স্মার্টফোনের পর্দা কোনটা কেমন
***********************************************************************
স্মার্টফোন কেনার আগে যেসব বিষয়ের দিকে সবার নজর থাকে, তার মধ্যে ডিসপ্লে বা পর্দা অন্যতম। প্রযুক্তির ক্রমাগত পরিবর্তন ও উন্নয়নের সঙ্গে স্মার্টফোনের পর্দার ধরনও বদলেছে। পর্দার অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। স্মার্টফোন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখন নমনীয় পর্দা তাদের যন্ত্রে ব্যবহার করছে। সর্বশেষ যুক্ত হয়েছে ভাঁজযোগ্য পর্দা। এ ছাড়া বিভিন্ন ধরনের স্মার্টফোন পর্দা রয়েছে। স্মার্টফোনের বিভিন্ন ধরনের পর্দা সম্পর্কে জেনে নেওয়া যাক।
এলসিডি
এলসিডি বা লিকুইড ক্রিস্টাল ডিসপ্লে হচ্ছে খুবই পরিচিত একধরনের পর্দা। এলসিডি পর্দা সহজপ্রাপ্য ও দামে তুলনামূলক সাশ্রয়ী। তাই এটি স্মার্টফোন ও বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রে বেশি ব্যবহৃত হয়। thin-film-transistor liquid-থিন–ফিল্ম–ট্রানজিস্টর (টিএফটি) এবং আইপিএস—এই দুই ধরনের এলসিডি ডিসপ্লে রয়েছে।
ওএলইডি
ওএলইডি বা অর্গানিক লাইট এমিটিং ডায়োড পর্দা পাতলা ইলেকট্রোলুমিনেসেন্ট শিট দিয়ে তৈরি। এ ধরনের পর্দায় কাজ করার জন্য পেছন থেকে আলোর (ব্যাকলাইট) প্রয়োজন হয় না; বরং এটি বিদ্যুৎ পেলে নিজেই দীপ্তি ছড়িয়ে আলো তৈরি। ফলে এতে কম বিদ্যুৎ খরচ হয়।
অ্যামোলেড
অ্যাকটিভ ম্যাট্রিক্স অর্গানিক লাইট-এমিটিং ডায়োড বা অ্যামোলেড পর্দা হলো একধরনের ওএলইডি পর্দা। অ্যামোলেড ডিসপ্লের পুরুত্ব কম। অর্থাৎ পাতলা। ফলে অ্যামোলয়েড পর্দার স্মার্টফোন এলইডি পর্দার স্মার্টফোনের থেকে পাতলা হয়।
সুপার অ্যামোলেড
অ্যামোলেড পর্দার উন্নত সংস্করণ হলো সুপার অ্যামোলেড পর্দা। এর প্যানেলের মধ্যেই টাচ রেসপন্স অন্তর্ভুক্ত। এটি অ্যামোলেড পর্দার থেকেও উজ্জ্বল, কম আলো প্রতিফলিত করে এবং ব্যাটারি সাশ্রয়ী।
ভাঁজযোগ্য
আলোক বিচ্ছুরণ স্তর না থাকায় ওএলইডি পর্দাগুলো অনেক নমনীয় এবং পাতলা হয়। এ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে স্মার্টফোনে নমনীয় পর্দা ব্যবহার করা হচ্ছে। সাধারণত এখন ভবিষ্যতের জন্য ভাঁজযোগ্য পর্দা ব্যবহার করছে স্মার্টফোন প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠানগুলো।
রেটিনা পর্দা
আইপিএস এলসিডি এবং ওএলইডি পর্দার সিরিজে অ্যাপল তার ব্র্যান্ড নাম রেটিনা ব্যবহার করে। এ পর্দায় পিক্সেলের ঘনত্ব বেশি থাকে। অ্যাপলের আইফোন ৪–এ এ ধরনের পর্দা যুক্ত করা হয়েছিল।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
Source: প্রথম আলো
টিকটকের যে ফিল্টার নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে
***********************************************************************
ভিডিও প্রকাশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটকের সর্বশেষ সাড়া জাগানো সুবিধা হলো ‘বোল্ড গ্ল্যামার’ নামের একটি রিয়েলটাইম ফিল্টার। এই ফিল্টার প্রকৃত মুখাবয়বের সঙ্গে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় (এআই) তৈরি করা সুপার মডেলের ধারণা মিলিয়ে দিয়ে তাৎক্ষণিক ব্যবহারকারীর নতুন এক মুখাবয়ব তৈরি করে, যা একইসঙ্গে হাসি ও উদ্বেগ জাগায়। এরই মধ্যে এই সুবিধা টিকটক অ্যাপের ১০০ কোটি ব্যবহারকারীর জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে এই ফিল্টারের উচ্চ শক্তি কাজে লাগিয়ে প্রকৃত মুখাবয়ব আড়াল করে নতুন মুখাবয়বে ব্যবহারকারীরা লাখ লাখ ভিডিও টিকটকে দিয়েছেন। এসব ভিডিও পোস্টে মোটা ঠোঁট, সুস্পষ্ট চিবুক ও তুলতুলে ভ্রুতে নতুন এক ফ্যাশনের দেখা মেলে। তবে সৌন্দর্য বিশেষজ্ঞ ও মনোবিদেরা এই এআই ফ্যাশন ধারণার সমালোচনা এবং এই সম্পর্কে সতর্কতার কথা বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের মিডল জর্জিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটির নার্সিংয়ের সহযোগী অধ্যাপক কিম জনসন বলেছেন, সৌন্দর্য ধারণায় এটি নতুন আক্রমণ। এই ফিল্টারের প্রভাবগুলো অত্যধিক ডায়েট করা, অন্যের সঙ্গে তুলনা করা ও আত্মসম্মানবোধ কমে যাওয়ার মতো অস্বাস্থ্যকর আচরণের দিকে ধাবিত করে।
কয়েক বছর ধরে টিকটক, ইনস্টাগ্রাম ও স্ন্যাপচ্যাট ফিল্টার ও বিশেষ আবহেই স্থির ছিল। কিন্তু বোল্ড গ্ল্যামারের মতো সর্বশেষ প্রজন্মের ফিচারগুলো আরও শক্তিশালী। অলব্রাইট কলেজের মনোবিজ্ঞানের অধ্যাপক গয়েন্ডোলিন সিডম্যান বলেছেন, এটি সুনির্দিষ্ট নয়। এটি তাৎক্ষণিক। এটি শক্তিশালী। চাপে থাকা কিশোরদের মতো যাঁরা সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা পেতে আগ্রহী, তাঁরা ফিল্টারটি বন্ধ করলে যা দেখবেন, তা পছন্দ করবেন না আর এটিই হলো সমস্যা।
‘খুবই ভালো’
বোল্ড গ্ল্যামারের যন্ত্রণা সৃজনশীলতার বাইরে গিয়ে পর্যবেক্ষকেরা ফিল্টারটির প্রযুক্তি সম্পর্কে মাথা ঘামাচ্ছেন এবং ভাবছেন অ্যাপটি কি তবে এআইয়ের ক্ষেত্রে অদৃশ্য কোনো অগ্রগতি এনেছে? আগের ফিল্টারগুলো চেহারার ওপর একটি আস্তরণ বা আবহ তৈরি করত—যেমনটা হতো স্ন্যাপচ্যাটে জোক লেন্সে। কিন্তু এই ফিল্টারে ব্যবহারকারী হাতটি মুখাবয়বের সামনে রাখলে তা অনেকটা বাস্তব মনে হবে।
ফ্লোরিডা ইউনিভার্সিটির সামাজিক যোগাযোগ বিষয়ের অধ্যাপক অ্যান্ড্রু সেলেপাক বলেছেন, ‘এটি জনসাধারণের ব্যবহারের এআই, যার মাধ্যমে মুখাবয়বের পরিবর্তন করা যায় এবং যা অনেক মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।’ এই অ্যাপের পেছনে কোন প্রযুক্তি রয়েছে সে ব্যাপারে কথা বলতে রাজি হয়নি টিকটক কর্তৃপক্ষ। তাই বোল্ড গ্ল্যামার কীভাবে কাজ করে তার কিছুটা রহস্য থেকেই গেল।
