বন্ধ হচ্ছে ইউটিউব স্টোরিজ
***********************************************************************
আগামী মাস থেকে নিজেদের স্টোরিজ সুবিধা বন্ধ করে দিচ্ছে ইউটিউব। নতুন এ সিদ্ধান্তের ফলে ২৬ জুনের পর নিজেদের চ্যানেলে স্টোরিজ ভিডিও পোস্ট করতে পারবেন না ব্যবহারকারীরা। তবে আগে আপলোড করা স্টোরিজগুলো পরবর্তী সাত দিন পর্যন্ত দেখা যাবে। ব্যবহারকারীরা চাইলে নিজেদের স্টোরিজ ভিডিওগুলো নামিয়ে সংরক্ষণ করতে পারবেন।
২০১৭ সালে রিল অপশনের আওতায় স্টোরিজ সুবিধা চালু করে ইউটিউব। ১০ হাজারের বেশি নিবন্ধিত ব্যবহারকারী রয়েছে, এমন চ্যানেল থেকে শুধু স্টোরিজ ভিডিও আপলোড করা যেত। ইনস্টাগ্রাম বা ফেসবুকের মতোই ইউটিউবেও স্টোরিজ ভিডিও আপলোডের পর নির্দিষ্ট সময় পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যায়। ফলে কনটেন্ট নির্মাতারা নিজেদের নতুন ভিডিওর তথ্য সম্পর্কে অন্যদের জানাতে এ সুবিধা ব্যবহার করতেন।
এক ব্লগ বার্তায় ইউটিউব জানিয়েছে, ২৬ জুনের পর স্টোরিজ তৈরির সুবিধা আর থাকবে না। স্টোরিজ না থাকলেও ইউটিউবে বড় ভিডিওর পাশাপাশি আকারে ছোট ভিডিও তৈরি করা যাবে। শুধু তা–ই নয়, লাইভ সুবিধাও ব্যবহার করা যাবে। এসব সুবিধাগুলোকে অগ্রাধিকার দিতেই স্টোরিজ বন্ধ করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি চালু হওয়া কমিউনিটি পোস্ট সুবিধা কাজে লাগিয়ে কনটেন্ট নির্মাতারা নিজেদের নতুন ভিডিওর তথ্য লেখার মাধ্যমে অন্যদের জানাতে পারেন।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
source : প্রথম আলো
এবার টিকটকেও যুক্ত হচ্ছে এআই চ্যাটবট
***********************************************************************
মাইক্রোসফট, গুগলের পর এবার কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চ্যাটবট নিয়ে কাজ শুরু করেছে টিকটক। এরই মধ্যে ‘ট্যাকো’ নামের একটি এআই চ্যাটবট নিজেদের প্ল্যাটফর্মে যুক্তের জন্য কাজও শুরু করেছে চীনের ভিডিওনির্ভর সামাজিক মাধ্যমটি। প্রাথমিকভাবে ফিলিপাইনের নির্দিষ্টসংখ্যক ব্যবহারকারী ওপর চ্যাটবটটির কার্যকারিতা পরখ করা হচ্ছে।
খুদে ব্লগ লেখার সাইট টুইটারে টিকটক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অন্য প্রতিষ্ঠানের তৈরি একটি চ্যাটবট টিকটকে যুক্ত করা হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির এই চ্যাটবট কাজে লাগিয়ে খুব সহজেই টিকটকে থাকা পছন্দের ভিডিও খুঁজে নিতে পারবেন ব্যবহারকারীরা। ব্যবহারকারীদের মতামত নেওয়ার পরই এ সুবিধা সবার জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
ট্যাকো চ্যাটবটটি টিকটকের ডান দিকে ব্যবহারকারীর প্রোফাইল এবং লাইক, কমেন্ট ও বুকমার্কস অপশনের ওপরে যুক্ত করা হবে। ফলে ব্যবহারকারীরা সহজেই প্রয়োজনীয় বিভিন্ন ভিডিও খুঁজে নিতে পারবেন। শুধু তা–ই নয়, চাইলে নির্দিষ্ট বিষয়ের ভিডিওগুলো দেখার সুপারিশও করবে এই চ্যাটবট।
