Linkeei Linkeei
    #news #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda
    اعلی درجے کی تلاش
  • لاگ ان کریں
  • رجسٹر کریں۔

  • دن کا موڈ
  • © {تاریخ} Linkeei
    کے بارے میں • ڈائرکٹری • ہم سے رابطہ کریں۔ • ڈویلپرز • رازداری کی پالیسی • استعمال کی شرائط • واپس کرنا • Linkeei App install

    منتخب کریں۔ زبان

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

دیکھو

دیکھو ریلز فلمیں

تقریبات

ایونٹس کو براؤز کریں۔ میرے واقعات

بلاگ

مضامین کو براؤز کریں۔

مارکیٹ

تازہ ترین مصنوعات

صفحات

میرے صفحات پسند کردہ صفحات

مزید

فورم دریافت کریں۔ مقبول پوسٹس کھیل نوکریاں پیشکش کرتا ہے۔
ریلز دیکھو تقریبات مارکیٹ بلاگ میرے صفحات تمام دیکھیں

دریافت پوسٹس

Posts

صارفین

صفحات

گروپ

بلاگ

مارکیٹ

تقریبات

کھیل

فورم

فلمیں

نوکریاں

Magazine
Magazine
3 سال

গুগল অ্যাকাউন্ট দিয়ে সব যন্ত্রে একই অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে
***********************************************************************
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং সিস্টেমে চলা একাধিক যন্ত্রে একই অ্যাপ ব্যবহারের সুযোগ দিতে ‘সিংক অ্যাপ টু ডিভাইস’ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে গুগল। এ সুবিধা চালু হলে ব্যবহারকারীরা নিজেদের গুগল অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যুক্ত একাধিক ফোন, ট্যাবলেট কম্পিউটার ও স্মার্টওয়াচে একই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারবেন। ফলে অ্যাপ ব্যবহারের সর্বশেষ তথ্য সব কটি যন্ত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।

গুগল প্লে স্টোরের ‘ম্যানেজ অ্যাপস অ্যান্ড ডিভাইস’ বিভাগে ক্লিক করে এ সুবিধা পাওয়া যাবে। নতুন এ সুবিধা চালু হলে বিভাগটিতে ক্লিক করলেই একই গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা সব যন্ত্রের তালিকা দেখা যাবে। পছন্দের যন্ত্র নির্বাচন করলেই ‘সিংক অ্যাপ টু ডিভাইস’ সুবিধা চালু হয়ে যাবে।

গুগল আনুষ্ঠানিকভাবে এ সুবিধা উন্মুক্ত না করলেও বেশ কিছু দেশে বসবাসকারীরা গুগল প্লে স্টোরে বিভাগটি দেখতে পারছেন বলে দাবি করেছেন। তাঁদের দাবি, ‘ম্যানেজ অ্যাপস অ্যান্ড ডিভাইস’ বিভাগে যন্ত্র নির্বাচন করলেই ‘আপনি এই যন্ত্রে যে অ্যাপগুলো ইনস্টল করবেন, সেগুলো আপনার সিংক করা যন্ত্রে ইনস্টল করা হবে’ বার্তা দেখা যাচ্ছে।

‘সিংক অ্যাপ টু ডিভাইস’ সুবিধা চালু হলে একই সঙ্গে একাধিক ফোন বা ট্যাবলেট কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা উপকৃত হবেন। তবে একই গুগল অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করা সব যন্ত্রে একসঙ্গে কোনো অ্যাপ হালনাগাদ করা যাবে না। অর্থাৎ বর্তমানের মতোই আলাদাভাবে অ্যাপ হালনাগাদ করতে হবে।

সূত্র: গ্যাজেট৩৬০

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

২০৪১ সালের আগেই ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ার আশাবাদ
***********************************************************************
আজ দেশের শীর্ষ টেলিযোগাযোগ সেবা প্রতিষ্ঠান গ্রামীণফোন আর মোবাইলে আর্থিক সেবা প্রতিষ্ঠান নগদের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। এই স্বাধীনতা দিবসে নগদ চার বছর আর গ্রামীণফোন ২৬ বছর পূর্ণ করল। স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার বিপ্লবে, মোবাইল নেটওয়ার্ক ও ডিজিটাল লেনদেনের ভূমিকা হবে গুরুত্বপূর্ণ। এই লক্ষ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা নিয়ে একান্ত আলাপচারিতায় বসেছিলেন গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইয়াসির আজমান এবং নগদের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক তানভীর এ মিশুক। আলোচনায় তাঁরা বলেন, ২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ স্মার্ট দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

