শত শিশুর সঙ্গে গাইবেন পার্থ বড়ুয়া ও নিশিতা
***********************************************************************
সোলস ব্যান্ডের অন্যতম সদস্য ও জনপ্রিয় শিল্পী পার্থ বড়ুয়ার সঙ্গে চলচ্চিত্রের একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন নিশিতা বড়ুয়া। ‘মেইড ইন চিটাগং’ চলচ্চিত্রে পার্থ বড়ুয়া ও নিশিতার গাওয়া চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষার গান ‘ফেট ফুরেদ্দে তোঁয়াল্যাই’ প্রশংসিত হয়েছে। এবার পার্থ বড়ুয়া ও নিশিতা নতুন করে গাইতে যাচ্ছেন কালজয়ী ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ গানটি। এই গানে তাঁদের সঙ্গী শত শিশুশিল্পী।
গতকাল শুক্রবার স্টুডিওতে শত শিশুশিল্পীর কণ্ঠে ধারণ করা হয়েছেন ঐতিহাসিক ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ গানটি। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের লেখা গানটি সুর করেছিলেন আনোয়ার পারভেজ। স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘জয় বাংলা, বাংলার জয়’ গানটি নতুনভাবে সংগীতায়োজন করেছেন গায়ক ও সংগীত পরিচালক পার্থ বড়ুয়া। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির তত্ত্বাবধানে গানটি তৈরি হয়েছে। গানটির সার্বিক দায়িত্বে রয়েছেন গীতিকার আশরাফ বাবু।
শত শিশুশিল্পীকে নিয়ে গানটির রেকর্ডিংয়ের একটি মুহূর্তের ভিডিও গতকাল ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পার্থ বড়ুয়া। ভিডিওতে দেখা গেছে, শিশুশিল্পীরা জয় বাংলা গানটি বেশ আনন্দের সঙ্গেই গাইছে। শিশুদের সঙ্গে গানটি গাইতে অভিজ্ঞতা কেমন—জানতে চাইলে পার্থ বড়ুয়া বলেন, ‘শিশুশিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে আমার বেশ ভালো লাগে। তাদের সঙ্গে এই গানের অভিজ্ঞতা অন্য রকম। আশা করছি, গানটি শত শিশুর কণ্ঠে বেশ ভালো লাগবে।’
শিশু একাডেমির মহাপরিচালক ছড়াকার আনজীর লিটন বলেন, ‘স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে শত শিশুর কণ্ঠে জয় বাংলা গানটি করার পরিকল্পনা করেছিলাম। আমাদের আয়োজনটি সত্যিই ভালো হয়েছে।’
২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে রোববার বেলা ১১টায় শিশু একাডেমিতে আলোচনা সভা, পুরস্কার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেসা ইন্দিরা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন শিশু একাডেমির চেয়ারম্যান লাকী ইনাম। সাংস্কৃতিক পর্বে শত শিশুশিল্পীর সঙ্গে জয় বাংলা গানটি গাইবেন পার্থ বড়ুয়া ও নিশিতা বড়ুয়া।
এর আগেও ছোটদের নিয়ে গান করেছেন পার্থ বড়ুয়া। বাংলাদেশ শিশু একাডেমির উদ্যোগে ১২টি জনপ্রিয় ছড়ায় কণ্ঠ দিয়েছে জাতীয় শিশু পুরস্কারপ্রাপ্ত ১২ শিশুশিল্পী।
