আইওএস, আইপ্যাডওএস ও ম্যাকওএসের নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করল অ্যাপল
***********************************************************************
আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সাইবার হামলা থেকে রক্ষা করতে আইওএস, আইপ্যাডওএস ও ম্যাকওএসের সর্বশেষ সংস্করণে থাকা নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করেছে অ্যাপল। এবারই প্রথম হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত না করে অপারেটিং সিস্টেমগুলোয় থাকা নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করা হয়েছে। আইফোন, আইপ্যাড ও ম্যাক কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের সেটিংস অপশন থেকে নিরাপত্তা হালনাগাদ করতে পরামর্শও দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করতে সাধারণত অপারেটিং সিস্টেমের হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত করে থাকে অ্যাপল। কিন্তু এবার প্রথমবারের মতো ‘র্যাপিড সিকিউরিটি রেসপন্স’ সুবিধার আওতায় অপারেটিং সিস্টেমের নিরাপত্তা হালনাগাদ করেছে অ্যাপল। নতুন এ সুবিধা চালুর ফলে গত মাসে উন্মুক্ত হওয়া আইওএস ১৬.৪.১, আইপ্যাড ১৬.৪.১ ও ম্যাকওএস ১৩.৩.১ অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহারকারীরা সাইবার হামলা থেকে নিরাপদে থাকবেন বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
উল্লেখ্য, গত বছর নিজেদের বার্ষিক ডেভেলপার সম্মেলনে প্রথম ‘র্যাপিড সিকিউরিটি রেসপন্স’ সুবিধা চালুর ঘোষণা দিয়েছিল অ্যাপল। সে সময় প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, অপারেটিং সিস্টেম থাকা ছোট বা কম ক্ষতিকর ত্রুটিগুলো এই নিরাপত্তা হালনাগাদের মাধ্যমে সমাধান করা হবে। ফলে নিরাপত্তা ত্রুটি দূর করার জন্য পরবর্তী সংস্করণ উন্মুক্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।
সূত্র: মেইল অনলাইন
Source: প্রথম আলো
গুগল মেসেজে দ্রুত ছবি পাঠানোর সুবিধা
***********************************************************************
দ্রুত ছবি পাঠানোর জন্য গত মাসে ‘সেন্ড ফটোজ ফাস্টার’ নামে একটি সুবিধা চালু করে গুগল মেসেজ। এখন দ্রুত ছবি পাঠানোর এ সুবিধা আরও বিস্তৃত পরিসরে গ্রাহকের জন্য উন্মুক্ত করছে গুগল।
গুগল মেসেজেস অ্যাপের সেটিংস মেনুতে নতুন একটি টগলে ‘সেন্ড ফটোজ ফাস্টার’ সুবিধাটি পাওয়া যাবে। সুবিধাটি সেন্ড ফটোজ ফাস্টার নামেও খুঁজে পাওয়া যাবে। এর নামের সঙ্গে বিবরণে লেখা রয়েছে, দ্রুত ছবি পাঠানোর জন্য রেজল্যুশন কমে যাবে। এ সেবা রিচ কমিউনিকেশন সার্ভিস বা আরসিএস মেসেজের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
আরসিএসে সাধারণ এসএমএসের থেকে উন্নত সুবিধা পাওয়া যায়। অ্যান্ড্রয়েডে এ সুবিধা ব্যবহার করা যাবে। মোবাইল ডেটা বা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক থেকে আরসিএস মেসেজ পাঠালে প্রেরক মেসেজ করছেন কি না, প্রাপক মেসেজ পড়েছেন কি না, তা দেখা যায়। এ ছাড়া উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি পাঠানোরও সুযোগ রয়েছে।