দেশের সমৃদ্ধির গল্প করতে গিয়ে দুজনই বলেছেন, সহায়ক ও সমন্বিত নীতিমালা পরিচালন পদ্ধতি নিশ্চিত করতে পারলে ২০৪১ সালের আগেই কাঙ্ক্ষিত স্মার্ট বাংলাদেশের দেখা মিলবে। ইয়াসির আজমান বলেন, ‘যত দ্রুত আমরা পরিবেশ নিশ্চিত করতে পারব, তত দ্রুত আমরা লক্ষ্যে পৌঁছে যাব।’

২৬ মার্চ বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা দিন; বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। এই দিনেই আলোর মুখ দেখেছে বাংলাদেশের দুই প্রতিষ্ঠান—নগদ ও গ্রামীণফোন। এই ত্রিমুখী উৎসব উদ্‌যাপনের লক্ষ্যেই আলোচনায় বসেন তানভীর এ মিশুক ও ইয়াসির আজমান। দুজনের আলোচনাজুড়েই প্রাধান্য পেয়েছে বাংলাদেশের ডিজিটাল থেকে স্মার্ট হওয়ার পথের স্বপ্ন ও আর্থিক উন্নয়নের গল্প।

বাংলাদেশের উন্নয়নের কথা বলতে গিয়ে তানভীর এ মিশুক বলেন, ‘বাংলাদেশের যে অসাধারণ উন্নয়নযাত্রা, সেটা ফিরে দেখি আমরা। ১৯৭২ সালে মাথাপিছু আয় ছিল ৯২ ডলার, এখন সেটা ২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি। তা ছাড়া সাম্প্রতিক সময়ে দেশের যে উন্নতি হচ্ছে, এতে কিন্তু গ্রামীণফোনের একটা বিরাট ভূমিকা রয়েছে। আজ গ্রামীণফোনের জন্মদিন, ২৬ বছর হচ্ছে। আজ নগদেরও জন্মদিন। আমি শুধু গ্রামীণফোনকে একটা মোবাইল অপারেটর হিসেবে দেখি না। আপনারা যদি এই অবকাঠামোগত সমর্থন না দিতেন, আমরাও অর্থনৈতিক যে ডিজিটাল কর্মকাণ্ড করছি, তা সম্ভব হতো না। আমাদের ডিজিটাল বাংলাদেশকে স্মার্ট বাংলাদেশে রূপান্তরের চিন্তা করাও সম্ভব হতো না।’
ইয়াসির আজমান বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের জন্য আজ অনেক বড় দিন। স্বাধীনতা দিবস আর একই সঙ্গে গ্রামীণফোনের ২৬ বছর পূর্তি। আবার নগদেরও আজ ৪ বছর পূর্তি হলো। আমি বলব, বাংলাদেশের মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টরে নগদের যে সংযুক্তি, উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে নগদ যেভাবে এসেছে এবং আজ যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, তার পেছনে দূরদৃষ্টি, যুগান্তকারী কিছু সিদ্ধান্ত ছিল। এই বিষয়কে আমাদের প্রশংসা করতে হবে, এটার ওপর দাঁড়িয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে।’

দেশের প্রযুক্তি ও অর্থনীতি খাতের এই শীর্ষ দুই ব্যক্তি মনে করেন, বাংলাদেশ সংযুক্তির এক মহাসড়কে উঠে পড়েছে। এখন স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তার চূড়ান্ত রূপ দেখা যাবে। ইয়াসির আজমান বলেন, ‘১৯৯৬ সালে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যখন প্রথম প্রধানমন্ত্রী হন, তখন মোবাইল ও টেলিকম সেবাকে উন্মুক্ত করা হয়। একইভাবে ২০০৮ সালে আমরা ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্নের কথা শুনলাম। তখন এসব বিষয় নিয়ে কাজ করা অনেকেই জানিয়েছেন, নিন্দুকেরা সে সময় বিষয়গুলো নিয়ে হাসাহাসি করেছিল। কিন্তু আজ সেটা বাস্তবতা। ২০২১ সালে এসে স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলা হয়েছে। আমি বলব, এই যে যুগান্তকারী সিদ্ধান্তগুলো সহযোগিতা করেছে আমাদের। তার ফলেই এই গ্রামীণফোনের জন্ম, নগদের জন্ম।’

