Linkeei Linkeei
    #news #tructiepbongda #bongdatructuyen #best #xembongda
    Avanceret søgning
  • Log på
  • Tilmeld

  • Nattilstand
  • © 2026 Linkeei
    Om • Vejviser • Kontakt os • Udviklere • Fortrolighedspolitik • Vilkår for brug • Tilbagebetale • Linkeei App install

    Vælg Sprog

  • Arabic
  • Bengali
  • Chinese
  • Croatian
  • Danish
  • Dutch
  • English
  • Filipino
  • French
  • German
  • Hebrew
  • Hindi
  • Indonesian
  • Italian
  • Japanese
  • Korean
  • Persian
  • Portuguese
  • Russian
  • Spanish
  • Swedish
  • Turkish
  • Urdu
  • Vietnamese

Holde øje

Holde øje Hjul Film

Begivenheder

Gennemse begivenheder Mine begivenheder

Blog

Gennemse artikler

Marked

Seneste produkter

sider

Mine sider Synes godt om sider

Mere

Forum Udforske Populære opslag Spil Jobs Tilbud
Hjul Holde øje Begivenheder Marked Blog Mine sider Se alt

Opdage indlæg

Posts

Brugere

sider

Gruppe

Blog

Marked

Begivenheder

Spil

Forum

Film

Jobs

Magazine
Magazine
3 år

ঋতুপর্ণার কলকাতার বাড়িতে খেতে খেতে ক্লান্ত নিরব
***********************************************************************
ভারতীয় অভিনেত্রী ঋতুপর্ণার কলকাতার বাড়িতে অতিথি হয়ে গিয়েছিলেন বাংলাদেশের নিরব। প্রতিবেশী দেশের অভিনয়শিল্পীকে নিজ হাতে রান্না করা খাবার খাওয়ালেন ঋতুপর্ণা। ২৬ জানুয়ারি দুপুরে কলকাতার লেক গার্ডেনের বাসায় অতিথি হিসেবে হাজির হন নিরব। কয়েক ঘণ্টা সময় কাটান। আড্ডা দেন। ওই আড্ডায় ছিল ঋতুপর্ণার বন্ধুবান্ধব এবং কলকাতায় তাঁর কয়েকজন সাংবাদিক বন্ধুও। প্রথমবার ঋতুপর্ণার বাড়ির গিয়ে তাঁর আতিথেয়তায় মুগ্ধ বাংলাদেশি চিত্রনায়ক নিরব।

২৫ জানুয়ারি ব্যক্তিগত কাজে কলকাতায় গিয়েছিলেন নিরব। কাজের ফাঁকে ২৬ জানুয়ারি দুপুরে কলকাতায় ঋতুপর্ণার বাড়িতে অতিথি হন। গতকাল ঢাকায় ফিরে এসেছেন। আজ রোববার সকালে প্রথম আলোর সঙ্গে আলাপে নিরব বললেন, ‘সরস্বতীপূজার নেমন্তন্ন ছিল তো, তাই নানান পদের খাবার নিজেই রান্না করেছিলেন ঋতুপর্ণা দিদি। বলা যায়, খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে গেছি। আসার সময় তো কয়েক পদের মিষ্টির একটি প্যাকেট ধরিয়ে দেন। ভালোবাসার এই উপহার যত্ন করে ঢাকায় নিয়ে এসেছি।’

ঋতুপর্ণা বাড়িতে সেদিনের খাবারের মেনুতে কী কী ছিল জানতে চাইলে নিরব বলেন, ‘অনেক কিছুই। অনেক কিছুর আবার নামও জানি না। তবে যতটা জানতে পেরেছি তার মধ্যে খিচুড়ি, বাঁধাকপি, বেগুন ভাজা, লুচি, আলুর দম, মিষ্টিকুমড়া, মিঠাই, লাড্ডু। খাবারের ফাঁকে ঋতুদি তাঁর সব বন্ধুর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। দারুণ সময় কেটেছে।’
৩৪ বছরের অভিনয়জীবন ঋতুপর্ণার। অন্যদিকে ১৩ বছর ধরে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সঙ্গে যুক্ত নিরব। এবারই প্রথম তাঁরা দুজন চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন।

‘স্পর্শ’ নামের ছবিটির ঢাকার অনন্য মামুন ও কলকাতার অভিনন্দন দত্ত। এই ছবিতে অভিনয়ের সূত্র ধরে ঋতুপর্ণা সঙ্গে পরিচয় ও সখ্য তৈরি হয় নিরবের। সেই সুবাদেই ঋতুপর্ণা কলকাতার বাড়ির অতিথি হলেন নিরব।

