ব্রাউজারের বাজারে কে এগিয়ে গুগল ক্রোম, সাফারি না ফায়ারফক্স
***********************************************************************
চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৬৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বৈশ্বিক ব্রাউজার বাজারের শীর্ষে রয়েছে গুগল ক্রোম। ওয়েব বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটকাউন্টারের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। গত বছর অ্যাপলের সাফারি ব্রাউজারকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ডেস্কটপ ব্রাউজার হিসেবে স্থান পেয়েছিল মাইক্রোসফট এজ। তবে এ বছরের নতুন তথ্য অনুসারে, অ্যাপলের সাফারি আবারও দ্বিতীয় স্থান ফিরে পেয়েছে।
এপ্রিল পর্যন্ত তথ্যে দেখা যায়, কম্পিউটারে ব্যবহৃত ব্রাউজারে ৬৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে গুগল ক্রোম। এরপর ১১ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপলের সাফারি। ১১ শতাংশ শেয়ার নিয়ে এরপরই রয়েছে মাইক্রোসফট এজ। ফায়ারফক্স, অপেরা ও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের শেয়ার যথাক্রমে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফট এজ ও সাফারি ব্রাউজারের থেকেও তালিকার ওপরে অবস্থান ছিল ফায়ারফক্সের। তবে এখন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছে ফায়ারফক্স। বলা হচ্ছে, মাইক্রোসফট এজের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ হলো এআইভিত্তিক বিং সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার।
গুগল ক্রোম ব্রাউজার সর্বাধিক শেয়ার নিয়ে শীর্ষে থাকলেও গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় এ বছরের এপ্রিলে শেয়ার কমেছে দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর এপ্রিলে গুগল ক্রোমের শেয়ার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সূত্র: বিজিআর
Source: প্রথম আলো
উবারে মুঠোফোনই বেশি ভুলে ফেলে যান যাত্রীরা
***********************************************************************
অ্যাপভিত্তিক পরিবহনসেবা উবারে বাংলাদেশের যাত্রীরা ভুলে মুঠোফোন বেশি ফেলে যান। আজ ঢাকায় প্রকাশিত উবারের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্সের সপ্তম (২০২৩ সালের) সংস্করণে এ তথ্য জানা যায়। ২০২২ সালে বাংলাদেশে উবার ব্যবহারকারীরা কোন জিনিসপত্র উবারে সবচেয়ে বেশি ফেলে রেখে গেছেন এবং দিনের কোন সময়ে, সপ্তাহের কোন দিনে ও বছরের কোন সময়ে হারানো জিনিস সম্পর্কে জানিয়েছেন—এসব তথ্য পাওয়া যাবে এই ইনডেক্সে। আজ উবার বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
হারানো ও প্রাপ্তির এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর ঈদের মৌসুমে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি জিনিস ভুলে উবারের গাড়িতে ফেলে রেখে গেছেন। মুঠোফোন ও ক্যামেরা ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা বেশি সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে।
গত বছর সারা দেশে যাত্রীদের ফেলে যাওয়া জিনিসপত্রের তালিকায় প্রথম দুটি স্থানে ছিল ফোন ও ব্যাগ। তালিকায় এরপরই ছিল মানিব্যাগ বা ওয়ালেট, হেডফোন ও কাগজপত্র। ল্যাপটপ ফেলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
উবারের বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারত প্রধান আরমানুর রহমান বলেন, ‘চলার পথে গাড়িতে কিছু হারিয়ে ফেলার দুঃখজনক অনুভূতির সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। প্রত্যেক যাত্রীর ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের গুরুত্ব আমরা বুঝি। হারানো জিনিস খুঁজে পেতে উবারের কিছু ইন-অ্যাপ অপশন আছে। এ ব্যাপারে যাত্রীদের জানানোর জন্য “লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্স”একটি কার্যকর পদ্ধতি। যাত্রীদের আমরা বলতে চাই, গাড়ি থেকে নামার আগে সব জিনিস সঙ্গে নিয়ে নামতে ভুলবেন না। যদি ভুল করে কিছু ফেলেও যান, আপনাকে সাহায্য করতে আমরা সব সময় প্রস্তুত।’
উবারের গাড়িতে কিছু ফেলে গেলে কী করবেন
গাড়িতে ফেলে যাওয়া কোনো কিছু ফেরত পাওয়ার কার্যকর উপায় হলো চালককে কল করা।
* উবার অ্যাপে ‘ইয়োর ট্রিপস’ অপশনে ট্যাপ করুন। যে ট্রিপে আপনার জিনিসটি হারিয়ে গেছে, তা সিলেক্ট করুন।
* নিচে ‘ফাইন্ড লস্ট আইটেম’-এ ট্যাপ করুন।
* ‘কন্ট্যাক্ট ড্রাইভার অ্যাবাউট আ লস্ট আইটেম’-এ ট্যাপ করুন।
* স্ক্রল করে নিচে যান। আপনার ফোন নম্বর লিখুন। সাবমিট অপশনে ট্যাপ করুন।
* যদি নিজের ফোন হারিয়ে যায়, তাহলে আপনার বন্ধুর ফোন নম্বর ব্যবহার করুন (এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার বা বন্ধুর ফোন থেকে নিজের উবার অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে)।
