প্লে স্টোরে থাকা ৩৮ গেমে অ্যাডওয়্যারের সন্ধান পেয়েছে ম্যাকাফি
***********************************************************************
স্মার্টফোনে গেম খেলেন অনেকেই। এ জন্য বেশির ভাগ গেমারই গুগল প্লে স্টোর থেকে নিয়মিত গেম নামিয়ে থাকেন। কিন্তু গুগলের নিরাপত্তাব্যবস্থার চোখ এড়িয়ে প্লে স্টোরে থাকা বিভিন্ন গেমের মাধ্যমে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের ফোনে ছড়িয়ে পড়েছে ‘হিডেন অ্যাডস’ নামের অ্যাডওয়্যার। এরই মধ্যে প্লে স্টোরে থাকা ৩৮টি গেমে এ ধরনের অ্যাডওয়্যারের সন্ধান পেয়েছেন সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ম্যাকাফির একদল গবেষক।
ম্যাকাফির তথ্যমতে, জনপ্রিয় গেম মাইনক্রাফটের অনুকরণে তৈরি হওয়ায় অনেক অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারী ভুল করে অ্যাডওয়্যারযুক্ত গেমগুলো নামিয়ে থাকেন। আর তাই এরই মধ্যে ৩ কোটি ৫০ লাখের বেশিবার নামানো হয়েছে গেমগুলো। অ্যাডওয়্যারযুক্ত গেমগুলো নামানোর পরপরই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দেখায়। শুধু তা-ই নয়, ব্যবহারকারীদের অজান্তেই ফোনে বিজ্ঞাপন চালু করে। ফলে ফোন ধীরগতিতে কাজ করার পাশাপাশি তা গরম হয়ে যায়।
ম্যাকাফির তথ্যমতে, সবচেয়ে বেশিবার নামানো অ্যাডওয়্যারযুক্ত গেমের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে ব্লক বক্স মাস্টার ডায়মন্ড। ১ কোটির বেশিবার নামানো হয়েছে গেমটি। ৫০ লাখবার নামানো অ্যাপগুলো হলো ক্র্যাফট সোর্ড মিনি ফান, ব্লক বক্স স্কাইল্যান্ড সোর্ড এবং ক্র্যাফ্ট মনস্টার ক্রেজি সোর্ড। ১০ লাখবার নামানো অ্যাপগুলো হলো ব্লক প্রো ফরেস্ট ডায়মন্ড, ব্লক গেম স্কাইল্যান্ড ফরেস্ট, ব্লক রেইনবো সোর্ড ড্রাগন ও ক্র্যাফট রেইনবো মিনি বিল্ডার।
প্লে স্টোরে থাকা বিভিন্ন গেমে অ্যাডওয়্যার থাকার বিষয়টি গুগলকেও জানিয়েছে ম্যাকাফি। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে এরই মধ্যে বেশ কিছু গেম প্লে স্টোর থেকে মুছে ফেলেছে গুগল।
সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্ষতিকর গেম বা অ্যাপ থেকে রক্ষা পেতে অ্যাপ নামানোর আগেই নির্মাতাদের বিষয়ে অনলাইনে খোঁজখবর নিতে হবে। জানতে হবে অন্য ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাও।
সূত্র: ব্লিপিং কম্পিউটার
Source: প্রথম আলো
কোক স্টুডিও বাংলা: এবার আসছে ‘দেওরা’
***********************************************************************
নৌকাবাইচে ‘হাত ছেড়ে দাও সোনার দেওরা রে’ গানের তালে দ্রুতলয়ে বইঠা ঠেলেন মাঝিমাল্লারা। উত্তরবঙ্গের সিরাজগঞ্জ, পাবনা, রাজশাহী, রংপুর অঞ্চলে নৌকাবাইচের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে জনপ্রিয় সারিগানটি। নৌকাবাইচে মাঝির শক্তি সঞ্চার ও ছন্দ আনার উদ্দেশ্যে গানটি পরিবেশন করা হয়। মাঝিদের মুখ থেকে মুখে ফেরা গানটি নিয়ে আসছে কোক স্টুডিও বাংলা। আগামীকাল রোববার প্রকাশ পাবে ‘দেওরা’।
গানটি প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুনেছেন প্রীতম হাসান। কোক স্টুডিও বাংলার তরফ থেকে গান করার প্রস্তাব পাওয়ার পর গানটি নিয়ে কাজের আগ্রহ দেখান তিনি। প্রীতম হাসান গত বৃহস্পতিবার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমাকে অর্ণব ভাই বলেছিলেন, “তুমি কী ধরনের গান করতে চাও?” আমার মাথায় ছিল, একটি সারিগান করব। সেই ভাবনা থেকেই গানটি করেছি।’
কোক স্টুডিও বাংলা বলছে, ‘দেওরা’ গানের মূল স্রষ্টা ফজলু মাঝি (ফজলুল হক)। নিজের লেখা গানটির সুরও বেঁধেছেন তিনি। ফজলু মাঝি পেশাদারভাবে নৌকাবাইচ করেন, তাঁর একটি নৌকাবাইচের দল রয়েছে। বাইচের সময় দলের সদস্যদের নিয়ে দলগতভাবে গানটি পরিবেশন করেন ফজলু মাঝি।
ফজলু মাঝির সারিগানের মাঝে নতুন কয়েকটা বাক্য যুক্ত করা হয়েছে, আধুনিক গানের অংশটুকু লিখেছেন প্রীতম হাসান। ফজলু মাঝি ও প্রীতমের যৌথভাবে লেখা গানে কোক স্টুডিও বাংলার সংগীত প্রযোজক শায়ান চৌধুরী অর্ণবের পরামর্শে পালা গান যুক্ত করা হয়। পালা পরিবেশন করেন ইসলাম উদ্দিন পালাকার। গানটির সুর করেছেন প্রীতম হাসান।
প্রীতম হাসান বলেন, ‘গানটি পরিবেশনের জন্য প্রচুর এনার্জি থাকতে হয়। সারিগান গাওয়ার সময় ঢোলের তালে তালে বাইচ করতে থাকেন মাঝিরা। ঢোলের তালের আমেজটি ভিন্নভাবে রাখার চেষ্টা করেছি আমরা। আশা করছি, ভালো কিছুই হবে। ’
গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রীতম হাসান, ইসলাম উদ্দিন পালাকার, ফজলু মাঝি ও তাঁর দল, আরমীন মুসা ও গানের দল-ঘাস ফড়িং। গানটির সুর করেছেন প্রীতম হাসান।
Source: প্রথম আলো