ব্রাউজারের বাজারে কে এগিয়ে গুগল ক্রোম, সাফারি না ফায়ারফক্স
***********************************************************************
চলতি বছরের এপ্রিল পর্যন্ত ৬৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার নিয়ে বৈশ্বিক ব্রাউজার বাজারের শীর্ষে রয়েছে গুগল ক্রোম। ওয়েব বিশ্লেষণ প্রতিষ্ঠান স্ট্যাটকাউন্টারের এক পরিসংখ্যানে এ তথ্য জানা গেছে। গত বছর অ্যাপলের সাফারি ব্রাউজারকে ছাড়িয়ে দ্বিতীয় জনপ্রিয় ডেস্কটপ ব্রাউজার হিসেবে স্থান পেয়েছিল মাইক্রোসফট এজ। তবে এ বছরের নতুন তথ্য অনুসারে, অ্যাপলের সাফারি আবারও দ্বিতীয় স্থান ফিরে পেয়েছে।
এপ্রিল পর্যন্ত তথ্যে দেখা যায়, কম্পিউটারে ব্যবহৃত ব্রাউজারে ৬৬ দশমিক ১৩ শতাংশ শেয়ার নিয়ে শীর্ষে রয়েছে গুগল ক্রোম। এরপর ১১ দশমিক ৮ শতাংশ শেয়ার নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে অ্যাপলের সাফারি। ১১ শতাংশ শেয়ার নিয়ে এরপরই রয়েছে মাইক্রোসফট এজ। ফায়ারফক্স, অপেরা ও ইন্টারনেট এক্সপ্লোরারের শেয়ার যথাক্রমে ৫ দশমিক ৬৫ শতাংশ, ৩ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ ও শূন্য দশমিক ৫৫ শতাংশ।
২০২২ সালের ফেব্রুয়ারির তথ্য অনুযায়ী, মাইক্রোসফট এজ ও সাফারি ব্রাউজারের থেকেও তালিকার ওপরে অবস্থান ছিল ফায়ারফক্সের। তবে এখন ধীরে ধীরে পিছিয়ে যাচ্ছে ফায়ারফক্স। বলা হচ্ছে, মাইক্রোসফট এজের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির অন্যতম একটি কারণ হলো এআইভিত্তিক বিং সার্চ ইঞ্জিনের ব্যবহার।
গুগল ক্রোম ব্রাউজার সর্বাধিক শেয়ার নিয়ে শীর্ষে থাকলেও গত বছরের এপ্রিলের তুলনায় এ বছরের এপ্রিলে শেয়ার কমেছে দশমিক ৫১ শতাংশ। গত বছর এপ্রিলে গুগল ক্রোমের শেয়ার ছিল ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ।
সূত্র: বিজিআর
Source: প্রথম আলো
উবারে মুঠোফোনই বেশি ভুলে ফেলে যান যাত্রীরা
***********************************************************************
অ্যাপভিত্তিক পরিবহনসেবা উবারে বাংলাদেশের যাত্রীরা ভুলে মুঠোফোন বেশি ফেলে যান। আজ ঢাকায় প্রকাশিত উবারের লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্সের সপ্তম (২০২৩ সালের) সংস্করণে এ তথ্য জানা যায়। ২০২২ সালে বাংলাদেশে উবার ব্যবহারকারীরা কোন জিনিসপত্র উবারে সবচেয়ে বেশি ফেলে রেখে গেছেন এবং দিনের কোন সময়ে, সপ্তাহের কোন দিনে ও বছরের কোন সময়ে হারানো জিনিস সম্পর্কে জানিয়েছেন—এসব তথ্য পাওয়া যাবে এই ইনডেক্সে। আজ উবার বাংলাদেশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
হারানো ও প্রাপ্তির এই প্রতিবেদনে দেখা গেছে, গত বছর ঈদের মৌসুমে বাংলাদেশের মানুষ সবচেয়ে বেশি জিনিস ভুলে উবারের গাড়িতে ফেলে রেখে গেছেন। মুঠোফোন ও ক্যামেরা ফেলে রেখে যাওয়ার ঘটনা বেশি সাপ্তাহিক ছুটির দিনগুলোতে।
গত বছর সারা দেশে যাত্রীদের ফেলে যাওয়া জিনিসপত্রের তালিকায় প্রথম দুটি স্থানে ছিল ফোন ও ব্যাগ। তালিকায় এরপরই ছিল মানিব্যাগ বা ওয়ালেট, হেডফোন ও কাগজপত্র। ল্যাপটপ ফেলে যাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে।
