Linkeei Linkeei
    #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda #seo
    البحث المتقدم
  • تسجيل الدخول
  • التسجيل

  • وضع اليوم
  • © 2026 Linkeei
    حول • الدليل • إتصل بنا • المطورين • سياسة الخصوصية • شروط الاستخدام • إعادة مال • Linkeei App install

    تحديد اللغة

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

يشاهد

يشاهد بكرات أفلام

أحداث

تصفح الأحداث أحداثي

مدونة

تصفح المقالات

السوق

آخر المنتجات

الصفحات

صفحاتي صفحات أعجبتني

أكثر

منتدى إستكشاف منشورات شائعة الألعاب وظائف عروض
بكرات يشاهد أحداث السوق مدونة صفحاتي الكل

إستكشف المشاركات

Posts

المستخدمين

الصفحات

مجموعة

مدونة

السوق

أحداث

الألعاب

منتدى

أفلام

وظائف

Magazine
Magazine
3 سنوات

চ্যাটজিপিটির কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে পড়বে যে ৫ পেশা
***********************************************************************
গত বছরের নভেম্বরে ওপেনএআইয়ের তৈরি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’ উন্মুক্ত হওয়ার পর দ্রুত জনপ্রিয়তা পাওয়ায় প্রযুক্তি বিশ্বে চলছে নানা জল্পনাকল্পনা। প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞদের মতে, ‘আমরা যা কল্পনা করছি, তার চেয়ে বেশি শক্তিশালী এই চ্যাটবট। আর তাই চ্যাটজিপিটি কিছু পেশার মানুষের চাকরি ঝুঁকিতে ফেলবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’
যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম বিজনেস ইনসাইডার প্রযুক্তিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞদের মতামত গ্রহণের পাশাপাশি গবেষণা চালিয়ে চ্যাটজিপিটির কারণে ভবিষ্যতে ঝুঁকিতে পড়তে যাওয়া ৫ পেশার তালিকা করেছে। উচ্চ ঝুঁকিতে থাকা পেশাগুলো দেখে নেওয়া যাক—

প্রযুক্তিনির্ভর চাকরি
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে চ্যাটজিপিটি গাণিতিক হিসাবগুলো দ্রুত ও নির্ভুলভাবে করতে পারে। ফলে মানুষের চেয়েও দ্রুত কোড তৈরি করতে পারে এই চ্যাটজিপিটি। তাই সফটওয়্যার ডেভেলপার, ওয়েব ডেভেলপার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার, কোডার এবং তথ্য বিশ্লেষণের মতো প্রযুক্তিনির্ভর পেশাগুলো চ্যাটজিপিটির কারণে উচ্চ ঝুঁকিতে পড়বে।

গণমাধ্যম
বিজ্ঞাপন, নিবন্ধ, সাংবাদিকতা ও কনটেন্ট তৈরির যেকোনো কাজ চ্যাটজিপিটি মানুষের চেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে করতে পারে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তৈরি সব আধেয় বা কনটেন্ট নির্ভুলভাবে তৈরি না হওয়ায় মানুষের সহায়তা প্রয়োজন হয়। ফলে বর্তমানের তুলনায় লোকবল কম নিয়েই প্রয়োজনীয় কাজ করতে পারবে বিভিন্ন গণমাধ্যম। এরই মধ্যে প্রযুক্তিবিষয়ক গণমাধ্যম সিনেট কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির মাধ্যমে কনটেন্ট তৈরির কাজ শুরু করেছে। অবশ্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে তৈরি কনটেন্টগুলো প্রকাশের আগে মানুষই সম্পাদনা ও তথ্য যাচাই করছেন।

আইন পেশা
আইনজীবীদের সহকারীরা মামলাসংশ্লিষ্ট অসংখ্য তথ্য সংগ্রহ করার পাশাপাশি সেগুলো সমন্বয় করে থাকেন। পরে এসব তথ্য বিশ্লেষণ করেই আইনজীবীরা মামলা পরিচালনা বা বিভিন্ন পরিকল্পনা করেন। চ্যাটজিপিটি মানুষের চেয়ে দ্রুত ও দক্ষতার সঙ্গে এসব কাজ করতে পারে। ফলে এ খাতেও বর্তমানের তুলনায় কম লোকবল প্রয়োজন হবে।