যদিও টিকটক এক বিবৃতিতে বলেছে, টিকটককে ইতিবাচক ও সমর্থনকারী হিসেবে ধরে রাখতে প্রতিষ্ঠানটি বিশেষজ্ঞ অংশীজনদের নিয়ে কাজ করছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, চ্যাটজিপিটি বা ডেল-ই’র পেছনে যে প্রযুক্তি বোল্ড গ্ল্যামারেও তেমনি ‘জেনারেটিভ এআই’ ব্যবহার হচ্ছে। প্রযুক্তি নিরাপত্তা সংস্থা জেনের এআই গবেষণা পরিচালক পেত্র সোমল বলেন, এই ধরনের ফিল্টার কয়েক বছর ধরেই চালু ছিল। তবে টিকটকের সর্বশেষ সংস্করণটি অসাধারণ ও খুবই ভালো।
গভীর জালিয়াতির পথ
ফাঁদে ফেলে প্রতারণা, গভীর জালিয়াতি (ডিপ ফেইক)—সব মিলিয়ে কেউ কেউ ভাবছেন এই ফিল্টারগুলো এমন এক বিশ্বের কথা বলে, যেখানে প্রযুক্তির অপব্যবহার করার ক্ষমতা এখন স্মার্টফোন আছে এমন যে কারও নখদর্পণে। সোমল বলেন, সর্বশেষ এই ফিল্টার নিছকই গভীর জালিয়াতির প্রযুক্তি নয়। তবে সেই দিকে যাওয়ার একটি পথ বলা যায়।
বাফেলোর স্টেট ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্কের কম্পিউটার সায়েন্সের অধ্যাপক সিওয়েই লিউ বলেন, টিকটক বা মেটার মালিকানাধীন ইনস্টাগ্রামের মতো বড় প্ল্যাটফর্মগুলো জেনেশুনে বিপজ্জনক টুল সরবরাহ করবে তা ভাবা যায় না।
সূত্র: এনডিটিভি
Source: প্রথম আলো
যুক্তরাজ্যে ব্যবসার ঝুঁকি নিয়েই ব্যবহারকারীর নিরাপত্তা প্রশ্নে অনড় হোয়াটসঅ্যাপ
***********************************************************************
যুক্তরাজ্য সরকারের দাবি মেনে বার্তা আদান-প্রদানে ‘এন্ড-টু-এন্ড এনস্ক্রিপশন’–এ কোনো ধরনের আপস করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তাৎক্ষণিক বার্তা আদান–প্রদান ও ইন্টারনেটে ফোনকল করার জনপ্রিয় অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ। এর ফলে যুক্তরাজ্যে অ্যাপটির ব্যবসা ঝুঁকিতে পড়তে যাচ্ছে।
যুক্তরাজ্যে হওয়া নতুন অনলাইন সেফটি বিলে বার্তা আদান-প্রদানে নিরাপত্তা কমানোর কথা বলা হয়েছে। অর্থাৎ ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা সরকারি কর্তৃপক্ষের পর্যবেক্ষণের মধ্য দিয়ে যেতে হবে। তবে এমন দাবি হোয়াটসঅ্যাপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উইল ক্যাথকার্ট মানতে নারাজ। এর আগে আরেক অ্যাপ সিগন্যালও যুক্তরাজ্যের এমন দাবি মানতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। হোয়াটসঅ্যাপও সেই পথে হাঁটল।
বিবিসির একটি প্রতিবেদনে ক্যাথকার্টকে উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, ‘যুক্তরাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে অনলাইন সেফটি বিলের আওতায় এনক্রিপটেড বার্তার গোপনীয়তায় আপস করতে বলা হলে, দেশটিতে হোয়াটসঅ্যাপ সেবা বন্ধ থাকবে।’
ক্যাথকার্ট বলেন, ‘বিশ্বজুড়ে আমাদের ব্যবহারকারীরা নিরাপত্তা চায়। ব্যবহারকারীদের ৯৮ শতাংশ যুক্তরাজ্যের বাইরের। তাঁরা আমাদের কাছে নিরাপত্তা কমানোর কথা বলেন না। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, সম্প্রতি ইরানে হোয়াটসঅ্যাপ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উদার গণতন্ত্রে আমরা কখনো তা করতে দেখিনি।’