জানা গেছে, ফিলিপাইনের যে ব্যবহারকারীরা চ্যাটবটটি ব্যবহারের সুযোগ পেয়েছেন, তাঁদের একটি বার্তা পাঠিয়েছে টিকটক। বার্তায় বলা হয়েছে, ট্যাকো প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা করা হচ্ছে। ট্যাকো ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ভালো না–ও হতে পারে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
source : প্রথম আলো
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তায় বড় উদ্বেগ ভুয়া তথ্য ও প্রতারণা
***********************************************************************
মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ওপেনএআইয়ের তৈরি চ্যাটজিপিটি গত বছরের নভেম্বরে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে বিশ্বজুড়ে এ প্রযুক্তির জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। তবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) জনপ্রিয়তার মধ্যেও এর মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ও প্রতারণার বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তাই দ্রুত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিস্তার রোধে অনেক দেশ এ ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ আনার কথা ভাবছে।
ওপেনআইয়ে বিনিয়োগ করা প্রতিষ্ঠান মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট ব্র্যাড স্মিথও সম্প্রতি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ঘিরে তাঁর উদ্বেগের কথা জানিয়েছেন। তাঁর মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বড় উদ্বেগের জায়গা হচ্ছে ‘ডিপ ফেক’ বিষয়টি। কারণ, এর মাধ্যমে বাস্তবের মতো করেই ভুয়া আধেয় বা কনটেন্ট তৈরি করা যায়। এ ধরনের কনটেন্ট শনাক্ত করা বেশ কঠিন।
বর্তমান বিশ্বে বড় দুশ্চিন্তার নাম ডিপ ফেক। এতে কম্পিউটারে কারসাজি করা ছবিতে এক ব্যক্তির সাদৃশ্য অন্যের ক্ষেত্রে প্রতিস্থাপনের জন্য ব্যবহৃত হয়। আশঙ্কার কথা, ছবি বা ভিডিওকে বিকৃত ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যে নিখুঁতভাবে তৈরি করে হুবহু আসলের মতো বলে প্রচার করা হচ্ছে। বিষয়টি প্রযুক্তির জগতে ডিপ ফেক নামে ব্যাপক পরিচিত হয়ে উঠেছে।
ওয়াশিংটনে এক সম্মেলনে ব্র্যাড স্মিথ তাঁর বক্তব্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়টিকে কীভাবে সর্বোত্তম উপায়ে নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা করেন। তাঁর পরামর্শ হচ্ছে, কোনো কনটেন্ট আসল নাকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহার করে তৈরি করা হয়েছে, তা ঠিক করে দিতে হবে। কোনো কনটেন্ট খারাপ উদ্দেশ্য নিয়ে তৈরি করা হলে তা–ও জানিয়ে দিতে হবে।
ব্র্যাড স্মিথ বলেন, ডিপ ফেক ঘিরে যেসব সমস্যা, সেগুলো আমাদের সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া বিদেশি সাইবার কার্যকলাপ যেগুলো গভীরভাবে প্রভাব ফেলে, সেসব উদ্বেগ দূর করতে ব্যবস্থা নিতে হবে। তিনি এ ক্ষেত্রে রাশিয়ান সরকার, চীন এবং ইরানের সাইবার কার্যক্রমের উদাহরণ টানেন।
