Linkeei Linkeei
    #news #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda
    البحث المتقدم
  • تسجيل الدخول
  • التسجيل

  • الوضع الليلي
  • © 2026 Linkeei
    حول • الدليل • إتصل بنا • المطورين • سياسة الخصوصية • شروط الاستخدام • إعادة مال • Linkeei App install

    تحديد اللغة

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

يشاهد

يشاهد بكرات أفلام

أحداث

تصفح الأحداث أحداثي

مدونة

تصفح المقالات

السوق

آخر المنتجات

الصفحات

صفحاتي صفحات أعجبتني

أكثر

منتدى إستكشاف منشورات شائعة الألعاب وظائف عروض
بكرات يشاهد أحداث السوق مدونة صفحاتي الكل

إستكشف المشاركات

Posts

المستخدمين

الصفحات

مجموعة

مدونة

السوق

أحداث

الألعاب

منتدى

أفلام

وظائف

Magazine
Magazine
3 سنوات

ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং হ্যাকাথনে সেরা বুয়েট
***********************************************************************
বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং (এনএলপি) হ্যাকাথনে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল ‘বুয়েট সিমান্টিক সেনানিগান্স’। দলের সদস্যরা হলেন মো. যারিফ উল আলম, রামিশা আলম ও সামীন সাহগীর। প্রথম রানার্সআপ হয়েছে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের দল লিঙ্গুয়েস্টিক ম্যাভরিক্স। দ্বিতীয় রানার্সআপ হয়েছে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের দল রিটার্ন জিরো।

তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের আওতাধীন ‘গবেষণা ও উন্নয়নের মাধ্যমে তথ্যপ্রযুক্তিতে বাংলা ভাষা সমৃদ্ধকরণ’ প্রকল্প এবং বাংলাদেশ ওপেন সোর্স নেটওয়ার্ক (বিডিওএসএন) যৌথভাবে এ প্রতিযোগিতার আয়োজন করে। ২১ জানুয়ারি শুরু হওয়া এ প্রতিযোগিতা চলে টানা ৩৬ ঘণ্টা। রোববার রাজধানীর লালমাটিয়ায় এক অনুষ্ঠানের বিজয়ী দলগুলোকে সনদ এবং মোট এক লাখ টাকার পুরস্কার দেওয়া হয়।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে জানানো হয়, চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের শুরুতেই যেসব প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে সেগুলোর মধ্যে মেশিন লার্নিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিপ লার্নিং ও ব্লক চেইন অন্যতম। আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর যন্ত্রকে কাজের নির্দেশনা দেওয়া হয় ন্যাচারাল ল্যাঙ্গুয়েজ প্রসেসিং বা এনএলপির মাধ্যমে। ফলে এ প্রযুক্তি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে কম্পিউটার সার্ভিসেস লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মমলুক ছাবির আহমেদ, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. নাবিল মোহাম্মেদ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. রিফাত শাহরিয়ার, বিডিওএসএনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কানিজ ফাতেমা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

পাঁচ বছরের মধ্যে ২০ শতাংশ চাকরি এআইয়ের দখলে যাবে
***********************************************************************
গত বছরের শেষ দিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চ্যাটবট ‘চ্যাটজিপিটি’ ছাড়া হয়। এর মধ্য দিয়ে এআই প্রযুক্তির নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। চ্যাটজিপিটি আসার পর থেকে চাকরির বাজারে এআইয়ের প্রভাব নিয়ে শঙ্কা ছড়িয়ে পড়ে যে ভবিষ্যতে চাকরিতে মানুষের জায়গা দখলে নেবে এআই প্রযুক্তি।

এই প্রযুক্তি কবিতা, চিত্রনাট্যও পরীক্ষা করতে পারে। কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ যেভাবে যোগাযোগ করে তার পুরোটাই অনুকরণ করতে পারে। ক্রেতাকে সেবা দেওয়া, কপিরাইট, এমনকি আইনি সেবা দেওয়ার চাকরির ক্ষেত্রগুলোতে খুব দ্রুতই মানুষের স্থান এআই প্রযুক্তি দখলে নেবে বলে মনে করা হচ্ছে।

মাইক্রোসফট চ্যাটজিপিটিতে এক হাজার কোটি ডলার বিনিয়োগ করেছে। প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, কম্পিউটারের সঙ্গে মানুষ এখন যেভাবে যোগাযোগ করে তা পুরোপুরি বদলে দেবে এই প্রযুক্তি।

এআই প্রযুক্তিবিশেষজ্ঞ ও আলটিমার সোশ্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রধান রিচার্ড ডিভের ডেইলি মেইলকে বলেন, ‘কর্মশক্তির ২০ শতাংশ চ্যাটজিপিটি দখলে নিতে পারে বলে আমি বিশ্বাস করি। চ্যাটজিপিটি কোনো পাগলামি নয়। এটি প্রযুক্তির নতুন বিপ্লব। রোবট স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার কাজের জন্য আসছে না। তবে একজন মানুষ রোবট সঙ্গে নিয়ে তা করবে।’

ডিভের বলেন, মানুষের জায়গা স্বয়ংক্রিয়ভাবে রাতারাতি রোবটের দখলে চলে যাবে না। প্রথম ধাক্কাটা কম অভিজ্ঞ মানুষদের দেবে—যাঁরা দৈনন্দিন কাজকর্মে এআই প্রযুক্তির সহায়তা নিচ্ছেন।