এই আলোচনায় তানভীর এ মিশুক আশার কথা শুনিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘২০৪১ সালের আগেই বাংলাদেশ স্মার্ট বাংলাদেশে পরিণত হবে। গ্রামীণফোন ও নগদের অংশীদারত্বের ফলে সাত কোটি মানুষের জীবনে পরিবর্তন ঘটেছে। আগে একটা মানুষের অ্যাকাউন্ট খুলতে যে বিড়ম্বনা হতো, ৭ থেকে ১০ দিন বসে থাকা লাগত; সেটা বদলে গেছে। যখন আমরা অংশীদারত্ব করলাম, ওয়ান ট্যাপ অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি চালু করলাম, আসল লাভটা কিন্তু গ্রামীণফোন বা নগদের হয়নি, হয়েছে দেশের সাধারণ মানুষের। আমি মনে করি, এখন সবার হাতে হাত রেখে এগিয়ে যেতে হবে। আর তা করতে পারলে ২০৪১ সালের অনেক আগেই আমরা স্মার্ট বাংলাদেশে পৌঁছে যাব।’
তানভীর এ মিশুকের কথার সূত্র ধরে ইয়াসির আজমান বলেন, আমদানি-রপ্তানির নতুন নতুন দ্বার উন্মুক্ত হচ্ছে। একের পর এক অবকাঠামো তৈরি হচ্ছে। এখন নগদের মতো অভিনব ব্যবসা পরিকল্পনা নিয়ে মানুষ আসছে এবং এই বাজারে বিনিয়োগ করতে চাইছে।

উল্লেখ্য, যেকোনো মোবাইল থেকে পাঁচটি ডিজিট (* ১৬৭ #) ডায়াল করে নগদের অ্যাকাউন্ট খোলা যায়। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে গ্রামীণফোনের সঙ্গে এই পদ্ধতিতে অ্যাকাউন্ট খোলার পদ্ধতি চালু করে নগদ। এর ফলে দ্রুত মানুষ আর্থিক অন্তর্ভুক্তিতে যুক্ত হয়েছে। এর আগে দেশে প্রথমবারের মতো ইলেকট্রনিক কেওয়াইসি পদ্ধতিতে অ্যাকাউন্ট খোলা শুরু করে নগদ।

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

নাসার কার্যালয়ে স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বিজয়ী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা
***********************************************************************
যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত উদ্‌যাপন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছে ২০১৮ ও ২০২১ সালে নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বিজয়ী বাংলাদেশের ‘অলীক’ ও ‘মহাকাশ’ দলের সদস্যরা। বাংলাদেশ থেকে এবারই প্রথম নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীরা নাসার প্রধান কার্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিল। আজ রোববার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বেসিসের সহযোগিতায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা প্রতিবছর নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে থাকেন। ২০১৮ সালে এ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয় শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অলীক’ দল। ২০২১ সালে চ্যাম্পিয়ন হয় খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি (বিএইউইটি) বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে গড়া দল ‘মহাকাশ’।

অলিক দলের সদস্য আবু সাবিক জানান, বিভিন্ন বছর নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ বিজয়ী দলগুলো এ অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। দুই দিনের এই আয়োজনে নাসার বিজ্ঞানীরা মহাকাশ গবেষণার বিভিন্ন দিকও তুলে ধরেন।

এ বিষয়ে বেসিসের সভাপতি রাসেল টি আহমেদ বলেন, ‘নাসা স্পেস অ্যাপস চ্যালেঞ্জ প্রতিযোগিতায় বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হওয়া নিঃসন্দেহে বড় অর্জন। নাসার এ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের সুযোগ পাওয়ায় অলিক এবং মহাকাশ দলের সদস্যদের অভিনন্দন।’