বাজার গবেষণা বিশ্লেষণ
তথ্য বিশ্লেষণ ও ফলাফলের পূর্বাভাস দেওয়ার ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি খুবই কার্যকর। তাই বাজার গবেষণা বিশ্লেষকদের পেশাও চ্যাটজিপিটির কারণে ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

শিক্ষকতা
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষকদের তাঁদের চাকরির নিরাপত্তা নিয়ে ভাবা উচিত। চ্যাটজিপিটি ক্লাস নিতে পারে, যা ইতিমধ্যে প্রমাণিতও হয়েছে। যদিও এ ক্ষেত্রে কিছু ভুলভ্রান্তি করে চ্যাটজিপিটি, তবে ভবিষ্যতে চ্যাটজিপিটিকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

অভিনেতা আজিজের হার্টে রিং পরানো হয়েছে
***********************************************************************
অভিনেতা আবদুল আজিজের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। গত শনিবার রাতে হঠাৎ তিনি হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাতেই তাঁকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের (বারডেম) সিসিইউতে দুই দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। আজ সোমবার এই অভিনেতার হার্টে রিং পরানো হয়েছে। একই সঙ্গে চলছে ফুসফুসের চিকিৎসা। বয়স বেশি হওয়ায় কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে, সেরে উঠতে আরও সময় লাগবে। পারিবারিক ও অভিনয় শিল্পী সংঘ সূত্রে তথ্যগুলো জানা যায়।

এই অভিনেতার মেয়ে প্রমা আজিজ তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আব্বুকে জরুরি ভিত্তিতে একটা রিং পরানো হয়েছে। বাবার হার্টে ৯৫ শতাংশ ব্লক ছিল। অন্য ব্লকগুলো ওষুধে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এখন বাবা আইসিইউতে আছেন। কিছুক্ষণ আগে রিং পরানো হয়েছে।’ এই সময় তিনি বাবার জন্য দোয়া চান।

শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম বলেন, ‘আজিজ ভাই এখনো ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) আছেন। ভালোভাবেই রিং পরানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভাইয়ের ফুসফুসেও পানি জমার চিকিৎসা চলছে। ভাইয়ের বয়স ৭৫ বছর। যে কারণে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন।’ গতকাল রোববার তিনি জানিয়েছিলেন, শনিবার রাতে আজিজ ভাই শিল্পকলা মাঠে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেখানে প্রায়ই সময় কাটান। এর মধ্যে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়।

বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসকেরা জানান, ভাইয়ের হার্টে গুরুতর অ্যাটাক হয়েছে। একই সঙ্গে ফুসফুসে পানি জমেছে। এখন জরুরি ভিত্তিতে এনজিওগ্রাম করতে হবে। ফুসফুসের পানি জমার জন্যও আলাদা চিকিৎসা করা হবে।
তখন জানা যায়, এর আগেও অভিনেতা আজিজের ফুসফুসে পানি জমেছিল। তখন অপারেশন করা হয়েছিল। মাঝেমধ্যেই কিছুটা শারীরিক সমস্যা দেখা দিত। এখন বয়সও কিছুটা বেশি। সব মিলিয়ে এবারের অবস্থা একটু খারাপ। আরও কিছুদিন তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।

অভিনেতার মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয় বেতার নাটক দিয়ে। ১৯৬৪ সালে তিনি বেতার নাটকে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে রেডিও নাটকেই তিনি খ্যাতি পান। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় নিয়মিত হন। তার পর থেকে সমানতালে মঞ্চ, রেডিও, সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর বেতার নাটকের সংখ্যা হাজারের বেশি। নাটক–সিনেমায় তাঁকে নিয়মিত দেখা না গেলেও ইত্যাদিতে দেখা যায়। এর আগে ফুসফুসের অপারেশনের পর তিনি অভিনয় কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।

অভিনেতার মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয় বেতার নাটক দিয়ে। ১৯৬৪ সালে তিনি বেতার নাটকে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে রেডিও নাটকেই তিনি খ্যাতি পান। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় নিয়মিত হন। তার পর থেকে সমানতালে মঞ্চ, রেডিও, সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর বেতার নাটকের সংখ্যা হাজারের বেশি। নাটক–সিনেমায় তাঁকে নিয়মিত দেখা না গেলেও ইত্যাদিতে দেখা যায়। এর আগে ফুসফুসের অপারেশনের পর তিনি অভিনয় কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