জাউন্স এআইয়ের মতো কিছু প্রতিষ্ঠান ইতোমধ্যে ‘মানুষের’ কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে হবে—এমন এআই সমাধানের প্রস্তাব দিচ্ছে। জাউন্স বিনা মূল্যে আনলিমিটেড এআই কপিরাইটের প্রতিশ্রুতিও দেয়।

আর ডুনটপে সংস্থাটি গতি সীমা লঙ্ঘনকারী চালকদের জরিমানা থেকে বাঁচাতে আদালতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করছে। এরই মধ্যে যুক্তরাজ্যে লিখিত পরীক্ষা সফলভাবে শেষ করে চাকরির এক সাক্ষাৎকারে সংক্ষিপ্ত তালিকায় চ্যাটজিপিটি স্থান করে নিয়েছে।

এ ছাড়া আর্থিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান টুইগ তাদের কিছু কাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে করতে চ্যাটজিপিটি ব্যবহার করছে। তারা বিপণন, অর্থ ও ব্যবসার অন্যান্য কাজেও এআই ব্যবহার করছে।

ডিভের জানিয়েছেন, তিনি বেশ কয়েকজনকে চেনেন, যাঁরা তাঁদের চাকরিতে ইতিমধ্যে এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছেন। তিনি সতর্ক করেন, ‘আমরা শুধু একটি এআই বিপ্লবের শুরুতে আছি। চ্যাটজিপিটি ব্যবহারের সম্ভাবনা অন্তহীন।’

তবে ডিভের এও বলেছেন, আপাতত সৃজনশীল পেশার মানুষজন তাঁদের চাকরি নিয়ে নিরাপদ থাকা উচিত। উদ্বিগ্ন না হয়ে সৃজনশীল পেশাদারদের প্রযুক্তিটি গ্রহণ করা উচিত এবং নিজেদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে এটি ব্যবহার করা উচিত।

সূত্র: ডেইলি মেইল

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

কোন বয়সে শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেবেন
***********************************************************************
গত দুই দশকে ইন্টারনেট মানুষের হাতের নাগালে চলে এসেছে। ডায়াল-আপ (ল্যান্ডফোনের সংযোগনির্ভর) থেকে তারহীন ওয়াই-ফাই, থ্রি-জি থেকে ফাইভ-জি নেটওয়ার্কে বিবর্তন—সবকিছুই ইন্টারনেট ব্যবহারকে সহজ করেছে। তবে সবচেয়ে বড় বিপ্লব সম্ভবত স্মার্টফোনের বিস্তার।

২০২৩ সালের হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বের ৬৮০ কোটি মানুষের একটি করে স্মার্টফোন আছে। বর্তমানে পৃথিবীর মোট জনসংখ্যা ৮০০ কোটির কিছু বেশি। তাই স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে একটা অংশ যে শিশু, তা খুব সহজে বলা যায়।

শিশুদের হাতে স্মার্টফোন দেওয়ার ভালো বা মন্দ প্রভাব নয়, সম্প্রতি বিশেষজ্ঞরা কথা বলেছেন কখন শিশুর হাতে স্মার্টফোন দেওয়া উচিত, তা নিয়ে। যুক্তরাজ্যের বিদ্যালয়গুলোর নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফস্টেডের প্রধান পরিদর্শক আমান্ডা স্পিলম্যানের পরামর্শ, অল্প বয়সী বাচ্চাদের অবাধে ইন্টারনেট-সুবিধা ও স্মার্টফোন দেওয়া উচিত নয়।

চলতি সপ্তাহে বিবিসি রেডিও-৫ সরাসরি এক অনুষ্ঠানে আমান্ডা স্পিলম্যান বলেন, ‘আমি ছোট শিশুদের অবাধে ইন্টারনেট দেওয়ার বিরোধী। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুদের কাছে স্মার্টফোন দেখলে অবাক হই। এমনকি মাধ্যমিক শুরু করা শিশুদের কাছে দেখলেও। এটা মেনে নেওয়া যায় না। শিশুরা যাতে এসব অবাঞ্ছিত বিষয় এড়াতে পারে, সে জন্য বিদ্যালয় ও অভিভাবকদের ভূমিকা রাখতে বলেছেন তিনি।

পূর্বে চালানো বিভিন্ন গবেষণায় বলা হয়েছে, স্মার্টফোনের পর্দায় বেশি সময় কাটানোয় শিশুরা বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা—যেমন চোখ, মানসিক চাপ, নিদ্রাহীনতা ও মেধা বিকাশের সমস্যায় পড়ে। ফোন নিয়ে বসে থাকলে শারীরিক কার্যক্রম কমে যায়। এতে স্থূলতা, আত্মসম্মান বোধ কমে যাওয়া ও মানুষের সঙ্গে মিশতে অসুবিধা হয় শিশুদের। স্মার্টফোনে সময় কাটানোর ফলে বন্ধুত্ব বজায় রাখতে ও সামাজিক ভাব বিনিময়ে তারা সময় পায় না।

সান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটির এক গবেষণায় দেখা যায়, স্মার্টফোনে সময় কাটানো মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। শুধু তা-ই নয়, দিনে মাত্র এক ঘণ্টা পর্দায় কাটানোই দুই বছরের কম বয়সী শিশুকে উদ্বিগ্ন বা বিষণ্ন করে তোলায় যথেষ্ট হতে পারে।