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

ডিজিটাল ক্যানভাস
***********************************************************************
আর্ট পেপারের বদলে পর্দাজুড়ে ছবি আঁকার সুযোগ মিলবে জেন্সল্যাবস পেন ডিসপ্লে ২৪ সিরিজের এই ট্যাবলেট কম্পিউটারে। ২৪ ইঞ্চি ওএলইডি (অরগানিক লাইট-এমিটিং ডায়োড) পর্দার ডিজিটাল ক্যানভাসটিতে ছবি আঁকার জন্য রং বা তুলির প্রয়োজন হয় না। ফলে হাতের কাছে রং, তুলি বা আর্ট পেপার না থাকলেও ইচ্ছেমতো ছবি আঁকা যায়।

ডিজিটাল ক্যানভাসে ছবি আঁকার সময় তুলির বদলে ব্যবহার করতে হয় ডিজিটাল কলম। কালির রং ইচ্ছেমতো পরিবর্তনের সুযোগ থাকায় রং নিয়েও চিন্তা করতে হয় না। চাইলে এক বা একাধিক রঙের মিশ্রণে তৈরি রংও ব্যবহার করা যায় ট্যাবলেট কম্পিউটারটিতে।

জেন্সল্যাবসের তৈরি ট্যাবলেট কম্পিউটারে আঁকা ছবি সহজে ডিজিটাল ফরম্যাটে সংরক্ষণও করা যায়। ফলে শৌখিন বা পেশাদার চিত্রশিল্পীরা নিজেদের আঁকা ছবিগুলো অনলাইনে সংরক্ষণের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে সম্পাদনাও করতে পারেন। ট্যাবলেট কম্পিউটারটির দাম ১ হাজার ৯০০ ডলার।

সূত্র: দ্য ভার্জ

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেল হাজারো ই-কমার্স ওয়েবসাইট
***********************************************************************
ওয়েবসাইট তৈরির অন্যতম জনপ্রিয় মুক্ত কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (সিএমএস) ওয়ার্ডপ্রেসের ‘ডব্লিউওও কমার্স পেমেন্টস’ প্লাগইনে ত্রুটির সন্ধান পাওয়া গেছে। এ ত্রুটি কাজে লাগিয়ে ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি যেকোনো ই-কমার্স ওয়েবসাইট দূর থেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত প্লাগইনের ত্রুটি দূর করে নতুন হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত করে ডব্লিউওও কমার্স। এ ত্রুটি কাজে লাগিয়ে সাইবার হামলার আশঙ্কা থাকায় প্লাগইনটি ব্যবহার করা ওয়েবসাইটগুলোতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নতুন সংস্করণ ইনস্টল করে দিয়েছে ওয়ার্ডপ্রেস। ফলে সাইবার হামলা থেকে রক্ষা পেয়েছে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা হাজারো ই-কমার্স ওয়েবসাইট।

জানা গেছে, ‘ডব্লিউওও কমার্স পেমেন্টস’ প্লাগইনটি ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরি ই-কমার্স ওয়েবসাইটের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই প্লাগইন দিয়ে আর্থিক লেনদেন ব্যবস্থা চালু করে থাকে ই-কমার্স ওয়েবসাইটগুলো। ফলে গুরুত্বপূর্ণ এ প্লাগইনের ত্রুটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হালনাগাদ না করলে বিশ্বজুড়ে ওয়ার্ডপ্রেসে তৈরি হাজারো ই-কমার্স ওয়েবসাইট নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়ত।

সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান গোল্ডনেটওয়ার্কের একদল গবেষক ‘ডব্লিউওও কমার্স পেমেন্টস’ প্লাগইনে থাকা এ ত্রুটি প্রথম শনাক্ত করেন। বিষয়টি জানার পর দ্রুত নিরাপত্তা ত্রুটির সমাধান করে নতুন হালনাগাদ সংস্করণ উন্মুক্ত করে ডব্লিউওও কমার্স। এরপরই দ্রুত হালনাগাদ সংস্করণটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিভিন্ন ওয়েবসাইটে যুক্ত করে ওয়ার্ডপ্রেস।