* আপনার ফোন বেজে উঠবে এবং আপনার চালকের মুঠোফোন নম্বরের সঙ্গে আপনাকে সরাসরি যুক্ত করে দেওয়া হবে।
* যদি চালক ফোন ধরেন এবং নিশ্চিত করেন যে আপনার জিনিসটি পাওয়া গেছে, সেটি ফিরিয়ে নিতে উভয়ের জন্য সুবিধাজনক একটি সময় ও স্থান নির্বাচন করুন।
* যদি চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, আপনার হারানো জিনিসটির বিস্তারিত বর্ণনা এবং আপনার সঙ্গে যোগাযোগের উপায় জানিয়ে চালককে একটি ভয়েস মেইল পাঠিয়ে রাখুন।
দেশে উবারের যাত্রীদের ফেলে যাওয়া পাঁচটি জিনিস
* মুঠোফোন
* ব্যাগ
* ওয়ালেট
* হেডফোন
* কাগজপত্র
কোন দিন বেশি জিনিস ভুলে রেখে যান
• শুক্রবার
বছরের যে দিনগুলোতে বেশিসংখ্যক জিনিস উবারে পাওয়া গেছে
• ৬ আগস্ট ২০২২
• ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
• ৬ মার্চ ২০২৩
• ২২ এপ্রিল ২০২৩
• ২৩ এপ্রিল ২০২৩
সপ্তাহের কোন দিনে বেশি কী হারিয়েছে
• শুক্র, শনি ও বুধবার: মুঠোফোন ও ক্যামেরা।
• সোমবার: হেডফোন।
• রবি ও মঙ্গলবার: ওয়ালেট ও কার্ড হোল্ডার।
• বৃহস্পতিবার: ল্যাপটপ।
দিনের কোন সময়ে বেশি হারানোর ঘটনা ঘটে
১. বেলা ১টা।
২. সকাল ৯টা।
৩. বিকেল ৪টা।
যে শহরে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি জিনিস হারিয়েছেন
• ঢাকা
Source: প্রথম আলো
চ্যাটজিপিটির প্রয়োজনীয় ১০ ব্যবহার
***********************************************************************
ওপেন এআইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি এখন দৈনন্দিন নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ চ্যাটবট বিভিন্ন ধরনের কাজ করতেও সক্ষম। যদিও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংস্থায় এরই মধ্যে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজ সহজে করতে এই এআই টুলের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। দেখে নেওয়া যাক চ্যাটজিপিটির প্রয়োজনীয় ১০ ব্যবহার।
তথ্য সংগ্রহ
সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক তথ্য, বিজ্ঞানবিষয়ক ধারণা বা আগ্রহের যেকোনো বিষয়ে বিস্তৃত পরিসরে তথ্য সংগ্রহ করতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চ্যাটবটটিকে এ–সংক্রান্ত প্রশ্ন করলে সেটি সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ও সঠিক তথ্য দিতে পারে। তবে চ্যাটজিপিটি ২০২১ সালের পরের কোনো তথ্য দিতে পারে না।
নতুন ভাষা শেখা
ভাষা শেখার জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। বিভিন্ন ভাষায় এই চ্যাটবটের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে কোনো ভাষায় দক্ষতা বাড়ানোর চর্চা করার সুযোগ রয়েছে।
লেখার কাঠামো তৈরি
গল্প, কবিতা বা প্রবন্ধের মতো সৃজন ও মননশীল লেখার কাঠামো তৈরিতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চ্যাটজিপিটিতে কোনো বিষয় লিখে কাঠামো সম্পর্কে ধারণা চাইলে চ্যাটবটটি বিস্তৃত পরিসরে ধারণা ও পরামর্শ দিতে পারে।
ব্যাকরণ ও শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করা
চ্যাটজিপিটি ব্যাকরণগত ভুল সংশোধনের পাশাপাশি নতুন শব্দের পরামর্শ দিয়ে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে পারে।
ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ব্যবহার
চ্যাটজিপিটিকে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় নির্ধারণ করা, কাজের রিমাইন্ডার তৈরি, বিভিন্ন কাজকে গোছানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত ‘টু ডু লিস্ট’ তৈরিতে এ চ্যাটবট ব্যবহার করা যেতে পারে।
অনলাইন কথোপকথনে দক্ষতা বৃদ্ধি
প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত কাজে এখন অনলাইনে কথোপকথনের প্রয়োজন হয়। চ্যাটজিপিটির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথোপকথন করা যেতে পারে। চ্যাটবটটির সঙ্গে আলাপচারিতায় অনলাইন কথোপকথন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এটি অনুশীলন করা যেতে পারে।
চাকরি খুঁজতে
চ্যাটজিপিটি চাকরির ধরনের ওপর নির্ভর করে সিভি পুনর্লিখন করতে পারে। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চাকরির বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্পর্কে জানাতে পারে। এমনকি চাকরি অনুসন্ধানের কৌশলগুলোও জানাতে পারে।
অবসর সময় কাটাতে
অনলাইনে অবসর সময় কাটাতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনলাইন চ্যাটিং ছাড়াও কৌতুকও লিখতে পারে ওপেন এআইয়ের এই চ্যাটবট।
অনলাইনে শব্দ খেলা
চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে অনলাইনে ক্রসওয়ার্ড বা শব্দবন্ধ গেম খেলা যেতে পারে। এতে করে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে।
গবেষণা প্রতিবেদন লেখা
চ্যাটজিপিটির সাহায্যে গবেষণা প্রতিবেদন এবং এর সারাংশ লেখার জন্য সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো