নির্দিষ্ট ঠিকানায় পণ্য রেখে আসতে পারে এই রোবট
***********************************************************************
কারও সাহায্য ছাড়াই নির্দিষ্ট ঠিকানায় পণ্য পৌঁছে দিতে পারে এই রোবট। শুধু তা–ই নয়, ক্রেতা কাজে ব্যস্ত থাকলে নির্দিষ্ট স্থানে পণ্য রেখেও আসতে পারে। অর্থাৎ ক্রেতারা সরাসরি পণ্য সংগ্রহ করতে না চাইলে নির্দিষ্ট ঠিকানায় নিজ থেকেই পণ্য রেখে আসতে পারে রোবটটি।
অটোবট ইয়েতি নামের রোবটটি তৈরি করেছে অটোনোমিডটআইও নামের একটি প্রতিষ্ঠান। যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিত কনজ্যুমার ইলেকট্রনিক শোতে (সিইএস) নিজেদের তৈরি রোবটের কার্যকারিতা প্রদর্শন করেছে তারা।
Source: প্রথম আলো
ডেভেলপার সম্মেলনের আগেই এআর-ভিআর হেডসেট আনবে অ্যাপল
***********************************************************************
প্রতিবছরের জুন মাসে প্রযুক্তিপ্রেমীদের নজর থাকে অ্যাপলের ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ডেভেলপারস (ডব্লিউডব্লিউডিসি) সম্মেলনে। কারণ, এই সম্মেলনে একের পর এক নতুন প্রযুক্তি বা পণ্যের ঘোষণা দেয় অ্যাপল। আর তাই অনেকেই ধারণা করছেন, ডেভেলপারস সম্মেলনেই নিজেদের তৈরি এআর-ভিআর হেডসেট বাজারে আনার ঘোষণা দিতে পারে অ্যাপল। তবে বাজার বিশ্লেষকদের ধারণা, ডেভেলপারস সম্মেলনের আগেই আলাদাভাবে হেডসেটটি উন্মুক্ত করতে পারে অ্যাপল।
দীর্ঘদিন ধরেই ভিআর (ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি) এবং এআর (অগমেন্টেড রিয়েলিটি) প্রযুক্তির সংমিশ্রণে হেডসেট তৈরি করছে অ্যাপল। এরই মধ্যে হেডসেটের কার্যকারিতা পরখও করছে প্রতিষ্ঠানটি। এর ফলে জানুয়ারি মাসে হেডসেটটি বাজারে আসার গুঞ্জন ছিল প্রযুক্তিবিশ্বে। তবে জানুয়ারি মাসে হেডসেটটি উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশ কম।
অ্যাপলের হেডসেটে একই সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি এবং অগমেন্টেড রিয়েলিটির ছবি দেখা যাবে। দুটি ফোরকে প্রযুক্তির মাইক্রো ও এলইডি ডিসপ্লে–সুবিধার হেডসেটটি ব্যবহারকারীর চোখের নড়াচড়া শনাক্ত করে ভিডিও প্রদর্শন করবে। এর ফলে হেডসেটটি ফেসবুকের ‘কুইস্ট প্রো’ হেডসেটের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
হেডসেট উন্মুক্তের সুনির্দিষ্ট দিনক্ষণ না জানালেও এতে ব্যবহার করা অপারেটিং সিস্টেমের নাম এরই মধ্যে পরিবর্তন করেছে অ্যাপল। এত দিন হেডসেটে ব্যবহার করা অপারেটিং সিস্টেমের নাম ‘রিয়েলিটি ওএস’ থাকলেও তা পরিবর্তন করে ‘এক্সআরওএস’ করেছে প্রতিষ্ঠানটি।
সূত্র: নাইনটুফাইভম্যাক
Source: প্রথম আলো
অ্যান্ড্রয়েড ফোন থেকে হোয়াটসঅ্যাপে ক্যাপশন যোগ করা যাবে
***********************************************************************
ব্যক্তিগত বা প্রতিষ্ঠানের কাজে হোয়াটসঅ্যাপে ছবি, ভিডিও বা জিআইএফ পাঠান অনেকেই। কেউ আবার অন্যদের পাঠানো ছবি, ভিডিও বা জিআইএফ নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে ফরোয়ার্ড করেন। তবে একাধিক ছবি, ভিডিও বা জিআইএফ পাঠালে প্রাপক ঠিকমতো বুঝতে পারেন না, কোনটি কোন কাজে ব্যবহার করতে হবে। এ সমস্যা সমাধানে আইফোনে ফরোয়ার্ড করা ছবি বা ভিডিওর নিচে ক্যাপশন লেখার সুযোগ আগেই চালু করেছে হোয়াটসঅ্যাপ। এবার অ্যান্ড্রয়েড ফোনেও ক্যাপশন লেখার সুযোগ চালু করেছে ইনস্ট্যান্ট মেসেজিং অ্যাপটি।
‘ফরোয়ার্ড মিডিয়া উইথ ক্যাপশন’ নামের এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ব্যবহারকারীরা চাইলেই ফরোয়ার্ড করা ছবি, ভিডিও বা জিআইএফের নিচে ক্যাপশন লিখতে পারবেন। ফলে প্রাপকও সহজে সেগুলো ব্যবহার করতে পারবে।
