আপনার আইফোন ও আইপ্যাড নিরাপদ তো
***********************************************************************
অ্যাপলের আইওএস ও আইপ্যাড ওএসে ভয়ংকর নিরাপত্তাত্রুটি পাওয়া গেছে। এ ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা আইফোন ও আইপ্যাডের পুরো নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার পাশাপাশি ফিশিংয়ের মতো সাইবার হামলা চালাতে পারে। এ নিরাপত্তাত্রুটির কারণে আইওএস ১৬.২ ও আইপ্যাড ১৬.২ ওএসের আগের সব সংস্করণে চলা আইফোন ও আইপ্যাড যেকোনো সময় সাইবার হামলার কবলে পড়তে পারে। আইওএস ও আইপ্যাড ওএসে থাকা এ নিরাপত্তা ত্রুটির সন্ধান পেয়েছে ভারতের কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম (সার্ট)।
কম্পিউটার ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিমের তথ্যমতে, আইওএস ও আইপ্যাড ওএসে থাকা নিরাপত্তাত্রুটি কাজে লাগিয়ে হ্যাকাররা চাইলেই ব্যবহারকারীদের যন্ত্রে নতুন কোড যুক্ত করে সাইবার হামলা চালাতে পারে। তাই সতর্ক হতে হবে ব্যবহারকারীদের। সমস্যা সমাধানে সম্প্রতি উন্মুক্ত হওয়া আইওএস ১৬.২ ও আইপ্যাড ১৬.২ ওএস সংস্করণ ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে তারা।
আইওএস ১৬.২ ও আইপ্যাড ১৬.২ ওএস সংস্করণ পুরোনো বেশ কিছু মডেলের আইফোন ও আইপ্যাডে ব্যবহার করা যায় না। ফলে সাইবার হামলার কবলে পড়তে পারেন লাখ লাখ আইফোন ও আইপ্যাড ব্যবহারকারীরা।
নিরাপত্তাহীন যন্ত্রের তালিকায় রয়েছে আইফোন ৮, আইফোন ৭, আইফোন ৬ এস, আইফোন এসই, আইপ্যাড প্রো, আইপ্যাড এয়ার থ্রি, আইপ্যাড মিনি, আইপ্যাড প্রো, আইপ্যাড এয়ার ২, আইপ্যাড মিনি ৪ ইত্যাদি।
Source: প্রথম আলো
মেসির স্বর্ণখচিত আইফোনের দাম জানেন কি
***********************************************************************
বিশ্বকাপজয়ী আর্জেন্টিনা ফুটবল দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি মাঠে দুর্দান্ত খেলার পাশাপাশি ব্যক্তিগত জীবনেও বেশ শৌখিন। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজের পাশাপাশি বিলাসবহুল বাড়ি—কী নেই তাঁর। আর তাই মেসির সংগ্রহে রয়েছে ২৪ ক্যারেটের সোনায় মোড়ানো আইফোন এক্সএস ম্যাক্স।
মেসির আইফোনের পেছনে মেসির নামসহ জার্সি নম্বর ‘১০’ এবং স্ত্রীসহ সন্তানদের নাম খোদাই করা রয়েছে। শুধু তা–ই নয়, আর্জেন্টিনার জাতীয় ফুটবল দল এবং এফসি বার্সেলোনা দলের লোগোও রয়েছে আইফোনটিতে।
মেসির জন্য সোনায় মোড়ানো আইফোনটি তৈরি করেছে যুক্তরাজ্যের আইডিজাইন গোল্ড। ২০১৯ সালে তৈরির সময় আইফোনটির দাম ছিল ২১ হাজার মার্কিন ডলার।
Source: প্রথম আলো
এনক্রিপশন কীভাবে তথ্য নিরাপদ রাখে
***********************************************************************
অনলাইনে আদান-প্রদান করা তথ্যের নিরাপত্তায় গোপনীয়তা সুরক্ষার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তায় নিজেদের মেসেজিং অ্যাপ ও ই-মেইল সেবায় এনক্রিপশন পদ্ধতি ব্যবহার করে বিভিন্ন প্রযুক্তিপ্রতিষ্ঠান। প্রতিষ্ঠানগুলোর দাবি, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতিতে বার্তা বা তথ্য পাঠালে প্রেরক ও প্রাপক ছাড়া অন্য কেউ জানতে পারেন না। ফলে তথ্য নিরাপদ থাকে।
এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন কী
এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন মূলত অনলাইনে নিরাপদে যোগাযোগের পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে প্রেরকের কাছ থেকেই বার্তাতে বিশেষ সংকেত (কোড) যুক্ত করে প্রাপকের কাছে পাঠানো হয়। প্রাপকের কাছে পৌঁছানোর পর কোডযুক্ত বার্তাকে আবার সাধারণ বার্তায় পরিণত করে। এতে নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কেউ বার্তায় থাকা তথ্য জানতে পারেন না। এমনকি তথ্য বিনিময় করা অ্যাপ বা যোগাযোগমাধ্যমগুলোর পক্ষেও কোনো তথ্য জানা সম্ভব হয় না।
যেভাবে কাজ করে
এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন পদ্ধতিতে প্রেরক ও প্রাপকের কাছে দুটি নম্বর থাকে, যাদের ‘কি’ বলা হয়। একটি কি পাবলিক এবং অন্যটি প্রাইভেট নামে পরিচিত। পাবলিক কি পাঠানোর আগেই বার্তাতে বিশেষ সংকেত যুক্ত করে। আর এই বিশেষ সংকেত থেকে বার্তাকে পুনরায় পাঠের উপযোগী করে ব্যক্তিগত কি। এ জন্য সময়ও লাগে খুব কম। ফলে অনেকে বুঝতেই পারেন না, বার্তায় সংকেত যুক্ত করে বিনিময় করা হয়েছে; অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন সুবিধায় বার্তা পাঠালে প্রাপক পড়ার আগেই বার্তাটিতে স্বয়ংক্রিয়ভাবে পাবলিক এবং প্রাইভেট কি যুক্ত হয়ে যায়। বার্তার উত্তর পাঠালে একই পদ্ধতিতে সেই ব্যক্তির কাছে বার্তা ফিরে আসে। ফলে নিরাপদে একে অপরের সঙ্গে বার্তা বিনিময় করা যায়।
এনক্রিপশন পদ্ধতিতে বার্তা বিনিময়ের সময় মূলত দুটি মৌলিক সংখ্যা ব্যবহৃত হয়। এই দুটি সংখ্যা জানা থাকলেই কেবল সংকেতযুক্ত বার্তার পাঠ উদ্ধার করা সম্ভব। স্বয়ংক্রিয়ভাবে এ সংখ্যা পরিবর্তিত হওয়ায় সাইবার অপরাধী বা তৃতীয় কোনো পক্ষ সহজে এনক্রিপশন পদ্ধতির নিরাপত্তাব্যবস্থা ভাঙতে পারে না। ফলে নিরাপদে বার্তা বিনিময় করা যায়।
Source: প্রথম আলো
হোয়াটসঅ্যাপে মুছে ফেলা বার্তা ফিরে পাওয়া যাবে
***********************************************************************
এত দিন পাঠানো বার্তা নির্দিষ্ট সময় পর মুছে ফেলার সুযোগ দিলেও এবার মুছে ফেলা বার্তা উদ্ধারের সুযোগ চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। ‘অ্যাকসিডেন্টাল ডিলিট’ নামের এ সুবিধা চালুর ফলে কাজের চাপে বা মনের ভুলে মুছে ফেলা বার্তাগুলো সহজেই উদ্ধার করা যাবে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটিতে। পর্যায়ক্রমে সব আইওএস, অ্যান্ড্রয়েড ও ডেস্কটপ সংস্করণ ব্যবহারকারীরা এ সুযোগ পাবেন।
অ্যাকসিডেন্টাল ডিলিট নামের এ সুবিধায় ‘আনডু’ নামের একটি বাটন রয়েছে। বাটনটিতে চাপলেই মুছে ফেলা বার্তা আবার দেখা যাবে। এ জন্য বার্তা মুছে ফেলার ৫ সেকেন্ডের মধ্যেই বাটনটি চাপতে হবে। ফলে চাইলেই মুছে ফেলা পুরোনো বার্তাগুলো উদ্ধার করা যাবে না।
দীর্ঘদিন থেকেই পাঠানো বার্তা উদ্ধারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীরা। তাঁদের মতে, মুছে ফেলা বার্তায় অনেক সময়ই প্রয়োজনীয় তথ্য থাকে। ফলে সেগুলো পরে প্রয়োজন হয়। ব্যবহারকারীদের আগ্রহ বিবেচনা করেই মূলত মুছে ফেলা বার্তা উদ্ধারের সুবিধা চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ।
Source: প্রথম আলো
ইলন মাস্কের বদলে কে হতে পারেন টুইটারের প্রধান নির্বাহী
***********************************************************************
টুইটারের নতুন মালিক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্কের হঠকারী সিদ্ধান্তের কারণে কর্মীদের পাশাপাশি জনপ্রিয় তারকাসহ বিভিন্ন শ্রেণি–পেশার মানুষ টুইটার ছাড়ছেন। টুইটারে প্রায় অর্ধেক কর্মী বিনা নোটিশে ছাঁটাই করায় ইলন মাস্কের হাতে খুদে ব্লগ লেখার সাইটটি নিরাপদ নয় বলেও মনে করেন অনেকে। আর তাই ব্যবহারকারীদের মতামত জানতে সম্প্রতি জনমত জরিপ করেছেন ইলন মাস্ক। জরিপে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট অনুসারীদের (ফলোয়ার) কাছে তিনি জানতে চান, ‘আমার কি টুইটারপ্রধান হিসেবে পদত্যাগ করা উচিত? এ জরিপে যে ফলাফল আসবে, তা–ই আমি মেনে নেব।’ জরিপে অংশ নেওয়া ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ব্যক্তিই ইলন মাস্ককে টুইটারের সিইও পদে চান না বলে রায় দেন।
টুইটারে ইলন মাস্কের অনুসারীর সংখ্যা প্রায় ১২ কোটি ২০ লাখ। এর মধ্যে ১ কোটি ৭৫ লাখ অনুসারী জরিপে অংশ নেন। ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ ভোট বিপক্ষে পড়ায় প্রায় এক কোটি অনুসরণকারীই চান না মাস্ক টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা পদে দায়িত্ব পালন করুক। জনমত জরিপের ফলাফল মেনে নেওয়ার আগাম ঘোষণা দেওয়ায় প্রযুক্তি বিশ্বে টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কে হবেন, তা নিয়ে চলছে জল্পনাকল্পনা। মার্কিন গণমাধ্যম সিএনএন এক প্রতিবেদনে টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী পদে সম্ভাব্য ব্যক্তিদের এক তালিকা প্রকাশ করেছে।
সিএনএনের তালিকায় প্রথমেই রয়েছে মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারী জেসন ক্যালাকানিসের নাম। গত এপ্রিলে মাস্ক টুইটার কেনার প্রস্তাব দেওয়ার পরপরই নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘টুইটারের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আমার স্বপ্নের কাজ।’ তবে গত রোববার নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে তিনি লিখেছেন, ‘টুইটার চালানোর মতো পাগল কে?’
তালিকায় থাকা দ্বিতীয় ব্যক্তি হচ্ছেন ডেভিড অলিভার স্যাক্স। আফ্রিকান বংশোদ্ভূত স্যাক্স মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা, লেখক ও বিনিয়োগকারী। পেপ্যালের প্রতিষ্ঠানকালীন প্রধান পরিচালনা কমর্কতাও ছিলেন তিনি।
স্যাক্সের পর টুইটারের সম্ভাব্য প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে নাম আসা ভারতীয় বংশোদ্ভূত শ্রীরাম কৃশ্নানও একজন মার্কিন প্রযুক্তি উদ্যোক্তা। স্ন্যাপচ্যাট ও ফেসবুকের মুঠোফোন পণ্য বিভাগের নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে তাঁর।
টুইটারের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জামাতা ও তাঁর সরকারের জ্যেষ্ঠ উপদেষ্টা জ্যারেড কুশনারও দায়িত্ব নিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। অনেক টুইটার ব্যবহারকারীর মতে, টুইটারের অন্যতম বিনিয়োগকারী সৌদি আরবের সঙ্গে বেশ ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে জ্যারেড কুশনারের। আর ট্রাম্পও ইলন মাস্কের বেশ পছন্দের ব্যক্তি। ফলে শেষমেশ জ্যারেড কুশনারের হাতেই টুইটার পরিচালনার দায়িত্ব দিতে পারেন ইলন মাস্ক।
Source: প্রথম আলো
গভীর সমুদ্রে বুবলীর শীতের অনুভূতি
***********************************************************************
শীতের ফ্যাশন হিসেবে বেবি পিংক রঙের সোয়েটারের সঙ্গে মিলিয়ে হ্যাট; সঙ্গে জিনস প্যান্টে নিজেকে সাজিয়েছেন বুবলী।
ছবিগুলো ফেসবুকে পোস্ট করে বুবলী লিখেছেন, ‘শীত শুধু একটি মৌসুম নয়, অনুভূতিও।’
শুটিং শেষে কক্সবাজার ফেরার পথে সমুদ্রে পাঁচ ঘণ্টা আটকে থাকতে হয়েছে তাঁদের। বুবলীর সঙ্গে সিনেমার পরিচালক চয়নিকা চৌধুরী ও অভিনেতা মাহফুজ আহমেদও ছিলেন।
সেন্ট মার্টিনে দৃশ্যধারণের আগে সিনেমার ‘মেঘের নৌকা’ গানের কিছু দৃশ্য সিলেটে ধারণ করা হয়েছে।
Source: প্রথম আলো
‘চেষ্টা করব সব সময়ই যেন এই তালিকায় নাম থাকে’
***********************************************************************
এবার ‘অভিনেতা ও অভিনেত্রী’ শাখায় সেরা করদাতার একজন আপনি? প্রথমবার নিজের নাম দেখে কেমন লাগছে?
এ তালিকায় আমার নাম দেখেই আমি চমকে উঠেছি। খুব খুশি লাগছে। এটা অন্য রকম প্রাপ্তি।
এ প্রাপ্তি নিয়ে কিছু বলবেন?
আমি অভিনয় করি, সেই কাজগুলো দর্শক দেখেন। তাঁরা ফিডব্যাক দেন। সেই জায়গা থেকে এবার নিজের দেশকে কিছু দিতে পেরেছি, এটা আমার জন্য অনেক সম্মানের, গৌরবের। এখন নিজেকে বলতে পারব, দেশের জন্যও কিছু দিতে পেরেছি। এসব সম্ভব হয়েছে দর্শকদের ভালোবাসায়। তাঁরা আমাকে দেখতে চান বলেই নিয়মিত কাজ করে যাচ্ছি।
অভিনয় বা মডেলিংয়ের বাইরে আপনি আর কিছু করেন?
এটাই আমার ভালো লাগার অন্য কারণ। আমি শুধু অভিনয় করেই এত দূর এসেছি। তা ছাড়া অন্য কোনো ব্যবসা বা কোনো আর্থিক খাত থেকে আয় করি না। শিল্পী হিসেবে আয় দিয়েই গুণী মানুষদের সঙ্গে জায়গা করে নিতে পেরেছি। নিজেকে সম্মানিত বোধ করছি।
আগে কখনো এ বিষয়ে আগ্রহী ছিলেন? কারা হচ্ছেন তারকাদের মধ্যে সেরা করদাতা, এসব বিষয়ে?
প্রতিবারই দেখতাম সরকারের কাছ থেকে এ সম্মান কারা পাচ্ছেন। এর মধ্য দিয়ে আমাদের সহকর্মীদের কর্মক্ষেত্রে এগিয়ে যাওয়া দেখতাম। সঠিকভাবেই তাঁরা সরকারকে ট্যাক্স দিচ্ছেন। সচেতন নাগরিক হিসেবে তারা দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। তখন আমারও তাদের মতো হওয়ার ইচ্ছা ছিল। এবার করদাতার তালিকায় নিজের নাম দেখে খুশি। চেষ্টা থাকবে সব সময়ই যেন এ তালিকায় নাম থাকে।
শিল্পী হিসেবে কোনো দায়বদ্ধতা...
সব সময়ই করতাম। শিল্পী হিসেবে দর্শকদের জন্য কিছু করতে পারছি। তারা আমাকে মেহজাবীন হিসেবে চেনে। কিন্তু দেশের জন্য শিল্পী হিসেবে কি দিতে পারছি। এবার ভাবব, দেশের জন্য কিছু করেছি। ধারাবাহিকভাবেই আমি কর দিই। এই ধারাটা সামনে অব্যাহত থাকবে। নিজ জায়গা থেকে নাগরিক দায়িত্ব পালন করে যাব।
কাজে দীর্ঘ একটা সময়ের বিরতি দিয়েছেন। ফেসবুক গ্রুপগুলোতে আপনার ভক্তরা প্রায়ই লেখেন, কেন এতটা সময়ের বিরতি, কেন কাজ কম করছেন?
