অভিনেতা আজিজের হার্টে রিং পরানো হয়েছে
***********************************************************************
অভিনেতা আবদুল আজিজের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল। গত শনিবার রাতে হঠাৎ তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন। রাতেই তাঁকে ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের (বারডেম) সিসিইউতে দুই দিন পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। আজ সোমবার এই অভিনেতার হার্টে রিং পরানো হয়েছে। একই সঙ্গে চলছে ফুসফুসের চিকিৎসা। বয়স বেশি হওয়ায় কিছুটা ঝুঁকি রয়েছে, সেরে উঠতে আরও সময় লাগবে। পারিবারিক ও অভিনয় শিল্পী সংঘ সূত্রে তথ্যগুলো জানা যায়।
এই অভিনেতার মেয়ে প্রমা আজিজ তাঁর বাবার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আজ ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আব্বুকে জরুরি ভিত্তিতে একটা রিং পরানো হয়েছে। বাবার হার্টে ৯৫ শতাংশ ব্লক ছিল। অন্য ব্লকগুলো ওষুধে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। এখন বাবা আইসিইউতে আছেন। কিছুক্ষণ আগে রিং পরানো হয়েছে।’ এই সময় তিনি বাবার জন্য দোয়া চান।
শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে অভিনয় শিল্পী সংঘের সভাপতি আহসান হাবীব নাসিম বলেন, ‘আজিজ ভাই এখনো ওটিতে (অপারেশন থিয়েটার) আছেন। ভালোভাবেই রিং পরানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভাইয়ের ফুসফুসেও পানি জমার চিকিৎসা চলছে। ভাইয়ের বয়স ৭৫ বছর। যে কারণে কিছুটা শঙ্কা রয়েছে। আশা করছি, দ্রুত সুস্থ হয়ে যাবেন।’ গতকাল রোববার তিনি জানিয়েছিলেন, শনিবার রাতে আজিজ ভাই শিল্পকলা মাঠে আড্ডা দিচ্ছিলেন। সেখানে প্রায়ই সময় কাটান। এর মধ্যে হঠাৎ তাঁর শারীরিক অবস্থা খারাপ হয়।
বারডেম হাসপাতালে ভর্তি করার পর চিকিৎসকেরা জানান, ভাইয়ের হার্টে গুরুতর অ্যাটাক হয়েছে। একই সঙ্গে ফুসফুসে পানি জমেছে। এখন জরুরি ভিত্তিতে এনজিওগ্রাম করতে হবে। ফুসফুসের পানি জমার জন্যও আলাদা চিকিৎসা করা হবে।
তখন জানা যায়, এর আগেও অভিনেতা আজিজের ফুসফুসে পানি জমেছিল। তখন অপারেশন করা হয়েছিল। মাঝেমধ্যেই কিছুটা শারীরিক সমস্যা দেখা দিত। এখন বয়সও কিছুটা বেশি। সব মিলিয়ে এবারের অবস্থা একটু খারাপ। আরও কিছুদিন তাঁকে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে।
অভিনেতার মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয় বেতার নাটক দিয়ে। ১৯৬৪ সালে তিনি বেতার নাটকে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে রেডিও নাটকেই তিনি খ্যাতি পান। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় নিয়মিত হন। তার পর থেকে সমানতালে মঞ্চ, রেডিও, সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর বেতার নাটকের সংখ্যা হাজারের বেশি। নাটক–সিনেমায় তাঁকে নিয়মিত দেখা না গেলেও ইত্যাদিতে দেখা যায়। এর আগে ফুসফুসের অপারেশনের পর তিনি অভিনয় কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।
অভিনেতার মিডিয়ায় পথচলা শুরু হয় বেতার নাটক দিয়ে। ১৯৬৪ সালে তিনি বেতার নাটকে নায়কের চরিত্রে অভিনয় করেন। পরে রেডিও নাটকেই তিনি খ্যাতি পান। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে তিনি সিনেমায় নিয়মিত হন। তার পর থেকে সমানতালে মঞ্চ, রেডিও, সিনেমায় অভিনয় করেছেন। দীর্ঘ ছয় দশকের ক্যারিয়ারে তিনি শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। তাঁর বেতার নাটকের সংখ্যা হাজারের বেশি। নাটক–সিনেমায় তাঁকে নিয়মিত দেখা না গেলেও ইত্যাদিতে দেখা যায়। এর আগে ফুসফুসের অপারেশনের পর তিনি অভিনয় কিছুটা কমিয়ে দিয়েছেন।
Source:. প্রথম আলো