নাইন টু ফাইভ গুগল বলছে, সেন্ড ফটোজ ফাস্টার চালু হলে ফাইলের আকাট ৬০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। এ সেবায় পাঠানো ছবির মান হ্রাস পরবর্তীকালে জুম করলেই বোঝা যায়। এ ছাড়া পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শেষে এখন আরসিএস গ্রুপ চ্যাটে মেসেজে এন্ড টু এন্ড এনক্রিপশন নিরাপত্তাসুবিধা চালু করতে যাচ্ছে গুগল। আগে এ সুবিধা নির্দিষ্ট একজনের সঙ্গে চ্যাটিংয়ে উন্মুক্ত ছিল।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নিয়ে পরীক্ষামূলক উদ্যোগ
***********************************************************************
শুধু ‘ক্লোজ ফ্রেন্ড’ অর্থাৎ নির্বাচিত বন্ধুরা পোস্ট দেখতে পারবেন এমন সুবিধা নিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম চালাচ্ছে ইনস্টাগ্রাম। এর ফলে ইনস্টাগ্রামের পোস্ট সবার জন্য উন্মুক্ত না হয়ে শুধু ক্লোজ ফ্রেন্ডরা দেখতে পারবেন।
প্রযুক্তি–গবেষক অ্যালেজান্দ্রো পালুজ্জি বলছেন, ব্যবহারকারীরা ইনস্টাগ্রাম ফিডে কোনো পোস্ট করার ক্ষেত্রে অডিয়েন্স নামে একটি ট্যাব দেখতে পারবেন। এ ট্যাবে ‘এভরিওয়ান’ ও ‘ক্লোজ ফ্রেন্ড’ নামের আলাদা দুটি অপশন দেখা যাবে। এভরিওয়ান চালু করলে সবাই পোস্টটি দেখতে পারবেন এবং ক্লোজ ফ্রেন্ড চালু করলে শুধু নির্বাচিত বন্ধুরাই পোস্টটি দেখতে পারবেন। এ সুবিধা চালুর ফলে এখন ইনস্টাগ্রামের ফিড ও স্টোরিতে নির্বাচন করা বন্ধুদের সঙ্গে ছবি, ভিডিও বা আধেয় শেয়ার করা যাবে।
তবে সুবিধাটি কবে নাগাদ চালু হবে এ নিয়ে বিস্তারিত কোনো তথ্য এখনো জানা যায়নি। এদিকে ইনস্টাগ্রাম পোস্টে ছবি শেয়ার করার সময় গান যোগ করার সুবিধা সম্প্রতি চালু হয়েছে। এমনকি ফটো ক্যারোসেল ও নোটসে গান যোগ করার সুবিধা নিয়ে পরীক্ষামূলক কার্যক্রমও চালাচ্ছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি।
সূত্র: বিজিআর
Source: প্রথম আলো
হাইব্রিড গাড়িতে তেল খরচ কত কম
***********************************************************************
জ্বালানি খরচ বাঁচাতে ও পরিবেশবান্ধব গাড়ি হিসেবে হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা বেশ। হাইব্রিড গাড়িগুলোতে প্রচলিত জ্বালানি, মানে তেলের পাশাপাশি বিদ্যুৎ–শক্তি ব্যবহৃত হয়। সাধারণত বৈদ্যুতিক মোটরের সাহায্যে ব্যাটারিতে জমানো শক্তি খরচ করে হাইব্রিড গাড়ি চলে। এ সময় ইঞ্জিন বন্ধ থাকায় তেল খরচ হয় না। গাড়ি বিদ্যুৎ–শক্তিতে এগিয়ে চলে।
হাইব্রিড গাড়িকে আলাদা কোনো চার্জারের সাহায্যে চার্জ দিতে হয় না। হাইব্রিড গাড়ির উন্নত সংস্করণ হচ্ছে প্লাগ–ইন হাইব্রিড ভেহিক্যাল বা পিএইচইভি। এ ধরনের গাড়িগুলো চার্জারের সাহায্যে বিদ্যুৎ–শক্তি সঞ্চয় করে ব্যাটারির মাধ্যমে কোনো ধরনের জ্বালানি খরচ না করে সর্বোচ্চ ৮০ কিলোমিটার গতিবেগে চলতে পারে। হাইব্রিড গাড়িতে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হয়, সেটি জেনে নেওয়া যাক।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি তেলের সমন্বয়ে চালিত বাহনের নাম হাইব্রিড গাড়ি। এসব গাড়িতে মূল চালিকাশক্তি হিসেবে হাইব্রিড ব্যাটারি ও বিকল্প শক্তি হিসেবে জ্বালানি তেল ব্যবহৃত হয়। হাইব্রিড ব্যাটারির সাহায্যে এ ধরনের গাড়ি চালু হয় এবং ব্যাটারির চার্জ শেষ হয়ে গেলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইঞ্জিন চালু হয়। ব্যাটারির শক্তি গাড়ির জন্য যথেষ্ট না হলে হাইব্রিড ব্যাটারি ও ইঞ্জিন যৌথভাবে শক্তি উৎপাদন করে এবং গাড়ির চাকা গতিশীল রাখে। ব্যাটারি চাকার ঘূর্ণনগতি এবং ইঞ্জিনের পরিত্যক্ত কর্মশক্তি থেকে চার্জ সংগ্রহ করে। পাওয়ার কন্ট্রোল ইউনিট বা পিসিইউ নামের অত্যাধুনিক যন্ত্র এই পুরো কাজ করে থাকে। এ জন্য চালককে আলাদা কোনো সুইচ চাপতে হয় না।
ব্যাটারিতে চলা অবস্থায় গাড়ির ইঞ্জিন যেহেতু বন্ধ থাকে, সেহেতু তখন পরিবেশদূষণের মাত্রাও কমে যায়। সাধারণ গাড়ির তুলনায় হাইব্রিড গাড়ি কতটা জ্বালানি সাশ্রয় করে, তা গাড়ির কর্মক্ষমতার পাশাপাশি গাড়ির সার্বিক অবস্থা, চালনার ধরন, সড়ক এবং আসল যন্ত্রাংশ ও তেল ব্যবহার করার ওপর নির্ভর করে। হাইব্রিডের মধ্যে টয়োটার অ্যাকুয়া গাড়িকে মাইলেজের রাজা হিসেবে ধরা হয়। আকারে ছোট এবং ওজন কম হওয়ায় সাধারণ গাড়ির তুলনায় এই গাড়িগুলোর জ্বালানি খরচ প্রায় অর্ধেক।
মহাসড়ক ও শহর—এই দুই জায়গায় কতটা জ্বালানি খরচ করবে, তার ওপর নির্ভর করে গাড়ি প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতি কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে কতটা জ্বালানি খরচ করবে, তা নির্ধারণ করে। এ ক্ষেত্রে শহরের যানজট ও মহাসড়কের রাস্তার অবস্থা অনুসারেও জ্বালানির খরচে তারতম্য হয়। হাইব্রিড গাড়ি নির্মাণে জাপানি গাড়ি নির্মাতা টয়োটা ও হোন্ডা পথিকৃৎ হিসেবে স্বীকৃত। টয়োটা বা হোন্ডার নির্মিত নন–হাইব্রিড গাড়ি এক লিটার জ্বালানি খরচ করে যতটা পথ অতিক্রম করতে পারে, তাদের তৈরি প্রস্তুতকারকের হাইব্রিড গাড়ির মাইলেজ সে ক্ষেত্রে দ্বিগুণ হয়।
দেশের বাজারে মধ্যম বাজেটে টয়োটার এক্সিও মডেলের রাজত্ব লক্ষণীয়। একটি নন–হাইব্রিড এক্সিও ঢাকার রাস্তায় প্রতি লিটার জ্বালানি তেলে সাধারণত ৭ থেকে ৯ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে; মহাসড়কে যা ১৫-১৬ কিলোমিটার পর্যন্ত বেড়ে যায়। ওদিকে একটি এক্সিও হাইব্রিড গাড়ি প্রতি লিটার জ্বালানি তলে শহরে ১৫ থেকে ১৭ কিলোমিটার এবং মহাসড়কে ২৭ থেকে ৩০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে পারে। নিয়মিত পরিচর্যা, নিরবচ্ছিন্নভাবে থ্রটল চেপে রাখা অথবা ক্র্যুজ কন্ট্রোলের ব্যবহার, গাড়ির সঠিক টায়ার প্রেশার, অতিরিক্ত মালামাল বা যাত্রী বহন না করে হাইব্রিড গাড়িতে প্রতি লিটার জ্বালানি খরচ করে ৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত পথ পাড়ি দেয়ার অভিজ্ঞতাও রয়েছে চালকদের।