গত বছর আরেক গবেষণায় বলা হয়েছে, ২০ বছর আগের তুলনায় এখনকার কিশোর-কিশোরীরা নিঃসঙ্গতায় বেশি ভোগে। কারণ, তারা স্মার্টফোনে মগ্ন থেকে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাতে পারে না।

যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব হেলথের অপর এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশু স্মার্টফোনে অতিরিক্ত সময় ব্যয় করে, তাদের মস্তিষ্কের গঠনও আলাদা হয়।

গত নভেম্বরে যুক্তরাজ্যের শিশু অধিকার কমিশনের প্রধান ডেম রাচেল ডি সুজা বলেছেন, শিশুদের স্মার্টফোন কিনে দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করা উচিত। মা-বাবাকে সন্তানদের সামাজিক মাধ্যমে প্রবেশের বিষয়টি ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।
২০১৭ সালে মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠা বিল গেটস জানান, বয়স ১৪ বছর হওয়ার আগে তিনি সন্তানদের স্মার্টফোন দেননি। প্রযুক্তি বিপ্লবের অগ্রনায়ক হওয়া সত্ত্বেও তিনি এখনো মনে করেন, শিশুদের ক্ষেত্রে সীমারেখা প্রয়োজন। আর রয়্যাল কলেজ অব সাইকোলজিস্টের ভাইস চেয়ারম্যান জন গোল্ডিন মনে করেন, ১১ বছরে যখন শিশুরা মাধ্যমিকে ভর্তি হয়, তখন তাদের স্মার্টফোন দেওয়া উচিত।

অবশ্য উল্টো কথাও বলছেন কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ। স্মার্টফোন প্রকৃতই শিশুদের জন্য ক্ষতিকর বলে তারা মনে করেন না। যেমন যুক্তরাষ্ট্রের নর্থ ক্যারোলিনার ডিউক ইউনিভার্সিটির গবেষকেরা বলছেন, যেসব কিশোর-কিশোরীরা বাস্তবে মিশুক অনলাইনেও তারা সম্পর্কের উন্নয়ন করতে পারে।

গত বছর স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি স্কুল অব মেডিসিনের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যে বয়সে বাচ্চারা স্মার্টফোন পায়, তার সঙ্গে তাদের সুস্থতার কোনো সম্পর্ক নেই। ২০১৯ সালে ইউনিসেফের এক গবেষণায় বলা হয়েছে, যেসব শিশু ইন্টারনেট ব্যবহার করে, তাদের ডিজিটাল দক্ষতা বেশি এবং অনলাইনে শিক্ষা গ্রহণে তারা এগিয়ে।
গবেষণাটির দলনেতা ড্যানিয়েল কার্ডেফেল্ট-উইন্থার বলেছেন, মা-বাবা যদি খুব কঠোর হন, তবে তা হয়তো তাঁদের সন্তানদের ভবিষ্যতের জন্য অপ্রস্তুত করে তুলতে পারে। আবার কোনো কোনো বিশেষজ্ঞ বলছেন, বয়স নয়, পরিপক্বতা বিবেচনায় স্মার্টফোন দেওয়ার বিষয়টি আসবে। আর ব্যক্তিভেদে পরিপক্বতার বয়সও ভিন্ন হয়।

সূত্র: ডেইলি মেইল

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

ওয়াই-ফাইয়ের গতি ৫০ শতাংশ বাড়বে এই ৫ উপায়ে
***********************************************************************
ভিডিও কলে জরুরি মিটিং চলাকালে ওয়াই-ফাই সংযোগের ধীরগতির কারণে সমস্যায় পড়েন অনেকেই। শুধু ভিডিও কলই নয়, ধীরগতির ওয়াই–ফাইয়ের কারণে অনলাইনে বিভিন্ন কাজ করতেও সমস্যা হয়। এই পাঁচ কৌশল ব্যবহার করে চাইলেই ওয়াই-ফাইয়ের গতি ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো যায়।

চ্যানেল পরিবর্তন
রাউটার মূলত চ্যানেল বা ফ্রিকোয়েন্সির মাধ্যমে সংকেত পাঠায়। এই চ্যানেলের কারণেও অনেক সময় রাউটারের গতি কমে যেতে পারে। বিশেষ করে আপনি যে ভবনে থাকেন, সেখানে আরও অনেকেই আলাদা ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে পারেন। এখন তাঁদের ব্যবহার করা রাউটারও যদি একই চ্যানেল বা ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করেন, তবে আপনার ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যাবে। এ সমস্যা সমাধানে রাউটারের চ্যানেল পরিবর্তন করতে হবে।

মেঝে থেকে ওপরে ও খোলা জায়গায় রাউটার রাখতে হবে
অনেকেই টেবিলের ওপরে রাউটার রাখেন। ফলে আশপাশে ভারী বস্তু বা আসবাব থাকার কারণে ওয়াই-ফাইয়ের সিগন্যালের গতি কমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে ঘরের মাঝামাঝি স্থানে মেঝে থেকে ওপরের দিকে রাউটার রাখতে হবে। এতে ঘরের সব দিকে সমানভাবে ওয়াই-ফাই সিগন্যাল পাওয়া যাবে। জানালার পাশে রাউটার রাখা যাবে না। এতে রাউটারের সিগন্যাল ঘরের বাইরে পাওয়া গেলেও ভেতরে ঠিকমতো পাওয়া যাবে না।

