আমাদের দৈনন্দিন জীবনে নানা প্রয়োজনে চোখের ড্রপ ব্যবহার করতে হয়। অনেকেই জিজ্ঞেস করেন চোখের ড্রপ ব্যবহারের সঠিক পদ্ধতি কী। চিকিৎসকরা ড্রপ প্রেসক্রাইব করার সময় ব্যবহারের পদ্ধতি বুঝিয়ে বলেন থাকেন। তবে বাসায় এসে ব্যবহার করার সময় সব কথা হয়তো মনে রাখা সম্ভব হয় না। তাই কিছু সাধারণ প্রশ্নের উত্তর আমাদের জানা প্রয়োজন।
* চোখের ড্রপের মেয়াদ কতদিন?
চোখের ড্রপের মেয়াদের বিষয়টি একটু মজার। যেদিন ড্রপের ক্যাপ খোলা হবে, সেদিন থেকে এর মেয়াদ এক মাস পর্যন্ত। ড্রপের মুখ খোলার পর এক মাসের বেশি ব্যবহার না করাই ভালো। এজন্য ভালো হয় যেদিন ক্যাপ খোলা হবে সেদিনের তারিখটা বোতলের গায়ে লিখে রাখা।
* ড্রপ ব্যবহারের পূর্বে কি ঝাকিয়ে নিতে হয়?
সব ড্রপারের ক্ষেত্রে প্রয়োজন হয়না। তবে যদি ড্রপটি সাসপেনশন টাইপ হয়, তাহলে ব্যবহারের আগে ঝাঁকিয়ে নিতে হবে। কোনটা সাসপেনশন আর কোনটি নয় তা নিয়ে কনফিউশন থাকলে ঝাকিয়ে নেয়াই উত্তম।
*ড্রপ ব্যবহারের পর কতক্ষণ চোখ বন্ধ রাখতে হবে?
ড্রপ দেওয়ার পরে অন্তত ১০ সেকেন্ড চোখ বন্ধ করে রাখতে হবে।
* রোজা রেখে অথবা প্রেগনেন্সি অবস্থায় কী ড্রপ ব্যবহার করা যায়?
অবশ্যই যাবে। তবে প্রেগনেন্ট ও রোজাদার রোগীদের ক্ষেত্রে ড্রপ যাতে নাকে না চলে যায়, সে জন্য চোখে দেওয়ার পর চোখের কোনায় নাকের পাশটা চেপে ধরতে হবে।
*কত ফোঁটা করে দিতে হবে?
প্রত্যেক চোখে এক ফোঁটা করে ড্রপ দিলেই চলে; এর চেয়ে বেশি দিলে সেটা চোখ থেকে বের হয়ে মুখ বেয়ে গড়িয়ে পড়ে। কারণ চোখের ধারণক্ষমতাই এক ড্রপ। তাই একবারে কয়েক ফোঁটা দেওয়ার অর্থ আপনি অপচয় করছেন। তবে প্রথমবার দিতে গিয়ে যদি মনে হয় বেশিরভাগটাই বাইরে পরে গেলো, তাহলে পুনরায় দেয়া যায়।
*একাধিক ড্রপ কীভাবে ব্যবহার করবো?
চিকিৎসক যদি আপনাকে একাধিক ধরনের ড্রপ ব্যবহারের উপদেশ দেন, তাহলে একই সময়ে দুই ধরনের ড্রপ দেওয়া যাবে না। অন্তত এক ধরনের ড্রপ ব্যবহার করার ১৫ থেকে ২০ মিনিট পরে আরেক ধরনের ড্রপ ব্যবহার করতে হবে।
*ড্রপ ও অয়েন্টমেন্ট একসাথে ব্যবহার করা যাবে?
যদি চোখের ড্রপ ও অয়েন্টমেন্ট—দুটিই ব্যবস্থাপত্রে থাকে, তাহলে আগে ড্রপ ব্যবহার করতে হবে, এরপর অয়েন্টমেন্ট। অয়েন্টমেন্ট ব্যবহারের অন্তত দুই ঘণ্টা পর আবার ড্রপ ব্যবহার করতে হয়।
এক সকালে বলছেন জলিল সাহেব, ‘আজকে ছুটির দিন। সপ্তাহের এই দিনটা আমি একটু শান্তিতে কাটাতে চাই। তাই সিনেমা হলের তিনটা টিকিট কেটে আনলাম।’
খুশিতে গদগদ হয়ে বললেন জলিলের স্ত্রী, ‘সে তো ভালো কথা। কিন্তু টিকিট তিনটা কেন গো? তুমি-আমি আর কে যাবে?’
জলিল বললেন, ‘তুমি-আমি না। তুমি আর বাচ্চারা যাবে। আমি বাসায় থাকব।’
চল্লিশ বছর পার হয়ে গেছে রফিকের। তবুও বিয়ে করেননি তিনি। একদিন তার বন্ধু এর কারণ জিজ্ঞেস করলেন—
বন্ধু: তুমি এখনো বিয়ে করছো না কেন?
রফিক: সারা জীবন আমি একটা পারফেক্ট মেয়ের খোঁজ করছিলাম।
বন্ধু: তা একটিও পাওনি এখনো?
রফিক: পেয়েছিলাম একটি। কিন্তু সে আবার একটা পারফেক্ট ছেলের অপেক্ষায় আছে।
ঝন্টু আর মন্টু, দুই বন্ধু বসে টিভিতে সিনেমা দেখছে। সিনেমার একপর্যায়ে দেখা গেল, নায়িকাকে হারিয়ে নায়ক আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নায়ক একটা বাড়ির ছাদের কিনারায় দাঁড়িয়ে, এই লাফ দিল বলে! এমন সময় বিজ্ঞাপন বিরতি শুরু হয়ে গেল। ঝন্টু: আমার মনে হয়, নায়ক শেষ পর্যন্ত লাফ দেবে না।
মন্টু: আমার মনে হয় দেবে।
ঝন্টু: বাজি হয়ে যাক! লাফ দিলে আমি তোকে ১০০ টাকা দেব, আর লাফ না দিলে তুই আমাকে ১০০ টাকা দিবি। রাজি?
মন্টু: রাজি।
বিরতির পর দেখা গেল, নায়ক লাফিয়ে পড়ল এবং মারা গেল। মন্টু জিতে নিল ১০০ টাকা।
মন্টু: হা হা, আমি আসলে তোকে বোকা বানিয়েছি। এই ছবি আমি আগেও একবার দেখেছি।
ঝন্টু: তুই তো মোটে একবার, আমি এই ছবি আগে চারবার দেখেছি। কিন্তু ভাবিইনি বোকাটা একই ভুল এতবার করবে!