তিন দিন পর কথা বলতে পারছেন আঁখি, তবে...
***********************************************************************
অভিনেত্রী শারমিন আঁখিকে আজ শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আইসিইউ থেকে এইচডিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছে। তিন দিন পর এই অভিনেত্রী আজ নিজেই জানিয়েছেন ভালো আছেন, এমনটাই জানালেন তাঁর স্বামী নির্মাতা রাহাত কবির। গত শুক্রবার হঠাৎ আঁখির শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। সেদিনই এই অভিনেত্রীকে জরুরি ভিত্তিতে নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) স্থনান্তর করা হয়।
শারীরিক অবস্থার প্রসঙ্গে চিকিৎসকদের বরাত দিয়ে রাহাত বলেন, ‘আজ সকালে কিছুটা ভালো বোধ করায় আঁখিকে এইচডিইউতে নিয়ে আসা হয়। আরেকটু ভালো হলেই কেবিনে নিয়ে আসা হবে। বর্তমানে তার অবস্থা উন্নতির দিকে। কথাও বলতে পারছে। আগে আইসিইউতে কিছুটা কথা বলেছিল কিন্তু সেটা সামান্য। তেমন বোঝাও যেত না। আজ সে নিজেই জানিয়েছে, এখন ভালো বোধ করছে। একদমই অল্প ও আস্তে কথা বলছে।’

কথা বলতে পারলেও আঁখির গলায় কিছুটা ব্যথা রয়েছে। যে কারণে জোরে কথা বলতে পারেন না। এ ছাড়া শারীরিকভাবেও কিছুটা দুর্বল আঁখি। রাহাত বলেন, ‘এখনো হাঁটতে পারে না। এ ছাড়া আগে হাত–পা নাড়াতে পারত না। এখন অল্প করে হাত–পা নাড়াচ্ছে। চিকিৎসকদের পরামর্শে নিয়মিত হাত–পা নাড়াতে হবে। তাহলে দ্রুত ভালোর দিকে যাবে।’
শুক্রবার সকালের দিকে হঠাৎ আঁখির শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। হার্টবিট (পালস রেট) কমতে থাকে। পরে জরুরি ভিত্তিতে অক্সিজেন দেওয়া হয়। ধাপে ধাপে অবস্থা খারাপ হতে থাকলে আঁখিকে স্থানান্তর করা হয় আইসিইউতে। শনিবার রাহাত বলেছিলেন, ‘অবস্থা এখনো ভালো বলা যাবে না। আগের চেয়ে ৫ শতাংশ ভালো বলা যায়। তবে ঝুঁকি এখনো রয়েছে। পরিস্থিতি ভালো না হলে আরও দু-চার দিন আইসিইউতে থাকতে হবে। এখন আর অক্সিজেন দিতে হচ্ছে না। পোড়া অংশের ড্রেসিং করা হয়েছে। এখন আঁখিকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে রাখা হয়েছে। আশা করছি অবস্থার উন্নতি হবে।’

ইমদাদুল হক মিলনের ‘প্রিয়দর্শিনী’ উপন্যাস অবলম্বনে ‘অমীমাংসিত প্রেম’ নামে একটি নাটকের শুটিং করছিলেন আঁখি। কীভাবে এ বিস্ফোরণ ঘটেছে, জানতে চাইলে নাটকের পরিচালক আশফাকুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা কিছুই বুঝতে পারছি না, কীভাবে বিস্ফোরণ ঘটল। তবে নতুন বাসা, মেকআপ রুমে গ্যাস জমে থাকতে পারে।’ আঁখির স্বামী নাট্যনির্মাতা রাহাত কবির সেই সময় শুটিং বাড়িতেই ছিলেন। তিনি বলেন, ‘আঁখি আমাকে জানায়, শুটিংয়ের জন্য তৈরি হতে চুল স্ট্রেট করে নিচ্ছিল। সকেট থেকে স্ট্রেট মেশিনের প্লাগ খোলার সময় ভয়াবহ শব্দ হয়। পরে আর তার কিছু মনে নেই। ধারণা করা হচ্ছে, রুমে গ্যাস জমে ছিল, স্পার্কিং থেকে আগুন ধরে যায়।’

দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় ধরে অভিনয় করছেন শারমিন আঁখি। নাটক, বিজ্ঞাপন, স্বল্পদৈর্ঘ্য সিনেমা ও মডেলিংয়ের পর ২০১৮ সালে নাম লেখান সিনেমায়। প্রথম সিনেমা ছিল ‘ইতি, তোমারই ঢাকা’। এই সিনেমার ১১ জন নির্মাতার ১১টি গল্পের মধ্যে ‘জিন্নাহ ইজ ডেড’-এ অভিনয় করে প্রশংসা পান আঁখি। পরে ‘কোনো এক কালে’, ‘জাস্ট আ জোক ডার্লিং’সহ বেশ কিছু সিনেমায় দেখা গেছে তাঁকে। গত বছর শঙ্খ দাশগুপ্ত পরিচালিত ওয়েব সিরিজ ‘বলি’তে পতিতার চরিত্রে তিনি দারুণ অভিনয় করেন।
আঁখির বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। সেখানে মঞ্চনাটকের দল ‘অরিন্দম নাট্য সম্প্রদায়’-এ অভিনয়ে হাতেখড়ি। এই দলের তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘কবি’ উপন্যাস অবলম্বনে নাটকের বসন্ত চরিত্রে অভিনয় করে প্রশংসা পান তিনি। এর পর থেকে তাঁর অভিনয়ের দিকে ঝোঁক বাড়ে।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

ভাষার প্রতি অন্য রকম ভালোবাসা
***********************************************************************
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) একদল তরুণ সিনেমাপ্রেমীর তুমুল আড্ডা আর চা–চক্র চলছে। ক্লাসের পাট চুকিয়ে তাঁদের আড্ডায় জায়গা পায় দেশ–বিদেশের সিনেমাসহ শিল্পচর্চার নানা বিষয়। হঠাৎ সেই আড্ডায় আলোচনার মুখ্য বিষয় হয়ে ওঠে বাংলা ভাষা। কারণ, ২০০২ সাল ছিল ভাষা আন্দোলনের ৫০ বছর পূর্তি।

বাংলা ভাষা ও শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে নানা আয়োজন ছিল দেশে। চলচ্চিত্র সংসদের জ্যেষ্ঠ সদস্য রাশেদুল হাফিজ প্রস্তাব তোলেন, ভাষার মাসে শুধু বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র দিয়ে উৎসব করা হবে। সবার মনে ধরে রাশেদুলের প্রস্তাব। কারণ, সেই সময় বাংলা সিনেমা নিয়ে উৎসব তেমন ছিল না। সেবারই প্রথম বাংলা ভাষার ছবি দিয়ে সাজানো হয় ‘চলচ্চিত্রে বাংলার মুখ’ নামে উৎসব। পরে ২০০৭ সাল থেকে নাম বদলে হয়েছে ‘আমার ভাষার চলচ্চিত্র’ উৎসব। দেখতে দেখতে সেই উৎসব পেরিয়ে গেল দুই দশক। গতকাল রোববার শুরু হয়েছে ২১তম উৎসব।

এবারের উৎসবে দেখানো হবে ২২টা সিনেমা। এর মধ্যে ১৯টি পূর্ণদৈর্ঘ্য, ৩টি স্বল্পদৈর্ঘ্য। বাংলা ভাষার বৈচিত্র্যপূর্ণ সিনেমা দিয়ে সাজানো হয়েছে পাঁচ দিনের এই আয়োজন। থাকছে ব্যবসাসফল হাওয়া থেকে বিকল্প ধারার ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, ‘সাঁতাও’

ছবিগুলোয় বাংলা ভাষা নানাভাবে প্রাণ পেয়েছে। এই আয়োজনে ঘুরেফিরে উঠে এল সূচনালগ্নের কথা। বর্তমান চলচ্চিত্র সংসদের সভাপতি শিয়ান শাহরিয়ার বলেন, ‘ভাষার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোই এই উৎসবের মূলকথা। বাংলা ভাষার জন্য আমরা জীবন দিয়েছি, সেই বাংলা ভাষার সিনেমা নিয়ে কেন উৎসবের আয়োজন করছি না—এমন প্রশ্ন দিয়ে উৎসব শুরু। কারণ, সেই সময় বেশির ভাগ চলচ্চিত্র সংসদে দেখানো হতো বিদেশি ভাষার সিনেমা। এর মধ্যে বাংলা ভাষার চলচ্চিত্র দিয়ে সাজানো আয়োজন নিয়ে দর্শকদের বিপুল আগ্রহ তৈরি হয়। সেই আগ্রহ এখনো আমরা ধরে রাখার চেষ্টা করছি। এর মধ্য দিয়ে আমরা বাংলা চলচ্চিত্র নির্মাতাদের স্বাধীনতা, বিকাশ ও বাংলা ভাষার প্রতি ভালোবাসা জাগ্রত করার চেষ্টা করে যাই।’

