এই মহিলার নাম রওশন খাতুন। তিন সন্তানের মা। বয়স ৪০ বছর। সে ছিল পবিত্র কুরআনের হাফেজা। নিয়মিত নামাজ আদায় করতেন। পর্দাও করতেন।
সেদিনও তিনি রোজা রেখেছিলেন। বিহার রাজ্যের মধুবনী জেলার এক গ্রাম প্রধান তাকে ডেকে নেয়। জমি সংক্রান্ত বিরোধ মীমাংসার জন্য গ্রামের প্রধান কুমারী দেবীর বাড়িতে যান।
প্রধানের স্বামী ও ছেলের নেতৃত্বে একদল লোক খাতুনকে চেপে ধরে লাথি ও ঘু%ষি দিতে থাকে। পরে প্রধানের নির্দেশে তাকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে আরও মা-র-ধ-র করা হয়।
একপর্যায়ে রৌশন খাতুন একটু পানি চান। তিনি যখন পানি চান, তখন কেউ একজন বলে তাকে ম%দ মিশ্রিত প্রস্রাব দিতে।
তারা তাকে প্র-স্রা-ব দিয়েছে। সেই প্র-স্রা-ব দিয়ে মুখ ধুয়ে সেই প্র-স্রা-ব পান করতে তাকে বাধ্য করা হয়। রোজা ভাঙার জন্য ভারতের এক মুসলিম নারীর জন্য এটাই ছিল আয়োজন।
এগুলো নিয়ে কথা বললে দেখবেন তথা কথিত সুশিলরা চুপ থাকবে। শেয়ার করে সবাইকে জানিয়ে দিন।