গাড়ির আকার এবং ওজন অনুসারে টয়োটা অ্যাকুয়ার পরে বেশি মাইলেজ মেলে হোন্ডা ফিটে। এ ছাড়া ১৫০০ সিসি বা ১.৫ লিটার ঘরানার গাড়িতে টয়োটা এক্সিও, ফিল্ডার, সিয়েন্টা, হোন্ডা গ্রেসেও ভালো মাইলেজ পাওয়া যায়। ১৮০০ সিসি বা ১.৮ লিটার ঘরানায়ও রয়েছে বেশ কিছু জ্বালানি সাশ্রয়ী হাইব্রিড গাড়ি। টয়োটা প্রিয়াস, প্রিয়াস আলফা, প্রিয়াস প্লাগ-ইন হাইব্রিড (পিএইচইভি), নোয়াহ, এসকুয়ার, ভক্সি, করোলা অলটিস, করোলা ক্রস, র্যাভ–৪ অন্যতম। ২৫০০ সিসি বা ২.৫ লিটার শ্রেণিতে রয়েছে টয়োটা ক্যামরি, ভেলফায়ার এবং আলফ্রাডসহ বিভিন্ন মডেলের গাড়ি। মিতসুবিশির রয়েছে আউটল্যান্ডার পিএইচইভি। টয়োটার হাইব্রিড গাড়িতে পঞ্চম প্রজন্মের হাইব্রিড সিস্টেম তথা হাইব্রিড সিনার্জি সিস্টেম (এইচএসডি) ব্যবহৃত হয়। এতে ব্যাটারির সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করার পাশাপাশি অপেক্ষাকৃত কম ওজনের নিকেল মেটাল বা লিথিয়াম ব্যাটারি থাকায় ফলে বেশি মাইলেজ পাওয়া যায়।
হাইব্রিড গাড়িগুলোর ব্যাটারিতে প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো দুই লাখ কিলোমিটার পর্যন্ত বিক্রয়োত্তর সেবা প্রদান করে থাকে। একটি হাইব্রিড ব্যাটারির জীবনকাল সর্বোচ্চ ১০ বছর। সে হিসেবে হাইব্রিড গাড়ি জ্বালানি খরচকে অর্ধেকে নামিয়ে দিতে পারে। ১০ বছর নিয়মিতভাবে গাড়ি চালালে জ্বালানি খরচ কয়েক লাখ টাকা পর্যন্ত সাশ্রয় করা যাবে।
Source: প্রথম আলো
স্প্যাম কল থেকে মুক্তি দিতে নতুন সুবিধা পরখ করছে হোয়াটসঅ্যাপ
***********************************************************************
বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা ব্যক্তি নিজেদের পণ্য বা সেবার প্রচারণায় নিয়মিত অডিও কল করেন হোয়াটসঅ্যাপে। এসব স্প্যাম কলের কারণে মাঝেমধ্যেই বিব্রতকর সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। শুধু তা–ই নয়, স্প্যাম কলের কারণে প্রতারণার শিকার হন অনেকে। ব্যবহারকারীদের স্প্যাম কল থেকে রক্ষা করতে ‘সাইলেন্স আননোন কলারস’ নামের নতুন সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে হোয়াটসঅ্যাপ। এরই মধ্যে অ্যান্ড্রয়েড বেটা সংস্করণ ব্যবহারকারীদের ওপর এ সুবিধার কার্যকারিতা পরখ শুরু করেছে মেটার মালিকানাধীন অ্যাপটি। সবকিছু ঠিক থাকলে শিগগিরই এ সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
সাইলেন্স আননোন কলারস সুবিধা চালু হলে অপরিচিত ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান কল করলে ব্যবহারকারীদের ফোনে রিং বাজবে না। এমনকি কোনো সতর্কবার্তাও দেখাবে না হোয়াটসঅ্যাপ। ফলে স্প্যাম কলগুলো ব্যবহারকারীদের নজর এড়িয়ে যাবে। ব্যবহারকারীদের সাড়া না পাওয়ার ফলে ধীরে ধীরে স্প্যাম কলের সংখ্যা কমে যাবে।
অ্যান্ড্রয়েড বেটা সংস্করণের তথ্যমতে, হোয়াটসঅ্যাপের সেটিংসে থাকা প্রাইভেসি অপশনে প্রবেশ করে সাইলেন্স আননোন কালারস টগল সুবিধা চালু করতে হবে। এ সুবিধা চালু করলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অপরিচিত ফোন নম্বর থেকে হোয়াটসঅ্যাপে কল এলেও ফোনে রিং বাজে না। চাইলে টগলটি বন্ধও করা যায়। ফলে গুরুত্বপূর্ণ কাজের সময় স্প্যাম কলের যন্ত্রণা থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।