দেশের চলচ্চিত্র আন্দোলনে সব সময়ই সামনে থেকেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় চলচ্চিত্র সংসদ। স্বাধীনভাবে গল্প বলা, শৈল্পিক চলচ্চিত্র নির্মাণ, মননশীল দর্শক তৈরি, বাংলা চলচ্চিত্র এগিয়ে নিতে কাজ করে গেছে ছাত্রদের এই সংগঠন। কোনো আন্দোলনে সংগঠনের সদস্যরা যেমন সোচ্চার হয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজপথে, তেমনি দর্শকদের জন্য সাংস্কৃতিক নানা আয়োজনে প্রশংসা কুড়িয়েছে সংসদ। নব্বইয়ের দশক ও পরবর্তী সময়ে বাংলা সিনেমার পাশাপাশি নিয়ম করে অস্কার একাডেমি, কান, বার্লিন, ভেনিসসহ নানা নামীদামি চলচ্চিত্র উৎসবের পুরস্কারজয়ী সিনেমাগুলো দেখানো হতো। উদ্দেশ্য ছিল, দেশের দর্শকদের সঙ্গে বিদেশি সিনেমার পরিচয় করিয়ে দেওয়া। সেসব সিনেমার মধ্যে জায়গা পেত আলফ্রেড হিচকক, আন্দ্রেই তারকোভস্কি, লুই বুনুয়েল, জ্যঁ রেনোয়াঁ, জ্যঁ লুক গদার ও পরবর্তী প্রজন্মের মধ্যে কিম কি দুক, ওং কার ওয়াইদের সিনেমা। এসব নির্মাতার আলোচিত বিকল্প ধারার সিনেমাগুলো প্রেক্ষাগৃহে দেখানো হতো না। শাহরিয়ার বলেন, ‘সুস্থধারার বিদেশি সিনেমা অবশ্যই দেখার প্রয়োজন আছে। সেগুলো আমরা প্রদর্শন করি। কিন্তু ভাষার মাসে আমরা বাংলার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, ভাষার গুরুত্ব বহন করে—এমন সিনেমা শিক্ষার্থীদের দেখাতে চাই।’

শুধু সিনেমা দেখানোই নয়, এই আয়োজনে থাকে চলচ্চিত্রকর্মী, নির্মাতা, সমালোচক নিয়ে মুক্ত আলোচনা। এ পর্বে উঠে আসে দেশের চলমান চলচ্চিত্রের সংকট, সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা, তর্কবিতর্ক। এই পর্বের নাম ‘যুক্তি, তর্ক, গপ্প’। উৎসবের দ্বিতীয় দিন ৬ ফেব্রুয়ারি এই পর্বে আলোচনা হবে ‘গণ–অর্থায়নে স্বাধীন চলচ্চিত্র: সম্ভাবনা ও বাস্তবতা’ নিয়ে, পরদিন আলোচনার বিষয় ‘চলচ্চিত্রে সেন্সর: কতটা যৌক্তিক?’, উৎসবের শেষ দিনে আলোচ্য বিষয় ‘বাংলা চলচ্চিত্রের বাজার ও সাম্প্রতিক প্রবণতা’। উৎসবের শেষ দিনে দেওয়া হবে গত এক বছরে মুক্তি পাওয়া সিনেমার মধ্যে সেরা সিনেমার পুরস্কার। সেরা সিনেমার জন্য মনোনয়ন পেয়েছে ‘বিউটি সার্কাস’, ‘দামাল’, ‘কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’, ‘সাঁতাও’ ও ‘শিমু’। এর মধ্যে একটি সিনেমা পাবে হীরালাল সেন পদক। ২০১৭ সাল থেকে এই পদক যোগ হয়েছে। ঢাবি চলচ্চিত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ইতমাম ইসলাম বলেন, ‘বৈচিত্র্য রাখতে আমরা কলকাতার বাংলা ভাষার সিনেমাও রেখেছি। অঞ্চল আলাদা হলেও আমাদের ভাষা এক। সেই জায়গা থেকে দর্শকদের জন্য বাংলা সিনেমায় বৈচিত্র্য রাখা হয়েছে।’