হোয়াটসঅ্যাপের তথ্যমতে, ক্যাপশনযুক্ত ছবি, ভিডিও বা জিআইএফ ফরোয়ার্ড করার আগে চাইলে ক্যাপশন পরিবর্তন বা মুছেও ফেলা যাবে। নতুন এ সুবিধা কাজে লাগিয়ে বিনিময় করা ছবি, ভিডিও বা জিআইএফ ফাইল পরবর্তী সময়ে দ্রুত খুঁজে পাওয়া যাবে।
সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
Source: প্রথম আলো
হিমায়িত করার নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন
***********************************************************************
হিমায়িত করার নতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছেন বিজ্ঞানীরা। নতুন এই প্রযুক্তিকে আয়নোক্যালোরিক কুলিং বলছেন তাঁরা। একে হিমায়িত করার বিদ্যমান প্রক্রিয়ার বিকল্প হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা দেখছেন বিজ্ঞানীরা। শুধু তা–ই নয়, নতুন এই প্রযুক্তি বিশ্বের জন্য আরও বেশি নিরাপদ ও সহায়ক।
সাধারণ হিমায়ন প্রক্রিয়ায় গ্যাসের মাধ্যমে তাপ পরিহার করে শীতল অবস্থার সৃষ্টি করা হয়। এই প্রক্রিয়াটি যতটা না কার্যকর, তার চেয়ে দুশ্চিন্তার হলো ব্যবহৃত গ্যাস পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত নতুন প্রযুক্তি পরিবেশবান্ধব। যুক্তরাষ্ট্রের লরেন্স বার্কলে ন্যাশনাল ল্যাবরেটরি ও ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়ার গবেষকেরা হিমায়িত করার নতুন এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন।
যখন কোনো পর্দাথ বা বস্তু এক রূপ থেকে অন্য রূপে রূপান্তরিত হয়, তখন কিছু শক্তি সঞ্চিত বা নির্গত হয়। গবেষকেরা এই শক্তি সঞ্চয় বা নির্গমন প্রক্রিয়ার সদ্ব্যবহার করেই নতুন পথের সন্ধান পান। একে আয়নোক্যালোরিক চক্র বলছেন বিজ্ঞানীরা।
ক্যালিফোর্নিয়ার লরেন্স বার্কলে ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির যন্ত্র প্রকৌশলী ড্রু লিলি বলেন, হিমায়িত করার প্রক্রিয়াটি এখনো অমীমাংসিত এক ব্যাপার। কেউই সফলভাবে কোনো বিকল্প উদ্ভাবন করতে পারেননি—যা খুবই কার্যকরভাবে দ্রব্যকে শীতল করে এবং যা নিরাপদ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর নয়। আমরা মনে করি, যদি সঠিকভাবে এ প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করা যায়, তাহলে আয়নোক্যালোরিক চক্রের সেই লক্ষ্য পূরণের সম্ভাবনা আছে।
বরফের কোনো অংশে তাপ বাড়ালে সেই অংশ গলে যায়। আবার তাপ ছাড়া কয়েকটি চার্জযুক্ত কণা বা আয়ন যোগ করলেও বরফ গলে। শীতপ্রধান দেশে যেমন রাস্তায় বরফ জমা ঠেকাতে লবণ ছড়িয়ে দেওয়া হয়। আয়নোক্যালোরিক প্রক্রিয়ায়ও পদার্থের তরল স্তরকে পরিবর্তন করতে এবং তার চারপাশকে শীতল করতে লবণ ব্যবহার করা হয়।
বিজ্ঞানীদের এ দলটি ইথিলিন কার্বনেট গলানোর জন্য আয়োডিন ও সোডিয়াম দিয়ে তৈরি লবণ ব্যবহার করে পরীক্ষা চালান। এতে আশানুরূপ ফলও পেয়েছেন। লরেন্স বার্কলে ন্যাশনাল ল্যাবরেটরির আরেক যন্ত্র প্রকৌশলী রবি প্রাশার বলেন, ‘তিনটি বিষয়ে আমরা ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করেছি। সেগুলো হলো এই প্রক্রিয়ায় হিমায়িত করায় বৈশ্বিক উষ্ণায়ন, কার্যকারিতা ও খরচ। প্রথমবারের চেষ্টায় পাওয়া তথ্য–উপাত্ত তিন দিক থেকেই খুব আশাব্যঞ্জক মনে হচ্ছে।
বিজ্ঞানীরা বলছেন, এখন প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য আরও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। তাঁদের এ গবেষণাপত্রটি সায়েন্স জার্নালেও প্রকাশিত হয়েছে।
সূত্র : সায়েন্সঅ্যালার্ট ডটকম
Source: প্রথম আলো
Install app for better experience