উবারের বাংলাদেশ ও পূর্ব ভারত প্রধান আরমানুর রহমান বলেন, ‘চলার পথে গাড়িতে কিছু হারিয়ে ফেলার দুঃখজনক অনুভূতির সঙ্গে আমরা সবাই পরিচিত। প্রত্যেক যাত্রীর ব্যক্তিগত জিনিসপত্রের গুরুত্ব আমরা বুঝি। হারানো জিনিস খুঁজে পেতে উবারের কিছু ইন-অ্যাপ অপশন আছে। এ ব্যাপারে যাত্রীদের জানানোর জন্য “লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড ইনডেক্স”একটি কার্যকর পদ্ধতি। যাত্রীদের আমরা বলতে চাই, গাড়ি থেকে নামার আগে সব জিনিস সঙ্গে নিয়ে নামতে ভুলবেন না। যদি ভুল করে কিছু ফেলেও যান, আপনাকে সাহায্য করতে আমরা সব সময় প্রস্তুত।’
উবারের গাড়িতে কিছু ফেলে গেলে কী করবেন
গাড়িতে ফেলে যাওয়া কোনো কিছু ফেরত পাওয়ার কার্যকর উপায় হলো চালককে কল করা।
* উবার অ্যাপে ‘ইয়োর ট্রিপস’ অপশনে ট্যাপ করুন। যে ট্রিপে আপনার জিনিসটি হারিয়ে গেছে, তা সিলেক্ট করুন।
* নিচে ‘ফাইন্ড লস্ট আইটেম’-এ ট্যাপ করুন।
* ‘কন্ট্যাক্ট ড্রাইভার অ্যাবাউট আ লস্ট আইটেম’-এ ট্যাপ করুন।
* স্ক্রল করে নিচে যান। আপনার ফোন নম্বর লিখুন। সাবমিট অপশনে ট্যাপ করুন।
* যদি নিজের ফোন হারিয়ে যায়, তাহলে আপনার বন্ধুর ফোন নম্বর ব্যবহার করুন (এর জন্য আপনাকে কম্পিউটার বা বন্ধুর ফোন থেকে নিজের উবার অ্যাকাউন্টে লগইন করতে হবে)।
* আপনার ফোন বেজে উঠবে এবং আপনার চালকের মুঠোফোন নম্বরের সঙ্গে আপনাকে সরাসরি যুক্ত করে দেওয়া হবে।
* যদি চালক ফোন ধরেন এবং নিশ্চিত করেন যে আপনার জিনিসটি পাওয়া গেছে, সেটি ফিরিয়ে নিতে উভয়ের জন্য সুবিধাজনক একটি সময় ও স্থান নির্বাচন করুন।
* যদি চালকের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পারেন, আপনার হারানো জিনিসটির বিস্তারিত বর্ণনা এবং আপনার সঙ্গে যোগাযোগের উপায় জানিয়ে চালককে একটি ভয়েস মেইল পাঠিয়ে রাখুন।
দেশে উবারের যাত্রীদের ফেলে যাওয়া পাঁচটি জিনিস
* মুঠোফোন
* ব্যাগ
* ওয়ালেট
* হেডফোন
* কাগজপত্র
কোন দিন বেশি জিনিস ভুলে রেখে যান
• শুক্রবার
বছরের যে দিনগুলোতে বেশিসংখ্যক জিনিস উবারে পাওয়া গেছে
• ৬ আগস্ট ২০২২
• ১৬ ডিসেম্বর ২০২২
• ৬ মার্চ ২০২৩
• ২২ এপ্রিল ২০২৩
• ২৩ এপ্রিল ২০২৩
সপ্তাহের কোন দিনে বেশি কী হারিয়েছে
• শুক্র, শনি ও বুধবার: মুঠোফোন ও ক্যামেরা।
• সোমবার: হেডফোন।
• রবি ও মঙ্গলবার: ওয়ালেট ও কার্ড হোল্ডার।
• বৃহস্পতিবার: ল্যাপটপ।
দিনের কোন সময়ে বেশি হারানোর ঘটনা ঘটে
১. বেলা ১টা।
২. সকাল ৯টা।
৩. বিকেল ৪টা।
যে শহরে যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি জিনিস হারিয়েছেন
• ঢাকা
Source: প্রথম আলো
চ্যাটজিপিটির প্রয়োজনীয় ১০ ব্যবহার
***********************************************************************
ওপেন এআইয়ের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি এখন দৈনন্দিন নানা কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এ চ্যাটবট বিভিন্ন ধরনের কাজ করতেও সক্ষম। যদিও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং সংস্থায় এরই মধ্যে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে প্রতিদিনের বিভিন্ন কাজ সহজে করতে এই এআই টুলের সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। দেখে নেওয়া যাক চ্যাটজিপিটির প্রয়োজনীয় ১০ ব্যবহার।
তথ্য সংগ্রহ
