম নেওয়া শিশু। 💛
সে এখনও ক্যানুলার সাহায্যে শ্বাস নেয়,
এখনও ছোট একটি টিউবের মাধ্যমে খাবার পায়।
কিন্তু তার ইচ্ছাশক্তি? অদম্য। ⚡
সে ইতিমধ্যেই দাঁড়াতে শেখার চেষ্টা করছে।
হাসছে—এমন চোখে, যা অনেকের চেয়েও বেশি কিছু দেখেছে।
বাঁচছে—যেন সে জানে, সে একটি যুদ্ধ জিতে নিয়েছে।
তার মা এই যাত্রার গল্প সবার সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন—
কারণ ন্যাশ শুধু একটি শিশু নয়।
সে আশা।
সে বিজ্ঞান।
সে ভালোবাসা।
সে এক অলৌকিক ঘটনা। 🌈
🙏 ধন্যবাদ সেই ডাক্তার ও নার্সদের, যারা কখনও হাল ছাড়েননি।
ধন্যবাদ সেই পরিবারকে, যারা বিশ্বাস আঁকড়ে ধরেছিল।
আর ধন্যবাদ তোমাকে, ন্যাশ—
প্রমাণ করে দেওয়ার জন্য যে,
জীবন যদি মাত্র ২৮০ গ্রাম থেকেও শুরু হয়,
তবু তা বহন করতে পারে অসাধারণ এক গল্প।