উল্লেখ্য, বর্তমানে পরিচিত বা অপরিচিত যেকোনো ব্যক্তিকে ব্লক করা যায় হোয়াটসঅ্যাপে। এ ছাড়া স্প্যাম কলের বিরুদ্ধে অভিযোগেরও সুযোগ মিলে থাকে। নতুন এ সুবিধা চালু হলে স্প্যাম কল থেকে মুক্তি পাওয়ার পাশাপাশি কোনো ব্যক্তিকে ব্লক না করেও এড়িয়ে চলা যাবে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
কনসার্টের মঞ্চে গিটার ভাঙার নেপথ্যে
***********************************************************************
হলভর্তি দর্শকের সামনে গিটার ভেঙে খানখান করছেন গিটারিস্ট—বিশ্বের খ্যাতনামা রক ব্যান্ডের ভক্তদের কাছে দৃশ্যটি চিরচেনা হলেও দেশের কনসার্টে এমন দৃশ্যের খুব একটা দেখা মেলে না।
গত শুক্রবার ঢাকার ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন সিটি বসুন্ধরায় (আইসিসিবি) আয়োজিত ‘রক অ্যান্ড রিদম ৩.০; ট্রিবিউট ফিয়েস্তা’ কনসার্টে গিটার ভেঙে আলোচনায় এসেছে আরবোভাইরাস ব্যান্ড। প্রায় আট হাজার শ্রোতা সামনে রেখে আধা ঘণ্টার পরিবেশনা ছিল ব্যান্ডটির। পরিবেশনার শেষ ভাগে মঞ্চে গিটারিস্ট সুহার্তো শেরিফকে একটি গিটার ভাঙতে দেখা যায়—ফেসবুকের কল্যাণে ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে দেখা গেছে, সুহার্তো শেরিফ তাঁর গিটার ভেঙে টুকরো টুকরো করছেন। ব্যান্ডের বাকি সদস্যেরাও অন্যান্য বাদ্যযন্ত্র ভাঙছেন। তাঁকে ঘিরে রেখেছেন উৎসাহী দর্শকেরা, দর্শকের অনেকে দৃশ্যটি মুঠোফোনে ধারণ করতে মঞ্চে উঠে পড়েন। ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে প্রশ্ন করছেন, সেদিন কী ঘটেছিল? সুহার্তো গিটার ভাঙছেন কেন?
ভিডিওটি নিয়ে আলোচনার মধ্যে সুহার্তো শেরিফের সঙ্গে কথা বলেছে প্রথম আলো। আজ রোববার সন্ধ্যায় তিনি মুঠোফোনে প্রথম আলোকে জানান, এটি একটি স্টেজ অ্যাক্ট, পরিবেশনার অংশ হিসেবে গিটারটি ভেঙেছেন তিনি।
দেশের রক ব্যান্ডের পরিবেশনায় গিটার ভাঙার নজির খুব বেশি নেই। ফলে গিটার ভাঙার ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ার পর অনেকে খটকা লাগার কথা বলেছেন। আবার অনেকের কাছে দৃশ্যটি চেনা। বিশেষ করে যাঁরা বাইরের রক ব্যান্ডের কনসার্টগুলো নিয়মিত দেখেন, তাঁদের কাছে এটি অনেকটা গা–সওয়া ব্যাপারে পরিণত হয়েছে।
গানস অ্যান্ড রোজেসের গিটারিস্ট স্ল্যাশ, কিংবদন্তি গিটারিস্ট জিমি হেন্ডরিক্স, নির্ভানা ব্যান্ডের কার্ট কোবেইনকে মাঝেমধ্যে মঞ্চে গিটার ভাঙতে দেখা গেছে।
বিশ্বখ্যাত গিটারিস্টদের গিটার ভাঙার দৃশ্য দেখে অনুপ্রেরণা পেয়েছেন সুহার্তো শেরিফ। বিষয়টি আরও খোলাসা করে সুহার্তো বললেন, ‘যাঁরা টিকিট কেটে কনসার্টে এসেছিলেন, সেটি (গিটার ভাঙার পরিবেশনা) শুধু তাঁদের জন্যই ছিল। কনসার্টে সবাই সেটিকে আপ্রিশিয়েট করেছেন, ভিডিও করেছেন। আমরা লিনকিন পার্ককে ট্রিবিউট দিচ্ছিলাম। পুরো বিষয়টি শোয়ের একটি অংশ। এটি বিশ্বজুড়ে করা হয়।’