সাম্প্রতিক ঘটনা থেকে শুরু করে ঐতিহাসিক তথ্য, বিজ্ঞানবিষয়ক ধারণা বা আগ্রহের যেকোনো বিষয়ে বিস্তৃত পরিসরে তথ্য সংগ্রহ করতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চ্যাটবটটিকে এ–সংক্রান্ত প্রশ্ন করলে সেটি সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক ও সঠিক তথ্য দিতে পারে। তবে চ্যাটজিপিটি ২০২১ সালের পরের কোনো তথ্য দিতে পারে না।
নতুন ভাষা শেখা
ভাষা শেখার জন্য চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। বিভিন্ন ভাষায় এই চ্যাটবটের সঙ্গে কথোপকথন চালিয়ে কোনো ভাষায় দক্ষতা বাড়ানোর চর্চা করার সুযোগ রয়েছে।
লেখার কাঠামো তৈরি
গল্প, কবিতা বা প্রবন্ধের মতো সৃজন ও মননশীল লেখার কাঠামো তৈরিতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। চ্যাটজিপিটিতে কোনো বিষয় লিখে কাঠামো সম্পর্কে ধারণা চাইলে চ্যাটবটটি বিস্তৃত পরিসরে ধারণা ও পরামর্শ দিতে পারে।
ব্যাকরণ ও শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করা
চ্যাটজিপিটি ব্যাকরণগত ভুল সংশোধনের পাশাপাশি নতুন শব্দের পরামর্শ দিয়ে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ করতে পারে।
ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ব্যবহার
চ্যাটজিপিটিকে ব্যক্তিগত সহকারী হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। অ্যাপয়েন্টমেন্টের সময় নির্ধারণ করা, কাজের রিমাইন্ডার তৈরি, বিভিন্ন কাজকে গোছানো এবং প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত ‘টু ডু লিস্ট’ তৈরিতে এ চ্যাটবট ব্যবহার করা যেতে পারে।
অনলাইন কথোপকথনে দক্ষতা বৃদ্ধি
প্রাতিষ্ঠানিক বা ব্যক্তিগত কাজে এখন অনলাইনে কথোপকথনের প্রয়োজন হয়। চ্যাটজিপিটির সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথোপকথন করা যেতে পারে। চ্যাটবটটির সঙ্গে আলাপচারিতায় অনলাইন কথোপকথন দক্ষতা বৃদ্ধি এবং এটি অনুশীলন করা যেতে পারে।
চাকরি খুঁজতে
চ্যাটজিপিটি চাকরির ধরনের ওপর নির্ভর করে সিভি পুনর্লিখন করতে পারে। অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে চাকরির বিভিন্ন ক্ষেত্র সম্পর্কে জানাতে পারে। এমনকি চাকরি অনুসন্ধানের কৌশলগুলোও জানাতে পারে।
অবসর সময় কাটাতে
অনলাইনে অবসর সময় কাটাতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করা যেতে পারে। আগ্রহের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে অনলাইন চ্যাটিং ছাড়াও কৌতুকও লিখতে পারে ওপেন এআইয়ের এই চ্যাটবট।
অনলাইনে শব্দ খেলা
চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করে অনলাইনে ক্রসওয়ার্ড বা শব্দবন্ধ গেম খেলা যেতে পারে। এতে করে শব্দভান্ডার সমৃদ্ধ হবে।
গবেষণা প্রতিবেদন লেখা
চ্যাটজিপিটির সাহায্যে গবেষণা প্রতিবেদন এবং এর সারাংশ লেখার জন্য সাহায্য নেওয়া যেতে পারে। তবে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রতিষ্ঠানে চ্যাটজিপিটি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার লেখার সহকারী আনল গ্রামারলি