এই উৎসবকে ঘিরে সেজেছে টিএসসি চত্বর। এখানেই মূল অডিটরিয়ামে সিনেমাগুলো দেখানো হচ্ছে। সিনেমাগুলো নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে চলছে আলোচনা। ক্লাসের ফাঁকে কে কোন সিনেমা দেখবেন, সেই হিসাব করে রাখছেন শিক্ষার্থীরা। টিকিটের মূল্য ৫০ টাকা। তবে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের জন্য সিনেমা দেখা ফ্রি। উৎসবের প্রথম দিন গতকাল সকাল ১০টায় দেখানো হয় সীমানা পেরিয়ে, ১টায় আনন্দ অশ্রু, সাড়ে ৩টায় বিউটি সার্কাস ও শেষ প্রদর্শনী বিকেল ৬টা ৩০ মিনিটে কুড়া পক্ষীর শূন্যে উড়া’। একই সময়ে আজ সোমবার দেখানো হবে ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’; ‘শিল্প শহর স্বপ্নলোক’; ‘পরবাসী মন আমার’, ‘ঢেউ’, ‘দূরে’ (স্বল্পদৈর্ঘ্য) ও ‘হাওয়া’। আগামীকাল প্রদর্শিত হবে বেহুলা, বাঞ্ছারামের বাগান, মানিক বাবুর মেঘ, ওয়ান্স আপন আ টাইম ইন ক্যালকাটা। ৮ ফেব্রুয়ারি ‘ইন্টারভিউ’, ‘মন্দ মেয়ের উপাখ্যান’, ‘বল্লভপুরের রূপকথা’, ‘দামাল’। শেষ দিনে দর্শকেরা দেখতে পারবেন ‘আবার তোরা মানুষ হ’, ‘চিত্রাঙ্গদা’, ‘শিমু’, সাঁতাও’।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার বিয়ে: মরুভূমিতে যেন মেলা বসছে
***********************************************************************
হরেক রকমের বাহারি খাবার। হাতে বোনা পোশাক আর ভারতীয় শিল্পকলার রংবাহারি স্টল। রাজস্থানি লোকগীতি আর লোকনৃত্য—সব মিলিয়ে সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার বিয়েকে ঘিরে যেন আনন্দ মেলা বসতে চলেছে সূর্যগঢ়ের অট্টালিকায়।
রাজস্থানের মরুশহর জয়সলমীরের সূর্যগঢ় প্যালেস এখন ঝলমলিয়ে উঠেছে ‘শেরশাহ’ জুটি সিদ্ধার্থ মালহোত্রা আর কিয়ারা আদবানির বিয়ে উপলক্ষে। গতকাল থেকে সমগ্র মরুশহরে উৎসবের মেজাজে। আগামীকাল মঙ্গলবার এই জুটি চির বন্ধনে আবদ্ধ হতে চলেছেন। ইতিমধ্যে তারকার সমাগম হয়েছে জয়সলমীরে। সিদ্ধার্থ আর কিয়ারার পরিবারের সবাই পৌঁছে গেছেন এখানে। জানা গেছে, আজ তাঁদের মেহেদী আর গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হচ্ছে। কিয়ারার হাতে লেখা হচ্ছে সিদ্ধার্থের নামে মেহেদী।

মরুশহরে বিয়ে হচ্ছে, তাই স্থানীয় রসনা সিড আর কিয়ারার বিয়ের মেনুতে থাকবে না, তা কী করে হয়। রাজস্থানের বিখ্যাত ‘ডাল-বাটি চুরমা’সহ আরও নানা স্থানীয় পদ অতিথিদের পরিবেশন করা হবে বলে জানা গেছে। আট ধরনের ‘ডাল-বাটি চুরমা’ খাবারের তালিকায় থাকছে।