আমার ভক্তরাই চেয়েছে আমি যেন কাজ কম করি। অনেক সময় এটাও শুনেছি একটু বাছবিচার করে কাজ করার কথা। নিজেও একটু বাছবিচার করে কাজ করতে চেয়েছি। এ কারণে সময় নিচ্ছি।
ঈদনাটকের শুটিংগুলো কিছুটা আগেই শুরু করেন, আগামী ঈদের জন্য পরিকল্পনা কী?
এখনো তেমন কোনো পরিকল্পনা শুরু করিনি। নতুন বছরের শুরুর দিকে পরিকল্পনা করব।
বর্তমান ব্যস্ততা কী নিয়ে?
প্রতিষ্ঠানের বেশ কিছু বিজ্ঞাপনের শুটিং করব। এই প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর আমি। এ ছাড়া অনেক চিত্রনাট্য জমেছে, সেগুলো পড়ছি। এর মধ্য থেকে বেছে কাজ শুরু করব।
Source: প্রথম আলো
মনস্তাত্ত্বিক ও ভালোবাসার গল্প ‘ক্যাফে ডিজায়ার’
***********************************************************************
বছর শেষে নতুন চমক নিয়ে আসছে চরকি। আজ রাত আটটায় চরকি অরিজিনাল ফিল্ম ‘ক্যাফে ডিজায়ার’ মুক্তি পাবে। এটি নির্মাণ করেছেন গত বছরের আলোচিত ‘ঊনলৌকিক’ সিরিজের পরিচালক রবিউল আলম রবি। শিবব্রত বর্মনের মনস্তাত্ত্বিক সম্পর্কের গল্প ‘ক্যাফে ডিজায়ার’ তারকাভরপুর। পরিচালক ও লেখক মিলে এর চিত্রনাট্য লিখেছেন।
‘দুধকলা দিয়ে বুকে কালসাপ পুষি, রোজ রাতে তোমার বিষে নীল হয়ে খুশি...’। চরকির ফেসবুক পেজে একটি গানের এই কথা এবং এর সঙ্গে স্থিরচিত্রগুলো দেখে ধারণা করা যায়, ব্যতিক্রম কিছু হতে চলেছে সিনেমাটি। এই শহরের নানা রকম মানুষের কামনা-বাসনার মনস্তাত্ত্বিক গল্প এটি। যেখানে পুরো শহর অন্ধকার করে প্রতি রাতে অভিসারে বের হয় বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তা। এক উঠতি ব্যবসায়ী নিজের বিবেকের বিরুদ্ধে গিয়ে ক্লায়েন্টের মন রক্ষা করে। এক ট্রাভেল এজেন্ট কৌশলে দেরি করিয়ে দেয় তারই গ্রাহকের ভিসা। এলাকার সবচেয়ে সুন্দর ছেলের মন পেতে গোপনে দৌড় শেখে এক তরুণী।
বাথটাব সারাই করতে এক কলের মিস্ত্রি ঢুকে পড়ে তারই প্রিয় নায়িকার বাসায়। এসব মানুষ সবাই যুক্ত বাসনার অভিন্ন সুতায়—এমনটাই বলতে চেয়েছেন গল্পকার।
এই ওয়েব ফিল্মে অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, ইন্তেখাব দিনার, সোহেল মণ্ডল, তমা মির্জা, খাইরুল বাসার, শ্যামল মাওলা, সানজিদা প্রীতি, সারিকা সাবরিন, আইশা খান, ফারহানা হামিদ, প্রিয়ন্তী উর্বী, প্রিয়াম অর্চি, বায়েজিদ হক জোয়ারদারস প্রমুখ।
চরকির একাধিক কনটেন্টের সফল অভিনেত্রী তমা মির্জা এবারের ওয়েব ফিল্ম নিয়ে আশাবাদী। তিনি বলেন, ‘এখন আমাদের এখানে বিভিন্ন রকম গল্পের সিনেমা, সিরিজ, কনটেন্ট হচ্ছে। দর্শকদের দেখার ধরন, চাহিদাও পরিবর্তন হয়েছে।’ সহশিল্পীদের নিয়েও উচ্ছ্বসিত তমা মির্জা। বললেন, ‘এই গল্পে সোহেল মণ্ডলের সঙ্গে কাজ করে বেশ মজা পেয়েছি। সহশিল্পী যদি খুব ভালো অভিনেতা হন, তাহলে কাজটা খুব সহজ হয়ে যায়।’ ‘ঊনলৌকিক’–এ সোহেল মণ্ডলের অভিনয় প্রসংশিত হয়েছে। ক্যাফে ডিজায়ার-এ অন্যতম একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন এ তরুণ অভিনেতা। এবারের অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ঊনলৌকিক-এর পর আবার রবি ভাইয়ের পরিচালনায় কাজ করাটাও খুব আনন্দের ছিল আমার জন্য। সেই সঙ্গে শিবু দাদার মজার গল্প থাকলে আর কী লাগে।’