সিগন্যালের পথেই হাঁটল হোয়াটসঅ্যাপ
কয়েক সপ্তাহ আগে সিগন্যালও বলেছে, যুক্তরাজ্যের ওই নিরাপত্তা বিলের আওতায় যদি ব্যবহারকারীর পাঠানো বার্তা কর্তৃপক্ষ দেখতে চায়, তবে দেশটিতে এই পরিষেবা বন্ধ করা হতে পারে। সিগন্যালের প্রেসিডেন্ট মেরেডিথ হুইটেকার এক টুইটার বার্তায় উল্লেখ করেছেন, যুক্তরাজ্যের মানুষ যাতে সিগন্যাল ব্যবহার চালিয়ে যেতে পারেন, তার জন্য করণীয় সব করবে প্রতিষ্ঠানটি।
মেরেডিথের এই টুইটের রিটুইট করে ক্যাথকার্ট একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। যুক্তরাজ্যের সৃষ্ট উদাহরণ হয়তো অন্য দেশও অনুসরণ করবে, এমন শঙ্কা জানিয়ে ক্যাথকার্ট বলেন, ‘হোয়াটসঅ্যাপের নিরাপত্তা কমাতে চাই না আমরা। কখনোই আমরা তা করিনি। বিশ্বের কোনো কোনো অংশে আমরা নিষেধাজ্ঞা মেনে নিয়েছি। যখন একটি উদার গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা বলে অবৈধ বিষয়বস্তুর কারণে প্রত্যেকের ব্যক্তিগত যোগাযোগ নজরদারি করা হবে, তা কি ঠিক? এটি বিশ্বের অন্যান্য দেশকেও যোগাযোগে নজরদারিতে উৎসাহিত করবে, যাদের অবৈধ বিষয়বস্তুর ব্যাপারে সম্পূর্ণ ভিন্ন সংজ্ঞা রয়েছে।
কী বলা হয়েছে অনলাইন সেফটি বিলে
যুক্তরাজ্যের যোগাযোগনিয়ন্ত্রক সংস্থা যোগাযোগ অফিস বা অফকম দেশটির অনলাইন সেফটি বিল অনুমোদন করেছে। এই বিলে ব্যক্তিগত এনক্রিপটেড মেসেজিং অ্যাপ এবং অন্য পরিষেবাগুলোকে শিশু নির্যাতনের আধেয় (কনটেন্ট) শনাক্ত এবং মুছে ফেলতে অনুমোদিত প্রযুক্তি ব্যবহারের কথা বলেছে। যুক্তরাজ্য সরকার বলেছে, এনক্রিপশন পদ্ধতিতে পাঠানো মেসেজ স্বয়ং প্রতিষ্ঠানগুলোই দেখতে পারে না। আর এটিই শিশু নির্যাতন সমস্যা মোকাবিলায় বাধা হয়ে আছে।
যুক্তরাজ্যের হোম অফিস বলেছে, প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হলো তাদের প্ল্যাটফর্ম যেন শিশু নিপীড়নকারীদের বড় ক্ষেত্র না হয়ে ওঠে, তা নিশ্চিতে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালানো। দেশটির সরকার এটাও বলছে, গোপনীয়তা ও শিশু সুরক্ষা—একসঙ্গে রক্ষা করা সম্ভব। যদিও সিগন্যালের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, ব্যক্তিগত আলাপচারিতা পর্যবেক্ষণ অপরাধ। এ ছাড়া যোগাযোগে গোপনীয়তা এবং পর্যবেক্ষণ একসঙ্গে হয় না।
Source: প্রথম আলো
টুইটারের মতো ওয়েবসাইট তৈরি করছে মেটা
***********************************************************************
আলাদাভাবে লেখা আদান–প্রদানের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাপ নিয়ে কাজ করছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। ধারণা করা হচ্ছে, মেটার নতুন এই প্ল্যাটফর্ম হতে যাচ্ছে খুদে ব্লগ লেখার ওয়েবসাইট টুইটার ও মাসটোডনের প্রতিদ্বন্দ্বী।