আপ্যায়নের ফাঁকে একটি ভিডিও বার্তাও দেন ঋতুপর্ণা। সেখানে নিরবকে বাংলাদেশের সুপারস্টার হিসেবে অভিহিত করেন ঋতুপর্ণা। তাঁর মন্তব্য ছিল এ রকম—‘ভারত আর বাংলাদেশের বিভাজনটা আমি একদম মানি না। আমার মনে হয়, আমরা সবাই এক। সে জন্য স্পর্শটা এখানে অনেক গভীর। যে সিনেমাটি আমরা করতে চলেছি বা করছি, সেটা একটা গভীর সম্পর্কের গল্প। নিরব তো সুপারস্টার বাংলাদেশের, আর এই দেশটার সঙ্গে আমারও ভীষণ ভালো একটা সম্পর্ক। তাই যখনই বাংলাদেশের ছবির কথা হয়, আমি কখনোই না বলতে পারি না।’

নতুন ছবিটি নিয়ে ঋতুপর্ণার ভাবনা, ‘“স্পর্শ” কথাটার মধ্যে একটা দারুণ অর্থ লুকিয়ে আছে; সেটা যে ভাষাতেই হোক—স্পর্শ (হিন্দি) বা স্পর্শ, আমার মনে হয় সবার ভেতরে একটা স্পর্শের অনুভূতি হয়। এবারের অনুভূতিটা তো আরও বড়। কারণ, ভারত ও বাংলাদেশের যৌথ প্রযোজনায় আমরা একটা ছবি করছি।”

নায়িকার প্রশংসায় উচ্ছ্বসিত নিরব। তিনি বললেন, ‘কলকাতার সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রী, অনেক সুপারহিট ছবি যার ঝুলিতে রয়েছে, তাঁর সঙ্গে কাজ করছি; খুবই ভালো লাগছে। কলকাতার যারা দর্শক আছেন, তাঁদের কাছে আমার অনুরোধ থাকবে ছবিটা দেখার জন্য।’

Source: প্রথম আলো

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Magazine
Magazine
3 år

খোলামেলা পোশাকে আপত্তি আছে এই অভিনেত্রীর
***********************************************************************
বাবার শাসনে আর মায়ের আদরে বড় হয়েছেন তানিশা সন্তোষী। বলিউডে নবাগত এই অভিনেত্রী তানিশার বাবা হিন্দি সিনেমার পরিচালক রাজকুমার সন্তোষী। মা–বাবা কেউই চাননি তানিশা অভিনেত্রী হোক, চেয়েছিলেন মেয়ে পরিচালনায় আসুক। তাই লন্ডন ইউনিভার্সিটি অব আর্টস থেকে চিত্রনাট্য লেখা ও পরিচালনার কোর্স করেছিলেন। কিন্তু তা হলে কী হবে, তানিশা যে কৈশোর থেকেই অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্নে মশগুল। অবশেষে বাবার ছবির মাধ্যমেই তাঁর অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হলো।

রাজকুমার সন্তোষী পরিচালিত ‘গান্ধী গডসে: এক যুদ্ধ’ ছবির মাধ্যমে বিটাউনে অভিষেক হলো তানিশার। নিজের অভিষেক ছবির প্রসঙ্গে এই নায়িকা বলেন, ‘সাহস সঞ্চয় করে বাবাকে বলে ফেলি, অভিনেত্রী হতে চাই। তবে পরিচালনাও নিশ্চয় করব। কিন্তু এ ছবির ক্ষেত্রে বাবা না বলতে পারেননি। ছোটবেলা থেকে মঞ্চে অভিনয় করে আসছি। তাই অভিনয়েও আমি অত্যন্ত স্বচ্ছন্দ।’

সাধারণত রোমান্টিক ছবির মাধ্যমেই বলিউডের তারকাকন্যাদের ছবির দুনিয়ায় পা রাখতে দেখা যায়। কিন্তু এ ক্ষেত্রে উল্টো পথে হেঁটেছিলেন তানিশা। ছবিটি শৈল্পিক ঘরানার। প্রথার বাইরে গিয়ে অভিষেক প্রসঙ্গে এই নবাগত নায়িকা বলেন, ‘ছবিতে আমি “সুষমা”র চরিত্রে অভিনয় করেছি। চরিত্রটি ছবির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সুষমার কারণে গান্ধীজির মধ্যে এক বদল এসেছিল। তবে চরিত্রের চেয়ে ছবির একটা দৃশ্য আমাকে দারুণভাবে প্রভাবিত করেছিল। এই দৃশ্যের কারণেই আমি ছবিটি করতে চেয়েছিলাম। এই রকম দৃশ্যে খুব কম অভিনয়শিল্পী অভিনয়ের সুযোগ পান। তাই চিরাচরিত রোমান্টিক চরিত্রের মাধ্যমে আমার বলিউডে অভিষেক হয়নি।’