এ বিষয়ে ডব্লিউওও কমার্সের প্রকৌশল বিভাগের প্রধান বিউ লেবেনস জানিয়েছেন, ডব্লিউওও কমার্স পেমেন্টসের ৪.৮ থেকে ৪.৬. ১ সংস্করণে কারিগরি ত্রুটি শনাক্তের পর দ্রুত সমাধান করায় কোনো ওয়েবসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়নি।

সূত্র: টেকরাডার ডটকম

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Wikiing
Wikiing
3 سال

https://wikiing.com/what-is-an....-insurance-deductibl
#insurance #deductible

What Is An Insurance Deductible And How Does It Work? - WIKIING
Favicon 
wikiing.com

What Is An Insurance Deductible And How Does It Work? - WIKIING

Have you ever wondered what an insurance deductible is and how it affects your coverage? This article breaks it down in simple terms.
پسند
تبصرہ
بانٹیں
IH Shamim
IH Shamim    اپنی پروفائل تصویر تبدیل کر دی
3 سال

#ihshamim

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

নিজেকে বাদ দিয়ে অন্যদের দোষী ভাবা—রোগ, অসুস্থতা: আফজাল হোসেন
***********************************************************************
অভিনেতা, চিত্রকর ও পরিচালক আফজাল হোসেন প্রায়ই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেন। তাঁর লেখায় সমসাময়িক নানা প্রসঙ্গও উঠে আসে। সম্প্রতি তিনি লিখলেন, ‘আ হেলদি মাইন্ড ডাজ নট স্পিক ইল অব আদারস’ বিষয়কে কেন্দ্র করে। আফজাল হোসেন এ বিষয়ে তাঁর ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘মানুষ নিজের দিকে তাকাতে পারে, নিজেকে দেখতে পায় না। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে যা দেখে, তা খোলস। যা দেখতে পায়, তা ভেতর নয় বাহির।’

আফজাল হোসেন আরও লিখেছেন, ‘নিজেকে দেখার সাধ্য খুব কম মানুষের থাকে। অধিকাংশ মানুষ অন্যের দিকে তাকাতে, দেখতে, অন্যের ত্রুটি ধরে সুখ পেতে ভালোবাসে।’

তিনি বলেন, ‘এ রকম মানুষেরা অহরহ ভেবে থাকে, আমি সাধু, বাদবাকি সবাই চোর। এই যে নিজেকে বাদ দিয়ে অন্যদের দোষী ভাবা, তা রোগ, অসুস্থতা।’
ইদানীং মানুষের মধ্যে সম্মান দেওয়ার প্রবণতাও কমেছে। প্রতিক্রিয়াশীল মানুষের সংখ্যাও বাড়ছে। এসব কারণে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধও কমছে। যে যাকে পারছে, যা খুশি বলছেও। আফজাল হোসেনের কথায় তেমনটাই যেন উঠে এল।

তিনি বলেন, ‘সম্মান দেওয়ার বোধে যদি শেওলা পড়ে, অসম্মান করার তরবারি কেবলই ধারালো হতে থাকে। মন্দের অভিপ্রায় যদি থাকে, ভালোর ইচ্ছাতেও ঢুকে পড়ে বেনোজল। আমরা অপর সম্পর্কে মন্দ বলি কারণ, বলতে ভালো লাগে। বলতে বলতে শোনা কথা সন্দেহসহকারে বিশ্বাস করার অভ্যাস তৈরি হয়েছে।’

ফেসবুক পোস্টের একেবারে শেষে আফজাল হোসেন লিখেছেন, ‘সত্যে সন্দেহ, অবিশ্বাস ঢুকেছে আর অসত্য, অসভ্যতা, পরনিন্দায় বেড়েছে আগ্রহ। বেড়েই চলেছে ভালোর ভান। ভান নিত্য আমাদের চুলায় ঢোকাচ্ছে, পুড়িয়ে ছাই করে দিচ্ছে। যাতনা নেই, সকলেরই দিন যেন কাটছে পরমানন্দে।’