***********************************************************************
সম্প্রতি ব্যবহারকারীদের আধেয় (কনটেন্ট) তৈরি এবং তা সমৃদ্ধ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাচালিত (এআই) টুল এনেছে ইংরেজি বানান ও ব্যাকরণগত ভুল শোধরানোর অ্যাপ গ্রামারলি। লেখার সহকারী (রাইটিং অ্যাসিস্ট্যান্ট) হিসেবে স্বয়ংক্রিয়ভাবে উত্তর দিতে সক্ষম এই টুলটির নাম ‘গ্রামারলিগো’। এটি ব্যবহারকারীদের ব্লগ পোস্ট, ই–মেইল ও অন্যান্য লেখা লিখতে সাহায্য করবে।
সাম্প্রতিক এক ব্লগ পোস্টে গ্রামারলি ঘোষণা দিয়েছে, গ্রামারলিগো নতুন কোনো লেখা লিখতে বা পুরোনো কোনো লেখা সংশোধন করতে পারবে। সেটি কোনো ব্লগ বা ই–মেইলের লেখাই হোক না কেন।
প্রতিষ্ঠানটির মতে, ব্যবহারকারীর লেখার ধরন শনাক্ত করে তাঁদের পছন্দের কণ্ঠস্বর ও পেশাদার ভূমিকা প্রতিষ্ঠার সুযোগ দেওয়ার মাধ্যমে গ্রামারলিগো ব্যবহারকারীকে স্বতন্ত্র অভিজ্ঞতা দেবে। এ ছাড়া এই টুল বিদ্যমান কর্মপ্রবাহ থেকে টেক্সট তৈরিতে ব্যবহারকারীদের সহায়তা দেবে, সংশোধনে সময় কমাবে এবং আরও গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহারকারীকে মনোনিবেশ সক্ষম করে তুলবে।
এই টুল নির্দেশনা পেয়ে রূপরেখা তৈরি করতে, তাদের লেখা সমৃদ্ধ করতে, স্বরে সামঞ্জস্য আনতে, এমনকি টেক্সটের সম্পূর্ণ ব্লক তৈরি করতে ব্যবহারকারীকে সক্ষম করে তুলবে। এই টুলের কাজ অনেকটা এআইভিত্তিক চ্যাটবট চ্যাটজিপিটি বা গুগলের বার্ডের মতো। তবে এটি আরও বেশি উদ্দেশ্য সাধনের মনোভাব সমৃদ্ধ যা ই–মেইল, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও ব্লগিং টুল হিসেবে লেখার প্ল্যাটফর্মে কাজ করে।
গ্রামারলির এই টুল বাজারজাত করার মানে হলো লেখার প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা এবং খসড়াগুলোর সংশোধনে সহায়তা করা। আপাতত বিনা মূল্যে ও কিনে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি ব্যবসায়িক গ্রাহকদের জন্য গ্রামারলিগোর বেটা সংস্করণ উন্মুক্ত করা হয়েছে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: প্রথম আলো
এবার গুগল ডকসের মন্তব্যে ইমোজি যোগ হলো
***********************************************************************
গত বছরের এপ্রিলেই গুগল ডকসে ইমোজি যুক্ত করেছিল বিশ্বখ্যাত প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান গুগল। এর কয়েক মাস পর প্রতিষ্ঠানটি এর শর্টকাট ঘোষণা করে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই গুগল ডকসে লেখার সময় ইমোজি যুক্ত করতে পারেন। এবার প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এখন থেকে ব্যবহারকারীরা গুগল ডকসের মন্তব্যে প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইমোজি যুক্ত করতে পারবেন।
এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, গুগল ডকসের মন্তব্যে আনুষ্ঠানিক বিকল্প হিসেবে ইমোজি কাজ করবে। নতুন এই সুবিধা নথির আধেয় সম্পর্কে দ্রুত ও সৃজনশীল উপায়ে ব্যবহারকারীর মত প্রকাশ করার মাধ্যমে সহযোগিতা বাড়াবে। গুগল বর্তমানে এই সুবিধা র্যাপিড রিলিজ ডোমেইনে উন্মুক্ত করেছে। গতকাল ৩ মে থেকে উন্মুক্ত হয়েছে।
মন্তব্যে ইমোজি যোগ করা ছাড়াও চলতি সপ্তাহের শুরুতে নিজেদের ওয়ার্কস্পেসে আরও বেশ কিছু হালনাগাদ আনার ঘোষণা দিয়েছে গুগল। এর মধ্যে রয়েছে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীদের জন্য গুগল শিটসে ছবি যুক্ত করা, দ্রুততম সময়ের মধ্যে গুগল স্লাইডসে ছবি পুনঃস্থাপন করা এবং নথি ও স্প্রেডশিট যুক্ত করা বা গুগল মিট থেকে সরাসরি ডকস, শিট ও স্লাইডে গুগল ক্যালেন্ডারের কর্মসূচিতে প্রেজেন্টেশন যুক্ত করা।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: প্রথম আলো