ইথারনেট কেব্‌ল ব্যবহার
নির্দিষ্ট কোনো যন্ত্রে যদি ওয়াই-ফাই সিগন্যালের গতি কম পাওয়া যায়, তবে সেই যন্ত্রের ওয়্যারলেস রিসিভার অপশনেও সমস্যা থাকতে পারে। অনেক সময় একই রাউটারে বেশিসংখ্যক যন্ত্র যুক্ত থাকলে ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যায়। ইথারনেট কেব্‌লের মাধ্যমে রাউটারের সঙ্গে যন্ত্র যুক্ত করে এ সমস্যার সমাধান করা সম্ভব।

রাউটারের অ্যানটেনার অবস্থান পরিবর্তন
রাউটারে থাকা অ্যানটেনাগুলো ইন্টারনেটের গতি বাড়াতে সাহায্য করে। অনেকে রাউটারের অ্যানটেনাগুলো এলোমেলোভাবে ব্যবহার করেন। মনে রাখতে হবে, প্রতিটি অ্যানটেনাই ৯০ ডিগ্রি কোণে আলাদাভাবে সিগন্যাল পাঠিয়ে থাকে। আর তাই আপনি যদি একতলা ভবনে থাকেন, তবে অ্যানটেনাগুলো উল্লম্বভাবে রাখুন। আর যদি বহুতল ভবনে থাকেন, তবে অ্যানটেনাগুলো উল্লম্ব ও অনুভূমিক দুভাবেই রাখতে হবে।

ওয়াই-ফাইয়ের পরিসর বাড়ানো
বাসা বা অফিসের আকার বড় হলে একটি রাউটার দিয়ে সব স্থানে সমান গতির সিগন্যাল পাওয়া যায় না। এ ছাড়া একাধিক দেয়ালের কারণেও ওয়াই-ফাইয়ের গতি কমে যায়। এ সমস্যা সমাধানে রেঞ্জ এক্সটেন্ডার বা মেশ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করতে হবে। এক্সটেন্ডারগুলো মূলত রাউটার থেকে সিগন্যাল গ্রহণ করে আবার পাঠিয়ে থাকে। এরপরও সমস্যার সমাধান না হলে রাউটার হালনাগাদ বা পরিবর্তন করতে হবে।

সূত্র: ডেইলি মেইল

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

শাকিবের ‘পাঙ্কু জামাই’–এর বিপরীতে বাংলাদেশে শাহরুখের ‘পাঠান’?
***********************************************************************
ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার বুকে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ‘পাঠান’-ঝড়। চার বছর পর কিং খান ‘পাঠান’ ছবির মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় ফিরতে চলেছেন। তাই বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের এই ছবিকে ঘিরে শুরু থেকেই উত্তেজনা দেখা গেছে। ২৫ জানুয়ারি ভারত ও ভারতের বাইরে বিভিন্ন দেশে একযোগে মুক্তি পাবে ছবিটি। কিন্তু মুক্তির আগেই বক্স অফিসের সব হিসাব-নিকাশ উল্টে দিয়েছে অ্যাকশন–থ্রিলারধর্মী এই ছবি। ২০ জানুয়ারি ছবির অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হয়েছে। আর তখন থেকে সবাই বক্স অফিসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। টিকিটের দাম আকাশছোঁয়া হলেও ভারত ও ভারতের বাইরে অগ্রিম টিকিট বিক্রিতে রেকর্ড গড়তে চলেছে ছবিটি।

‘পাঠান’ ছবি নিয়ে বাংলাদেশের দর্শকের আগ্রহ আছে। ছবিটি নিয়ে বাংলাদেশের সিনেমাপ্রেমী দর্শকেরাও খোঁজখবর রাখছেন। সাফটা চুক্তির আওতায় বাংলাদেশে ‘পাঠান’ মুক্তির কথা শোনা যাচ্ছে।

এরই মধ্যে বাংলাদেশের একটি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান থেকে ভারতের প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ইকো এন্টারটেইনমেন্টের কাছে শাকিব খানের ‘পাঙ্কু জামাই’ রপ্তানি করা হয়েছে। সেই ছবির বিপরীতে ‘পাঠান’ আমদানির চেষ্টা চলছে। যদি অনুমতি মিলে যায়, তাহলে ২৭ জানুয়ারি বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে দেখা যাবে ‘পাঠান’।

জানা গেছে, গত বুধবার বাংলাদেশের সিনেমা আমদানিকারক একটি প্রতিষ্ঠান এ–সংক্রান্ত একটি আবেদন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে। আগামীকাল মঙ্গলবার দুপুরে এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের আমদানি-রপ্তানিসংক্রান্ত কমিটি আবেদনটি নিয়ে মিটিংয়ে বসবেন।

সোমবার দুপুরে খবরটি নিশ্চিত করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের চলচ্চিত্র বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম বলেন, “‘পাঠান” বাংলাদেশে মুক্তির জন্য আমরা একটি আবেদন পেয়েছি। মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয়ের নেতৃত্বে এ–সংক্রান্ত কমিটির সদস্যরা মিটিংয়ে বসবেন। এরপর সিদ্ধান্ত হবে ছবি আনার বিষয়টি।’