কবে নাগাদ নতুন এই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমটি চালু হবে সে বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায়নি। মেটার মুখপাত্র বলেছেন, ‘হালনাগাদ লেখা আদান–প্রদানের জন্য আমরা একটি স্বতন্ত্র সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম চালুর জন্য কাজ করছি। আমরা বিশ্বাস করি পৃথক একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির সুযোগ রয়েছে, যেখানে নির্মাতা ও জনপ্রিয় ব্যক্তিরা তাঁদের আগ্রহ সম্পর্কিত বিষয়ের হালনাগাদ তথ্য লেখার মাধ্যমে সময়মতো প্রকাশ করতে পারবেন।’
তবে এর আগে গত বছরের ডিসেম্বরে ফেসবুকের লেখাভিত্তিক একটি সাইট চালুর গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তখন এও প্রকাশ করা হয়, লেখাভিত্তিক নতুন এ সাইট মেটার আর এক প্রতিষ্ঠান ইনস্টাগ্রামের প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। যদিও ইনস্টাগ্রাম ছবি আদান–প্রদানের সাইট ও নির্মিতব্য সাইটটি লেখাভিত্তিক হবে বলে শোনা যাচ্ছে।
নতুন এই সাইটের কাজ এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে। সাম্প্রতিক বিবৃতিতে একে স্বতন্ত্র ওয়েবসাইট হিসেবে আত্মপ্রকাশের দাবি করা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, এটি একেবারেই ইনস্টাগ্রামের বৈশিষ্ট্য অনুসরণ করবে না। মেটার নতুন সাইটটি মাসটোডোনের মতো স্যোশাল নেটওয়ার্কিং প্রটোকল সমর্থন করবে। বলা হচ্ছে, টুইটারের নতুন প্রতিপক্ষ হতে যাচ্ছে মেটার নতুন এই উদ্যোগ।
সূত্র: ম্যাশেবল
Source: প্রথম আলো
গুগলের পটভূমি নিজের মতো করে সাজাবেন যেভাবে
***********************************************************************
গুগল সার্চ ইঞ্জিন চালু করলেই সাদা রঙের পটভূমি দেখা যায়। নিয়মিত একই ছবি দেখার বদলে চাইলেই গুগলের পটভূমিতে পছন্দের ছবি যুক্ত করা সম্ভব। এমনকি নিজের কোনো ছবিও গুগলের পটভূমিতে ব্যবহার করা যায়। ক্রোম ব্রাউজার কাজে লাগিয়ে শুধু কম্পিউটার ব্যবহারকারীরা গুগলের পটভূমি নিজের মতো করে পরিবর্তন করতে পারবেন।
গুগলের পটভূমিতে পছন্দের ছবি যুক্ত করার জন্য প্রথমে কম্পিউটারে ক্রোম ব্রাউজার চালু করতে হবে। এরপর গুগল ট্যাবের নিচে থাকা কাস্টমাইজ ক্রোম বাটন অপশনে ক্লিক করলেই বেশ কিছু পটভূমির ছবি দেখা যাবে। পছন্দের ছবি নির্বাচন করে ডান বা ওকে বাটনে ক্লিক করলেই সেটি গুগলের পটভূমি হিসেবে যুক্ত হয়ে যাবে। রিফ্রেশ ডেইলি টগল চালু করলে প্রতিদিন নতুন নতুন পটভূমি স্বয়ংক্রিয়ভাবে দেখা যাবে।
গুগলের পটভূমিতে নিজের ছবি যুক্ত করার জন্য কাস্টমাইজ ক্রোম বাটনে ক্লিক করে ব্যাকগ্রাউন্ড অপশন নির্বাচন করতে হবে। এবার আপলোড ফ্রম ডিভাইস অপশনে ক্লিক করে ছবি নির্বাচনের পর ওপেন বাটনে ক্লিক করলেই ছবিটি গুগলের পটভূমিতে দেখা যাবে।
গুগলের পটভূমির রং এবং থিম পরিবর্তনের জন্য কাস্টমাইজ ক্রোম বাটনে ক্লিক করে কালার অ্যান্ড থিম অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর পছন্দসই রং নির্বাচন করে ডান বা ওকে বাটনে ক্লিক করলেই রং পরিবর্তন হয়ে যাবে।