মাইক্রোসফটের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এআই ব্যবহারের মাধ্যমে প্রতারণা বা প্রতারণা করার জন্য বৈধ বিষয়বস্তুর পরিবর্তন ঠেকাতে আমাদের পদক্ষেপ নিতে হবে। ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, শারীরিক নিরাপত্তা, সাইবার নিরাপত্তা এবং জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার বাধ্যবাধকতাসহ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধরনগুলোর নিবন্ধন করতে হবে।’
ব্র্যাড স্মিথ বলেন, এআইয়ের কারণে তৈরি যেকোনো সমস্যার জন্য এর পেছনে থাকা ব্যক্তিদের জবাবদিহি করতে হবে। যাঁরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রোগ্রাম তৈরি করছেন, তাঁরা যেন ব্যবহারকারীদের এর খুঁটিনাটি বিষয়গুলো জানিয়ে রাখেন। এতে ব্যবহারকারীরা ভুয়া ভিডিও বা অন্য আধেয় শনাক্ত করতে পারবেন। বৈদ্যুতিক গ্রিড, পানি সরবরাহ এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে ব্যবহৃত এআইকে মানুষের নিয়ন্ত্রণে রাখতে তিনি আইনপ্রণেতাদের যথাযথ আইন নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।
যুক্তরাষ্ট্রের ছোট–বড় অনেক প্রতিষ্ঠান এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন সফটওয়্যার তৈরির চেষ্টা করছে। বিষয়টি নিয়ন্ত্রণে ওয়াশিংটনের আইনপ্রণেতারা একটি আইন প্রণয়নের কথা ভাবছেন। গত সপ্তাহে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানকে সিনেটে শুনানির জন্য ডাকা হয়। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণের কথা বলেছেন। তিনি এ খাতে নিরাপত্তার বিষয়টি নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক সহযোগিতার কথাও বলেন।
সম্প্রতি ইউরোপে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণে আইন করার কথা ভাবা হচ্ছে। গত সপ্তাহে অল্টম্যান হুমকি দিয়ে বলেছিলেন, ইউরোপের আইনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে না পারলে তিনি প্রতিষ্ঠান গুটিয়ে ইউরোপ ছাড়বেন। অবশ্য গত শুক্রবার তিনি তাঁর সুর পাল্টেছেন। বলেছেন, ইউরোপ ছাড়ছেন না তিনি।
সূত্র: রয়টার্স ও গ্যাজেটস নাউ
source : প্রথম আলো
অনলাইনে তথ্য সংরক্ষণকারীদের জন্য পাসওয়ার্ড বাধ্যতামূলক করছে হোয়াটসঅ্যাপ
***********************************************************************
অনলাইনে আদান-প্রদান করা তথ্যের নিরাপত্তায় গোপনীয়তা সুরক্ষার বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আর তাই ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তায় নিজেদের অ্যাপে এনক্রিপশন পদ্ধতিতে তথ্য আদান-প্রদানের সুযোগ দিয়ে থাকে হোয়াটসঅ্যাপ। শুধু তা–ই নয়, এনক্রিপশন করা সব তথ্য চাইলে গুগল ড্রাইভ ও আইক্লাউডে সংরক্ষণের সুযোগও দিয়ে থাকে অ্যাপটি। এতদিন অনলাইনে সংরক্ষণ করা তথ্যগুলো ব্যবহারের জন্য পাসওয়ার্ড প্রয়োজন হলেও এবার অ্যাপে প্রবেশের সময়ই বাধ্যতামূলক পাসওয়ার্ড দিতে হবে অনলাইনে তথ্য সংরক্ষণকারীদের।
নতুন এ নিয়ম চালু হলে অনলাইনে এনক্রিপশন বার্তা সংরক্ষণ করা হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের অ্যাকাউন্টে প্রবেশের সময় পরিচয় নিশ্চিত করার পাশাপাশি পাসওয়ার্ডও লিখতে হবে। পাসওয়ার্ড ব্যবহার না করে হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশ করলে অনলাইনে সংরক্ষণ করা সব তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে মুছে যাবে। চাইলে এনক্রিপশন করা তথ্যের ব্যাকআপ সুবিধা বন্ধ রেখে বর্তমানের মতো পাসওয়ার্ড ছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করা যাবে।
তথ্য সুরক্ষার জন্য হোয়াটসঅ্যাপর এন্ড টু এন্ড এনক্রিপটেড মেসেজিং সুবিধা বেশ জনপ্রিয়। ২০২১ সালে গুগল ড্রাইভ ও আইক্লাউডে পাসওয়ার্ডের মাধ্যমে তথ্য জমা রাখার সুযোগ চালু করে হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন এ নিয়ম চালু হলে হোয়াটসঅ্যাপের এন্ড টু এন্ড এনক্রিপটেড ব্যাকআপ ব্যবহারকারীদের হোয়াটসঅ্যাপে প্রবেশের সময়ই পাসওয়ার্ড লিখতে হবে।
এরই মধ্যে বেশ কিছু ব্যবহারকারীর জন্য এ নিয়ম চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। পর্যায়ক্রমে অন্য ব্যবহারকারীদের জন্য এ নিয়ম চালু করা হবে। প্রতিদিন পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা বেশ বিরক্তিকর হলেও নতুন এ নিয়মে হোয়াটসঅ্যাপে আদান-প্রদান করা সব তথ্য নিরাপদে থাকবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সূত্র: গ্যাজেটস নাউ
source : প্রথম আলো
ভুয়া সংবাদ জানানোর প্রলোভনে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নিচ্ছে হ্যাকাররা
***********************************************************************
মৃত্যুর ভুয়া সংবাদ জানানোর প্রলোভনে ফেসবুকে সাইবার হামলা চালাচ্ছে একদল হ্যাকার। এ জন্য প্রথমে যেকোনো ব্যক্তির ফেসবুক অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে সেই ব্যক্তির বন্ধু তালিকায় থাকা সবাইকে ‘দেখ কে মারা গেছে’ শিরোনামে বার্তা পাঠায় তারা। মৃত্যুর ভুয়া সংবাদ পড়ার জন্য একটি লিংকও যুক্ত থাকে বার্তাটিতে। লিংকে ক্লিক করলেই একটি ওয়েবসাইট চালু হয়। এরপর নির্দিষ্ট সংবাদ পড়ার জন্য ব্যবহারকারীদের ফেসবুক ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন করতে অনুরোধ জানানো হয়। ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটটিতে নিজেদের ফেসবুক ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড লিখলেই সেগুলো চলে যায় হ্যাকারদের দখলে।
সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ডাটাপ্রট জানিয়েছে, ফেসবুক বন্ধুদের কাছ থেকে বার্তা আসায় অনেকেই এ প্রতারণার শিকার হচ্ছেন। ফেসবুকে কোনো ব্যক্তির কাছ থেকে এ ধরনের বার্তা এলে বুঝতে হবে, সেই ব্যক্তির অ্যাকাউন্ট হ্যাক হয়েছে। ফলে ফেসবুকে সন্দেহজনক যেকোনো লিংকে ক্লিক করা থেকে বিরত থাকতে হবে।
