নেটে যা ধরা পড়েছিল, তা মনে হচ্ছিল পৃথিবীর নয়। 🌊🧠
ফেব্রুয়ারি ২০২৫ সালে, রাশিয়ার মুরমানস্ক থেকে ট্রলার চালিয়ে আসা জেলে রোমান ফেডোর্তসভ এমন এক জীব ধরা ফেললেন যা খুব কম মানুষই জীবিত দেখতে পায়—সমুদ্রের ‘ট্যুইলাইট জোন’-এর একটি অদ্ভুত প্রাণী।
প্রাণীটি ছিল স্মুথ লাম্পসাকার।
এটির দেহ ধূসর, ফোলা, এবং অদ্ভুতভাবে মস্তিষ্কের মতো দেখায়। ছোট ছোট চকচকে চোখ। শিথিল চোয়াল, যা যেন নীরব চিৎকার করছে। ভিডিওটি দ্রুত অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে, অনেকেই মনে করে এটি যেন এলিয়েনের মতো। 👽
কিন্তু আসল গল্পটি হলো চাপের।
এই প্রজাতি প্রায় ১,৭০০ মিটার গভীরে বাস করে, যেখানে প্রচণ্ড চাপ মানুষের দেহকে মুহূর্তের মধ্যে ধ্বংস করে দেবে। যখন মাছটি হঠাৎ করে উপরে তোলা হয়, তখন চাপে হঠাৎ হ্রাসের কারণে তার টিস্যু খুব বেশি প্রসারিত হয়ে বিকৃত আকৃতি নেয়, যা ফেডোর্তসভ ভিডিওতে ধারণ করেছিলেন। ⚠️
স্মুথ লাম্পসাকারদের কোনো পাতা নেই। তারা দুর্বল সাঁতারু, অন্ধকারে ভেসে যায়, শিকার করে না। পেটের তলে থাকা সাকশন ডিস্ক দিয়ে তারা চट्टানের সাথে লেগে থাকে এবং জেলিফিশ ও অন্যান্য জেলি-জাতীয় জীব খেয়ে বেঁচে থাকে।
প্রথমবার ১৭৬৯ সালে নথিভুক্ত এই প্রজাতি এতটাই রহস্যময়, যে অধিকাংশ সমুদ্রবিজ্ঞানী তাদের পুরো ক্যারিয়ারে কখনো দেখতে পাবেন না।
গভীর সাগরকে এলিয়েন মনে করার জন্য কল্পনার প্রয়োজন নেই।
এটি নিজেই অচেনা।