Source: প্রথম আলো
অনিমেষের শিকড়ের সৌন্দর্য ‘নাহুবো নাহুবো’
***********************************************************************
করোনা মহামারিতে যখন সবাই ঘরবন্দী, তখন এক স্বপ্নচারী তরুণ ঘরে-বাইরে আর প্রকৃতির কাছে তাঁর স্বপ্ন বুনছিলেন। করছিলেন সংগীতসাধনা। সেই সাধনা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবের মাধমে চলে আসে মানুষের হাতের মুঠোয় এবং অল্প সময়ের মধ্যে জায়গা করে নেয় সবার মনে। ‘মন ভালা না রে, তোর পিরিত ভালা না’—গানটির মাধ্যমে কণ্ঠশিল্পীও চলে আসেন সবার নজরে। সবাই যখন এই তরুণের গানে মুগ্ধ, তখন আবারও তিনি ঝড় তুললেন কোক স্টুডিও বাংলার মাধ্যমে। কোক স্টুডিও বাংলার প্রথম মৌসুমের ‘নাসেক নাসেক’ গানটি দিয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেন লাখ লাখ দর্শকশ্রোতার মধ্যে।
পাঠক, লাইনগুলো পড়তে পড়তে আপনাদের মনের জানালায় উঁকি দিচ্ছে কোন মুখটি? হ্যাঁ, সেই স্বপ্নচারী তরুণ হলেন অনিমেষ রায়। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর এই তরুণের গান শুনলে মনে হয় পাহাড়ের কোল ঘেঁষে আসা নদীর শীতল পরশের কথা। যে পরশ ছুঁয়ে যায় মন-প্রাণ।
১৮ মার্চ সন্ধ্যা ৬টায় মুক্তি পায় কোক স্টুডিও বাংলা দ্বিতীয় মৌসুমের তৃতীয় গান ‘নাহুবো’। এই গানেও নিজের জাতিগোষ্ঠী হাজংয়ের সংস্কৃতি তুলে এনেছেন অনিমেষ রায়। প্রথম গান ‘নাসেক নাসেক’-এর মতো এবারও সাড়া পড়ে যায় তাঁর ‘নাহুবো’ গানটি নিয়ে। হাজং ভাষায়ই অনিমেষ রচনা করেছেন এবং গেয়েছেন দুটি গানই।
অনিমেষ বলেন, ‘এটা যে আমার কাছে কত বড় আনন্দের বিষয়, তা বলে বোঝাবার নয়। হাজং পরিবারে জন্ম হওয়ায় আমার মাতৃভাষা এটা। যখন থেকেই গানের প্রতি টান অনুভব করতাম, নিজের ভাষাতেই লিখতাম। এটা আমার কাছে একধরনের শিকড়ের সৌন্দর্যের মতো। তবে বাংলা ভাষা তো আমার দেশের ভাষা। বড় হতে হতে আমি বাংলা ভাষার সঙ্গে পরিচিত হয়েছি, পড়াশোনা করেছি। এখানেও মায়ের ঘ্রাণ আছে।
আমাদের হাজং ভাষার নিজস্ব বর্ণমালা নেই। হয়তো একদিন তা হবে। কিন্তু কোক স্টুডিও বাংলার কারণে আমাদের হাজং ভাষার গান মর্যাদা পেয়েছে। এ জন্য কোক স্টুডিও বাংলার প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা।’
নাহুবো গানটির কথা ও ভাবনার বিষয়ে অনিমেষ রায় জানান, ‘গানটি আমার নিজের জীবন থেকে অনুপ্রাণিত। সামাজিক প্রত্যাশার চাপে মাথা নত না করে নিজের শিকড়ের প্রতি দায়বদ্ধ থেকে মানুষের বাঁচার অধিকার আছে, তা মনে করে লিখেছি। ব্যক্তির আত্মমর্যাদাবোধ, কারও জন্য নিজেকে কষ্ট না দেওয়া এবং গানের প্রতি ভালোবাসার কথা তুলে ধরেছি। আমি গানটি নিজের জন্যই লিখেছিলাম। আমি গাইব আর আমার হাজং ছোট ভাইবোনেরা এটার সঙ্গে নাচবে—এমন ভাবনা থেকেই গানটি লেখা। পরিকল্পনাও করে রেখেছিলাম। তখন কোক স্টুডিও বাংলার কম্পোজার সায়ন্তন মাংসাং গায়ক ও সংগীতশিল্পী অর্ণবদার সঙ্গে এই পরিকল্পনা ভাগাভাগি করলে তিনি কোক স্টুডিও বাংলার জন্য নাহুবোকে নির্বাচিত করেন।
গানটিতে অনিমেষ রায়ের সঙ্গে আছেন কক্সবাজারের র্যাপশিল্পী সোহানা রহমান। যাকে ‘ডটার অব কোস্টাল’ আখ্যা দিয়েছে কোক স্টুডিও বাংলা কর্তৃপক্ষ। গানটিতে হাজং ও উপকূলীয় সংস্কৃতির সমন্বয় ঘটানো হয়েছে। র্যাপ অংশটুকু রচনা করেছেন সোহানা। কোক স্টুডিও বাংলার সঙ্গে যুক্ত হওয়া, গান লেখা এবং গাওয়া নিয়ে সোহানা বলেন, ‘আমি আমার এলাকায় র্যাপসংগীত পরিবেশন করি। যখন আমাকে বলা হলো এমন একটা প্ল্যাটফর্মে গান গাইতে হবে, আমি তো আনন্দে অভিভূত।
প্রায় প্রতিটি মানুষকেই পারিবারিক ও সামাজিক নানা রকম প্রতিবন্ধকতা ডিঙিয়ে বেঁচে থাকতে হয়। ব্যক্তিস্বাধীনতার বিষয়ে গান লিখতে এবং গাইতে পেরেছি—এটা আমার কাছে বড় পাওয়া। কক্সবাজারের মানুষের বাইরে এখন সারা দেশের মানুষ আমাকে ভালোবাসছে। কোক স্টুডিও বাংলার কাছে আমার কৃতজ্ঞতার শেষ নেই।’
নাহুবো গানটির সংগীতায়োজন করেছেন সায়ন্তন মাংসাং। অনিমেষ রায় ও সোহানা রহমান ছাড়াও গানটিতে কণ্ঠ মিলিয়েছেন সায়ন্তন মাংসাং, সাদুল ইসলাম ও ইমরান আহমেদ।
Source: প্রথম আলো
কেউ ইনবক্সে বয়স জানতে চাইলে তাকে চুপিচুপি বলব: ফারুক আহমেদ
***********************************************************************
শুভ জন্মদিন, কেমন আছেন?
ধন্যবাদ। ভালো আছি।
হাতে গোনা কিছু বয়োজ্যেষ্ঠ অভিনয়শিল্পী বাদ দিয়ে তৌকীর আহমেদ, জাহিদ হাসান,মোশাররফ করিমসহ অনেকেই আপনাকে ভাই বলে সম্বোধন করেন, আপনার বয়স কত হলো?
বহুত বছর হবে। এটা প্রকাশ্যে বলা যাবে না (হাসি)। কেউ ইনবক্সে বয়স জানতে চাইলে তাকে চুপিচুপি বলব। আর আমি বয়স নিয়ে ভাবি না। কাজই মানুষকে বাঁচিয়ে রাখে। কাজ করে যেতে চাই
২৫ মার্চ, জাতীয় গণহত্যা দিবস। যে কারণে এই দিনে জন্মদিন হওয়ায় দিনটি উদ্যাপন করেন না। কিন্তু ভক্ত, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা দিনটিতে আপনাকে নানাভাবে স্মরণ করেন, কেমন অনুভূতি হয়?
ফেসবুকে পরিচালক, অভিনয়শিল্পীসহ অনেকেই স্ট্যাটাস দিচ্ছেন। সেগুলো অনেক স্মৃতি মনে করিয়ে দেয়। অনেকেই ফোন দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। ভালো লাগে, ধন্যবাদ জানাই। তবে একটা বিষয় লক্ষ করি, আমাকে নিয়ে একটু বেশি ভালোবেসে বেশি প্রশংসা করেন অনেকেই। কেউ বলছেন কিংবদন্তি অভিনেতা, অনেক গুণী শিল্পীদের সঙ্গে তুলনা করেন। এগুলো আমার কাছে একটু বেশি মনে হয়। তবে সবার ভালোবাসা মনে করিয়ে দেয়, আমার কাছে তাঁদের অনেক প্রত্যাশা। কিন্তু আমি নিজ থেকে চুপ থাকি এই দিনে।
দীর্ঘ এই জীবনের প্রাপ্তি–প্রত্যাশার হিসেব কি কখনো মিলিয়েছেন?