ভুয়া সংবাদ জানার জন্য ফেসবুক ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিলেই সেগুলো সংগ্রহ করে ফেসবুক অ্যাকাউন্টের নিয়ন্ত্রণ নেয় হ্যাকাররা। এরপর সেই ব্যক্তির বন্ধু তালিকায় থাকা অন্যদের কাছে একই বার্তা পাঠিয়ে তাদের অ্যাকাউন্টেরও নিয়ন্ত্রণ নেওয়া হয়। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই অপরিচিত ওয়েবসাইটের ঠিকানা বা সংবাদের লিংক সংক্ষিপ্ত করা থাকে। ফলে আগে থেকে ওয়েবসাইটের নাম সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায় না।
ডাটাপ্রটের তথ্যমতে, ভুয়া ওয়েবসাইটটিতে সংবাদ পড়ার জন্য ফেসবুক ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে নিবন্ধন না করলেও ব্যবহারকারীদের যন্ত্রে ম্যালওয়্যার প্রবেশ করতে পারে। ফলে দূর থেকেই কম্পিউটার বা ফোনে থাকা তথ্য সংগ্রহ করতে পারে হ্যাকাররা।
সূত্র: ইন্ডিয়া টাইমস
source : প্রথম আলো
ঢাকার চেয়ে কেন কলকাতায় বেশি কাজ করেন? জানালেন জয়া
***********************************************************************
গত কয়েক বছরে ‘বিজয়া’, ‘কণ্ঠ’, ‘রবিবার’, ‘বিনিসুতোয়’, ‘ঝরা পালক’—পশ্চিমবঙ্গের একের পর এক প্রশংসিত সিনেমায় দেখা গেছে জয়া আহসানকে। সে তুলনায় বাংলাদেশে মুক্তি পাওয়া সিনেমার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কম। কিন্তু কেন ঢাকার চেয়ে কলকাতায় বেশি কাজ করেছেন তিনি? ভারতীয় দৈনিক সংবাদ প্রতিদিনে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে এ প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি।
আগামী ২ জুন পশ্চিমবঙ্গে মুক্তি পাবে কৌশিক গাঙ্গুলির সিনেমা ‘অর্ধাঙ্গিনী’। ছবিতে অভিনয় করেছেন জয়া আহসান। ‘বিজয়া’, ‘বিসর্জন’-এর পর এবার তৃতীয়বারের মতো কৌশিক গাঙ্গুলির সঙ্গে কাজ করেছেন বাংলাদেশি অভিনেত্রী।
ছবিটির মুক্তি উপলক্ষে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নানা প্রসঙ্গে কথা বলেছেন জয়া।
গত কয়েক বছরে ঢাকার চেয়ে কলকাতায় কেন বেশি কাজ করেন—এ প্রশ্নের উত্তরে জয়া বলেন, ‘এখানে পরপর কিছু ভালো কাজ পেয়েছি। নিজের দেশেও কাজ করেছি, তবে এখানে একটু বেশি। এখন আবার ভেবেছি বাংলাদেশের কাজের ওপর ফোকাস করব। তা ছাড়া আমি নিজেকে একটা ব্রেকও দিয়েছিলাম।
নিজেকে, পরিবারকে সময় দিয়েছি। নিজের কিছু ব্যক্তিগত কাজ থাকে—সেগুলোকে প্রাধান্য দেওয়া। শুধু আলসেমি করতে ইচ্ছে করে বা একেবারে কিছু না করা—এটাও বোধ হয় একজন অভিনেতার খুব দরকার! কিছু করব না, ছবিও দেখব না, পড়বও না, আলসেমি করব, ঘুমাব, খাব—এটাও দরকার আছে।’
এ প্রশ্নের উত্তরে জয়া বলেন, ‘আমি দ্বিতীয় একটা দেশ পেয়ে গিয়েছি। ছোটবেলা থেকে এত গল্প শুনেছি, ইন্ডিয়াকে কখনো আলাদা একটা দেশ ভাবতাম না। বাবা বীর মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, তিনি বলতেন ইন্ডিয়া আমাদেরই দেশ। বাবা সব সময় দুই দেশের কথা বলতে গিয়ে “আমরা” করেই বলতেন।
কলকাতাকে আলাদা করে দেখেননি। সেটাকে নতুন করে পাওয়া কাজের মধ্য দিয়ে। বাবা বেঁচে থাকলে খুব খুশি হতেন। এখান থেকে অ্যাওয়ার্ড নিচ্ছি, এখানকার মানুষ আমাকে ভালোবেসেছে, এটা দেখতে পেলে বাবা ভীষণ খুশি হতেন। এই সময়ে দাঁড়িয়ে বাবাকে খুব মিস করি।’
source : প্রথম আলো
Install app for better experience