মিটিংয়ে ‘পাঠান’ বাংলাদেশে মুক্তির বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে কি না—জানতে চাওয়া হলে ওই উপসচিব বলেন, ‘এখনই বলা মুশকিল। তবে সিনেমা হলের স্বার্থে আমাদের মন্ত্রী মহোদয়ের সব সময়ই ইতিবাচক মনোভব আছে। এর আগে মন্ত্রী মহোদয় বলেছেন, চলচ্চিত্রে সব সংগঠন যদি মতামত দেন, তাহলে বছরে ১০টি করে হিন্দি ছবি বাংলাদেশে আসতেই পারে। এখন “পাঠান’-এর বিষয়টি এ–সংক্রান্ত কমিটি ও চলচ্চিত্র সংগঠনগুলোর মতামতের ওপর নির্ভর করছে।’

সার্ক চুক্তিভুক্ত দেশসমূহের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তিকেই সংক্ষেপে এবং ইংরেজিতে সাফটা বলা হয়। ২০০৪ সালের জানুয়ারিতে ইসলামাবাদে সার্ক বা সাফটা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সার্কভুক্ত সব কটি দেশের মধ্যে চুক্তি হলেও আসছে কেবল ভারতের কলকাতার বাংলা সিনেমা। এর আগে ২০১৫ সালে হিন্দি ‘ডন’ ও ‘ওয়ান্টেড’ বাংলাদেশে মুক্তি পায়। পরপর ‘দিলওয়ালে দুলহানিয়া লে জায়েঙ্গে’, ‘দিল তো পাগল হ্যায়’, ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘কাভি খুশি কাভি গাম’, ‘ধুম ২’ ও ‘থ্রি ইডিয়টস’ মুক্তির কথা ছিল। কিন্তু সেই সময় চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আন্দোলনের মুখে হিন্দি ছবির আমদানি স্থগিত হয়ে যায়। এরপর আর কোনো হিন্দি ছবি আমদানিতে বাংলাদেশে মুক্তি পায়নি।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

১৮ বছর পর নাটক ‘সুনাগরিকের সন্ধানে’
***********************************************************************
সুনাগরিকের একটি বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আত্মসংযম। নগরকর্তার স্ত্রীর জন্মদিনে পুরস্কৃত করার জন্য সুনাগরিকের নামে পাঁচ দিন ধরে না খেয়ে থাকা একজনকে নিয়ে আসলেন প্রহরীরা। ভাতের মতো অন্ন ত্যাগ করে থাকা মানে কঠিন আত্মসংযম, এই বিবেচনায় তাঁকে নিয়ে আসা। চোখ–মুখে পানি ছিটিয়ে তাঁর যখন চেতনা ফেরানো হলো, তখন তিনি দৌড়ে গিয়ে জন্মদিনের কেকে কামড় দিলেন। সুনাগরিকের কর্তব্য কী, প্রমাণ করতে তিনি বাকি কেকটা নগরকর্তার মুখের ওপর ছুড়ে মারলেন। এটি নাট্যকার মলয় ভৌমিকের ‘সুনাগরিকের সন্ধানে’ নাটকের একটি দৃশ্য। আজ সোমবার বিকেলে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার মুক্তমঞ্চে নাটকটি পরিবেশিত হয়।

ব্যাঙ্গরসাত্মক কাহিনির এই নাটক ২০০৫ সালে শেষ মঞ্চস্থ হয়। ১৮ বছর পর নাটকটির ৪৭তম মঞ্চায়ন হলো। নাটকটির রচনা ও নির্দেশনা দিয়েছেন নাট্যকার মলয় ভৌমিক। এটি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুশীলন নাট্যদলের ৬৪তম প্রযোজনা। নাটকের শুরুতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য গোলাম সাব্বির সাত্তার বলেন, ধর্মান্ধতা, কূপমণ্ডূকতা ও আলোর বিরুদ্ধে সব প্রতিবন্ধকতার মোকাবিলা করবে নাটক ‘সুনাগরিকের সন্ধানে।’

৪০ মিনিটের পুরো নাটকজুড়ে শিল্পীদের অভিনয়শৈলী ও ব্যাঙ্গরসাত্মক সংলাপ নগরকর্তার বুদ্ধিহীন কর্মকাণ্ড, তাঁর পণ্ডিতের জ্ঞানের অসারতায় দর্শকেরা যেমন হেসে গড়িয়ে পড়েছেন, তেমনি আমাদের সমাজব্যবস্থার ত্রুটিগুলো ফুটে উঠেছে। এসব দৃশ্য দেখে দর্শক একের পর এক করতালি দিয়েছেন।

নাটকে দেখা যায়, নগরকর্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে কী করা যায়, তা ঠিক করতেই সভাসদেরা গলদঘর্ম। শেষ পর্যন্ত গৃহকর্তা ঠিক করলেন, ওই দিন একটি গণশৌচাগার উদ্বোধন করবেন। এটি একটি জনহিতকর কাজ। এতেই যারপরনাই চটে যান গৃহকর্তী। গৃহকর্তা আপত্তি করে বলেন, জন্মদিনে কি কারও শৌচাগারের প্রয়োজন পড়তে পারে না। শেষ পর্যন্ত একজন সুনাগরিককে সংবর্ধনা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। এই সুনাগরিক খুঁজতে পণ্ডিতের কাছে পরীক্ষা দিতে এলেন নাগরিকেরা।