Source: প্রথম আলো
সেটে অঝোরে কেঁদেছেন তিনি
***********************************************************************
ছিলেন মার্শাল আর্টশিল্পী। আর এখন হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী। দক্ষিণেই তাঁর নামডাক বেশি। তবে এবার ‘ইনকার’ ছবির মাধ্যমে উত্তরেও অভিযান শুরু করেছেন ঋতিকা সিং। গতকাল শুক্রবার মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ছবি ইনকার। হর্ষ বর্ধন পরিচালিত এ ছবিকে ঘিরে কিছু কথা বলেছেন ঋতিকা।
ফিল্মি ক্যারিয়ারের বয়স খুব একটা বেশি নয়, কিন্তু এরই মধ্যে ঋতিকার ঝুলিতে আছে একটা জাতীয় পুরস্কার আর তিনটা ফিল্ম ফেয়ার। থ্রিলারধর্মী ছবিটির মূল অবলম্বন বদ্ধ একটি গাড়ির মধ্যে এক তরুণীর ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। ছবিতে ঋতিকা মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন।
পর্দায় ‘সাক্ষী গুলাটি’ হয়ে ওঠার প্রসঙ্গে ঋতিকা বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে শরীরের চেয়ে বেশি মানসিক চাপ ছিল। ছবির গল্প খুবই সাদামাটা। তারপরও গল্পটা সবাইকে শিহরিত করবে। মেয়েটির মানসিক অবস্থা আরও বেশি করে পর্দায় তুলে ধরতে চেয়েছিলেন পরিচালক। শুটিংয়ের সময় মনে হতো না যে অভিনয় করছি। মনে হতো সব সত্যি। অনেক সময় পরিচালক “কাট” বলার পরও ঘোরের মধ্যে থাকতাম। আর অঝোরে কাঁদতে থাকতাম। এমনকি অনেক সময় পরিচালক আর সেটে উপস্থিত নারীও আমার সঙ্গে কাঁদতেন। আসলে সেটের পরিবেশটা এত বেশি বাস্তবিক ছিল যে সবকিছু সত্যি বলে মনে হতো।’
ঋতিকা জানান, ছবিতে তাঁর সংলাপ কম। মূলত অভিব্যক্তি দিয়েই বেশি প্রকাশ করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি চরিত্রের একেবারে গভীরে ঢুকতে চেয়েছিলাম। দুই ঘণ্টার ঘটনা নিয়ে ছবিটি নির্মিত, অথচ এ ছবির জন্য টানা ১৬ দিন চুলে তেল, জল—কিছুই দিইনি। চুল আঁচড়াইনি। চুলে জট পড়ে গিয়েছিল। আসলে পর্দায় নিজেকে আলুথালু আর অপরিচ্ছন্ন দেখানোর প্রয়োজন ছিল।’
মিক্সড মার্শাল আর্ট আর কিক বক্সিংয়ে পারদর্শী ঋতিকা। অভিনেত্রী হিসেবেও এখন বেশ সুনাম হয়েছে। আর কী কী গুণ আছে? তিনি বলেন, ‘এখনো নিজের সুপ্ত প্রতিভার অন্বেষণে আছি। নাচে, গানে নিজেকে আবিষ্কার করতে চাই।’
Source: প্রথম আলো
নিজেকে ‘ক্যাট ওম্যান’ মনে হচ্ছে: শিল্পা শেঠি
***********************************************************************
রীতিমতো উৎসবের মেজাজে ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৩। ক্রমে জমে উঠছে এই ফ্যাশন উৎসবের আসর। আজ এই আসর আরও জমজমাট তারকাদের দ্যুতিতে। এদিন সম্পূর্ণ অন্য লুকে ধরা দিয়েছিলেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি। নিজের এই লুক নিয়ে এক মজার মন্তব্য করেছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে ‘এফডিসিআই ল্যাকমে ফ্যাশন উইক ২০২৩’। আগামী রোববার