শারীরিক অবস্থার অবনতি, লাইফ সাপোর্টে মোহন খান
***********************************************************************
নাট্যনির্মাতা মোহন খানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়েছে। গত শুক্রবার থেকে তিনি ঢাকার একটি হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় মোহন খানকে হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়েছে। তাঁর ছেলে ইউশা মোহন প্রথম আলোকে এ তথ্য জানান।
ইউশা মোহন আজ বেলা দুইটায় প্রথম আলোকে বলেন, ‘গত মাসে হঠাৎই অসুস্থ হয়ে পড়েন বাবা। প্রাথমিক চিকিৎসা ও পরীক্ষা–নিরীক্ষার পর আমরা জানতে পারি, তাঁর ব্রেনে টিউমার হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে সেই টিউমারের সার্জারি করতে হয়। তারপর বাবার শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকেই যাচ্ছিল। এর মধ্যে গত শুক্রবারে বাবার ঘাড়ে স্পাইনাল কর্ডের ওপরের প্রেশার পয়েন্টে একটি অপারেশন করতে হয়। গত শুক্রবার দ্বিতীয় সার্জারির পর থেকেই বাবা লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন।’
এ সময় ইউশা মোহন আরও বলেন, ‘দ্বিতীয়বার সার্জারির পর বাবার অবস্থা ছিল—এই ভালো, এই খারাপ। আজ সকাল থেকে আরও বেশি খারাপ হতে থাকে। বাবার নিশ্বাসে সমস্যা হচ্ছে। ফুসফুসে সমস্যা দেখা দিয়েছে। ফুসফুসে যে কফ জমা হয়েছে, সেটার চিকিৎসা চলছে। শুরুতে ডাক্তারেরা জানিয়েছিলেন, এটা রিকভারি হতে সময় লাগে। সকাল থেকে অবস্থা ভালো নয়। বাবার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’
দেশের নাট্য অঙ্গনে মোহন খানের বিচরণ তিন দশকের বেশি সময়। তিনি ১৯৮৮ সাল থেকে নাটক নির্মাণ করে আসছেন। পাশাপাশি নাটক রচনাও করেন। তাঁর পরিচালিত প্রথম নাটক ‘আমার দুধমা’ বিটিভিতে প্রচার হয়। তাঁর লেখা ও পরিচালনায় নাটক ‘সমুদ্রে গাঙচিল’, ‘সেই আমরা’, ‘নীড়ের খোঁজে গাঙচিল’, ‘জেগে উঠো সমুদ্র’, ‘মেঘবালিকা’, ‘দূরের মানুষ’, ‘আঙ্গুর লতা’, ‘হৃদয়পুরের গল্প’ ইত্যাদি নাটক বানিয়ে তিনি প্রশংসিত হন। বর্তমানে তিনি নাটক বানানোর পাশাপাশি এটিএন বাংলায় অনুষ্ঠান বিভাগের দায়িত্ব পালন করছেন।
Source: প্রথম আলো
বিয়ে করলেন জনপ্রিয় পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাদিহা ইমাম
***********************************************************************
চলচ্চিত্র নির্মাতা ও প্রযোজক মজি বাসারকে বিয়ে করলেন পাকিস্তানি অভিনেত্রী মাদিহা ইমাম। ১ মে তাঁরা ঘরোয়া আয়োজনে বিয়ে সেরেছেন বলে মাদিহার এক ইনস্টাগ্রাম পোস্টের বরাতে জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম দ্য ডন।
বিয়ের কয়েকটি ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করে মাদিহা লিখেছেন, ‘আমরা জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করলাম। আমাদের প্রার্থনায় রাখবেন।’