সেখানে একজন রাষ্ট্রবিজ্ঞানীর সংজ্ঞা অনুযায়ী সুনাগরিকের গুণাবলি-বুদ্ধি, আত্মসংযম ও বিবেক যাচাই করার জন্য বোর্ড বসানো হলো। সেখানে লেখাপড়া না করাই একজন সুনাগরিকের গুণাবলি হিসেবে ধরা হলো। এমন সব হাস্যকর প্রশ্নোত্তর পর্বে কোনো নাগরিকই উত্তীর্ণ হতে পারলেন না। শেষ পর্যন্ত পাঁচ দিন ধরে না খেয়ে থাকা একজনকে আত্মসংযমী বলে তুলে আনা হলো। এভাবেই নাটকের কাহিনির শেষ হয়।

নাটকে নগরকর্তার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন রাকিবুল আলম, নগরকর্ত্রীর ভূমিকায় তানজীমা মাহজাবিন, নগরমন্ত্রী লিঙ্কন বিশ্বাস, নগর পণ্ডিত আরিফুল ইসলাম, ঘোষক ফাতিমা তুজ জোহরা ও সুব্রত কুমার হালদার, নগররক্ষী হৃদয় ভৌমিক, নাগরিক অন্তর মহান্ত, হৃদয় তালুকদার ও মোশাররফ হোসেন এবং নতর্কীর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন সাদিয়া আফরিন।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

২৫০০ টাকা টিকিট, তবুও মুক্তির আগেই সব শো হাউসফুল
***********************************************************************
ভারতীয় বিনোদন দুনিয়ার বুকে রীতিমতো দাপিয়ে বেড়াচ্ছে ‘পাঠান’–ঝড়। বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের এই ছবিকে ঘিরে শুরু থেকে উত্তেজনা দেখা গেছে। চার বছর পর কিং খান ‘পাঠান’ ছবির মাধ্যমে আবার বড় পর্দায় ফিরতে চলেছেন। তাই শাহরুখপ্রেমীরা ছবিটির জন্য দীর্ঘ সময় ধরে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে তাঁদের সব অপেক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২৫ জানুয়ারি মুক্তি পাবে ‘পাঠান’। কিন্তু মুক্তির আগেই বক্স অফিসের সব হিসাব–নিকাশ উল্টে দিয়েছে অ্যাকশন থ্রিলারধর্মী ছবিটি।

শাহরুখপ্রেমীরা তাঁদের প্রিয় তারকার প্রতি সম্পূর্ণ নিবেদিত, তা সবারই জানা। ‘পাঠান’ ছবি মুক্তির আগেই বক্স অফিসে তার ঝলক দেখা যাচ্ছে। শাহরুখকে বড় পর্দায় আবার দেখার জন্য তাঁর অনুরাগীরা যেকোনো মূল্য দিতে প্রস্তুত। ২০ জানুয়ারি থেকে ছবির অগ্রিম টিকিট বুকিং শুরু হয়ে গেছে। আর তখন থেকে সবাই বক্স অফিসে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন। জানা গেছে, ‘পাঠান’ ছবির টিকিটের দাম আকাশ ছুঁয়েছে। সিনেমাপ্রেমীরা শাহরুখকে অ্যাকশন ইমেজে দেখার জন্য হাজার হাজার টাকা ওড়াচ্ছেন। বেশ কিছু মলে ‘পাঠান’ ছবির টিকিট বাংলাদেশি মুদ্রায় ২ হাজার ৫০০, ২ হাজার ৩০০ আর ২ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এত দামি টিকিট হওয়া সত্ত্বেও সব শো ইতিমধ্যে হাউসফুল হয়ে গেছে।

দিল্লির বেশ কিছু মাল্টিপ্লেক্সে এই ছবির টিকিট ২ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। বিভিন্ন শহরের মাল্টিপ্লেক্সে সকালের শো-র টিকিটের দাম এক হাজার টাকা রাখা হয়েছে। কিন্তু টিকিটের দাম এত চড়া হওয়া সত্ত্বেও ‘পাঠান’-এর অগ্রিম বুকিং অনেক রেকর্ড ভেঙে দিয়েছে। সিদ্ধার্থ আনন্দ পরিচালিত এই ছবির হিন্দি আর তেলেগু সংস্করণের টিকিট সব থেকে বেশি বিক্রি হচ্ছে। এক রিপোর্ট অনুযায়ী, কিং খান আর দীপিকা পাড়ুকোন অভিনীত ছবিটি এখন পর্যন্ত ১৪ দশমিক ৬৬ কোটি টাকা আয় করেছে।

‘পাঠান’ ছবিকে ঘিরে বিতর্কের শেষ নেই। এই ছবির ‘বেশরম রং’ গানটি মুক্তি পাওয়ার পর নেট দুনিয়ায় আগুন ঝরে পড়েছে। বিশেষ করে এই গানে দীপিকার গেরুয়া রঙের বিকিনির জন্য ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলেছে বেশ কিছু রাজনৈতিক দল। ‘পাঠান’-কে ঘিরে বর্জনের ডাক উঠেছে নেট পাড়ায়। গুজরাট, আসামসহ বেশ কিছু রাজ্যের শহরে শাহরুখের ছবিটিকে ঘিরে অসন্তোষ প্রকাশ করছে ধর্মীয় সংগঠন। তবুও ‘পাঠান’ সব বিতর্ককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে এখনই বক্স অফিস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