আরেক তরুণ অভিনেতা খাইরুল বাসারের মতে, ‘“ক্যাফে ডিজায়ার”–এর গল্পটা চাওয়া, না পাওয়ার কানামাছি। রবি ভাই এই গল্পের মধ্য আমাদের মধ্যে খুবই সাধারণ কিন্তু আড়ালে থেকে যায় বা নীরবে ঘটে যায়—এমন সব বিচিত্র ঘটনা বলতে যাচ্ছেন। সহশিল্পী হিসেবে সারিকার সঙ্গে আমার এর আগেও বেশ কিছু কাজ হয়েছে। শুরু থেকেই তাঁকে খুবই সহযোগিতাপূর্ণ মনে হয়েছে আমার। দর্শকের ভালোবাসা আর উৎসাহেই ভালো কিছু ঘটানোর আর তাঁদের কাছে পৌঁছানোর চেষ্টা দ্বিগুণ হয়ে ওঠে। “ক্যাফে ডিজায়ার” এমনই এক চেষ্টা।’
ইন্তেখাব দিনারকে এই ছবিতে বিদ্যুৎ অফিসের এক কর্মকর্তার চরিত্রে দেখা যাবে। ইন্তেখাব দিনার জানান, পুরো দুই রাত জেগে তাঁদের কাজটা করতে হয়েছে। তিনি বলেন, ‘কষ্ট হলেও কাজটা উপভোগ্য ছিল। গল্পটা মূলত মানুষের ছয় রিপুর গল্প। আশা করছি, ভিন্নধর্মী এই সিনেমা দর্শকের জন্যও উপভোগ্য হবে।’
চরকির পর্দায় প্রথমবারের মতো দেখা যাবে অভিনেত্রী সারিকা সাবরিনকে। তিনি কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে বলেন, ‘এই গল্পে আমার চরিত্রটাও বেশ মজার। সব মিলিয়ে খুব ভালোবাসা দিয়ে কাজটা করেছি। আশা করি, দর্শকেরাও সেই ভালোবাসা আমাদের “ক্যাফে ডিজায়ার”-এর মাধ্যমে ফেরত দেবেন।’ এই সিনেমায় আছেন শ্যামল মাওলাও। তিনি বলেন, ‘ক্যাফে ডিজায়ার-এর গল্পটা উপলব্ধি করতে হবে। এটা না দেখা পর্যন্ত দর্শককে বলে বোঝানোও যাবে না।’
‘ঘটনাচক্রে পেশাগত গন্তব্যের যাত্রাপথে কিছু সময়ের জন্য সহযাত্রী হয় দুজন। ক্ষণিকের এই যাত্রায় দুই অপরিচিত মানুষের ভেতরের কথোপকথন, তাদের জীবন সম্পর্কে দৃষ্টিভঙ্গি, চাওয়া-পাওয়া, প্রাপ্তি-অপ্রাপ্তির ফারাক, আকাঙ্ক্ষা ও চাহিদা পূরণের যুদ্ধ, ভালোবাসা, বাসনা বা কামনা সম্পর্কে বিপরীতমুখী ভাবনা—এই সবকিছুর এক বিচিত্র মেলবন্ধন ঘটে। দর্শকদের উদ্দেশে বলতে চাই, এভাবেই আমাদের চলার পথে সঙ্গে থাকবেন, আরও ভালো কাজের অনুপ্রেরণা জোগাবেন,’ বলেন সানজিদা প্রীতি।
সিরিজের পর এবার সিনেমা নিয়ে ফেরার প্রস্তুতি নিয়ে পরিচালক রবিউল আলম রবি বলেন, ‘ঊনলৌকিক–পরবর্তী কাজে গল্প বলার ধরন ও বিষয়ে পরিবর্তন আনতে চাইছিলাম আমরা। স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্মে বহুল প্রচলিত সাসপেন্স-থ্রিলার, মার্ডার মিস্ট্রি ইত্যাদির বাইরে আর কী করা যায়, ভাবছিলাম। দৈনন্দিন প্রাত্যহিকতা, অস্তিত্বের সংকট, নর-নারীর সম্পর্ক, মানুষের মনস্তত্ত্ব, বাস্তববাদী শৈলী ইত্যাদি বিষয় নিয়ে আমরা আলোচনা করি। সেই প্রেক্ষাপটে শিবুদা (শিবব্রত বর্মন) কিছু চরিত্রের খসড়া তৈরি করেন, যেখানে সব কটি চরিত্র ও তাদের কেন্দ্র করে তৈরি করা প্লটগুলো মূলত প্রেম, কামনা ও বাসনার অভিন্ন সুতায় গাঁথা।’