ক্যামেরার পেছনের মতো ক্যামেরার সামনেও সমান স্বচ্ছন্দ তানিশা। শুটিংয়ের প্রথম দিন ক্যামেরার সামনে দাঁড়ানোর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমি খুবই লাজুক প্রকৃতির। কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালে সব লজ্জা, সব ভয় কেটে যায়। শুটিংয়ের আগের দিন রাতে উৎকণ্ঠায় আমার ঘুম আসছিল না। বেশ ভয় করছিল। কিন্তু ক্যামেরার সামনে দাঁড়াতেই সব ভয় গায়েব হয়ে গিয়েছিল। তখন নিজেকে সবচেয়ে সুখী মানুষ মনে হচ্ছিল।’ এখন মনপ্রাণ দিয়ে অভিনয় করতে চান তানিশা। তবে এ ব্যাপারে কিছু ছুঁতমার্গ আছে তাঁর। তানিশা সাফ জানান, ‘আমি পর্দায় কখনো সাহসী হতে পারব না। খোলামেলা পোশাকে আপত্তি আছে। চুম্বনদৃশ্য আমি করব না।’

বাবার হাত ধরে ছবির সেটে সেটে ঘুরে বেড়াতে ভালোবাসতেন তানিশা। বিভিন্ন ছবির সেট থেকেই অনেক কিছু শিখেছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘প্রথম মায়ের কোলে করে “পুকার” ছবির সেটে গিয়েছিলাম। কাশ্মীরে ছবিটির শুটিং হয়েছিল। সেটে থাকাকালে অনেক বড় তারকাদের অভিনয় সামনে থেকে দেখেছি। তাঁদের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। “লজ্জা” ছবির শুটিংয়ের সময় আমি খুবই ছোট। কিন্তু মাধুরীজি ও রেখাজির অভিনয় দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছিলাম। একইভাবে “আজব প্রেম কি গজব কাহানি”র শুটিংয়ের সময় রণবীর কাপুর ও ক্যাটরিনা কাইফের থেকে অনেক কিছু শিখেছি। রণবীর পরিচালকের কাছে নিজেকে পুরোপুরি আত্মসমর্পণ করে দেন।’

Source: প্রথম আলো

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Dristy Akter
Dristy Akter  ændrede hendes profilbillede
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tasnia Farin Fan Club
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanjin Tisha Fan Club
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Tanha Tasnia Fan Club
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Safa Kabir Fan Club
3 år

Frutika Presents
"GOLDEN GOAL"
Concept : Ashfaqur Rahman Robin
Written by : Delowar Hossain Dil
Screenplay & Directed By : Topu Khan

Starring: Farhan Ahmed Jovan Safa Kabir Mili Basher Fakhrul Basher Masum Rocky khan , Jarin Khan Ratna Faruque Ahmed Siam Nasir Simantoo Ahmed Soron K Saha Azizur Rahman Azad Sumon Patowary MD Anisur Rahman & More...

Producer: Nasirul Hasan Shojib
Executive Producer: Harichh Mohammad
Label Producer : Tanvir Mahmood Apu
Label : Sultan Entertainment

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Shobnom Bubly Fan Club
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Sirazum Munir Toaha
Sirazum Munir Toaha      Friends (বন্ধু)
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Opekkha : অপেক্ষা
Opekkha : অপেক্ষা  
3 år

image
Synes godt om
Kommentar
Del
Showing 14614 out of 21783
  • 14610
  • 14611
  • 14612
  • 14613
  • 14614
  • 14615
  • 14616
  • 14617
  • 14618
  • 14619
  • 14620
  • 14621
  • 14622
  • 14623
  • 14624
  • 14625
  • 14626
  • 14627
  • 14628
  • 14629

Rediger tilbud

Tilføj niveau








Vælg et billede
Slet dit niveau
Er du sikker på, at du vil slette dette niveau?

Anmeldelser

For at sælge dit indhold og dine indlæg, start med at oprette et par pakker. Indtægtsgenerering

Betal med tegnebog

Betalingsadvarsel

Du er ved at købe varerne, vil du fortsætte?

Anmod om tilbagebetaling