জীবন কি আর হিসেব করে চলে। অঙ্কের মতো জীবন চলে না। কখনো ইচ্ছার চেয়ে প্রাপ্তি কম থাকে, কখনো প্রাপ্তি বেশি থাকে। আবার কখনো প্রত্যাশা–প্রাপ্তির হিসেব একেবারেই মেলে না। তবে আমি জীবন নিয়ে খুশি। যা পেয়েছি, যা পাইনি, তা নিয়ে কোনো দুঃখ কষ্ট নেই। পরিবার, আত্মীয়, বন্ধুবান্ধব—সব নিয়ে আমি ভালো আছি। আমি সুখী মানুষ।
অভিনেতা হিসেবে আপনার প্রত্যাশা কতটা পূরুণ হয়েছে?
আমি অভিনেতা হিসেবে শতভাগ সফল।
তাহলে কি আপনার আর অভিনয় থেকে পাওয়ার কিছু নেই?
অভিনয় থেকে ধরাবাঁধা কিছু পেতেই হবে, সেটা আমি মনে করি না। সেই লক্ষ্য নিয়েও এগোয়নি। আমার চাওয়া কম। তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। আবার কিছু না পেলেও বেদনা নেই। কখনো বেশি কিছু পেলে মনে হয় এটা অপ্রাপ্তি ছিল। জীবনটাকে আমি সহজভাবে দেখি। কে কী পেল, আমি কেন পেলাম না, এসব তুলনায় কখনোই যাই না।
Source: প্রথম আলো
হার্ট অ্যাটাকের ধকল কাটিয়ে শুটিংয়ে ফিরলেন সুস্মিতা
***********************************************************************
কিছুদিন আগেই হার্ট অ্যাটাক হয়েছিল বলিউড অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের। এরপর অ্যানজিওপ্লাস্টি করা হয় তাঁর। ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছেন সুস্মিতা। মধ্যে ৪৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রীকে শরীরচর্চা করতে দেখা গিয়েছিল। এবার ফিরলেন শুটিংয়ে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়া
হার্ট অ্যাটাকের খবর সুস্মিতা সেনের ভক্তরা জানতেন না। রিং পরানোর পর চলতি মাসের শুরুতে নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান তাঁর অবস্থা। এতে তাঁর ভক্তরা চিন্তিত হয়ে পরেছিলেন ও তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছিলেন। এবার সেই ভক্তদের কাজে ফেরার সুখবর ও জানালেন সুস্মিতা তাঁর জনপ্রিয় সিরিজ ‘আরিয়া ৩’-এর শুটিং দিয়ে ফিরলেন কাজে। এখন পুরোদমে আবার কাজ শুরু করেছেন সুস্মিতা।
রিং পরানোর সপ্তাহ পার না হতেই নিজেকে ফিট রাখতে শরীরচর্চা শুরু করেছিলেন সুস্মিতা। ভক্তরা ভাবতেই পারেননি এত দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে সুস্মিতা জানান, নিয়মিত শরীরচর্চা করার কারণে খুব দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠেছেন তিনি।
দুই দিন আগে ডাবিং স্টুডিওর সামনে সুস্মিতাকে দেখা গেছে। এ ছাড়া তাঁর আরেকটি সিনেমা ‘তালি’র শুটিংয়েও ফিরেছেন তিনি। পুরোদমে কাজে ফিরতে দেখে উচ্ছ্বসিত ভক্তরা। ওয়েব সিরিজ ‘আরিয়া’ দিয়ে ওটিটি মাধ্যমে পা রেখেছিলেন সুস্মিতা। ২০২০ সালে মুক্তি পেয়েছিল প্রথম সিজন। এর মধ্য দিয়ে দীর্ঘ বিরতির পর অভিনয়ে ফিরেছিলেন তিনি। ব্যাপক জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সমালোচকদেরও প্রশংসা পায় সিরিজটি।
সুস্মিতার অভিনয়ের প্রশংসা করেন সালমান খান, বিদ্যা বালানসহ অনেকে।