দর্শকদের উদ্দেশে পরিচালক বলেন, ‘যাঁরা চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন, আর যাঁরা সেটা দেখেন—দুই পক্ষ ভিন্ন জগতের বাসিন্দা। চলচ্চিত্রটা তাঁদের মধ্যে এক যোগাযোগের মাধ্যম। ফলে প্রতিবার কিছু বানানোর পর আমি উদ্বেগে থাকি, দর্শকেরা এটা কীভাবে নেবেন, কতটা যোগাযোগ তৈরি করা সম্ভব হবে। এবার দ্বিগুণ উদ্বেগে আছি। কেননা এ ছবিতে আমরা গল্প বলা নিয়ে কিছু নিরীক্ষা করেছি।’
Source: প্রথম আলো
ফুটবলারের সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন কোরিয়ান নায়িকার
***********************************************************************
বছরটা দারুণ কাটছে কোরিয়ান অভিনেত্রী কিম গো-ইউনের। বছরের শেষ ভাগে এসে দক্ষিণ কোরিয়া জাতীয় দলের অধিনায়ক সোন হিউন-মিনের সঙ্গে তাঁর প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। তবে এ অভিনত্রীর এজেন্সি বিএইচ এন্টারটেইনমেন্ট এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই গুঞ্জন সত্যি নয়।
মূলত ইনস্টাগ্রাম থেকে তাঁদের প্রেমের গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। ভক্তরা দাবি করছেন, ইনস্টাগ্রামে সোন হিউন–মিনের কথিত একটি প্রাইভেট অ্যাকাউন্ট অনুসরণ করেন কিম গো-ইউন। বিশ্বকাপের মধ্যে দক্ষিণ কোরিয়া ফুটবল দলের সমর্থনে বেশ কয়েকটি স্টোরি শেয়ার করেছেন কোরিয়ান নায়িকা কিম গো-ইউন। এ নিয়েই গুঞ্জন ডালপালা মেলতে থাকে।
বিষয়টি নিয়ে তুমুল আলোচনার মধ্যে কিম গো-ইউনের এজেন্সি জানিয়েছে, তাঁদের দুজনের কখনোই সাক্ষাৎ হয়নি। তিনি সব সময় কোরিয়া ফুটবল দলকে সমর্থন করেন। বিশেষ করে বিশ্বকাপের সময় এর মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
ইনস্টাগ্রামের যে অ্যাকাউন্টটি কিম গো-ইউনের বলে প্রচার করা হয়েছে, সেটি আসলে তাঁর নয়; সেটি আরেক অভিনেত্রী জাং হুই রোয়াংয়ের। সেই অ্যাকাউন্টের একটি স্কিনশট প্রকাশ করে এ অভিনেত্রী লিখেছেন, ‘অ্যাকাউন্টটি আমার। অনুগ্রহ করে এটি হ্যাক করার চেষ্টা করবেন না।’
গতকাল বুধবার সিনেমা হলে মুক্তি পেয়েছে কিমের সিনেমা ‘হিরো’। কোরিয়ান ড্রামায় অভিনয় করে আলোচনায় আসা এ অভিনেত্রী ২০১২ সালে প্রথম সিনেমায় নাম লেখান। ‘চিজ ইন দ্য ট্রাপ’, ‘গার্ডিয়ান: দ্য লোনলি অ্যান্ড গ্রেট গড’, ‘দ্য কিং: ইটারন্যান মোনার্ক’, ‘ইউমি’স কল’, ‘লিটল উইমেন’সহ বেশ কয়েকটি কাজের জন্য পরিচিতি পেয়েছেন তিনি।
Source: প্রথম আলো