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

যে নতুন রেকর্ড গড়ল শহীদ কাপুর ও বিজয় সেতুপতির সিরিজ
***********************************************************************
চলতি বছরের গত ১০ ফেব্রুয়ারি আমাজন প্রাইম ভিডিওতে মুক্তি পেয়েছিল ওয়েব সিরিজ ‘ফরজি’। ‘দ্য ফ্যামিলি ম্যান’খ্যাত আলোচিত নির্মাতা জুটি রাজ ও ডিকের সিরিজটিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা শহীদ কাপুর। সিরিজটি দিয়েই ওটিটিতে অভিষেক হয়েছে তাঁর। আর তাঁর অভিনীত প্রথম ওয়েব সিরিজ ‘ফরজি’ ইতিমধ্যে সবচেয়ে বেশি দেখা ভারতীয় ওয়েব সিরিজ। ৩ কোটি ৭১ লাখ ভিউ পার হওয়া সিরিজটি ‘মির্জাপুর’, ‘রুদ্র’, ‘পঞ্চায়েত’-এর মতো সিরিজকে হারিয়ে ওটিটিতে এখন সেরা। খবর ভারতীয় গণমাধ্যম বলিউড হাঙ্গামার

শহীদ কাপুর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে তাঁর ভেরিফায়েড অ্যাকাউন্টে ভক্তদের উদ্দেশে খবরটি জানিয়ে লেখেন, ‘ফরজি-জ্বর। সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ।’

তাঁর শেয়ার করা পোস্টে ছিল ওরম্যাক্স গণমাধ্যমের সমীক্ষার ভিত্তিতে ‘ফরজি’র সেরা হওয়ার ঘোষণা। এই সিরিজের নির্মাতা রাজ-ডিকেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্তদের সঙ্গে এই সুখবর শেয়ার করে লিখেছেন, ‘সবাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ এত ভালোবাসার জন্য।’

‘ফরজি’র মাধ্যমে হিন্দিতে অভিষেক ঘটেছে দক্ষিণি তারকা বিজয় সেতুপতির। অনেকেই বলছেন, ‘ফরজি’র সেরা প্রাপ্তি বিজয় সেতুপতি। অনেক দর্শক ‘ফরজি’র মাইকেলকে নিয়ে আলাদা সিরিজের দাবিও তুলেছেন। এই সিরিজে অভিনয়ে আরও আছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাশি খান্না, কে কে মেনন, ভুবন আরোরা, অমল পালকার, রেজিনা কাসান্ড্রা প্রমুখ।

এই সিরিজে চিত্রশিল্পী সানির ভূমিকায় অভিনয় করেছেন শহীদ, যে কাজের স্বীকৃতি না পেয়ে নকল নোট তৈরি শুরু করে। অন্যদিকে ভারতকে জাল টাকামুক্ত করতে মরিয়া আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তা মাইকেলের চরিত্রে দেখা গেছে বিজয় সেতুপতিকে।

অনেকেই মনে করছেন, কয়েক বছর আগে ভারতে পাঁচ শ ও এক হাজার রুপির নোট বাতিল থেকে সিরিজটির গল্প অনুপ্রাণিত হয়েছে। তবে পরিচালকদ্বয় জানিয়েছেন, সরকারের নোট বাতিলের অনেক আগেই গল্পটি ভেবেছিলেন তাঁরা। শুরুতে সিনেমা হওয়ার কথা ছিল ‘ফরজি’। কিন্তু এত বড় গল্প সিনেমায় বলতে গেলে দৈর্ঘ্য অনেক বড় হবে, তাই সিরিজ আকারেই ‘ফরজি’ হয়।

ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পাওয়ার পর অভিনেতা শহীদ কাপুর এই সিরিজের দ্বিতীয় কিস্তি আসার কথাও বলেছেন গণমাধ্যমে। তবে তাঁর কথা অনুযায়ী, এটি আসতে আরও বছর দুয়েক সময় লাগতে পারে।

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Magazine
Magazine
3 سال

যে কারণে মিঠুনের কাছে গেল বাংলাদেশের গল্প
***********************************************************************
দীর্ঘ এক যুগ পর বাংলাদেশের সিনেমায় অভিনয় করতে যাচ্ছেন কলকাতার অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। তাঁকে দেখা যাবে হিরো সিনেমায়। কথা পাকা হলেও এখনো চুক্তিবদ্ধ হননি কলকাতার এই অভিনেতা। আজ রোববার তাঁর সঙ্গে কলকাতায় দেখা করেন সিনেমাটির পরিচালক কামরুজ্জামান রোমান ও চিত্রনাট্যকার আবদুল্লাহ জহির। তখন হিরো সিনেমা নিয়ে দীর্ঘ সময় তাঁদের কথা হয়।