এখনো নানার জন্য মন কাঁদে নাতির
***********************************************************************
নিজেদের নাম ছাপিয়ে দর্শকদের কাছে তাঁরা নানা-নাতি হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। অভিনয় থেকেই নানা অমল বোস ও নাতি নিপুর বোঝাপড়া, পারস্পরিক সম্পর্ক গড়িয়েছিল পরিবারের মতো। একজনকে ছাড়া যেন অন্যজন অসম্পূর্ণ। যেখানেই যেতেন দর্শকদের ভালোবাসা পেতেন নানা-নাতি। সেই জনপ্রিয় জুটি ভেঙে যায় ২০১২ সালে আজকের দিনে। ২৩ জানুয়ারি মারা যান অমল বোস। নানাকে ছাড়া কেমন আছেন নাতি?

অমল বোসের প্রয়াণ দিবসে আজ তাঁকে স্মরণ করলেন নিপু। প্রথম আলোকে বললেন, ‘এ দিনটির কথা কখনোই ভুলবেন না। এই দিনেই আমি নানাকে হারিয়ে একা হয়েছি।

আমাদের জনপ্রিয় জুটি ভেঙেছে।’ নিপু আরও বলেন, ‘প্রতিটা মুহূর্তে নানাকে আমি মিস করি। যেখানেই যাই, দর্শক এখনো বলেন, ওই যে নানার নাতি যায়। তখন মনে হয়, নানা আমার সঙ্গে আছেন। একসঙ্গে অভিনয় করে এমন বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আর হয়েছে কি না, আমার জানা নেই। আমি আর দাদা ছিলাম মানিকজোড়। দর্শক আমাদের নানা-নাতি হিসেবে চিনলেও আমি অমল দা-কে সব সময় দাদা বলতাম।’

প্রায় দুই যুগ আগে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ দিয়েই তাঁদের পরিচয়। নিপু বলেন, ‘১৯৯৫ সালের শুরুর দিকে হবে সম্ভবত, আমরা নানা-নাতির চরিত্রে অভিনয় করি। তখন আমি কিছুই জানতাম না। কিন্তু অমল দা আমাকে অনেক কিছু শিখিয়ে দিতেন। কীভাবে কথা বলতে হয়, অভিনয় করতে হয়। কীভাবে মাইক্রোফোন ধরতে হয়। তখন বুঝতাম, মানুষটা ভালো অভিনেতাই নন, ভালো একজন মানুষও। তার পর থেকে সখ্য বাড়তে থাকে। একসঙ্গে আড্ডা দিতাম, ছুটে চলতাম দেশের আনাচকানাচে। তাঁর মৃত্যুর আগপর্যন্ত আমরা অভিনয় করেছি। মাঝে ইত্যাদির অনুষ্ঠানে বৈচিত্র্য আনার জন্য আমরা একসঙ্গে অন্যভাবে পর্দায় আসতাম, সেটা খুবই কম। এগুলো দর্শক মনে রাখতেন। পরে বুঝতাম, দর্শক নানা-নাতিকে মিস করেন।’

ইত্যাদিতে অভিনয় করে আলোচিত হন অমল বোস ও নিপু। তাঁদের জনপ্রিয়তার কারণে নানা-নাতিকে ছুটতে হতো দেশের নানা প্রান্তে অনুষ্ঠান করতে। ভক্তরা কাছে পেয়ে ঝাঁপিয়ে পরতেন। সেগুলো এখনো নিপুর কাছে স্মরণীয় ঘটনা। নিপু বলেন, ‘এখনো নানার জন্য মন কাঁদে। এখনো গভীর রাতে নানাকে মনে পড়ে। নানাকে দেখতে ইচ্ছা হয়। তখন আমাদের একসঙ্গে অভিনয় করা ইত্যাদির পর্বগুলো দেখি। মনে হয়, এখনো নানা বেঁচে আছেন, এখনো পেছন থেকে ‘নিপু’ বলে ডাক দেবেন। আমাকে অভিনয় শেখাবেন।

আমাকে বলতেন, “দর্শকেরাই শিল্পীর প্রাণ। তাঁদের সঙ্গে ভালো ব্যবহার করবি।” এমনকি জীবন কীভাবে চালিয়ে যেতে হবে, সেটাও শেখাতেন। আমল দার জন্য সবার কাছে দোয়া চাই।’

জীবদ্দশায় অমল বোসের পরিবারের সঙ্গেও খুব ভালো সম্পর্ক ছিল নিপুর। ফুরসত পেলেই ছুটে যেতেন নানাবাড়িতে। নিপুর ভাষ্যে, ‘নানার বাড়ির অন্যান্য নাতি-নাতনিরাও আমাকে খাতির করতেন। কিন্তু নানা মারা যাওয়ার পর তার একমাত্র মেয়ে সেই আগের বাসায় থাকেন না। কোথায় থাকেন, খোঁজার চেষ্টা করেছি, কিন্তু খুঁজে পাইনি। কারও ফোন নম্বরও নেই। এখনো ইচ্ছা করে নানার পরিবারের অন্যদের সঙ্গে দেখা করি। তাঁদের মিস করি।’