এরপর ‘আরিয়া ২’ও মুক্তি পেয়েছে। এখন চলছে সিরিজের তৃতীয় সিজনের শুটিং। সেই শুটিংয়ে ব্যস্ত এখন সুস্মিতা। পরিবারকে রক্ষা করতে এক নারীর সংগ্রামের গল্প সিরিজটি। কিছুদিন আগেই এই নতুন সিজনের পোস্টার প্রকাশ পেয়েছিল।
Source: প্রথম আলো
এবার যে দুটি কথা মনে রাখতে বললেন ওসি হারুন
***********************************************************************
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার পটভূমিতে তৈরি হইচয়ের ওয়েব সিরিজ ‘মহানগর’ মুক্তি পায় ২০২১ সালে। জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম অভিনীত এই সিরিজ নির্মাণ করেছিলেন বাংলাদেশের নির্মাতা আশফাক নিপুণ। মুক্তির পরপরই দুই বাংলায় দর্শক আগ্রহের কেন্দ্রে উঠে আসে ওয়েব সিরিজটি। কলকাতার অনেক তারকাকেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এই সিরিজের অভিনেতা ও নির্মাতার প্রশংসা করতে দেখা যায়।
আগেই জানানো হয়েছিল, আগামী ঈদুল ফিতরে আসবে সিরিজটির দ্বিতীয় কিস্তি। আজ বিকেলে টিজার প্রকাশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হলো পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ঈদেই আসছে ‘মহানগর ২’, ওসি হারুনরূপে ফিরছেন মোশাররফ করিম।
শনিবার বিকেলে হইচইয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ ও নির্মাতা আশফাক নিপুণ ১ মিনিট ১০ সেকেন্ডের একটি টিজার প্রকাশের মাধ্যমে এ ঘোষণা দেন। টিজারটি প্রকাশের পরপরই এটি ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।
ভক্তরা টিজারটি শেয়ার করছেন তাঁদের নিজেদের ফেসবুকে, মন্তব্য ঘরে ভক্তরা বিভিন্ন ধরনের মন্তব্য করছেন। অনেকেই টিজারে থাকা মোশাররফ করিমের সংলাপগুলো শেয়ার করছেন। এক ভক্ত মন্তব্য করেছেন, ‘অবশেষে এল। ঈদ আসতে আরও এক মাস। এত দিন ওয়েট করতে হবে? পারলে এখনই রিলিজ দিয়ে দিন।’
‘মহানগর ২’-এর টিজারে দেখা যায়, ঢাকা মহানগরের ব্যস্ত রোডে ছুটে চলেছে গাড়ি ও মানুষ। ব্যাকগ্রাউন্ডে অভিনেতা মোশাররফ করিম ঢাকা মহানগর নিয়ে একটি গল্প বলছেন। সেখানে ঢাকা মহানগরের কথা উল্লেখ করে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘মহানগরের রাস্তায়, ফুটপাতে, অলিতে-গলিতে কতশত গল্প। শাসকের গল্প, শোষিতের গল্প। ক্ষমতায় ওঠার গল্প, ক্ষমতার সঙ্গে পেরে না ওঠার গল্প। মহানগরে প্রতিদিন এমন হাজারো মানুষ পিষে যায় সিস্টেমের চাপে। এই সিস্টেমের কোনায় কোনায় ভূত। ভূতদের সঙ্গে পাল্লা দিতে হলে মাঝে মাঝে নিজেকেও ভূত সাজতে হয়।’
টিজারের শেষ পর্যায়ে পুলিশের পোশাকে ওসি হারুনরূপে দেখা দিয়ে অভিনেতা মোশাররফ করিম দুটি কথা মনে রাখতে বলেন দর্শকদের। ‘এক, তাঁর নাম যে হারুন সেটা। আর দুই, হারুন এত সহজে হারে না।’
মহানগরের প্রথম পর্বে মোশাররফ করিম ছাড়াও অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান, জাকিয়া বারী মম, শ্যামল মাওলা প্রমুখ। তবে নতুন সিজনে মোশাররফ করিম ছাড়া আর কে কে থাকছেন, সে বিষয়ে নির্মাতাদের পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
Source: প্রথম আলো