আবদুল্লাহ জহির বলেন, ‘তিন মাস ধরে গল্পটি নিয়ে আমাদের কথা হচ্ছিল। আমরা আগে চিত্রনাট্য পাঠিয়েছিলাম। আজ বিস্তারিত কথা হলো।

তিনি গল্প শুনে পছন্দ করেছেন। কথা দিয়েছেন সিনেমাটি করবেন। তাঁর হাতে আরও দুটি কাজ রয়েছে। সেসব মিলিয়েই তিনি শিডিউল মেলাবেন। আশা করছি ঈদের আগেই আমাদের চুক্তি হয়ে যাবে। হয়তো অক্টোবরের দিকে আমরা শুটিং করতে পারব।’

হিরো সিনেমার গল্প ভাবার পর কিছুটা দুশ্চিন্তায় পড়ে যান পরিচালক। কারণ, এই গল্পের জন্য প্রয়োজন রাজ্জাকের মতো একজন অভিনয়শিল্পী। পরে তাঁরা ভাবেন মিঠুনের কথা। সিনেমায় কেন মিঠুন চক্রবর্তীকে বেছে নিলেন?

এ প্রশ্নের উত্তরে পরিচালক রোমান বলেন, ‘চরিত্র যে অবয়ব তৈরি করে, সেটার জন্য রাজ্জাক সাহেবের মতো একজনকে দরকার ছিল। এই চরিত্রের অনেকগুলো মাত্রা রয়েছে। কারণ, এখানে মূল চরিত্র একজন বাবাকে নিয়ে। যে কারণে প্রথম থেকেই ভাবছিলাম মিঠুন চক্রবর্তীর কথা।’ তিনি আরও বলেন, ‘প্রথমে আমরা তাঁকে লাইনআপ দিয়েছিলাম। আজ গল্প পুরোটা শোনানোর পর তিনি বললেন, “ব্রিলিয়ান্ট, গল্প দারুণ! এই সিনেমা আমি করব।” তখন মনে হলো, আমরা যা চেয়েছি, সেটাই পেতে যাচ্ছি।’

হিরো সিনেমায় উঠে এসেছে বাবা ও মেয়ের গল্প। এখানে বাবার চরিত্রে অভিনয় করবেন মিঠুন। অন্যান্য চরিত্র এখনো চূড়ান্ত হয়নি। উল্লেখ্য, মিঠুন চক্রবর্তী প্রথম দুই বাংলার যৌথ প্রযোজনার সিনেমা অবিচার-এ অভিনয় করেছিলেন। ১৯৮৫ সালে সিনেমাটি মুক্তি পায়। শেষ ২০১০ সালে গোলাপি এখন বিলাতে সিনেমায় অভিনয় করেন।

Source: প্রথম আলো

image
پسند
تبصرہ
بانٹیں
Showing 14105 out of 21754
  • 14101
  • 14102
  • 14103
  • 14104
  • 14105
  • 14106
  • 14107
  • 14108
  • 14109
  • 14110
  • 14111
  • 14112
  • 14113
  • 14114
  • 14115
  • 14116
  • 14117
  • 14118
  • 14119
  • 14120

پیشکش میں ترمیم کریں۔

درجے شامل کریں۔








ایک تصویر منتخب کریں۔
اپنے درجے کو حذف کریں۔
کیا آپ واقعی اس درجے کو حذف کرنا چاہتے ہیں؟

جائزے

اپنے مواد اور پوسٹس کو بیچنے کے لیے، چند پیکجز بنا کر شروع کریں۔ منیٹائزیشن

بٹوے کے ذریعے ادائیگی کریں۔

ادائیگی کا انتباہ

آپ اشیاء خریدنے والے ہیں، کیا آپ آگے بڑھنا چاہتے ہیں؟

رقم کی واپسی کی درخواست کریں۔