আওদি ঘরানার বৈচিত্র্য আর রাজপুতানার রাজকীয় পদের বাহার তাঁদের বিয়ের মেনুতে রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে। এ ছাড়া আছে রাজস্থান আর পাঞ্জাবের শীতকালীন বাহারি পদ। শুধু ভারতীয় পদ নয়, বিদেশি রসনাও থাকছে সিড আর কিয়ারার বিয়ের মেনুতে। জানা গেছে, বিয়ের রাতে থাকবে থাই, ইতালিয়ান, কোরিয়ান, চাইনিজ পদের বৈচিত্র্য। তাই দেশি-বিদেশি খাবারের স্টল থাকবে তাঁদের বিয়েতে।

মিষ্টিমুখ ছাড়া এই আয়োজন কখনো সম্পূর্ণ হতে পারে না। ২০-র বেশি দেশি-বিদেশি নানা স্বাদের মিষ্টি রাখা হয়েছে বিয়ের মেনুতে। দেশি ঘিয়ের মোতিচুরের লাড্ডু থেকে চিজ কেক সবকিছুই থাকবে এই রাতে। নিমন্ত্রিতদের মনোরঞ্জনের জন্য শুধু বাহারি খাবারের আয়োজন রাখেননি এই হবু দম্পতি, আরও নানা আয়োজন আছে। চুড়ি, লেহরিয়া দোপাট্টা, শাড়ি, হস্তশিল্পের রকমারি, হাতে তৈরি কাঠের নানা সামগ্রীর স্টল বিয়ের আসরে রাখা হয়েছে। এ ছাড়া নেচে-গেয়ে এই আসরকে আরও রঙিন করে তুলবেন একঝাঁক রাজস্থানি লোক গায়ক আর লোক নৃত্যশিল্পী।

সিদ্ধার্থ আর কিয়ারা বিয়ের পর দুটো রিসেপশনের আয়োজন করতে চলেছেন। বিয়ের পরপরই এই বলিউড দম্পতি দিল্লির উদ্দেশ্যে উড়ে যাবেন। দিল্লিতে সিদ্ধার্থের নিজের বাসা। এই শহরেই তাঁর সব আত্মীয় স্বজন। আর তাই দিল্লিতেই প্রথম রিসেপশনের আয়োজন হবে। এরপর ১২ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইতে গ্র্যান্ড উদ্‌যাপন হবে। প্রায় সমগ্র বলিউড ইন্ডাস্ট্রিকে এই রাতে দেখা যাবে।

বিয়ের রাতে কিয়ারা সেজে উঠবেন ডিজাইনার মনীশ মালহোত্রার ডিজাইন করা লেহেঙ্গায়। আর সিদ্ধার্থ পরবেন মনীশের ডিজাইন করা শেরওয়ানি। জানা গেছে, এই রাতে হবু দম্পতিকে সাজাবেন খ্যাতনামা প্রসাধনশিল্পী লেখা গুপ্তা। তাঁদের বিয়ের সাজসজ্জা যাতে প্রকাশ্যে না চলে আসে তারজন্য কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

ক্যাটরিনা আর ভিকি কৌশলের বিয়ের মতো তাঁদের বিয়েতেও মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না বলে খবর। আরও জানা গেছে যে ক্যাটরিনার পরামর্শ মতো সিদ্ধার্থ বিয়ের জন্য সূর্যগঢ় প্যালেসকে বেছে নিয়েছে। করণ জোহর, মনীশ মালহোত্রা, শহীদ কাপুর, মীরা রাজপুত, ঈশা আম্বানি তাঁর স্বামী আনন্দ পিরামল, আকাশ আম্বানি তাঁর স্ত্রী শ্লোকা মেহেতা ইতিমধ্যে রাজস্থানের এই মরুশহরে পৌঁছে গেছেন।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

গ্র্যামিতে ইতিহাস গড়লেন বিয়ন্সে
***********************************************************************
গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডের ৬৫ বছরের ইতিহাসে সবাইকে ছাপিয়ে নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেন পপ তারকা বিয়ন্সে। সর্বোচ্চ ৩২ পুরস্কার নিয়ে সবচেয়ে বেশিবার গ্র্যামি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিল্পীর তালিকার চূড়ায় উঠেছেন যুক্তরাষ্ট্রের এই শিল্পী।

যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসের ক্রিপটো ডটকম অ্যারেনায় বাংলাদেশ সময় সোমবার সকালে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডস ২০২৩ ঘোষণা করা হয়েছে। আলোঝলমলে মঞ্চের সব আলো যেন কাড়লেন বিয়ন্সে। সেরা নাচ/ইলেকট্রিক মিউজিক অ্যালবামসহ (রেনেসাঁ) মোট চার পুরস্কার বাগিয়ে নিয়ে রেকর্ডের খাতায় নাম লেখালেন তিনি।
এর আগে প্রয়াত সংগীত পরিচালক জর্জ সলতি ৩১ বার গ্র্যামি পুরস্কার পাওয়ার সুবাদে প্রায় দুই দশক ধরে রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন। তাঁকে পেছনে ফেলে সামনে এগিয়ে গেলেন বিয়ন্সে। এবারের আসরে ৯ বিভাগে মনোনয়ন পেয়েছিলেন বিয়ন্সে।

আট বছর পর গত বছরের জুলাইয়ে সপ্তম স্টুডিও অ্যালবাম ‘রেনেসাঁ’ মুক্তি দেন বিয়ন্সে। অ্যালবামটি বিশ্বজুড়ে তুমুল সাড়া ফেলে। তখনই সমালোচকদের অনুমান ছিল, সামনের অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানগুলোতেও রাজত্ব করবেন বিয়ন্সে। অনুমান সত্যি করে গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসের ৬৫তম আসরে জয়জয়কার হয়েছে তাঁর।

পুরস্কারের বাইরে মনোনয়নের রেকর্ডেও ভাগ বসিয়েছেন বিয়ন্সে, স্বামী জে-জেডের সঙ্গে ৮৮ বার মনোনয়ন পেয়ে যৌথভাবে রেকর্ড গড়েছেন তিনি। গ্র্যামির ইতিহাসের সর্বোচ্চ মনোনয়ন এখন যৌথভাবে এই তারকা দম্পতির দখলে।
সেরা নাচ/ইলেকট্রিক মিউজিক অ্যালবাম (রেনেসাঁ) ছাড়াও সেরা ট্র্যাডিশনাল আরঅ্যান্ডআর পরিবেশনা (প্লাস্টিক অব দ্য সোফা), সেরা নাচ/ইলেকট্রিক রেকর্ডি (ব্রেক মাই সোল), সেরা আরঅ্যান্ডআর গান (কাফ ইট) বিভাগে পুরস্কার পেয়েছেন বিয়ন্সে।

গ্র্যামির মঞ্চে বিয়ন্সে বলেন, ‘আমি আবেগপ্রবণ না হওয়ার চেষ্টা করছি। আমি শুধুই নিতে এসেছি। আমি সৃষ্টিকর্তাকে ধন্যবাদ জানাই। আমার চাচা জনিকে ধন্যবাদ জানাই, যিনি আমাদের মধ্যে নেই, কিন্তু তার প্রেরণা আমার মধ্যে রয়েছে। আমি মা–বাবা, স্বামী, তিন সন্তানকে ধন্যবাদ জানাতে চাই।’
গ্র্যামিতে সবচেয়ে বেশি পুরস্কার পাওয়ার তালিকায় বিয়ন্সে ও সলতির পর রয়েছেন প্রযোজক কুইন্সি জোনস (২৮), অ্যালিসন ক্রাউস (২৭)।

Source:. প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Nokib Hasan
Nokib Hasan
3 سنوات

image
إعجاب
علق
شارك
Nokib Hasan
Nokib Hasan
3 سنوات

image
إعجاب
علق
شارك
Nokib Hasan
Nokib Hasan
3 سنوات

image
إعجاب
علق
شارك
Nokib Hasan
Nokib Hasan
3 سنوات

image
إعجاب
علق
شارك
Showing 14079 out of 21323
  • 14075
  • 14076
  • 14077
  • 14078
  • 14079
  • 14080
  • 14081
  • 14082
  • 14083
  • 14084
  • 14085
  • 14086
  • 14087
  • 14088
  • 14089
  • 14090
  • 14091
  • 14092
  • 14093
  • 14094

تعديل العرض

إضافة المستوى








حدد صورة
حذف المستوى الخاص بك
هل أنت متأكد من أنك تريد حذف هذا المستوى؟

التعليقات

من أجل بيع المحتوى الخاص بك ومنشوراتك، ابدأ بإنشاء بعض الحزم. تحقيق الدخل

الدفع عن طريق المحفظة

تنبيه الدفع

أنت على وشك شراء العناصر، هل تريد المتابعة؟

طلب استرداد