সুহার্তোর ভাষ্যে, ‘মঞ্চে আমাদের ৩০ মিনিটের একটি প্রোডাকশন ছিল। এটি (গিটার ভাঙা) তারই অংশ। এটি ভেন্যুর দর্শকের জন্য একটি এক্সপেরিয়েন্স। এটা নিয়ে বাইরের যাঁরা কথা বলছেন, তাঁদের কথার কোনো মূল্য নেই। তাঁরা কেন কথা বলছেন, বুঝলাম না।’
আরবোভাইরাসের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের একজন সুহার্তো। দুই দশক ধরে ব্যান্ডটির সঙ্গে জড়িয়ে আছেন সুহার্তো। এবারই প্রথম নয়, এর আগেও কনসার্টে গিটার ভেঙেছেন তিনি। ২০১৪ সালে রক নেশন কনসার্টে প্রথমবার গিটার ভাঙতে দেখা গেছে সুহার্তোকে। তার প্রায় আট বছর পর কোনো কনসার্টে দ্বিতীয়বারের মতো গিটার ভাঙতে দেখা গেল তাঁকে। মাঝে ‘ভেঙে ফেলো’ গানের ভিডিওচিত্রে গিটার ভাঙতে দেখা গেছে আরবোভাইরাসের সদস্যদের।
আরবোভাইরাসের বাইরে আর কোনো ব্যান্ড কনসার্টে গিটার ভেঙেছে কি না, তা জানা যায়নি। অনেকে দাবি করছেন, প্রতিবাদের অংশ হিসেবে গিটার ভাঙেন গিটারিস্টরা। তবে তা মানতে নারাজ সুহার্তো, এমনটি তিনি শোনেননি।
Source: প্রথম আলো
যে কারণে ৮৪ কোটি টাকা ফেরত দিলেন ‘পাঠান’ নির্মাতা
***********************************************************************
‘ওয়ার’–এরপর ‘পাঠান’ও সুপারহিট। বলিউড নির্মাতা সিদ্ধার্থ আনন্দের সময়টা তাই ভালোই যাচ্ছে। ভারতের সব বড় প্রযোজনা সংস্থা সিদ্ধার্থ আনন্দের সঙ্গে কাজ করতে মুখিয়ে আছে। এর মধ্যেই প্রভাসকে নিয়ে সিদ্ধার্থ আনন্দের সঙ্গে সিনেমার পরিকল্পনা করে একটি প্রযোজনা সংস্থা। ছবিটি নিয়ে সিদ্ধার্থের সঙ্গে চুক্তি পর্যন্ত হয়ে গিয়েছিল। তবে টাইমস অব ইন্ডিয়া জানিয়েছে, ছবিটি করছেন না সিদ্ধার্থ। ছবিটির জন্য নেওয়া পারিশ্রমিকও ফেরত দিয়েছেন তিনি।
‘বাহুবলী’র পর কেবল দক্ষিণে নয়, ভারত জুড়েই প্রভাস অন্যতম জনপ্রিয় তারকা। অন্যদিকে পরপর দুটি ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা দিয়ে প্রযোজকদের চাহিদার শীর্ষে সিদ্ধার্থ আনন্দ।
তাই মৈত্রী নামে একটি প্রযোজনা সংস্থা সিনেমা নির্মাণের জন্য সিদ্ধার্থর সঙ্গে চুক্তি করে। পারিশ্রমিক বাবদ তাঁকে ৬৫ কোটি রুপি (প্রায় ৮৪ কোটি টাকা) দেওয়া হয়।
কিন্তু প্রভাসকে নিয়ে সিদ্ধার্থ আনন্দের সিনেমাটি শেষ পর্যন্ত হচ্ছে না। কারণ, নায়ক ও পরিচালকের শিডিউল জটিলতা।
প্রভাস ও সিদ্ধার্থ কিছুতেই তাঁদের সময় মেলাতে পারছেন না। তাই শেষ পর্যন্ত চুক্তিটি বাতিল করেছেন সিদ্ধান্ত। পারিশ্রমিক বাবদ অগ্রিম নেওয়া ৬৫ কোটি রুপিও ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। যদিও এ নিয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সিদ্ধার্থ এখন হৃতিক রোশান ও দীপিকাকে নিয়ে ‘ফাইটার’ ছবির শুটিংয়ে ব্যস্ত। এটি শেষ করে শুরু করবেন শাহরুখ খান ও সালমান খানকে নিয়ে ‘টাইগার ভার্সেস পাঠান’।
অন্যদিকে প্রভাসের নতুন ছবি ‘আদিপুরুষ’ মুক্তি পাবে আগামী মাসে। এ ছাড়া তাঁর হাতে আছে ‘প্রজেক্ট কে’সহ আরও কয়েকটি ছবি।
Source: প্রথম আলো