ছবিতে মাদিহার পরনে লাল রঙের লেহেঙ্গা, হাতজুড়ে মেহেদি আর কপালে টিকলি দেখা গেছে। তাঁর স্বামী মজি বাসার পরেছেন ক্রিম কালারের শেরওয়ানি।
নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাকিস্তানি অভিনেতা মাওরা হোসেন লিখেছেন, ‘সাধারণ ও সুন্দর, মাশাআল্লাহ। তোমরা সুখী হও, এই কামনা করছি।’ মাওরা হোসেন ছাড়াও আইজা খান, শায়েস্তা লোদি, মোমাল শেখসহ আরও অনেকেই তাঁদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
ছবিতে মাদিহার পরনে লাল রঙের লেহেঙ্গা, হাতজুড়ে মেহেদি আর কপালে টিকলি দেখা গেছে। তাঁর স্বামী মজি বাসার পরেছেন ক্রিম কালারের শেরওয়ানি।
নবদম্পতিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পাকিস্তানি অভিনেতা মাওরা হোসেন লিখেছেন, ‘সাধারণ ও সুন্দর, মাশাআল্লাহ। তোমরা সুখী হও, এই কামনা করছি।’ মাওরা হোসেন ছাড়াও আইজা খান, শায়েস্তা লোদি, মোমাল শেখসহ আরও অনেকেই তাঁদের জন্য শুভকামনা জানিয়েছেন।
২০১৭ সালে ‘ডিয়ার মায়া’ সিনেমা দিয়ে বলিউডে অভিষেক ঘটে মাদিহা ইমামের। সুনয়না ভাটনাগর পরিচালিত এ সিনেমায় মনীষা কৈরালা, শ্রেয়া চৌধুরীসহ আরও অনেকে অভিনয় করেছেন।
খালিশ, ইশক মে তেরা, ইশক জালেবি, ধানিসহ বেশ কয়েকটি আলোচিত পাকিস্তানি টেলিভিশন ড্রামাতে অভিনয় করেছেন মাহিদা ইমাম। তাঁকে পাকিস্তানের শীর্ষ ছোট পর্দার অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
মাদিহা ইমাম ১৯৯১ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি করাচিতে জন্ম নেন।
Source: প্রথম আলো
আলী যাকের নাটকটি দেখে যেতে পারলেন না
***********************************************************************
ঢাকার মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের নাট্যকার এ আর গার্নির পুলিৎজার পুরস্কারের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত নাটক ‘লাভ লেটারস’ নিয়ে আসছে নাট্যদল থিয়েটার। আবদুস সেলিমের করা বাংলা রূপান্তরের পাঠ-অভিনয় করবেন শিল্পী রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদার।
কাল শুক্রবার সন্ধ্যা সাতটায় বাংলাদেশ মহিলা সমিতির নীলিমা ইব্রাহিম মিলনায়তনে নাটকের উদ্বোধনী মঞ্চায়ন হবে। পরদিন শনিবারও একই মঞ্চে আরেকটি প্রদর্শনী রয়েছে। থিয়েটারের ৪৮তম প্রযোজনাটির নির্দেশনা দিচ্ছেন নির্দেশক ত্রপা মজুমদার।
নাটকে অনন্ত ও মাইশা নামের দুই চরিত্রে পাওয়া যাবে রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদারকে। অনন্ত চরিত্রে প্রয়াত অভিনেতা, নির্দেশক আলী যাকেরকে ভাবা হয়েছিল, তবে তিনি করে যেতে পারেননি। আলী যাকেরের পরামর্শে অনন্ত চরিত্রে যুক্ত হয়েছেন রামেন্দু মজুমদার।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে রামেন্দু মজুমদার মুঠোফোনে প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৭ সালের দিকে আলী যাকের একটু সেরে উঠেছিলেন। অনন্ত চরিত্রে আলী যাকের ও মাইশা চরিত্রে ফেরদৌসী মজুমদারকে নিয়ে নাটকটি করার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
রামেন্দু মজুমদার বলেন, ‘একদিন আলী যাকেরের বাড়িতে গিয়ে নাটকটি পড়ে শোনানো হয়েছিল। আলী যাকের খুব উৎসাহ দেখাল। তারপর তিন-চারবার মহড়ার শিডিউল করা হলেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে অংশ নিতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত আর সম্ভব হলো না। একসময় যাকেরই আমাকে বলল, “আপনারা শুরু করে দেন, আই উইল জয়েন।” সেই জয়েন করা আর হলো না।’