নানাকে নিয়ে একটি আক্ষেপ এখনো পোড়ায় নিপুকে। তিনি জানান, নানা মাছ খেতে চেয়েছিলেন। পরে মাছ খাওয়াতে পারেননি। তবে পছন্দের ফলমূল খাওয়াতেন।
জনপ্রিয় অভিনেতা অমল বোসের জন্ম ফরিদপুর জেলার বোয়ালমারীতে। ষাটের দশক থেকে তিনি মঞ্চনাটকের মাধ্যমে অভিনয়ে পা রাখেন। অবসর, শৈবাল, রংধনু নাটকের দলগুলোর সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সেই সময় তাঁর অভিনয় শুরু হয় পাড়ার যাত্রাদলের মঞ্চনাটক দিয়ে। এভাবেই তিনি ঢাকার বিভিন্ন স্থানে মঞ্চে অভিনয় করে পরিচিত হয়ে উঠতে থাকেন।

১৯৬৬ সালে ‘রাজা সন্ন্যাসী’ সিনেমা দিয়ে বড় পর্দায় নাম লেখান অমল বোস। নীল আকাশের নিচে, অবিচার, হঠাৎ বৃষ্টি, আমি সেই মেয়ে, তোমাকে চাই, মন মানে না, শ্বশুরবাড়ী জিন্দাবাদসহ অনেক ছবিতে অভিনয় করেছেন। তাঁকে কখনো দেখা যেত খল চরিত্রে, কখনো বাবা, পুলিশসহ সব চরিত্রেই তাঁর অভিনয় ছিল মনে রাখার মতো।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
Magazine
Magazine
3 سنوات

এক কনসার্টের জন্য ২৫৩ কোটি টাকা পারিশ্রমিক
***********************************************************************
অনেক দিন গানে নিয়মিত ছিলেন না। স্বভাবতই দীর্ঘ বিরতির পর গত বছর মুক্তি পাওয়া বিয়ন্সের অ্যালবাম ‘রেনেসাঁ’ ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা পায়। সমালোচকদের প্রশংসা জোটে, প্রিয় শিল্পীর গান ভালোবাসায় ভরিয়ে দেন ভক্তরা। এ সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় গায়িকা বিয়ন্সে এবার গাইতে এসেছিলেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাইতে। সেই কনসার্টের জন্য বিয়ন্সে যে পারিশ্রমিক নিয়েছেন, তা চমকে দিতে যথেষ্ট।

দুবাই অনেক দিন ধরেই সারা দুনিয়ার পর্যটকদের কাছে জনপ্রিয় গন্তব্য। শহরটিতে তাই একের পর এক গড়ে উঠেছে বিলাসবহুল হোটেল। আটলান্টিস দ্য রয়্যাল তেমনই একটি। নতুন এই বিলাসবহুল হোটেলেই গত শনিবার পারফর্ম করেন বিয়ন্সে। এদিন গায়িকা হাজির হয়েছিলেন হলুদ গাউনে। কনসার্টটিতে গায়িকা পারফর্ম করেন তাঁর আলোচিত গান ‘ব্রাউন স্কিন গার্ল’। যে গানে মায়ের সঙ্গে পারফর্ম করেন বিয়ন্সের এগারো বছর বয়সী কন্যা আইভি কার্টারও।

তবে ভিন্ন একটি কারণে এই কনসার্টে অংশ নিয়ে খবরের শিরোনামে বিয়ন্সে। দুবাইয়ের কনসার্টে গাওয়ার জন্য ২ কোটি ২৪ লাখ ডলার নিয়েছেন গায়িকা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় ২৫৩ কোটি টাকার বেশি!
আলোচিত কনসার্টটিতে অবশ্য সাধারণ ভক্তদের অংশগ্রহণের সুযোগ ছিল না, হাজির ছিলেন কেবল আমন্ত্রিত অতিথিরাই।

কনসার্টে গেয়েছিলেন ‘ম্যায় হু না’, ‘ওম শান্তি ওম’খ্যাত ভারতীয় পরিচালক ফারাহ খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনসার্টে যাওয়ার ভিডিও পোস্ট করেছেন তিনি।

গত বছর নতুন অ্যালবাম মুক্তির পর বিয়ন্সে এখন প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাঁর বহুল প্রতীক্ষিত ‘রেঁনেসা’ ট্যুরের। পুরো ট্যুরের সময়সূচি ঘোষণা করা হবে আগামী ফেব্রুয়ারি মাসে।

Source: প্রথম আলো

image
إعجاب
علق
شارك
James Boss Page
James Boss Page  
3 سنوات

Alhamdulillah
I have promoted to Assistant Manager PMD at Popular Pharmaceuticals Ltd. Everyone keep me in your prayers.

image
إعجاب
علق
شارك
Showing 14618 out of 21736
  • 14614
  • 14615
  • 14616
  • 14617
  • 14618
  • 14619
  • 14620
  • 14621
  • 14622
  • 14623
  • 14624
  • 14625
  • 14626
  • 14627
  • 14628
  • 14629
  • 14630
  • 14631
  • 14632
  • 14633

تعديل العرض

إضافة المستوى








حدد صورة
حذف المستوى الخاص بك
هل أنت متأكد من أنك تريد حذف هذا المستوى؟

التعليقات

من أجل بيع المحتوى الخاص بك ومنشوراتك، ابدأ بإنشاء بعض الحزم. تحقيق الدخل

الدفع عن طريق المحفظة

تنبيه الدفع

أنت على وشك شراء العناصر، هل تريد المتابعة؟

طلب استرداد