পর্যন্ত এই ফ্যাশন উৎসব চলবে। এবারের আসর বসেছে মুম্বাইয়ের জিও ওয়ার্ল্ড গার্ডেনে। ল্যাকমে ফ্যাশন উইকের আজ দ্বিতীয় দিন উদ্যাপিত হচ্ছে। এদিন ল্যাকমের র্যাম্প শুরু থেকে বলিউড তারকাদের দখলে। তিন ডিজাইনার দিপিত ছুঘ, সমীর মদন আর তিসা স্টুডিওর অভিনব প্রদর্শন দিয়ে ল্যাকমের দ্বিতীয় দিন শুরু হয়। দুই বলিউড অভিনেতা শান্তনু মহেশ্বরী, আর গুরফতেহ পিরজাদা সুপার হট লুকে ল্যাকমের র্যাম্পে ধরা দিয়েছিলেন।
এদিন ফাগুনের তপ্ত দুপুরে আগুন ছড়িয়ে ছিলেন বলিউড নায়িকা সানিয়া মালহোত্রা। তাঁর পরনে ছিল গেরুয়া রঙের স্লিট স্কার্ট-বিকিনি টপ আর সঙ্গে লং জ্যাকেট। এদিন রঙিন ক্যাট স্যুটে সম্পূর্ণ রঙিন মেজাজে ছিলেন শিল্পা।
সাংবাদ সম্মেলনে নিজেকে বর্ণনা করার সময় তিনি মজার ছলে বলেন, ‘আমার নিজেকে “ক্যাট ওম্যান” মনে হচ্ছে। আর যাঁকে ভারতীয় মেয়ে হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। এই আউটফিট পরে নিজেকে আবার কবি বলেও মনে হচ্ছে। কোনো পোশাক পরার পর অন্তর থেকে ভালো অনুভব করা জরুরি। এ ক্ষেত্রে আমার তা হয়েছিল।’
এদিন বনি কাপুরকন্যা অংশুলা কাপুর প্রথম র্যাম্পে হাঁটলেন। দর্শকের আসনে বসে ছিলেন তাঁর ভাই, তথা বলিউড নায়ক অর্জুন কাপুর। বরুণ ও নিধিকার ডিজাইন করা পোশাকে ‘ড্যান্সিং গার্ল’ হয়ে এসেছিলেন বলিউড নায়িকা সোনাক্ষী সিনহা। সময় যত গড়াবে, ল্যাকমের আসর আরও ঝলমলিয়ে উঠবে তারকাদের চমকে। এখন শুধু অপেক্ষা।
Source: প্রথম আলো
ঢাকায় অনুপম রায়, রাতে গাইবেন নারায়ণগঞ্জে
***********************************************************************
ঢাকায় এসেছেন কলকাতার সংগীতশিল্পী অনুপম রায়। শুক্রবার সকালে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে নেমে একটি ছবি ফেসবুকে পোস্ট করে অনুপম লিখেছেন, ‘এই নামলাম। বহুদিন বাদে বাংলাদেশে।’
বিমানবন্দর থেকে সোজা ঢাকার এক হোটেলে উঠেছেন তিনি। রাতে নারায়ণগঞ্জ ক্লাবে গান পরিবেশন করবে তাঁর ব্যান্ড ‘দ্য অনুপম রায় ব্যান্ড’। এ আয়োজনে কলকাতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর নৃত্য পরিবেশনের কথা রয়েছে।
আয়োজকেরা জানান, সাধারণ দর্শকের জন্য টিকিটের ব্যবস্থা রাখা হয়নি, দর্শক হিসেবে শুধু ক্লাবের সদস্যরা থাকবেন। গান পরিবেশন করে রাতেই ঢাকায় আসবেন অনুপম রায় ও তাঁর ব্যান্ডের সদস্যরা। আগামীকাল সকালে কলকাতায় ফিরে যাবেন তাঁরা।
২০১০ সালে সৃজিত মুখার্জির ‘অটোগ্রাফ’ চলচ্চিত্রে ‘আমাকে আমার মতো থাকতে দাও’ ও ‘বেঁচে থাকার গান’ গেয়ে দর্শকমহলে সাড়া ফেলে দেন অনুপম রায়। এরপর একের পর এক তাঁর গান প্রশংসিত হয়েছে।
‘তুমি যাকে ভালোবাসো’ গানের জন্য সেরা গীতিকার হিসেবে ২০১৬ সালে ভারতের ৬৪তম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান এই গায়ক। ২০১৫ সালে ‘পিকু’ সিনেমার সংগীত পরিচালনার মাধ্যমে বলিউডে পদার্পণ করেন তিনি।
Source: প্রথম আলো