দীর্ঘদিন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে ২০২০ সালের নভেম্বরে মারা যান আলী যাকের। নাটকটি আলী যাকেরকে উৎসর্গ করেছে নাট্যদল থিয়েটার।
‘লাভ লেটারস’ নাটকের পাঠে-অভিনয়ে অনন্ত ও মাইশার ৬০ বছরের জীবনপ্রবাহ উঠে এসেছে। তাঁদের জীবনপ্রবাহে মুক্তিযুদ্ধের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। অনন্ত দেশের বাইরে ব্যারিস্টারি পড়াশোনা করেছে। একাত্তরে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের পর ব্যারিস্টারি ছেড়ে মুক্তিযুদ্ধ ও বীরাঙ্গনাদের নিয়ে লেখালেখিতে মনোনিবেশ করেছে। অন্যদিকে মাইশা ধনী পরিবারের মেয়ে, অনেকটা ডানপিটে।
নাটকের মঞ্চ ও আলোক পরিকল্পনা করেছেন পলাশ হেন্ড্রি সেন। আবহ সংগীতে কলকাতার সৌরেন্দ্র ও সৌম্যজিতের অনুমতি নিয়ে তাঁদের সংগীত ব্যবহৃত হচ্ছে। পোশাক পরিকল্পনায় রয়েছেন গুলশান আরা। ডিজাইন ও অলংকরণ করেছেন প্রদীপ চক্রবর্তী। নাটকের দুই অভিনেতার সহকারী হিসেবে থাকছেন রবিন বসাক ও নাজমুন নাহার।
নতুন নাটক হিসেবে শেষবারের মতো ‘বারামখানা’ নাটকে দেখা গেছে রামেন্দু মজুমদার ও ফেরদৌসী মজুমদারকে, এরপর ‘লাভ লেটারস’। মাঝে পুরোনো নাটকের মধ্যে ‘মেরাজ ফকিরের মা’ নাটকেও পাওয়া যায় তাঁদের। থিয়েটারের ৪৭তম প্রযোজনা ‘পোহালে শর্বরী’ মঞ্চে আসে গত বছরের জুলাইয়ে। নাটকটি নির্দেশনা দেন রামেন্দু মজুমদার।
Source: প্রথম আলো
অনেকেই বলছেন, ওসি হারুন ফেরত আসবেন...
***********************************************************************
মঞ্চ ও টিভি নাটক মিলিয়ে তিন দশকের অভিনয়জীবনে মোশাররফ করিমকে নানারূপে দেখেছেন দর্শক। জনপ্রিয় হয়েছে তাঁর অনেক সংলাপ। ‘মহানগর ২’ দিয়ে আবারও বাজিমাত করলেন মোশাররফ করিম। তাঁকে ঘিরে আলোচনা চলছে সর্বত্র।
কারও মতে, ওসি হারুন চরিত্রটি মোশাররফ করিমের মতো জাত অভিনেতা ছাড়া সম্ভব হতো না। চঞ্চল চৌধুরীর কথায়ও তা–ই যেন উঠে এল। তিনি অকপটে বললেন, ‘মোশাররফ করিমকে নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। সে সত্যিকারের জাত অভিনেতা।’
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে মহানগর নিয়ে অনেক রিভিউ হয়েছে। ওসি হারুন চরিত্রে মোশাররফ করিমের অনবদ্য অভিনয় কমবেশি সবারই মন জয় করেছে। কারও মতে, ওসি হারুন চরিত্রে তাঁর কোনো বিকল্প নেই।
তবে মোশাররফ করিম মনে করছেন, এই চরিত্র অন্য কাউকে দিয়েও হতো। তিনি বললেন, ‘অনেককে দিয়েই হতো বলে বিশ্বাস করি। সেটা হয়তো অন্য রকম হতো। একেকজনের অভিনয়ের ধরন ও দর্শন তো আলাদা। আমি করলাম, দর্শক পছন্দ করলেন। প্রসেনজিৎদাও প্রশংসা করেছেন। আসলে একজন অভিনেতা তো চাওয়া–পাওয়ার ভেতরে থাকেন। সব সময় চেষ্টা থাকে ভালো অভিনয় করার, দর্শকের ভালোবাসা পাওয়ার এবং কিছু আয়রোজগার আর পুরস্কার অর্জন। কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে বিস্মিত হয়েছি, যখন কাজের ভক্ত হিসেবে জয় গোস্বামীকে পেয়েছি।’
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience