যে কারণে গোলটেবিলে নেই
***********************************************************************
বছর শেষে অভিনয়শিল্পী, পরিচালক, চিত্রনাট্যকার, প্রযোজকদের নিয়ে গোলটেবিলের আয়োজন যেন চল হয়ে দাঁড়িয়েছে। গত কয়েক বছরে এমন আয়োজন করেছে ভারতের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম ও চলচ্চিত্রবিষয়ক ইউটিউব চ্যানেল। গত বছরও এর ব্যতিক্রম হয়নি। তবে ডিসেম্বরে আয়োজিত এসব গোলটেবিলের কোনটিতেই ছিলেন না ইয়ামি গৌতম। কেন? সম্প্রতি দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ সম্পর্কে মুখ খুলেছেন এ অভিনেত্রী।
গত বছর ইয়ামি গৌতমের দুটি সিনেমা মুক্তি পায়—‘আ থার্সডে’ ও ‘দশভি’। দুটি সিনেমাই মোটামুটি আলোচিত হয়, বিশেষ করে প্রথমটিতে নেতিবাচক চরিত্রে প্রশংসিত হয় ইয়ামির অভিনয়। সব মিলিয়ে গোলটেবিলে হাজির হওয়ার মতো যথেষ্ট কাজ করেছেন ইয়ামি। কিন্তু তারপরও কেন নেই, এ প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, গোলটেবিলে হাজির হওয়া তাঁর কাছে যোগ্যতার মাপকাঠি নয়। সচেতনভাবেই এসব অনুষ্ঠান এড়িয়ে যান তিনি। কারণ, একটা সময় এ ধরনের অনুষ্ঠানে উপেক্ষিত ছিলেন তিনি।
বিষয়টি ব্যাখ্যা করে ইয়ামি বলেন, ‘এটি আসলে পুরস্কার অনুষ্ঠানের মতোই, সংখ্যায় এত বেশি হয়! আমি বুঝতে পারি, এখন প্রচুর কনটেন্টের প্রয়োজন। তবে অভিনেত্রী হিসেবে একটা সময় মনে হতো, এ ধরনের গোলটেবিলে আমিও থাকতে পারতাম। কিন্তু তখন কেউ আমন্ত্রণ জানাত না।’ এখন অভিনেত্রী হিসেবে জনপ্রিয়তা পেয়েছেন ইয়ামি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর লাখো অনুসারী। তাই ঠিক করেছেন, এসব গোলটেবিলে যাবেন না তিনি। ‘যা বলার নিজের কাজ দিয়ে বলি। দর্শক যদি পছন্দ করেন, আমি জেনে যাব,’ বলেন ইয়ামি।
গত বছর ডিসেম্বের অনুষ্ঠিত বিভিন্ন গণমাধ্যম ও ইউটিউব চ্যানেলে হাজির হতে দেখা গেছে হিন্দি ও দক্ষিণি সিনেমার বড় তারকা ও পরিচালকদের। নিজে গোলটেবিলে না গেলেও তাঁদের প্রতি অশ্রদ্ধা নেই ইয়ামির। তিনি বলেন, ‘যাদের আমন্ত্রণ জানানো হচ্ছে, সবার প্রতিই আমার শ্রদ্ধা আছে। যারা সঞ্চালক, ক্যারিয়ারজুড়েই তাদের সাক্ষাৎকার দিয়েছি। সাংবাদিকদের সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, তবে সিস্টেম নিয়ে বলার আছে।’
এর আগে ইয়ামি খেপে ছিলেন তাঁর ছবির নেতিবাচক সমালোচনা নিয়ে। ‘দশভি’ মুক্তির পর অনেক সমালোচকের লেখাকে ‘অসম্মানজনক’ বলে অভিহিত করেছিলেন তিনি।
চলতি বছর ইয়ামির তিনটি সিনেমা মুক্তি পাওয়ার কথা। এর মধ্যে আছে অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরীর ‘লস্ট’, অক্ষয় কুমারের সঙ্গে ‘ওএমজি টু’ ও অজয় সিংয়ের ‘চোর নিকলা কে ভাগা’।
Source: প্রথম আলো
সিনেমার গান শেয়ার করে পরীমনি লিখলেন, ‘এনজয়’
***********************************************************************
নতুন বছরের শুরুতেই বিচ্ছেদ নিয়ে নানান মন্তব্যে তুমুল সমালোচনায় আছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। এই নায়িকা ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছিলেন, তিনি একা হয়ে যাচ্ছেন। আর সংসার করবেন না। স্বামী শরীফুল রাজও জানিয়েছেন, পরীমনির সঙ্গে আর থাকছেন না। এই দুই তারকার সম্পর্ক কোন দিকে গড়ায়, সেটাই এখন কৌতূহলী ভক্তদের প্রশ্ন। এর মধ্যেই ভক্তদের উদ্দেশে সিনেমার গান ভাগাভাগি করে পরীমনি ফেসবুকে লিখলেন, ‘এনজয়’।
পরীমনি প্রেম, বিয়ে, বিচ্ছেদসহ নানা ব্যক্তিগত বিষয় ফেসবুক পোস্টে ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করেন। রাজের সঙ্গে বিচ্ছেদ প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যখন চরমে, এমন সময়ে পরী ভক্তদের সঙ্গে ভাগাভাগি করলেন তাঁর কাজের খবর। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার নতুন গান আজ মুক্তি পেয়েছে। সিনেমায় প্রধান দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন সিয়াম ও পরীমনি। ২০ জানুয়ারি সিনেমাটি মুক্তি পাবে। সিনেমাটির প্রচারণায় সবর রয়েছেন পরীমনি। সিনেমাটির ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানটি ভাগাভাগি করে লিখেছেন, ‘এনজয়’।
‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার এটি দ্বিতীয় গান। গানটি নিয়ে সিনেমার পরিচালক আবু রায়হান জুয়েল বলেন, ‘আমার সিনেমার প্রতিটি গানই সিচুয়েশনাল। গল্পের প্রয়োজনে গানটি। গানে সিয়াম ও পরীমনির কথোপকথন রয়েছে। এটা রাখার উদ্দেশ্য সিনেমা দেখলে দর্শক বুঝতে পারবেন আমরা কেন তা রেখেছি। গানটির মধ্য দিয়ে আমরা গল্প বলতে চেয়েছি। দেশের সংস্কৃতিতে ফোক গান গুরুত্বপূর্ণ স্থান অধিকার করে আছে। মানুষ ঘুরেফিরে আবার ফোক গান শুনছে। দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই গানটি সিনেমায় স্থান পেয়েছে।’
‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউল শফি মণ্ডল। এই গানের কথা লিখেছেন দেওয়ান লালন আহমেদ, তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা। গত বছর হঠাৎই মারা যান তিনি। গানটির সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী। এর আগে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের আরেকটি গান মুক্তি পেয়েছে। মুহম্মদ জাফর ইকবালের কথায়, ‘আয় আয় সব তাড়াতাড়ি’ গানটির সুর ও সংগীত করেছেন ইমন চৌধুরী। কণ্ঠ দিয়েছেন ইমন চৌধুরী ও জয়িতা দত্ত।
সরকারের অনুদানের ছবিটির চিত্রনাট্য করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। শিশুদের ভ্রমণের গল্প নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ থেকে ছবিটির চিত্রনাট্য করা। এতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, আশীষ খন্দকার, আজাদ আবুল কালাম, কচি খন্দকার, হুরায়রা তানভীরসহ ২০ জন শিশুশিল্পী।
Source: প্রথম আলো
শুটিং সেটে অসুস্থ হয়ে পরিচালকের মৃত্যু
***********************************************************************
পশ্চিমবঙ্গের অন্যতম পরিচালক অঞ্জন চৌধুরীর মৃত্যুর পর এবার তাঁর একমাত্র পুত্র সন্দীপ চৌধুরীও চলে গেলেন। মাত্র ৪৮ বছর বয়সে গতকাল কলকাতার একটি নার্সিং হোমে মৃত্যু হয় তাঁর। গতকাল বিকেলেই সন্দীপ চৌধুরীর শেষকৃত্য সম্পন্ন হয় কলকাতার তেওড়াতলা মহাশ্মশানে।
বাবা অঞ্জন চৌধুরীর মতো সন্দীপও ছিলেন পরিচালক। গত ১৭ ডিসেম্বর ‘ফেরারি মন’ ধারাবাহিকের শুটিং চলার সময় সেটেই অসুস্থ হয়ে পড়েন। আগে থেকেই তিনি ভুগছিলেন কিডনির অসুখে। চলছিল কিডনির ডায়ালাইসিসও। অসুস্থতার পর দক্ষিণ কলকাতার ইকবালপুরের একটি বেসরকারি নার্সিংহোম নেওয়া হয় তাঁকে। গতকাল সেখানেই হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় সন্দীপের।
পরিচালক অঞ্জন চৌধুরী মারা যান ২০০৭ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি। তাঁর স্ত্রী জয়শ্রী চৌধুরী মারা যান গত বছরের আগস্টে। অঞ্জন চৌধুরী রেখে যান পুত্র সন্দীপ চৌধুরী ও কন্যা চুমকি ও রীনা চৌধুরীকে। এবার সন্দীপও চলে গেলেন।
সন্দীপ চৌধুরী একজন পরিচালক হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তাঁর দুই বোনও অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন।
সন্দীপ চৌধুরী কালারস বাংলার ধারাবাহিক ‘ফেরারি মন’ ও সান বাংলায় ‘কন্যাদান’ ধারাবাহিকের কাজ করছিলেন। এ ছাড়া সদ্য শেষ হওয়া ‘উড়ন তুবড়ি’ ধারাবাহিকের সৃজনশীল পরিচালকও ছিলেন। এ ছাড়া তিনি ‘এরাও শত্রু’, ‘রাঙিয়ে দিয়ে যাও’, ‘অগ্নিশিখা’, ‘দত্তবাড়ির ছোট বউ’সহ একাধিক ধারাবাহিক পরিচালনা করেছেন। পরিচালনা করেছেন দুটি চলচ্চিত্রও।
সন্দীপ চৌধুরীর মৃত্যুতে কলকাতার চলচ্চিত্র অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। শোক জানিয়েছেন কলকাতা সংস্কৃতি জগতের তারকারা।
Source: প্রথম আলো
মায়ের সঙ্গে সম্পর্ক ভালো ছিল না, তুনিশার মৃত্যু নিয়ে নতুন তথ্য শেজানের আইনজীবীর
***********************************************************************
গত ২৪ ডিসেম্বর শুটিং সেট থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ভারতের ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তুনিশা শর্মার ঝুলন্ত দেহ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল তাঁর সাবেক প্রেমিক শেজান মোহাম্মদ খানকে। এর পর থেকে বের হয়ে আসছে নতুন নতুন তথ্য। এবার জানা গেছে, তুনিশার সঙ্গে তাঁর পরিবারের সম্পর্ক ভালো ছিল না। মৃত্যুর কিছুদিন আগে তুনিশার গায়ে হাত তুলেছিলেন তাঁর মা।
অভিযোগ উঠেছে, তুনিশার মৃত্যুর পর এত দিন যিনি নিজেকে অভিনেত্রীর মামা পরিচয় দিয়ে এসেছেন, তিনি তাঁর মামাও নন। শেজান মোহাম্মদ খানের আইনজীবী শৈলেন্দ্র মিশ্র এই অভিযোগ করেন। সোমবার সংবাদ সম্মেলন করে তিনি বলেন, সঞ্জীব কৌশল নামের ব্যক্তি যে নিজেকে তুনিশার মামা বলে পরিচয় দিয়ে এসেছেন, তিনি আসলে তুনিশার মামা নন। তিনি তুনিশার আয়-ব্যয়ের হিসাব রাখতেন শুধু।
আইনজীবীর কথা, হিসাবরক্ষক সঞ্জীব কৌশল কেন নিজেকে তুনিশার মামা দাবি করছেন? এই আইনজীবী আরও জানান, পরিবারের সঙ্গে তুনিশার সম্পর্ক ভালো যাচ্ছিল না। মৃত্যুর কয়েক দিন আগে মা বণিতা শর্মা তুনিশাকে চড় মারেন। এমনকি তুনিশার গলা চেপে শ্বাসরোধ করার চেষ্টাও করেছিলেন তিনি।
শেজান মোহাম্মদ খানের সঙ্গে বিচ্ছেদের ১৫ দিন পর শুটিং সেটে আত্মহত্যা করেন তুনিশা। এরপর মা বণিতা শর্মার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন শেজান। গতকাল তাঁর বোন দাবি করেছেন, দুজনের সম্মতিতেই শেজান ও তুনিশার বিচ্ছেদ হয়েছে।
Source: প্রথম আলো
নানা আলোচনার মধ্যেই প্রকাশ্যে পরীমনি
***********************************************************************
স্বামী চিত্রনায়ক শরীফুল রাজের সঙ্গে দাম্পত্য কলহের জেরে তুমুল আলোচনার মধ্যে প্রকাশ্যে পাওয়া গেল ঢাকাই সিনেমার আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমনিকে। মুক্তির অপেক্ষায় থাকা ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ সিনেমার প্রচারে আজ বুধবার শীতের সকালে ঢাকার বিএএফ শাহীন কলেজে হাজির হন তিনি।
তরুণ নির্মাতা আবু রায়হান জুয়েল পরিচালিত শিশুতোষ সিনেমাটি ২০ জানুয়ারি মুক্তি পাবে। পরিবারের সঙ্গে শিশু শিক্ষার্থীদের নিয়ে ছবিটি দেখার আহ্বান জানান পরীমনি। শিশুদের ভ্রমণের গল্প নিয়ে মুহম্মদ জাফর ইকবালের উপন্যাস ‘রাতুলের রাত রাতুলের দিন’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।
চলতি বছরের শুরুতেই আলোচনার কেন্দ্রে রয়েছেন পরীমনি। শরীফুল রাজের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের ঘোষণা দেন এ চিত্রনায়িকা। রাজও তাঁর সঙ্গে সংসার করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন। বিষয়টি নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য দিয়ে গণমাধ্যমের শিরোনামে এসেছেন এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার খোরাক জুগিয়েছেন তাঁরা।
তবে ব্যক্তিগত জীবনের জটিলতার প্রভাব পেশাজীবনে ফেলতে নারাজ পরীমনি। ঝড়-ঝঞ্ঝা সামলে সিনেমার প্রচারে এসেছেন তিনি। পরিচালক আবু রায়হান জানান, ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজসহ আরও বেশ কয়েকটি স্কুলে সিনেমাটির প্রচারে যাওয়ার কথা রয়েছে তাঁদের।
সিনেমায় পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ। গতকাল মঙ্গলবার সিনেমার ‘সারেং ছাড়া জাহাজ চলে’ শিরোনামে একটি গান প্রকাশ করা হয়েছে। গানে কণ্ঠ দিয়েছেন বাউল শফি মণ্ডল। এই গানের কথা লিখেছেন দেওয়ান লালন আহমেদ, তিনি একজন পুলিশ কর্মকর্তা। গত বছর হঠাৎ মারা যান তিনি। গানটির সুর ও সংগীত আয়োজন করেছেন ইমন চৌধুরী।
এর আগে ‘অ্যাডভেঞ্চার অব সুন্দরবন’ চলচ্চিত্রের আরেকটি গান মুক্তি পেয়েছে। মুহম্মদ জাফর ইকবালের কথায়, ‘আয় আয় সব তাড়াতাড়ি’ গানটির সুর ও সংগীত করেছেন ইমন চৌধুরী। কণ্ঠ দিয়েছেন ইমন চৌধুরী ও জয়িতা দত্ত।
সরকারের অনুদানের ছবিটির চিত্রনাট্য করেছেন জাকারিয়া সৌখিন। এতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুল আলম সাচ্চু, আশীষ খন্দকার, আজাদ আবুল কালাম, কচি খন্দকার, হুরায়রা তানভীরসহ ২০ জন শিশুশিল্পী।
Source: প্রথম আলো