⏳ জোসেফ লাইগন: ৬৮ বছর কারাগারে। এখন ৮৩ বছরে মুক্ত।
মাত্র ১৫ বছর বয়সে জোসেফ লাইগনকে প্যারোল ছাড়া যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়—
যে অপরাধগুলো তিনি বলেন, তিনি করেননি।
সাল ছিল ১৯৫৩।
তিনি ছিলেন দরিদ্র।
তিনি ছিলেন কৃষ্ণাঙ্গ।
তিনি ছিলেন এক শিশু।
আর সেই ব্যবস্থা দ্বিতীয় সুযোগ দেওয়ার মতো ছিল না।
এখন, কারাগারে কাটানো ৬৮ বছর পর, তিনি মুক্ত—
৮৩ বছর বয়সে মুক্তি পাওয়া আমেরিকার সবচেয়ে বয়স্ক কিশোর-যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত বন্দি।
তিনি বেরিয়ে এলেন এক অচেনা পৃথিবীতে—
আকাশচুম্বী ভবন, স্মার্টফোন, আর নীরবতা।
অপেক্ষায় কোনো পরিবার নেই।
ফেরার মতো কোনো ঘর নেই।
শুধু সময়…
আর যা কিছু তিনি হারিয়েছেন তার ভার।
২০১৭ সালে তিনি প্যারোলের যোগ্য হন—
কিন্তু তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন, কারণ তিনি শর্তযুক্ত স্বাধীনতা মেনে নিতে চাননি।
তিনি আপসের স্বাধীনতা চাননি।
তিনি চেয়েছিলেন সত্যিকারের মুক্তি।
সে মুক্তি অবশেষে আসে ২০২১ সালে,
যখন একজন ফেডারেল বিচারক তার সাজাকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করেন।
এখন জোসেফ আবার বাঁচতে শিখছেন।
শহরের আকাশরেখা দেখে বিস্মিত হন।
ফোন ব্যবহার করতে শেখেন।
একজন মুক্ত মানুষ হিসেবে রোদের আলো অনুভব করেন।
তবে শোকও আছে।
কেটে যাওয়া অসংখ্য জন্মদিন।
হারিয়ে যাওয়া পরিবার।
চুরি হয়ে যাওয়া যৌবন।
ন্যায়বিচার দেরিতে এলো…
কিন্তু এটাকেই কি ন্যায়বিচার বলা যায়?
জোসেফ লাইগন শুধু একজন মুক্ত মানুষ নন—
তিনি এমন এক ব্যবস্থার প্রতীক, যা করুণা ভুলে গিয়েছিল।
আর একটি স্মরণ করিয়ে দেওয়া—
কিছু খাঁচার দাগ ফেলতে লোহার শিক লাগে না। 💔🕰️